শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৩৩ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবকে ২৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারে ৪৮টি এফ-৩৫ স্টেলথ যুদ্ধবিমান বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটি সৌদির জন্য সর্বশেষ বড় অস্ত্র ক্রয়ের ঘটনা। বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানাচ্ছে, রিয়াদ দীর্ঘদিন ধরে এফ-৩৫ কেনার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে একমাত্র এফ-৩৫ ব্যবহারকারী দেশ ইসরায়েল সৌদির কাছে এই যুদ্ধবিমান বিক্রির ব্যাপারে উদ্বেগ জানিয়ে আসছে।
এফ-৩৫ একটি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান, যা রাডারে সহজে ধরা পড়ে না। এটি আকাশ ও স্থল— উভয় ধরনের লক্ষ্যবস্তুতে অভিযান চালাতে সক্ষম। সৌদি আরব যদি এফ-৩৫ পায়, তাহলে ইসরায়েলের পর মধ্যপ্রাচ্যে এই যুদ্ধবিমান ব্যবহারকারী দ্বিতীয় দেশ হবে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত বিক্রি সৌদি আরবের নিজ ভূখণ্ডের প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করবে এবং বর্তমান ও ভবিষ্যৎ হুমকি মোকাবিলায় দেশটির প্রতিরোধ সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে। একই সঙ্গে মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে সৌদি বাহিনীর সমন্বয় সক্ষমতাও উন্নত হবে।
সৌদি দূতাবাস এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে বলেছে, এটি যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি সম্পর্কের শক্তি ও দীর্ঘস্থায়ী ভিত্তির প্রতিফলন। দুই দেশের নিরাপত্তা সহযোগিতা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও যৌথ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলেও জানানো হয়েছে।
এদিকে, ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তেহরানের বাহিনীর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠেছে সৌদি আরব। ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতিদের হামলারও শিকার হয়েছে দেশটি।
সৌদি আরবের কাছে এফ-৩৫ বিক্রির প্রস্তাব মার্কিন কংগ্রেসকে জানানো হয়েছে। চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আইনপ্রণেতাদের সম্মতি প্রয়োজন। তবে যুদ্ধবিমান সরবরাহের সময়সীমা জানানো হয়নি। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, এই বিক্রি মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ভারসাম্যে কোনো পরিবর্তন আনবে না। কারণ, দীর্ঘদিনের মার্কিন নীতির অংশ হিসেবে সম্ভাব্য আঞ্চলিক প্রতিপক্ষের তুলনায় ইসরায়েলের সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখার বিষয়টি বিবেচনা করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র এতদিন কেবল ঘনিষ্ঠ মিত্রদের কাছেই এফ-৩৫ বিক্রি করেছে। তবে চীনা গুপ্তচরবৃত্তির আশঙ্কা নিয়ে ওয়াশিংটনের উদ্বেগ রয়েছে। নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের সঙ্গে চীনের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বেইজিং এফ-৩৫-এর প্রযুক্তি পেতে পারে বলে মার্কিন গোয়েন্দা বিশ্লেষকেরা আশঙ্কা করছেন।
প্রসঙ্গত, চলতি বছর সৌদি আরবের একাধিক বড় অস্ত্র কেনার অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সেপ্টেম্বরে রিয়াদের কাছে ৫ বিলিয়ন ডলারে ১০ হাজারের বেশি বোমা, যার মধ্যে ২ হাজার পাউন্ড ওজনের বোমাও রয়েছে, বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়।
এ ছাড়া ৭৫০ মিলিয়ন ডলারে ৬০টি ট্যাংক ইঞ্জিন এবং জুলাইয়ে ১ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলারে রকেটকে নির্ভুল অস্ত্রে রূপান্তরের সরঞ্জাম বিক্রির চুক্তিও অনুমোদন করেছে ওয়াশিংটন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্রিকেট বর্তমানে উপমহাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা। এ কারণে ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ সর্বদা তুঙ্গে থাকে। যখন ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত জীবনে শোবিজ তারকারা যুক্ত হন, তখন তা ভিন্ন মাত্রা সৃষ্টি করে। বলিউডের অনেক তারকা ক্রিকেট তারকাদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।
মনসুর আলি খান পাতৌদি ভারতের টেস্ট ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ছিলেন। ১৯৬৫ সালে দিল্লির একটি পার্টিতে অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়। ধর্মীয় পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও, ১৯৬৯ সালে তারা বিয়ে করেন।
বিরাট কোহলি ও আনুশকা শর্মা
ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি এবং বলিউড অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা ২০১৭ সালের ১১ ডিসেম্বর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের বিয়ের অনুষ্ঠানটি ওই বছরের সবচেয়ে স্মরণীয় একটি আয়োজন ছিল।
যুবরাজ সিং ও হ্যাজেল কিচ
যুবরাজ সিং এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি যতবার হ্যাজেল কিচের সঙ্গে কফি খেতে চেয়েছেন, হ্যাজেল ততবার রাজি হয়েছেন। কিন্তু যেদিন কফি খাওয়ার পরিকল্পনা থাকত, সেদিন হ্যাজেল ফোন বন্ধ করে রাখতেন। এভাবে প্রায় এক বছর ধরে যুবরাজ সিং এবং হ্যাজেল কিচের সাক্ষাৎ হতে সময় লেগেছিল। অবশেষে, তারা ২০১৫ সালে বালির একটি সৈকতে বাগদান সম্পন্ন করেন এবং ২০১৬ সালে বিয়ে করেন।
জহির খান ও সাগরিকা ঘাটগে
‘চাক দে!’ সিনেমার হকি তারকা প্রীতি সবরওয়ালের চরিত্রে অভিনয় করা অভিনেত্রী সাগরিকা ঘাটগে সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার জহির খানের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। তাদের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারা বাগদানের ঘোষণা দেন। যুবরাজ এবং হ্যাজেলের বিয়ের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে একসঙ্গে যোগ দেওয়ার পর তাদের সম্পর্ক প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে আসে।
হরভজন সিং ও গীতা বসরা
ভারতের প্রাক্তন অফস্পিনার হরভজন সিং ২০১৫ সালে ব্রিটিশ-ভারতীয় অভিনেত্রী গীতা বসরার সঙ্গে বিয়ে করেন। তাদের প্রেমের সম্পর্ক প্রায় পাঁচ থেকে ছয় বছরের ছিল।
সংগীতা বিজলানি এবং মোহাম্মদ আজহারউদ্দিনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটে ১৯৯৬ সালে। এরপর তারা প্রেমে পড়েন এবং সংগীতাকে বিয়ের জন্য প্রথম স্ত্রীকে তালাক দেন আজহারউদ্দিন। সে সময় সংগীতা নিজের নাম পরিবর্তন করে আয়েশা আজহার রাখেন। এত আয়োজনের পরেও, ১৪ বছর সংসার করার পর ২০১০ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট বিভাগের ডিজিটাল ডাকঘর সমূহের তিনমাস মেয়াদী কম্পিউটার "ডিপ্লোমা ইন সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন" কোর্সের সার্টিফিকেট পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
আজ শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) নগরীর রাজা জি.সি. উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় এই পরীক্ষাটি, যা বাংলাদেশ ডাক বিভাগের অধীনস্থ পোস্টাল একাডেমি, রাজশাহী এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
ডেপুটি পোস্টমাস্টার জেনারেল, সিলেট বিভাগ সিলেট সুজিত চক্রবর্তীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে সিলেট পোস্টাল বিভাগের পোস্ট অফিস সুপার মলয় কান্তি সরকার এবং পোস্ট অফিস পরিদর্শক জনাব বাবলু রায় পরীক্ষার কেন্দ্রের সাচিবিক দায়িত্ব পালন করেন।
বিভিন্ন পরীক্ষা হলে হল পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সিলেট বিভাগীয় অফিসের পোস্টাল অপারেটর জনাব দেবপ্রসাদ পাল, মোঃ আব্দুল বাসিত, মোঃ সাইফুল শিকদার, পোস্ট ই-সেন্টার কো-অর্ডিনেটর রোহেল আহমদ, জনাব নাসির উদ্দিন, বলরাম বনিক, জনাব মাহবুবুর রহমান, জনাব আতিকুর রহমান, জনাব আল-আমীন, লায়েছ আহমদ, মাছুম আহমদ, সুহেল আহমদ প্রমুখ।
এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সিলেট পোস্টাল বিভাগের বিভিন্ন ডিজিটাল ডাকঘর এর প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১৯৯৫ সালে মুক্তি পায় ‘বীরগতি’ সিনেমা। নায়িকা পূজা দাদবালের জন্য যেন রুপালি পর্দার একটি নতুন দরজা খুলে গিয়েছিল। মাত্র ১৭ বছর বয়সে তিনি সালমান খানের বিপরীতে বলিউডে প্রবেশ করেন। তবে প্রত্যাশিত সাফল্য তার কাছে আসেনি। জীবনযাত্রা পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে না গিয়ে, পরে তিনি অভিনয় ছেড়ে গোয়ায় সংসার পাতেন।
২০১৮ সালে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে, সালমান তার চিকিৎসার খরচে সাহায্য করেন।
‘বীরগতি’ সিনেমাটি বক্স অফিসে সেভাবে সফলতা অর্জন করতে পারেনি। পূজা ভেবেছিলেন এরপর একের পর এক কাজ আসবে, কিন্তু তা হয়নি। অভিনয়ের পাশাপাশি ছোটপর্দায় কাজ করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু সেখানেও দর্শকদের নজর কাড়তে পারেননি। তাই এক সময় অভিনয় জগত থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন পূজা।
বিয়ের পর গোয়ায় সংসার গড়েন। সেখানে স্বামীর সঙ্গে একটি ‘ক্যাসিনো’ পরিচালনার কাজে যুক্ত হন। বলিউডের আলো, ক্যামেরা, শুটিং— সবকিছু থেকে অনেক দূরে গিয়ে নতুন জীবন শুরু করেন। কিন্তু কয়েক বছর পর আচমকাই অন্ধকার নেমে আসে।
২০১৮ সালে যক্ষ্মায় আক্রান্ত হন পূজা। ফুসফুসে একাধিক সমস্যা দেখা দেয়। ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়তে থাকেন তিনি। চিকিৎসার খরচ জোগাড় করাও কঠিন হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি আরও জটিল হয় যখন বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সেই সময়ে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির কাছ থেকেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাননি তিনি। শেষ পর্যন্ত প্রায় নিঃস্ব অবস্থায় মুম্বাইয়ে ফিরে আসেন সালমানের নায়িকা।
পাশে দাঁড়ানোর মতো মানুষ ছিল হাতেগোনা। এক শুভাকাঙ্ক্ষীর সাহায্যে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন। কিন্তু চিকিৎসার খরচ বাড়তে থাকে। তখনই পুরোনো পরিচিতদের কাছে সাহায্যের আবেদন জানান অভিনেত্রী।
সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করে পূজা তার অসহায়তার কথা জানান। বলিউডে যাদের সঙ্গে একসময় কাজ করেছিলেন, তাদের কাছেও সাহায্যের আবেদন করেন। সেই ভিডিও নজর এড়ায়নি সালমান খানেরও। পূজার দুঃসময়ে তিনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।
জানা গেছে, পূজার চিকিৎসার খরচ ছয় মাস ধরে বহন করেছিলেন সালমান। রবি কিশনও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়ে সেই সহায়তা পূজার কাছে নতুন করে বেঁচে থাকার অবলম্বন হয়ে দাঁড়ায়। পরে সালমান খানের সাহায্যের কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পূজা বলেছিলেন— ‘আজ আমি যে দ্বিতীয় জীবন পেয়েছি, তা ওর জন্যই। সালমানের কাছে সারাজীবন কৃতজ্ঞ।'
তবে সুস্থ হয়ে ওঠার পরও তার জীবন খুব একটা মসৃণ হয়নি। ২০২০ সালে আবার অভিনয়ে ফেরার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সেভাবে সুযোগ আসেনি। সংসার চালানোর জন্য এখন টিফিন পরিষেবার ব্যবসা শুরু করেছেন পূজা দাদবাল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী এডভোকেট আহমেদ আযম খান এমপি মন্তব্য করেছেন যে, দেশের উন্নয়ন দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করার জন্য বিদেশি বিনিয়োগ অপরিহার্য। তিনি উল্লেখ করেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিদেশি বিনিয়োগকারীদের দেশে বিনিয়োগের জন্য আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছেন। এটি শুধুমাত্র আমাদের মতো গরিব দেশের জন্য নয়, বরং উন্নত দেশগুলোও বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা শুধু অর্থ বিনিয়োগ করবেন না, বরং দেশের কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি করবেন। স্থানীয় জনগণকে প্রথমে চাকরি দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, চিনা বিনিয়োগকারীরা যেন পরিবেশবান্ধব মিল ইন্ডাস্ট্রি নির্মাণে মনোযোগ দেন, সেদিকে স্থানীয় জনগণের নজর রাখতে হবে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সখিপুর উপজেলার দারিয়াপুর ইউনিয়নের দেওবাড়ি চাকলা পাড়া এলাকায় চায়না ফিড ও টেক্সটাইল ফ্যাক্টরি নির্মাণের স্থান পরিদর্শনকালে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব মন্তব্য করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চীনা কোম্পানির প্রতিনিধি মিস্টার স্কাই, সিনিয়র যুগ্ম সচিব আমিন শরীফ সুপন, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ নাজিম উদ্দিন মাস্টার, সহ-সভাপতি মোঃ নাসির উদ্দিন, মোঃ আকবর হোসেন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ কবির হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক শিকদার মোঃ সবুর রেজা, কান্ট্রি ডিরেক্টর আনিসুর রহমান, পৌর সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মাহবুবুর রহমান টিপু প্রমুখ।
আযম খান আরও বলেন, আমি সরকারের মন্ত্রী, কিন্তু আপনাদের এমপি। যে কোন বিনিয়োগে আপনাদের স্বার্থই আমার অগ্রাধিকার। এজন্য আমি বারবার আপনাদের মাঝে আসি। বিগত সরকারের সময় এমপি ছিলেন শাসক, এখন এমপি হলেন সেবক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ