ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ক্রিকেটারদের সাথে বিয়ে করেছেন যেসব বলিউড তারকা


ক্রিকেটারদের সাথে বিয়ে করেছেন যেসব বলিউড তারকা

ক্রিকেট বর্তমানে উপমহাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা। এ কারণে ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ সর্বদা তুঙ্গে থাকে। যখন ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত জীবনে শোবিজ তারকারা যুক্ত হন, তখন তা ভিন্ন মাত্রা সৃষ্টি করে। বলিউডের অনেক তারকা ক্রিকেট তারকাদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।

মনসুর আলি খান পাতৌদি ভারতের টেস্ট ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ছিলেন। ১৯৬৫ সালে দিল্লির একটি পার্টিতে অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়। ধর্মীয় পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও, ১৯৬৯ সালে তারা বিয়ে করেন।

বিরাট কোহলি ও আনুশকা শর্মা

আরও পড়ুন: মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া

ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি এবং বলিউড অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা ২০১৭ সালের ১১ ডিসেম্বর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের বিয়ের অনুষ্ঠানটি ওই বছরের সবচেয়ে স্মরণীয় একটি আয়োজন ছিল।

যুবরাজ সিং ও হ্যাজেল কিচ

যুবরাজ সিং এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি যতবার হ্যাজেল কিচের সঙ্গে কফি খেতে চেয়েছেন, হ্যাজেল ততবার রাজি হয়েছেন। কিন্তু যেদিন কফি খাওয়ার পরিকল্পনা থাকত, সেদিন হ্যাজেল ফোন বন্ধ করে রাখতেন। এভাবে প্রায় এক বছর ধরে যুবরাজ সিং এবং হ্যাজেল কিচের সাক্ষাৎ হতে সময় লেগেছিল। অবশেষে, তারা ২০১৫ সালে বালির একটি সৈকতে বাগদান সম্পন্ন করেন এবং ২০১৬ সালে বিয়ে করেন।

জহির খান ও সাগরিকা ঘাটগে

আরও পড়ুন: জুনিয়র মাস্টারশেফের সঞ্চালকের ভূমিকায় মেগান মার্কেল

‘চাক দে!’ সিনেমার হকি তারকা প্রীতি সবরওয়ালের চরিত্রে অভিনয় করা অভিনেত্রী সাগরিকা ঘাটগে সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার জহির খানের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। তাদের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারা বাগদানের ঘোষণা দেন। যুবরাজ এবং হ্যাজেলের বিয়ের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে একসঙ্গে যোগ দেওয়ার পর তাদের সম্পর্ক প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে আসে।

হরভজন সিং ও গীতা বসরা

ভারতের প্রাক্তন অফস্পিনার হরভজন সিং ২০১৫ সালে ব্রিটিশ-ভারতীয় অভিনেত্রী গীতা বসরার সঙ্গে বিয়ে করেন। তাদের প্রেমের সম্পর্ক প্রায় পাঁচ থেকে ছয় বছরের ছিল।

সংগীতা বিজলানি এবং মোহাম্মদ আজহারউদ্দিনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটে ১৯৯৬ সালে। এরপর তারা প্রেমে পড়েন এবং সংগীতাকে বিয়ের জন্য প্রথম স্ত্রীকে তালাক দেন আজহারউদ্দিন। সে সময় সংগীতা নিজের নাম পরিবর্তন করে আয়েশা আজহার রাখেন। এত আয়োজনের পরেও, ১৪ বছর সংসার করার পর ২০১০ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে।

আরও পড়ুন: জয়ের বাবার সঙ্গে স্পিকারের পুরোনো ছবি, ভক্তদের মন্তব্য ‘এবার জমি নিশ্চিত’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটে ডিজিটাল ডাকঘরের সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন কোর্সের পরীক্ষা সম্পন্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৭ পি.এম


সিলেটে ডিজিটাল ডাকঘরের সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন কোর্সের পরীক্ষা সম্পন্ন

সিলেট বিভাগের ডিজিটাল ডাকঘর সমূহের তিনমাস মেয়াদী কম্পিউটার "ডিপ্লোমা ইন সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন" কোর্সের সার্টিফিকেট পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

আজ শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) নগরীর রাজা জি.সি. উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় এই পরীক্ষাটি, যা বাংলাদেশ ডাক বিভাগের অধীনস্থ পোস্টাল একাডেমি, রাজশাহী এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।

ডেপুটি পোস্টমাস্টার জেনারেল, সিলেট বিভাগ সিলেট সুজিত চক্রবর্তীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে সিলেট পোস্টাল বিভাগের পোস্ট অফিস সুপার মলয় কান্তি সরকার এবং পোস্ট অফিস পরিদর্শক জনাব বাবলু রায় পরীক্ষার কেন্দ্রের সাচিবিক দায়িত্ব পালন করেন।

বিভিন্ন পরীক্ষা হলে হল পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সিলেট বিভাগীয় অফিসের পোস্টাল অপারেটর জনাব দেবপ্রসাদ পাল, মোঃ আব্দুল বাসিত, মোঃ সাইফুল শিকদার, পোস্ট ই-সেন্টার কো-অর্ডিনেটর রোহেল আহমদ, জনাব নাসির উদ্দিন, বলরাম বনিক, জনাব মাহবুবুর রহমান, জনাব আতিকুর রহমান, জনাব আল-আমীন, লায়েছ আহমদ, মাছুম আহমদ, সুহেল আহমদ প্রমুখ।

এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সিলেট পোস্টাল বিভাগের বিভিন্ন ডিজিটাল ডাকঘর এর প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৭ বছর বয়সেই সালমানের নায়িকা পূজা দাদবাল, কঠিন বিপদেও পাশে ছিলেন ভাইজান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৮ পি.এম


১৭ বছর বয়সেই সালমানের নায়িকা পূজা দাদবাল, কঠিন বিপদেও পাশে ছিলেন ভাইজান

১৯৯৫ সালে মুক্তি পায় ‘বীরগতি’ সিনেমা। নায়িকা পূজা দাদবালের জন্য যেন রুপালি পর্দার একটি নতুন দরজা খুলে গিয়েছিল। মাত্র ১৭ বছর বয়সে তিনি সালমান খানের বিপরীতে বলিউডে প্রবেশ করেন। তবে প্রত্যাশিত সাফল্য তার কাছে আসেনি। জীবনযাত্রা পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে না গিয়ে, পরে তিনি অভিনয় ছেড়ে গোয়ায় সংসার পাতেন।

২০১৮ সালে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে, সালমান তার চিকিৎসার খরচে সাহায্য করেন।

‘বীরগতি’ সিনেমাটি বক্স অফিসে সেভাবে সফলতা অর্জন করতে পারেনি। পূজা ভেবেছিলেন এরপর একের পর এক কাজ আসবে, কিন্তু তা হয়নি। অভিনয়ের পাশাপাশি ছোটপর্দায় কাজ করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু সেখানেও দর্শকদের নজর কাড়তে পারেননি। তাই এক সময় অভিনয় জগত থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন পূজা।

বিয়ের পর গোয়ায় সংসার গড়েন। সেখানে স্বামীর সঙ্গে একটি ‘ক্যাসিনো’ পরিচালনার কাজে যুক্ত হন। বলিউডের আলো, ক্যামেরা, শুটিং— সবকিছু থেকে অনেক দূরে গিয়ে নতুন জীবন শুরু করেন। কিন্তু কয়েক বছর পর আচমকাই অন্ধকার নেমে আসে।

২০১৮ সালে যক্ষ্মায় আক্রান্ত হন পূজা। ফুসফুসে একাধিক সমস্যা দেখা দেয়। ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়তে থাকেন তিনি। চিকিৎসার খরচ জোগাড় করাও কঠিন হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি আরও জটিল হয় যখন বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সেই সময়ে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির কাছ থেকেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাননি তিনি। শেষ পর্যন্ত প্রায় নিঃস্ব অবস্থায় মুম্বাইয়ে ফিরে আসেন সালমানের নায়িকা।

পাশে দাঁড়ানোর মতো মানুষ ছিল হাতেগোনা। এক শুভাকাঙ্ক্ষীর সাহায্যে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন। কিন্তু চিকিৎসার খরচ বাড়তে থাকে। তখনই পুরোনো পরিচিতদের কাছে সাহায্যের আবেদন জানান অভিনেত্রী।

সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করে পূজা তার অসহায়তার কথা জানান। বলিউডে যাদের সঙ্গে একসময় কাজ করেছিলেন, তাদের কাছেও সাহায্যের আবেদন করেন। সেই ভিডিও নজর এড়ায়নি সালমান খানেরও। পূজার দুঃসময়ে তিনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।

জানা গেছে, পূজার চিকিৎসার খরচ ছয় মাস ধরে বহন করেছিলেন সালমান। রবি কিশনও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়ে সেই সহায়তা পূজার কাছে নতুন করে বেঁচে থাকার অবলম্বন হয়ে দাঁড়ায়। পরে সালমান খানের সাহায্যের কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পূজা বলেছিলেন— ‘আজ আমি যে দ্বিতীয় জীবন পেয়েছি, তা ওর জন্যই। সালমানের কাছে সারাজীবন কৃতজ্ঞ।'

তবে সুস্থ হয়ে ওঠার পরও তার জীবন খুব একটা মসৃণ হয়নি। ২০২০ সালে আবার অভিনয়ে ফেরার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সেভাবে সুযোগ আসেনি। সংসার চালানোর জন্য এখন টিফিন পরিষেবার ব্যবসা শুরু করেছেন পূজা দাদবাল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদেশী বিনিয়োগ ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৮ পি.এম


বিদেশী বিনিয়োগ ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী এডভোকেট আহমেদ আযম খান এমপি মন্তব্য করেছেন যে, দেশের উন্নয়ন দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করার জন্য বিদেশি বিনিয়োগ অপরিহার্য। তিনি উল্লেখ করেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিদেশি বিনিয়োগকারীদের দেশে বিনিয়োগের জন্য আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছেন। এটি শুধুমাত্র আমাদের মতো গরিব দেশের জন্য নয়, বরং উন্নত দেশগুলোও বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা শুধু অর্থ বিনিয়োগ করবেন না, বরং দেশের কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি করবেন। স্থানীয় জনগণকে প্রথমে চাকরি দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, চিনা বিনিয়োগকারীরা যেন পরিবেশবান্ধব মিল ইন্ডাস্ট্রি নির্মাণে মনোযোগ দেন, সেদিকে স্থানীয় জনগণের নজর রাখতে হবে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সখিপুর উপজেলার দারিয়াপুর ইউনিয়নের দেওবাড়ি চাকলা পাড়া এলাকায় চায়না ফিড ও টেক্সটাইল ফ্যাক্টরি নির্মাণের স্থান পরিদর্শনকালে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব মন্তব্য করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চীনা কোম্পানির প্রতিনিধি মিস্টার স্কাই, সিনিয়র যুগ্ম সচিব আমিন শরীফ সুপন, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ নাজিম উদ্দিন মাস্টার, সহ-সভাপতি মোঃ নাসির উদ্দিন, মোঃ আকবর হোসেন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ কবির হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক শিকদার মোঃ সবুর রেজা, কান্ট্রি ডিরেক্টর আনিসুর রহমান, পৌর সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মাহবুবুর রহমান টিপু প্রমুখ।

আযম খান আরও বলেন, আমি সরকারের মন্ত্রী, কিন্তু আপনাদের এমপি। যে কোন বিনিয়োগে আপনাদের স্বার্থই আমার অগ্রাধিকার। এজন্য আমি বারবার আপনাদের মাঝে আসি। বিগত সরকারের সময় এমপি ছিলেন শাসক, এখন এমপি হলেন সেবক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইসিসিবিতে শুক্রবারের সুপার সেল কার বাজারে জমজমাট বেচাকেনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৯ পি.এম


আইসিসিবিতে শুক্রবারের সুপার সেল কার বাজারে জমজমাট বেচাকেনা

রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরাতে (আইসিসিবি) প্রতি শুক্রবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘সুপার সেল কার বাজার’। শুরু থেকেই ব্যাপক সাড়া পাওয়া এই বাজারে আজও গাড়ির বেচাকেনা হয়েছে জমজমাটভাবে।

গাড়ির সংখ্যা বাড়ানোর জন্য আজ ৯০ হাজার স্কয়ার ফিট জায়গাজুড়ে বিস্তৃত ছিল সুপার সেল কার বাজার। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এই বাজার থেকে ক্রেতারা স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের পছন্দের বাইক ও গাড়ি কিনতে সক্ষম হয়েছেন।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় ক্রেতা-বিক্রেতাদের জন্য বাজারটি খোলে এবং তা সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলে। সকালে বাজার খোলার পর থেকেই দলে দলে বাইক ও গাড়িপ্রেমীরা সুপার সেল কার বাজারে আসতে শুরু করেন।

বাজারে ঘুরতে আসা কেউ কেউ নিজেদের ব্যবহৃত গাড়ি বিক্রির জন্য সিরিয়ালে সাজিয়ে রাখেন। এদিন পুরোনো গাড়ির পাশাপাশি নতুন ইলেকট্রিক গাড়িও বাজারে এসেছে।

চাংগান ও ডিপাল (ডিএইচএস অটোস)-এর হেড অব সেলস আলফাত হোসেন খান বলেন, "আন্তর্জাতিক অটোমোবাইল ব্র্যান্ড ডিপাল ও চাংগান। সাম্প্রতিক সময়ে দেশে ইলেকট্রিক ভেহিকেল (ইভি) ও প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ির চাহিদা ব্যাপক বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে, ক্রেতাদের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে আমরা এই কার বাজারে অংশ নিয়েছি।"

তিনি আরও বলেন, "বর্তমানে একটি ব্যবহৃত বা রিকন্ডিশন গাড়ি কিনতে গেলেও গ্রাহককে বড় অঙ্কের টাকা ব্যয় করতে হয়। কিন্তু প্রায় সমপরিমাণ টাকাতেই ওয়ারেন্টিসহ একটি সম্পূর্ণ ব্র্যান্ড নিউ গাড়ি কেনার সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। তাই রিকন্ডিশন ছেড়ে ব্র্যান্ড নিউ গাড়ি বেছে নেওয়াই হবে বুদ্ধিমত্তার পরিচয়।"

আলফাত হোসেন খান জানান, "আমাদের কালেকশনে মূলত ইলেকট্রিক, প্লাগ-ইন হাইব্রিড এবং গ্যাসোলিন বা তেলের গাড়ি রয়েছে। এটি গ্রাহকদের সবচেয়ে চাহিদাবহুল ও আকর্ষণীয় মডেল, যা থাইল্যান্ডের প্ল্যান্ট থেকে আসছে। গাড়িটি শুধু ব্যাটারির শক্তিতে (একবার চার্জে) ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে পারে। তেল ও চার্জ– উভয় জ্বালানি ব্যবহারের মাধ্যমে এটি সর্বমোট ১২৩৪ কিলোমিটার পর্যন্ত রেঞ্জ দিয়ে থাকে।"

সুপার সেল কার বাজার থেকে ক্রেতা গাড়ি কেনার আগে তার আসল অবস্থা, পূর্বের ইতিহাস এবং পার্টসের কোনো ত্রুটি আছে কি না, তা জানার ব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি ক্রেতাকে শুধু কাগজ-কলমে বা কথা শুনেই সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে না। এখানে টেস্ট ড্রাইভ করে গাড়ি পরীক্ষা করার সুযোগও রয়েছে।

কার বাজারের ক্রেতাদের গাড়ি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য মোবাইল সার্ভিস ভ‍্যান প্রস্তুত করে অপেক্ষা করছিলেন হুন্দাইয়ের তেজগাঁও শাখার সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ সিয়াম। তিনি বলেন, "সুপার সেল কার বাজারে অনেক গাড়ি বিক্রি হয়। এখানে পুরোনো, রিকন্ডিশন ও ব্র্যান্ড নিউ গাড়ি রয়েছে।"

মোহাম্মদ সিয়াম আরও বলেন, "আমরা ক্রেতাদের সহায়তা করার জন্য মোবাইল সার্ভিস ভ‍্যান নিয়ে কার বাজারে আছি। ক্রেতা গাড়ি কিনে আমাদের কাছে নিয়ে এলে আমরা তার পুরো গাড়ির হেলথ চেকআপ ফ্রিতে করে দেব। গাড়ির ইঞ্জিন, গিয়ার বক্সসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক আইটেমগুলো কী কী কন্ডিশনে আছে, তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সম্পূর্ণ একটা রিপোর্ট আমরা কাস্টমারকে দিই। যাতে ক্রেতা রিপোর্ট দেখে বুঝতে পারেন গাড়িটি কেনার উপযোগী কি না।"

সুপার সেল কার বাজারে মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালের ঝামেলা ছাড়াই বিক্রেতার সঙ্গে সরাসরি কথা বলে সঠিক দামে গাড়ি কেনার ব্যবস্থা রয়েছে।

ক্রেতার পাশাপাশি এই বাজারে দর্শনার্থীদের উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য। তারা বাইক ও গাড়ি দেখার জন্য ঘুরে ঘুরে সময় কাটিয়েছেন। কেউ কেউ কার বাজারের ইনফরমেশন ডেস্ক থেকে গাড়ির মডেল ও মার্কেট প্রাইস সম্পর্কে ধারণা নিয়েছেন।

কার বাজারের ক্রেতা মানসিব বলেন, "আইসিসিবিতে সুপার সেল কার বাজারে গাড়ি দেখতে এসেছি। এখানে এক ছাদের নিচে অনেক গাড়ি দেখে বেশ ভালো লাগছে।"

তিনি আরও বলেন, "এখানে দালালদের কোনো দৌরাত্ম্য নেই। বিষয়টি অনেক ভালো লেগেছে। আমি অনেকদিন ধরে ঢাকায় থাকি। তাই ঢাকার অনেক স্বনামধন্য শোরুমগুলো চিনি। সেই শোরুমগুলোর গাড়ি এখানে আসছে। সুপারসেল কার বাজারের পরিবেশটা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় ক্রেতারা স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরে ঘুরে গাড়ি পছন্দ করছেন।"

এদিকে, সুপার সেল কার বাজারে গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে ব্যাংক থেকে কার লোনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এই বাজারের ক্রেতাদের জন্য ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নতুন ও পুরোনো এবং রিকন্ডিশন গাড়ির লোন দিতে বেশ কয়েকটি ব্যাংকের বুথ রয়েছে।

গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে গাড়ি কেনাবেচার এই আসর প্রতি শুক্রবার বসছে। সুপার সেল কার বাজার উদ্বোধনী দিনেই অনেকের নজর কেড়েছে। বহুবিধ ব্যস্ততার এই শহরে এমন আয়োজনকে স্বস্তিদায়ক বলছেন অনেক ক্রেতা।

উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের অটোমোবাইল বাজারে ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিয়মিত ও আধুনিক মার্কেটপ্লেসের প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়েছে। সুপার সেল কার বাজার সেই চাহিদা পূরণে একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। এর মাধ্যমে ক্রেতারা এক জায়গায় বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও মডেলের যানবাহন সম্পর্কে জানার এবং তুলনা করার সুযোগ পাচ্ছেন। পাশাপাশি বিক্রেতারাও সরাসরি ক্রেতাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন।

সুপার সেল কার বাজার আয়োজন করছে উইজার্ড শোবিজ এবং ভেন্যু পার্টনার হিসেবে রয়েছে আইসিসিবি। এ আয়োজনে বিভিন্ন ব্র্যান্ড, ডিলারশিপ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও অটোমোবাইল সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। পাশাপাশি ব্যক্তি মালিকানাধীন নতুন, রিকন্ডিশন্ড ও ব্যবহৃত গাড়ি এবং মোটরসাইকেল বিশেষ ছাড়ে কেনাবেচার সুযোগও রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%