রবিন বরকত উল্যাহ ব্যুরোচীফ, ময়মনসিংহ
০১:০৫ এম
জানা যায়, ৮ জুলাই রাত ৭টার পর ময়মনসিংহ নগরীর ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের চরকালীবাড়ী এলাকা থেকে মিথিলা নামে এক স্বাস্থ্য প্রতিবন্ধী নারীকে অল্প পরিমাণ গাঁজাসহ আটক করেন কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের এসআই আফজাল হোসেন। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর প্রযোজ্য ধারায় মামলা (মামলা নং–৩১) রুজু করা হয়েছে।
দুঃখজনক হলেও আফসোসের বিষয়, যেখানে শত শত সুস্থ-সবল মাদক কারবারি রাজনৈতিক প্রভাবসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মিশে থেকে ইয়াবাসহ নানা ধরনের মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছে, সেখানে তাদের অনেকেই এখনও আইনের ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে। আবার কেউ কেউ গ্রেপ্তার হলেও অল্প সময়ের মধ্যেই জামিনে মুক্ত হয়ে আগের মতোই আগের কার্যক্রমে ফিরে যাচ্ছে—এমন অভিযোগও রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক মাদক কারবারীর অবৈধ উপার্জনে গড়ে ওঠা সম্পদের তথ্য সংশ্লিষ্টদের অজানা নয়। এছাড়া, কিছু অসাধু ব্যক্তির সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সদস্যের যোগসাজশের অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে উঠে আসে। তবে এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া জরুরি।
প্রশ্ন রয়ে যায়—জাতিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া এই ভয়াবহ মাদক বাণিজ্যের মূল হোতাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ও নিরপেক্ষ অভিযান কবে জোরদার হবে? কেবল বাহক নয়, মূল কারবারিদের আইনের আওতায় আনা কি এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি নয়?
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী ১১ জুলাই শনিবার অনুষ্ঠিতব্য ১১ দলীয় জোটের রংপুর বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে আজ বিকেলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা শাখার উদ্যোগে বালিয়াডাঙ্গী চৌরাস্তায় গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় দলীয় নেতাকর্মীরা সাধারণ মানুষের মাঝে মহাসমাবেশের আহ্বানসংবলিত লিফলেট বিতরণ করেন এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে জনসচেতনতা সৃষ্টি করেন। নেতৃবৃন্দ আগামী ১১ জুলাইয়ের বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে সর্বস্তরের জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উত্তরা ব্যাংক লিমিটেডের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় গোপীনাথপুর শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার মো. আরিফুল ইসলামকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে কসবা উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তারা।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে কসবা প্রেসক্লাবের সামনে কসবা ব্যাংকার্স সোসাইটি ও কসবার ব্যাংকার্স ফোরাম যৌথভাবে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেছে।
মানববন্ধনে কসবা ব্যাংকার্স ফোরাম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় এবং কসবা ব্যাংকার্স ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এস.এম কামরুজ্জামান শিবলীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সোনালী ব্যাংকের ম্যানাজার মো. ছানাউল হক সরকার, অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো. নুরুল আলম, ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো. আবদুল্লাহ হিল বাকী, কসবা ব্যাংকার্স সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন, কসবা ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো. সফিউল্লাহ, কসবা প্রেসক্লাব সভাপতি মো. আবুল খায়ের স্বপন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. সোহরাব হোসেন, ব্যাংকার্স ফোরামে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুর রহমান মোল্লা, কর্মসংস্থান ব্যাংকের ব্যাবস্থাপক মো. এরশাদুল হক, সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তা মো. সাইদুর রহমান তুষার, ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলামসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক ও কর্মকর্তারা。
উল্লেখ্য, নিহত মো. আরিফুল ইসলাম (৪৫) উত্তরা ব্যাংক লিমিটেডের কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার ছিলেন। তার বাড়ি জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলায়। কর্মস্থলের কারণে তিনি গোপীনাথপুর গ্রামের জহির মেম্বারের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। গত সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ব্যাংকের দৈনন্দিন কার্যক্রম শেষ করার পর গোপীনাথপুর বাজার অতিক্রম করার সময় একদল দুর্বৃত্ত তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তিনি মারা যান।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলী মোহাম্মদ রাসেদ জানিয়েছেন, নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে গোপীনাথপুর গ্রামের আলী মিয়া ও তার স্ত্রীকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যমুনা সেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে মৃত্যুর মিছিল থামছেই না। এই মহাসড়কে মোটরসাইকেল এবং উত্তরবঙ্গের গাড়িচালকদের মাত্রাতিরিক্ত ওভারটেকিং প্রবণতা, সার্ভিসলেন আটকে রাখায় দুর্ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। গত ছয় মাসে এই মহাসড়কে একের পর এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরে গেছে ১৩০টি তাজা প্রাণ। এই সময়ের মধ্যে ছোট-বড় ১০৮টি দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৮৩ জন। একই সময়ে রেল লাইনের টাঙ্গাইল অংশে ট্রেন দুর্ঘটনায় মারা গেছেন ১৮ জন। এই সকল দুর্ঘটনায় অনন্তত ১৫০ জন আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকেই পঙ্গুত্ববরণ করে জীবতা যাপন করছে। পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, চলতি বছরের মে মাসে মহাসড়কে দুর্ঘটনার তীব্রতা ছিল সবচেয়ে বেশি। মে মাসেই সর্বোচ্চ ৩৯ জন নিহত ও ৩৬ জন আহত হয়েছিলেন। এর মধ্যে গত ২৫ মে দুপুরে কালিহাতী উপজেলায় একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় একটি ট্রাক উল্টে ঘটনাস্থলেই ১৫ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন ৯ জন। নিহতদের মধ্যে ৯ জনের বাড়ি ছিল নওগাঁর মান্দা উপজেলার ভারসো ইউনিয়নে। জানুয়ারি মাসে নিহত ১২ জন, ফেব্রুয়ারিতে ১৬ জন, মার্চে ২৩ জন, এপ্রিলে ২৪ জন এবং জুন মাসে ১৬ জন সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। আহতদের মধ্যে জানুয়ারিতে ৯ জন, ফেব্রুয়ারি ও মার্চে ৭ জন করে, এপ্রিলে ১৮ জন এবং জুনে ৬ জন রয়েছেন।
অপরদিকে, মহাসড়কের পাশাপাশি অরক্ষিত রেলপথেও বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল। গত ছয় মাসে টাঙ্গাইলে ট্রেন দুর্ঘটনায় ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে জানুয়ারি মাসে ১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ২ জন, মার্চে ৮ জন, এপ্রিলে ২ জন এবং মে মাসে ৫ জন। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, জুন মাসে কোনো ট্রেন দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা রেল পুলিশ স্টেশনের মুন্সি আবুল বাশার।
এদিকে, দুর্ঘটনা পরবর্তী সরকারি সহায়তার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) মাধ্যমে টাঙ্গাইলের ট্রাস্টি বোর্ড থেকে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। গত ছয় মাসে মোট ৫২ জন ক্ষতিগ্রস্ত বা তাদের পরিবারকে চেকের মাধ্যমে মোট ২ কোটি ১৬ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান হস্তান্তর করা হয়েছে, বিআরটিএ সূত্র জানিয়েছে।
মোটরসাইকেল চালক মাওলানা মাসুদুর রহমান, আল আমিন, আরাফাত রহমান, রুমনসহ অনেকেই জানিয়েছেন, যমুনাসেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়ক অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এটি দুর্ঘটনা প্রবণ এলাকা। এই মহাসড়কের যে অংশে সার্ভিস লেন রয়েছে, সেখানে বিভিন্ন যানবাহন রেখে আটকে রাখা হয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে মহাসড়কে উঠে যাচ্ছেন মোটরসাইকেল চালকরা। এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত এখনো কোনো সার্ভিস লেন নেই। মহাসড়কের দুই পাশে বালুর স্তূপ অবস্থিত থাকায় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা প্রবল। বালুর স্তূপ সরিয়ে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।
টাঙ্গাইলের বাস কোচ মিনিবাস মালিক সমিতির আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম খান শফিক জানিয়েছেন, এই মহাসড়কে উত্তরাঞ্চলের যানবাহনের দুর্ঘটনার হার বেশি। দুর্ঘটনার জন্য উত্তরাঞ্চলের যানবাহনগুলোর বেপরোয়া গতিকে দায়ী করেছেন তিনি। তিনি অভিযোগ করেন, অদক্ষ চালক দিয়ে উত্তরাঞ্চলের যানবাহনগুলো পরিচালিত হয়।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহনের টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক মাহতাব উদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, যমুনা সেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে বিভিন্ন সময়ে দুর্ঘটনা ঘটছে। এতে প্রাণহানিও ঘটছে। সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধের জন্য পরিবহন মালিক-শ্রমিকসহ অংশীজনদের নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান পরিচালনা করা হয়।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) রবিউল ইসলাম পরামর্শ দিয়েছেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করার জন্য প্রথমত চালককে সচেতন থাকতে হবে। বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো যাবে না। মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে বাঁক রয়েছে। বাঁকগুলোতে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালালে দুর্ঘটনা ঘটবেই। সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিরোধে নিয়ম মেনে চললে দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমে আসবে। চালকদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিয়ে গাড়ি চালাতে হবে। অদক্ষ চালক দিয়ে গাড়ি চালানো যাবে না। পথচারীদের ট্রাফিক আইন মেনে চলতে হবে।
তিনি জানিয়েছেন, সার্ভিস লেন থেকে মহাসড়কে উঠে অনেক মোটরসাইকেল চালক গাড়ি চালাচ্ছেন। সেটি থেকে তাদের বিরত থাকতে হবে এবং অতিরিক্ত গতি থেকে সরে আসতে হবে। দুর্ঘটনার বড় একটি কারণ হলো ওভারটেক করা। এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটে প্রায় দেড় কোটি টাকা মূল্যের সরকারি জমি উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে গোয়াইনঘাট উপজেলার সালুটিকর বাজার এলাকায় সিলেট জেলা পরিষদের উদ্যোগে একটি উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে জমিটি উদ্ধার করা হয়। এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম।
জেলা পরিষদ সূত্র থেকে জানা যায়, সালুটিকর মৌজার ১৬২ নম্বর জেএল এবং ২ নম্বর খতিয়ানের ৪৭২, ৪৭৪ ও ৭৫৫ নম্বর দাগভুক্ত জেলা পরিষদের মালিকানাধীন প্রায় ৩০ শতক জমি এটি ছিল, যা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখলে ছিল। লিজ ছাড়াই কয়েকজন ব্যক্তি সেখানে অবৈধভাবে দোকানপাট তৈরি করে ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন। আরও জানা যায়, জেলা পরিষদের জায়গায় অবৈধভাবে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও পিকআপের স্ট্যান্ডও গড়ে তোলা হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার পরিচালিত উচ্ছেদ অভিযানে সকল অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করে সরকারি জমিটি দখলমুক্ত করা হয়। এ পর জামির সীমানা চিহ্নিত করে কাটাতারের বেড়া দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।
জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম জানান, উদ্ধার হওয়া জমিতে জেলা পরিষদের উদ্যোগে কৃষকদের জন্য একটি আধুনিক ‘কৃষক বাজার’ নির্মাণ করা হবে। এর ফলে কৃষকরা মধ্যস্বত্বভোগীদের ছাড়াই সরাসরি ভোক্তাদের কাছে তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য বিক্রি করার সুযোগ পাবেন। এতে তারা পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতভাবে পেতে সক্ষম হবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ