ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আলফাডাঙ্গায় দিনব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, ওষুধও মিলল ফ্রি


আলফাডাঙ্গায় দিনব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, ওষুধও মিলল ফ্রি

অসচ্ছল ও সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবায় পাশে দাঁড়াতে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় দিনব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।


এসো আলফাডাঙ্গা গড়ি’র উদ্যোগে শুক্রবার (২ অক্টোবর) কলেজ রোডের রিয়াদ ভবনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ চিকিৎসকদের পরামর্শ নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধও বিনামূল্যে পেয়েছেন।

কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এস এম বায়েজীদ খান পিবিজিএম, পিএসসি। চিকিৎসাসেবা দেন ডা. মোহাম্মদ শাহ আলম, এমবিবিএস, এফসিপিএস (মেডিসিন), সহযোগী অধ্যাপক, উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং ডা. শ্যামল কুমার বিশ্বাস, এমবিবিএস, স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ, আরামবাগ হাসপাতাল।

আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এস এম বায়েজীদ খান বলেন, মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়। অর্থনৈতিক কারণে অনেক মানুষ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিতে পারেন না। তাদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ দেওয়ার এমন আয়োজন মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন‘এসো আলফাডাঙ্গা গড়ি’র আহ্বায়ক মো. লুৎফর রহমান খান।

সভাপতির বক্তব্যে মো. লুৎফর রহমান খান বলেন, মানুষের কল্যাণে কাজ করাই ‘এসো আলফাডাঙ্গা গড়ি’র মূল লক্ষ্য। চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে না পারা মানুষের পাশে দাঁড়াতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও আলফাডাঙ্গার মানুষের জন্য এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আলফাডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. মনিরুল হক শিকদার, বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের গীতিকার ও সুরকার শামচুদ্দিন হাসু, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এম এম মহিউদ্দিন আহাম্মেদ, আলফাডাঙ্গা এ. জেড. পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ কে এম আজাদুল ইসলাম এবং তরুণ সমাজসেবক হুমায়ুন কবির।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ

সভা পরিচালনা করেন ‘এসো আলফাডাঙ্গা গড়ি’র যুগ্ম সম্পাদক এম আর রাসেল।

আয়োজকরা জানান, শুধু চিকিৎসকের পরামর্শ নয়, চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের প্রয়োজন অনুযায়ী বিনামূল্যে ওষুধও দেওয়া হয়েছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে দরিদ্র ও অসচ্ছল মানুষের চিকিৎসার ব্যয় কিছুটা হলেও লাঘব হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৩ এম


এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) দেশের পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ১ হাজার ৩০৯ কোটি ৪১ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার।  গত অর্থবছরের একই সময়ে আয় হয়েছিল ১ হাজার ২৩১ কোটি ৩১ লাখ ৭০ হাজার ডলার। ফলে এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যানুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৯৩ কোটি ৭২ লাখ ৩০ হাজার ডলার। গত বছরের একই মাসে আয় হয়েছিল ৩৬২ কোটি ৭৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার। অর্থাৎ সেপ্টেম্বর মাসে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ১ হাজার ৫৭ কোটি ৮৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের ৯৯৭ কোটি ৪ লাখ ২০ হাজার ডলারের চেয়ে ৬ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি।   সেপ্টেম্বরে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩০৮ কোটি ২৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার। গত বছরের একই মাসে এই আয় ছিল ২৮৩ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার। অর্থাৎ এ খাতে সেপ্টেম্বরে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ। তৈরি পোশাকের মধ্যে প্রথম তিন মাসে নিট পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ। এ সময়ে নিট পোশাক থেকে আয় হয়েছে ৫৯৬ কোটি ৩৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার। একই সময়ে ওভেন পোশাক থেকে আয় হয়েছে ৪৬১ কোটি ৪৮ লাখ ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ দশমিক ১১ শতাংশ বেশি। তৈরি পোশাকের বাইরে কয়েকটি খাতেও রপ্তানি ভালো করেছে। প্রথম প্রান্তিকে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে ১৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ। পাট ও পাটজাত পণ্যে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩১ দশমিক ৫৫ শতাংশ। হালকা প্রকৌশল পণ্যে রপ্তানি বেড়েছে ১৬ দশমিক ৫১ শতাংশ এবং গৃহসজ্জার বস্ত্রপণ্যে ১১ দশমিক ৯৪ শতাংশ। ওষুধ রপ্তানিতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। প্রথম তিন মাসে এ খাতের রপ্তানি বেড়েছে ৪০ দশমিক ৩৯ শতাংশ। শুধু সেপ্টেম্বরেই ওষুধ রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে ৬৪ দশমিক ৩৩ শতাংশ। তবে কৃষিপণ্য এবং হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ রপ্তানিতে প্রথম প্রান্তিকে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। রপ্তানি বাজারের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র এখনো বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার।

চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে দেশটিতে রপ্তানি হয়েছে ২৫৯ কোটি ১৬ লাখ ৪০ হাজার ডলারের পণ্য। গত বছরের একই সময়ে রপ্তানি হয়েছিল ২৩২ কোটি ৭৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার। ফলে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি বেড়েছে ১১ দশমিক ৩৪ শতাংশ।   বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি বাজার যুক্তরাজ্য। প্রথম তিন মাসে দেশটিতে রপ্তানি হয়েছে ১৩৭ কোটি ২ লাখ ডলারের পণ্য। তৃতীয় অবস্থানে থাকা জার্মানিতে রপ্তানি হয়েছে ১২১ কোটি ৮৯ লাখ ৯০ হাজার ডলারের পণ্য। উদীয়মান বাজারগুলোর মধ্যে তুরস্কে রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। দেশটিতে রপ্তানি দ্বিগুণেরও বেশি হয়ে ২১ কোটি ৫ লাখ ৪০ হাজার ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত বছরের একই সময়ে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ১০ কোটি ৫২ লাখ ১০ হাজার ডলার। অর্থাৎ তুরস্কে রপ্তানি বেড়েছে ১০০ দশমিক ১১ শতাংশ।

বাংলাদেশের বড় রপ্তানি বাজারগুলোর মধ্যে ভারত ষষ্ঠ এবং জাপান নবম অবস্থানে রয়েছে। ইপিবি বলেছে, প্রথম প্রান্তিকের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি দেশের রপ্তানি খাতের সক্ষমতা ধরে রাখার বিষয়টি তুলে ধরেছে। এই প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনা, নতুন বাজারে প্রবেশ, পণ্যের মানোন্নয়ন এবং বাণিজ্য সহজীকরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইতিহাসে আজকের এই দিনে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫০ এম


ইতিহাসে আজকের এই দিনে

বিশ্বের ইতিহাসে প্রতিদিন ঘটে নানা ঘটনা। নতুন উদ্ভাবন এবং উন্মোচনের পাশাপাশি অনেকের জন্ম এবং মৃত্যু ঘটে। প্রতিদিনের এসব ঘটনার মধ্যে কিছু ঘটনা মানুষের মনে স্থায়ীভাবে দাগ কাটে। কিছু ঘটনা ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নেয়।

শনিবার (৩ অক্টোবর) এক নজরে দেখা যাক তেমন কিছু উল্লেখযোগ্য ঘটনা।

ঘটনাবলি

১৭৯১ সালে ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম মাসিক পত্রিকা ‘ক্যালকাটা ম্যাগাজিন অ্যান্ড ওরিয়েন্টাল মিউজিয়াম’ প্রকাশিত হতে শুরু করে।

১৮৬৬ সালে ভিয়েনায় অস্ট্রিয়া এবং ইতালির মধ্যে ঐতিহাসিক ভিয়েনা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯০০ সালে বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ আয়াতুল্লাহ হাজ্ব মির্যা হাসান শাহরেস্তানী চিরনিদ্রায় শায়িত হন।

১৯৩২ সালে ইরাক ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ থেকে নিজেদের স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯৪৫ সালে বিশ্ব ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৫৮ সালে ইংল্যান্ড প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়।

১৯৭৮ সালে বিশ্বের দ্বিতীয় ও ভারতের প্রথম টেস্ট টিউব শিশুর জন্ম হয়।

১৯৮০ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসকে জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়।

১৯৮৮ সালে সিউল অলিম্পিক শুরু হয়।

১৯৮৯ সালে উচ্চাঙ্গ সংগীতশিল্পী, সুরকার ও সরোদ বাদক ওস্তাদ বাহাদুর হোসেন খান কলকাতায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

১৯৯০ সালে অক্টোবরে দুই জার্মানি অর্থাৎ পূর্ব জার্মানি এবং পশ্চিম জার্মানি আনুষ্ঠানিকভাবে একত্রিত হওয়ার ঘোষণা দেয়।

জন্ম

১৮৭৭ সালে হরেন্দ্র কুমার মুখোপাধ্যায় খ্যাতনামা বাঙালি শিক্ষাবিদ ও পশ্চিমবঙ্গের সাবেক রাজ্যপাল জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৯৫ সালে রুশ কবি সের্গেই ইয়েসেনিনের জন্ম হয়।

১৮৯৭ সালে ফরাসি কবি লুই আরাগঁ জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৯৯ সালে ডেনীয় ভাষাবিজ্ঞানী লুই ইয়েল্ম্‌স্লেভ জন্ম নেন।

১৯০৪ সালে নোবেলজয়ী [১৯৮৭] মার্কিন রসায়নবিদ চার্লস জন পেডারসেন জন্মগ্রহণ করেন।

১৯২০ সালে প্রখ্যাত বেতার ও দূরদর্শন ধারাভাষ্যকার অজয় বসু জন্ম নেন।

১৯৭৩ সালে লিনা হিডি, ব্রিটিশ অভিনেত্রী জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৮৮ সালে আলিসিয়া ভিকান্দার, সুয়েডীয় অভিনেত্রী জন্ম নেন।

মৃত্যু

১৫৯১ সালে ইতালির চিত্রশিল্পী ভিনচেনৎসো ক্যাম্পির জন্ম হয়।

১৮৯৬ সালে উইলিয়াম মরিস, ইংরেজ টেক্সটাইল ডিজাইনার, কবি, ঔপন্যাসিক, অনুবাদক এবং সমাজতান্ত্রিক কর্মী জন্মগ্রহণ করেন।

১৯১৪ সালে স্যার তারকনাথ পালিত, ভারতীয় বাঙালি আইনজ্ঞ ও জনহিতৈষী জন্ম নেন।

১৯২৩ সালে ব্রিটিশ ভারতে প্রথম দুজন মহিলা স্নাতক ও ভারতে তথা দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম মহিলা চিকিৎসক কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায় জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৫২ সালে ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঙালি পণ্ডিত, গবেষক ও সম্পাদক জন্ম নেন।

১৯৮৯ সালে ওস্তাদ বাহাদুর হোসেন খান, বাংলাদেশি উচ্চাঙ্গ সংগীতশিল্পী, সুরকার ও সরোদ বাদক মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৯৩ সালে সাহিত্যিক, সাহিত্যতাত্ত্বিক ও স্বাধীনতাসংগ্রামী গোপাল হালদার মারা যান।

২০০১ সালে সংগীতসাধক বারীণ মজুমদার মৃত্যুবরণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেপালে তুষারধসে ১৫ পর্বতারোহী সহকারীর মৃত্যু, নিখোঁজের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫০ এম


নেপালে তুষারধসে ১৫ পর্বতারোহী সহকারীর মৃত্যু, নিখোঁজের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান

নেপালের হিমলুং শৃঙ্গের বেস ক্যাম্পে তুষারধসে অন্তত ১৫ জন নেপালি পর্বতারোহী সহকারীর মৃত্যু ঘটেছে। এ ঘটনায় আরও একজন নিখোঁজ রয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) উদ্ধারকর্মীরা তুষারচাপা পড়া ক্যাম্প থেকে নতুন করে আটজনের মরদেহ উদ্ধার করেন।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) নেপাল ন্যাশনাল মাউন্টেইন গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তুল সিং গুরুং বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, গত রোববার ভোরে চীন সীমান্তের নিকটবর্তী ৭ হাজার ১২৬ মিটার উচ্চতার হিমলুং শৃঙ্গের বেস ক্যাম্পে এই তুষারধসের ঘটনা ঘটে। সেখানে পরবর্তী পর্বতারোহণ অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে তাঁবু স্থাপন ও দড়ি বাঁধার কাজ করছিলেন নেপালি কর্মীরা।

তুল সিং গুরুং জানান, বৃহস্পতিবার উদ্ধার করা মরদেহগুলো হেলিকপ্টারে করে রাজধানী কাঠমান্ডুতে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। নিখোঁজ একজনকে জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা খুবই কম বলে তিনি উল্লেখ করেন। এই অবস্থায় উদ্ধার অভিযান প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। তুষারধসের সময় ক্যাম্পে কোনো বিদেশি পর্বতারোহী উপস্থিত ছিলেন না।

উদ্ধারকারী দলটি অভিজ্ঞ গাইডসহ ১১ সদস্য নিয়ে চার মিটারেরও বেশি গভীর বরফ খুঁড়ে তল্লাশি কার্যক্রম চালায়। বেস ক্যাম্পের তাঁবুগুলো তুষারের নিচে চাপা পড়েছিল। এর আগে রোববার দুই পর্বতারোহণ গাইড, সোমবার দুই কিচেন স্টাফ এবং মঙ্গলবার আরও তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নেপালে এর আগে বড় ধরনের পর্বতারোহণ দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। ২০১৪ সালে এভারেস্টে তুষারধসে ১৬ জন এবং ২০১৫ সালে ভূমিকম্পের কারণে এভারেস্ট এলাকায় ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

এদিকে, গত ২৬ আগস্ট হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং এখনও নিখোঁজদের সন্ধান চালাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। জাতীয় দুর্যোগ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া ভারী বৃষ্টির ফলে নতুন করে বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বিশ্বের ১৪টি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের মধ্যে আটটি নেপালে অবস্থিত। দেশটির অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো পর্বতারোহণ ও ট্রেকিং পর্যটন। সাত হাজার মিটার উচ্চতার শৃঙ্গ জয়ের লক্ষ্যে অভিযানে অংশ নেওয়া পর্বতারোহীদের জন্য হিমলুং একটি জনপ্রিয় গন্তব্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকার যেসব এলাকায় আজ মার্কেট বন্ধ থাকবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫১ এম


ঢাকার যেসব এলাকায় আজ মার্কেট বন্ধ থাকবে

ঢাকাতে প্রতিদিনই কেনাকাটার জন্য কোথাও না কোথাও যাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। তবে, কোনো মার্কেটে যাওয়ার পূর্বে সেই এলাকার সাপ্তাহিক বন্ধের দিন সম্পর্কে অবগত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায়, বিড়ম্বনায় পড়ার আশঙ্কা থাকে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) তারিখে জানুন, কোন কোন মার্কেট, শপিংমল এবং দোকানপাট বন্ধ থাকবে।

যেসব মার্কেট বন্ধ থাকবে

গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, আজিমপুর সুপার মার্কেট, ফুলবাড়িয়া মার্কেট, সান্দ্রা সুপার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি দোকান, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ধূপখোলা মাঠবাজার, চকবাজার, বাবুবাজার, নয়াবাজার, কাপ্তান বাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ছোট কাটরা, বড় কাটরা হোলসেল মার্কেট, শারিফ ম্যানসন ও ইসলামপুর কাপড়ের দোকান।

যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ

বাংলাবাজার, শ্যামবাজার, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজারীবাগ, দোলাইপাড়, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেণ্ডারিয়া, দয়াগঞ্জ, স্বামীবাগ, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির, যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, গুলিস্তানের দক্ষিণ অংশ, ওয়ারী, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ, কোতোয়ালি থানা, বংশাল, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, শাঁখারী বাজার, চানখারপুল ও লক্ষ্মীবাজার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%