১০:৪৭ এম
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান সাময়িকভাবে একে অপরের বিরুদ্ধে হামলা বন্ধে সম্মত হয়েছে। একই সঙ্গে দুই দেশ হরমুজ প্রণালী নিয়ে চলমান উত্তেজনা নিরসনের উদ্দেশ্যে আগামী মঙ্গলবার কাতারে বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যমটি এই তথ্য জানিয়েছে। খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
গত কয়েক দিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়ে আসছিল। যদিও গত ১৭ জুন উভয় দেশ একটি সমঝোতা স্মারকে সই করেছিল, এর উদ্দেশ্য ছিল সংঘাতের অবসান ঘটানো। গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে শুরু হওয়া সংঘাতের ফলে বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়ে পড়ে।
ওই সমঝোতার আওতায়, ইরান হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার ব্যাপারে রাজি হয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয়ে সম্মত হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস-কে রোববার এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা জানান, ‘আমরা সব ধরনের সামরিক হামলা বা ‘কাইনেটিক অ্যাক্টিভিটি’ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
আরও পড়ুন: ইসরাইলে নির্বাচন: ৮৫ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, চূড়ান্ত ফলাফল দুই দিনে আসবে
অ্যাক্সিওসকে আরেক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, ‘আপাতত উভয় পক্ষই সামরিক হামলা থেকে বিরত থাকবে। ফলে জাহাজগুলো নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবে।’ তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই মার্কিন কর্মকর্তা এবং বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আরেকটি সূত্র মঙ্গলবার কাতারে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে নিশ্চিত করেছে।
এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসনের এক কর্মকর্তা একই ধরনের তথ্য জানিয়ে সিএনএনকে জানান, ‘আপাতত উভয় পক্ষই সামরিক অভিযান থেকে বিরত থাকবে।’ তিনি আরও জানান, পরবর্তী আলোচনা এগিয়ে নিতে মঙ্গলবার কাতারের রাজধানী দোহায় বৈঠকে বসতে সম্মত হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, যদি ইরান আবার হামলা শুরু করে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে পুনরায় যুদ্ধে ফিরতে বাধ্য করে, তবে ‘ইরানের আর কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।’ তবে এই বিষয়ে হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন