শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:২৭ এম
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানের ফলে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৩৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সময়ে ৪৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এই তথ্য প্রকাশ করেন।
গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রমনা বিভাগ থেকে ২৬ জন, লালবাগ বিভাগ থেকে ৩৩ জন, ওয়ারী বিভাগ থেকে ৪২ জন, মতিঝিল বিভাগ থেকে ৫৯ জন, তেজগাঁও বিভাগ থেকে ৫৯ জন, মিরপুর বিভাগ থেকে ১৩৬ জন, গুলশান বিভাগ থেকে ৩৬ জন, উত্তরা বিভাগ থেকে ৩৬ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগ থেকে ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
অভিযান চলাকালীন ১টি বিদেশি রিভলবার, ২ রাউন্ড গুলি, ১ কেজি ৩০০ গ্রাম গাঁজা, ৩৫৮৯ পিস ইয়াবা, ৯.৪ গ্রাম হেরোইন, ১০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ২টি বুপ্রেনরফিন ইঞ্জেকশন, নগদ ১৫৪০ টাকা এবং একজন ভিকটিম উদ্ধার করা হয়েছে।
রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত অভিযানে বিভিন্ন আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে একটি উল্লেখযোগ্য উত্থান ঘটেছে। ২৮ আগস্ট শেষ হওয়া সপ্তাহে রিজার্ভের পরিমাণ ৭৪০.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। এই উত্থানের ফলে মার্কিন ডলারের বিপরীতে রুপি আরও শক্তিশালী হচ্ছে।
রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট মাসের শেষ সপ্তাহে বৈদেশিক মুদ্রা সম্পদের পরিমাণ ৬০০,৬৭০ মিলিয়ন ডলারে বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে, স্বর্ণের মজুদও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৬,৪০৯ মিলিয়ন ডলারে। গত জুন মাসে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কম খরচে ঋণ গ্রহণের সুযোগ এবং ব্যাংকগুলোর জন্য বিনা মূল্যে হেজিং সুবিধা উন্মোচন করেছে ভারত।
ফলস্বরূপ, ৫ জুন থেকে ৩১ আগস্টের মধ্যে আরবিআই মোট ১৩৬ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বৈদেশিক ফান্ড পেয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ১২৭ বিলিয়ন ডলার এসেছে প্রবাসী ভারতীয়দের আমানত থেকে। এই বিশাল অর্থপ্রবাহের ফলে চলতি সপ্তাহে ডলারের বিপরীতে রুপির মান ০.৩% বৃদ্ধি পেয়ে ৯৫.৩৭৭৫-এ উন্নীত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থা (এইচএসবিসি) জানিয়েছে, স্পট বৈদেশিক মুদ্রার এই বৃদ্ধি আরবিআই-কে শক্তিশালী করবে। এটি আগামী দিনে বাজার অস্থিতিশীল হলে রূপির দর স্থিতিশীল রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেক্সিকোর ক্ষমতাসীন মোরেনা পার্টির একজন আইনপ্রণেতা গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। শুক্রবার, দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় ভেরাক্রুজ রাজ্যে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনা স্থানীয় ও ফেডারেল নির্বাচন অনুষ্ঠানের এক বছরেরও কম সময় আগে ঘটেছে।
নিহত আইনপ্রণেতার নাম জেনিয়াসেন এসকোবার, যিনি উপকূলীয় ভেরাক্রুজ রাজ্যের প্রতিনিধিত্বকারী ফেডারেল আইনপ্রণেতা ছিলেন। উল্লেখ্য, রাজ্যটি মেক্সিকোর গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনার আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত। এসকোবারকে তার গাড়ির ভেতর গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়, এবং তার শরীরে অন্তত একটি গুলির আঘাত ছিল।
ভেরাক্রুজের অ্যাটর্নি জেনারেল লিসবেথ হিমেনেজ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তদন্তের নথি প্রস্তুত করা হচ্ছে। তবে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
রাজ্যের জেনারেল সেক্রেটারি রিকার্দো আহুয়েদ জানিয়েছেন, এসকোবারের গাড়িতে সহিংসতার কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
মেক্সিকোর নিম্নকক্ষের কংগ্রেস এসকোবারের পরিবার ও স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার ‘পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত’ করতে বিচারিক কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
আগামী বছরের ৬ জুন দেশটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ওই নির্বাচনে মেয়র, রাজ্য আইনসভা, সিটি কাউন্সিল ও গভর্নর পদে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্যাসিফিক আইল্যান্ডস ফোরামে (পিআইএফ) চীনের আগ্রাসী ‘উলফ ওয়ারিয়র’ কূটনীতি ও গোয়েন্দাগিরির বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা ও নিন্দা জানিয়েছেন তাইওয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিন চিয়া-লুং। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতে পালাউতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নেতাদের এই শীর্ষ সম্মেলনে তাইওয়ানের অংশগ্রহণে চীন আপত্তি জানানোয় বেইজিং ও তাইপের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা প্রকাশ্যে এসেছে।
সম্মেলনের আয়োজক পালাউসহ তিনটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রের সঙ্গে তাইওয়ানের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক বিদ্যমান। কিন্তু স্বশাসিত তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে বিবেচনা করে চীন সম্মেলনে তাইওয়ানের অংশগ্রহণের বিরোধিতা করেছে। এদিকে, তাইওয়ানের অংশগ্রহণের কারণে ‘গুরুতর পরিণতি’ ভোগ করতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে বেইজিং।
তাইপেতে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিন চিয়া-লুং মন্তব্য করেন, চীনের ‘উলফ ওয়ারিয়র’ কূটনীতি প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ঐক্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তিনি বলেন, এ ধরনের আচরণ ‘একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিরক্তিকর’।
লিন বলেন, আয়োজক দেশের ইচ্ছা ও মর্যাদাকে গুরুত্ব না দিয়ে চীন এমন আচরণ করছে, যেন তারা সম্মেলনের আয়োজক। পালাউকে ‘অনিরাপদ ভ্রমণ গন্তব্য’ হিসেবে ঘোষণা করার চীনা সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এ ধরনের হুমকি ‘অদ্ভুত ও হাস্যকর’।
সম্মেলন চলাকালে চীনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নজরদারি ও গোয়েন্দাগিরির অভিযোগও তোলেন তাইওয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও সম্মেলনস্থলে চীনের সিসিটিভি-সংশ্লিষ্ট সাদা পোশাকের কর্মী ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের দেখা গেছে। এই বিষয়টিকে তিনি মূলত এক ধরনের গোয়েন্দাগিরি হিসেবে উল্লেখ করেন।
সম্মেলনে নিরাপত্তা জোরদার করায় আয়োজক দেশ পালাউয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান লিন।
এদিকে, তাইওয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বেইজিং লিনের অভিযোগকে ‘মনগড়া গল্প’ হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছে। একই সঙ্গে তার বক্তব্যকে আলোচনায় থাকার চেষ্টা এবং ‘আত্মপ্রতারণামূলক রাজনৈতিক নাটক’ বলে মন্তব্য করেছে।
তবে চীনের আপত্তি ও নানা বাধা সত্ত্বেও প্যাসিফিক আইল্যান্ডস ফোরামে তাইওয়ানের অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকবে বলে দৃঢ় আশাবাদ জানিয়েছেন লিন চিয়া-লুং।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের কারণে কিছুদিনের জন্য অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হলেও নন-ইউরিয়া সার আমদানির প্রক্রিয়া আবার গতিশীল হয়েছে। রবি ও বোরো মৌসুমের পূর্বে সরবরাহ ও মজুদ বৃদ্ধি করতে চলতি সেপ্টেম্বর মাসে ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি), মিউরেট অব পটাশ (এমওপি) এবং ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি) নিয়ে সাতটি জাহাজ দেশে আসার কথা রয়েছে।
দেশের পথে থাকা জাহাজগুলোর মধ্যে একটি ডিএপি, চারটি এমওপি এবং দুটি টিএসপি বহন করছে। এই জাহাজগুলোতে মোট আড়াই লাখ টন সার আসছে। এর মধ্যে রয়েছে দেড় লাখ টন এমওপি, ৬০ হাজার টন টিএসপি এবং ৪০ হাজার টন ডিএপি। আগামী মাসে ডিএপি, এমওপি এবং টিএসপি নিয়ে প্রায় ১০টি জাহাজ দেশে আসার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের সূত্রে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের নথি অনুযায়ী, চলতি সেপ্টেম্বর মাসে টিএসপি বহনকারী দুটি জাহাজ দেশে আসার কথা রয়েছে। এর মধ্যে একটি জাহাজ ৮ সেপ্টেম্বর এবং অপরটি ১১ সেপ্টেম্বর পৌঁছাতে পারে। উক্ত দুটি জাহাজে মোট ৬০ হাজার টন টিএসপি রয়েছে, যা মরক্কো থেকে আমদানি করা হচ্ছে। একই দেশ থেকে ৪০ হাজার টন ডিএপি নিয়ে আরেকটি জাহাজও ৮ সেপ্টেম্বর দেশের বন্দরে পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
এছাড়া, চলতি মাসে মোট দেড় লাখ টন এমওপি দেশে আসার কথা রয়েছে। এর মধ্যে রাশিয়া থেকে ৩৫ হাজার টন করে দুটি লটে মোট ৭০ হাজার টন এবং কানাডা থেকে ৪০ হাজার টন করে দুটি লটে মোট ৮০ হাজার টন এমওপি আমদানি করা হচ্ছে। চারটি লটের মধ্যে দুটি চলতি সপ্তাহে এবং বাকি দুটি যথাক্রমে ১৩ ও ১৫ সেপ্টেম্বর দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
বিএডিসির হিসাব অনুযায়ী, চলতি সেপ্টেম্বর থেকে আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পিক সিজনে দেশে ডিএপির চাহিদা হবে ১১ লাখ ২৭ হাজার টন। বর্তমানে জাহাজে থাকা সারসহ আগামী জানুয়ারির মধ্যে আমদানি প্রক্রিয়াধীন ও আলোচনাধীন ডিএপির পরিমাণ ৬ লাখ ৮০ হাজার টন।
একই সময়ে এমওপির চাহিদা ৬ লাখ ৭২ হাজার টন হিসেবে ধরা হয়েছে। চলতি মাসে দেশে আসার অপেক্ষায় থাকা চালানসহ আমদানি প্রক্রিয়াধীন ও আলোচনাধীন এমওপির পরিমাণ ৬ লাখ ৮০ হাজার টন।
অন্যদিকে, পিক সিজনে টিএসপির চাহিদা হবে ৫ লাখ ১৯ হাজার টন। এর বিপরীতে চূড়ান্ত আমদানি প্রক্রিয়ায় থাকা এবং জিটুজি চুক্তির আওতায় আলোচনাধীন টিএসপির পরিমাণ ৩ লাখ ৬০ হাজার টন।
সেপ্টেম্বরে সাতটি জাহাজের মাধ্যমে সার আসার পর আগামী অক্টোবরেও ডিএপি, এমওপি এবং টিএসপি নিয়ে প্রায় ১০টি জাহাজ দেশে আসার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব চালানের আমদানি প্রক্রিয়া বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
বিএডিসির সার আমদানি প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতি মাসে ডিএপি, এমওপি এবং টিএসপি নিয়ে ১০-১২টি করে জাহাজ দেশে আসবে। সেপ্টেম্বরের চালানগুলো ইতোমধ্যে দেশের পথে রয়েছে। অক্টোবরের চালানগুলোর মধ্যে কয়েকটির লোডিং শেষ হয়েছে, আর কয়েকটি এখনো লোডিং পর্যায়ে রয়েছে। পরবর্তী মাসগুলোর চালানের ঋণপত্রও (এলসি) দ্রুত খোলা হবে।’
কৃষি অর্থনীতিবিদদের মতে, অক্টোবরের শেষ দিক থেকে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত দেশে সারের চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে। এই সময়ে শীতকালীন সবজি, আলু, পেঁয়াজ ও ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসলের আবাদ হয়। পাশাপাশি দেশের প্রধান খাদ্যশস্য বোরো ধানের আবাদও শুরু হয়। ফলে বছরের মোট সারের চাহিদার প্রায় ৪০ শতাংশই পড়ে এই শীতকালীন মৌসুমে।
কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘সামনে রবি ও বোরো মৌসুম। বর্তমানে যে পরিমাণ সার আমদানি হচ্ছে, তা চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে সামনের মৌসুমে সারের চাহিদা সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকবে। তাই এখন থেকেই সরবরাহ ও মজুদ বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে শুধু আমদানির ওপর নির্ভর না করে দেশীয় কারখানাগুলোতেও উৎপাদন বাড়ানো জরুরি। অন্যান্য সারে সম্ভব না হলেও অন্তত ইউরিয়া উৎপাদনে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারি। এজন্য আমদানি স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি দেশীয় উৎপাদনও বাড়াতে হবে।’
আমন মৌসুমের প্রেক্ষাপটে বেশ কিছুদিন ধরে সার না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন দেশের বিভিন্ন জেলার কৃষকরা। তারা ডিলারের কাছে সার না পাওয়া এবং বাড়তি দামে কিনতে বাধ্য হওয়ার মতো নানা অভিযোগ করেছেন। এরই মধ্যে কুড়িগ্রামে ডিলারের গুদাম ভেঙে কৃষকদের সার নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে, যা দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এই ঘটনার পর কৃষি মন্ত্রণালয় কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগে বেশ কয়েকজন কৃষি কর্মকর্তাকে বদলিও করেছে সরকার। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বরাবরই বলা হচ্ছে সারের কোনো সংকট নেই।
সার্বিক বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, ‘সার আমদানি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। প্রতি মাসের চাহিদার হিসাব অনুযায়ী কোনো মাসে বেশি, কোনো মাসে কম সার আমদানি করা হয়। বছরে আমাদের প্রায় ৫০-৫৫ লাখ টন সার আমদানি করতে হয়। এত সার একসঙ্গে আনা সম্ভব নয়, আবার রাখার মতো পর্যাপ্ত গুদামও নেই। দীর্ঘদিন গুদামে রাখলে সারের গুণগত মান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই চাহিদা অনুযায়ী সার আমদানি করে কৃষকের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়।’
সার আমদানি নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা নেই জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘আমরা প্রতিটি সার ন্যূনতম তিনটি উৎস থেকে আমদানি করি, যাতে একটি উৎস থেকে সরবরাহ ব্যাহত হলে অন্য উৎস থেকে সংগ্রহ করা যায়। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে সৌদি আরব ও কাতার থেকে কিছুদিন সার আমদানি বন্ধ ছিল। পরে তারা হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে বিকল্প রুটে সরবরাহ শুরু করেছে। আমরাও এখন হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে সার আমদানি করছি। ফলে আমদানি নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা নেই।
সৌজন্যে: বণিক বার্তা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ