শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৩৭ পি.এম
ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: পাকিস্তানের মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিকিৎসক হওয়ার উদ্দেশ্যে অধ্যয়নরত আফগান শিক্ষার্থীদের কয়েক ডজনকে বহিষ্কার করে দেশে ফেরত পাঠানোর মেডিকেল বোর্ডের আদেশ শুক্রবার একটি আদালত স্থগিত করেছেন।
লাহোর আদালতের এক আদেশে এএফপি’র দেখা মতে বলা হয়েছে, ‘লাহোর হাইকোর্ট মেডিকেল কলেজ থেকে শতাধিক আফগান শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার ঠেকাতে দেওয়া স্থগিতাদেশ পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত বহাল রেখেছেন।’
এ খবর করাচি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়।
বিচারপতি খালিদ ইসহাক পরবর্তী শুনানির জন্য কোনো তারিখ নির্ধারণ করেননি।
বেলুচিস্তান প্রদেশের আদালত ইতোমধ্যে একই ধরনের একটি আবেদন খারিজ করেছে। অন্যদিকে, সিন্ধু প্রদেশে আরেকটি আবেদন বিচারাধীন রয়েছে।
চলতি মাসের শুরুতে পাকিস্তান মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (পিএমডিসি) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে চিঠি দিয়ে জানায়, ‘চলতি শিক্ষাবর্ষে আফগান নাগরিকদের কোনো ধরণের সহায়তা দেওয়া যাবে না।’
এই আদেশের ফলে আফগান শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা দেখা দেয়। তাদের একজন এএফপিকে বলেন, ‘আমার চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্নের মৃত্যু হয়েছে বলে মনে হয়েছিল।’
কলেজের ডিনদের কাছে পাঠানো পিএমডিসির চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, পাকিস্তানে আগে থেকে মেডিকেল বা ডেন্টাল প্রোগ্রামে ভর্তি থাকা আফগানদের দেশে ফিরে যেতে হবে।
এএফপি’র দেখা চিঠিতে মেডিকেল কাউন্সিল কোন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এ পদক্ষেপ নিয়েছে, তা বলা হয়নি। তবে এতে বলা হয়েছে, ‘বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের এবং জাতীয় নীতিগত নির্দেশনার সঙ্গে সম্পর্কিত।’
২০২১ সালে কাবুলে তালেবান সরকার ক্ষমতায় ফেরার পর প্রতিবেশী পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সম্পর্কের ব্যাপক অবনতি ঘটে। চলতি বছরের শুরুতে কয়েক সপ্তাহের যুদ্ধে তা আরও তীব্র আকার নেয়।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে ২৫ লাখের বেশি আফগান পাকিস্তান থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন অথবা স্বেচ্ছায় দেশ ছেড়েছেন। তাদের অনেকেই কয়েক দশক ধরে পাকিস্তানে শরণার্থী হিসেবে বসবাস করছিলেন। ইসলামাবাদের চলমান প্রত্যাবাসন অভিযানের অংশ হিসেবে তাদের দেশ ছাড়তে হয়েছে।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ কর্তৃপক্ষ পিএমডিসির আদেশ প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে। আফগানিস্তানে নারীদের পড়াশোনা নিষিদ্ধ থাকায় তাদের দুর্ভোগের বিষয়টি তুলে ধরেছে সংস্থাটি।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এ পদক্ষেপকে ‘বৈষম্যমূলক ও স্বেচ্ছাচারী’ বলে সমালোচনা করেছে।
লাহোরে করা আবেদনের আবেদনকারীদের একজন ২৩ বছর বয়সী নারী। দ্বিতীয় বর্ষের পড়াশোনা শেষ হতে যখন মাত্র কয়েক দিন বাকি, তখন তাকে বলা হয়, ‘ফিরে যেতে হবে এবং সবকিছু ছেড়ে যেতে হবে।’
১১ সেপ্টেম্বর একজন বিচারক প্রাদেশিক পর্যায়ে বহিষ্কারের আদেশ স্থগিত করেন। তবে ওই শিক্ষার্থী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে এরই মধ্যে তার সব নথি মুছে দেওয়া হয়েছে।
‘কখনো হাল ছাড়ব না’
নিরাপত্তার কারণে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই শিক্ষার্থী আফগানিস্তানে তালেবান কর্তৃপক্ষ নারীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা নিষিদ্ধ করার পর সেখানে তার মেডিকেল পড়াশোনা ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
তিনি বলেন, পাকিস্তানে বৃত্তি পাওয়া প্রায় ২০ জন আফগান নারীর একজন তিনি। এ বৃত্তির জন্য ৩০ হাজার আবেদনকারীর মধ্যে থেকে তাদের নির্বাচন করা হয়েছিল।
কাবুল থেকে ফোনে এএফপির এক সাংবাদিককে তিনি বলেন, ‘আমি কখনো হাল ছাড়ব না। এই যাত্রা থেকে আমি শিখেছি, দুঃখ কোনো কিছু বয়ে আনে না।’
লাহোরে শিক্ষার্থীদের পক্ষে থাকা কয়েকজন আইনজীবীর একজন আসাদ জামাল পিএমডিসির আদেশের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, এসব আদেশে চিকিৎসকদের ‘তাদের বক্তব্য জানানোর কোনো সুযোগই দেওয়া হয়নি।’
পিএমডিসি এএফপির মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি।
জামাল বলেন, লাহোরের আবেদনে শিক্ষার্থীরা হেরে গেলেও মামলাটি পাকিস্তানের ফেডারেল সাংবিধানিক আদালতে নেওয়া যেতে পারে।
লাহোরের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী মুবিন উলফাত হাসপাতালে কাজের পালা শেষ করে ফেরার পর তাকে দেশ ছাড়ার জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়।
২৪ বছর বয়সী এই শিক্ষার্থী এএফপিকে বলেন, ‘আমরা মেডিকেল শিক্ষার্থী। আমরা কীভাবে চমকে দেওয়া খবর সামলাতে হয়, তা জানি। কিন্তু এটি এমন কিছু ছিল না, যা সহজে সামলানো যায়।’
তিনি বলেন, ‘আমরা স্পষ্টতই একটি রাজনৈতিক পরিস্থিতির শিকার।’
আদেশ জারির আগেই কয়েকজন আফগান চিকিৎসা শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। তাদের মধ্যে চতুর্থ বর্ষের এক শিক্ষার্থীও রয়েছেন, যিনি এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ভিসা নবায়নের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।
চক্ষুবিদ্যায় বিশেষায়িত ওই চিকিৎসা শিক্ষার্থী নিরাপত্তার কারণে নাম প্রকাশ না করে বলেন, ‘আমরা শুধু শিক্ষার্থী। আমরা রাজনৈতিক মানুষ নই।’
৩৩ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থীকে অপারেশন থিয়েটার থেকে বের করে নেওয়া হয় এবং দুই দিনের মধ্যে বহিষ্কার করা হয়।
তিনি বলেন, ‘দয়া করে আমাদের পড়াশোনা শেষ করতে দিন। আমরা পড়াশোনা শেষ করব। তারপর আমাদের দেশে ফিরে যাব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ অভিযোগ করেছেন যে, পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, কিয়েভের নাৎসি শাসনের প্রতি ইউরোপের সমর্থন অত্যন্ত লজ্জাজনক। ল্যাভরভের মতে, পশ্চিমা দেশগুলো সক্রিয়ভাবে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং তারা রাশিয়ার কথিত হুমকি নিয়ে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে। বৃহস্পতিবার তিনি ইন্টারন্যাশনাল রুশোফাইল মুভমেন্টের ষষ্ঠ কংগ্রেসের উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তব্য দেন।
ল্যাভরভ বলেন, রাশিয়া বহিরাগত নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যথাযথ জবাব দেওয়ার পথ খুঁজে নেবে। রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো তুলে ধরা হল :
পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি : পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য সক্রিয়ভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং একই সঙ্গে রাশিয়ার কথিত হুমকির মিথ ছড়িয়ে দিচ্ছে।
ল্যাভরভ বলেন, “আজ অধিকাংশ পশ্চিমা দেশের শাসকগোষ্ঠী রাশিয়ার কাছ থেকে আসা হুমকির মিথ ছড়িয়ে দিতে চাইছে। একই সঙ্গে তারা আমাদের দেশগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারা আমাদের বিরুদ্ধে ইউরোপীয় মূল্যবোধ ধ্বংসের অভিযোগও করছে। কিন্তু এসব মূল্যবোধ আসলে কী, তা আমরা দেখতে পাচ্ছি।”
তিনি বলেন, কথিত ‘ইউরোপীয় মূল্যবোধ’-এর অর্থ একটাই— ‘ইউরোপ আবারও নাৎসিবাদকে সমর্থন করতে প্রস্তুত’।
রাশিয়া চ্যালেঞ্জের জবাব দেবে : ল্যাভরভ বলেন, নিরাপত্তা, উন্নয়ন ও নাগরিকদের কল্যাণের ক্ষেত্রে রাশিয়ার সামনে যেসব বহিরাগত চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেগুলোর যথাযথ জবাব দেওয়ার পথ মস্কো অবশ্যই খুঁজে নেবে। তিনি বলেন, “যারা এসব কর্মকাণ্ডের উদ্যোগ নিচ্ছে, তারা অবশ্যই দায়িত্বহীন রুশবিরোধী পদক্ষেপের পরিণতির জন্য দায়ী থাকবে।”
ইউরোপে ‘নাৎসিবাদের ক্যান্সার’ : ল্যাভরভ দাবি করেন, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে, বিশেষ করে জার্মানিতে ‘নাৎসিবাদের ক্যান্সার দৃশ্যমান হয়ে উঠছে। তিনি বলেন, “ইউক্রেনের প্রকাশ্য নাৎসি শাসনকে সমর্থনের পাশাপাশি ইউরোপের বিভিন্ন দেশ, এমনকি জার্মানিতেও নাৎসিবাদের ক্যান্সার দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। এটি অবশ্যই অত্যন্ত গুরুতর সতর্কবার্তা।” কিয়েভের নাৎসি শাসনের প্রতি ইউরোপের সমর্থনকে ‘লজ্জাজনক’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, “ইউক্রেন ইউরোপীয় মূল্যবোধ রক্ষা করছে—এ কথা পশ্চিমা দেশগুলো যে গর্বের সঙ্গে বলছে, সেটি পশ্চিমের জন্য লজ্জাজনক।”
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংলাপ : ল্যাভরভ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী। এ ক্ষেত্রে ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পার্থক্য রয়েছে। তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপীয় অভিজাতদের থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে আলাদা। তারা কথা বলতে প্রস্তুত। এমনকি অবস্থান সম্পূর্ণ বিপরীত হলেও আলোচনায় বসা সবসময় গুরুত্বপূর্ণ।”
ল্যাভরভ বলেন, “যারা আন্তরিকভাবে আলোচনা করতে চায়, আমরা সবসময় তাদের সঙ্গে কথা বলি। শুধু মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়িয়ে পশ্চিমা দেশগুলো প্রতিদিন রাশিয়ার বিরুদ্ধে যে নিন্দা জানায়, তা পুনরাবৃত্তি করার জন্য আসার কোনো প্রয়োজন নেই। শুধু নিন্দা জানাতে আসার দরকার নেই। তবে আমরা সবসময় আন্তরিক সংলাপের জন্য উন্মুক্ত। যুক্তরাষ্ট্রও আমাদের সঙ্গে ঠিক এভাবেই আচরণ করছে।”
তিনি উল্লেখ করেন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংলাপ অব্যাহত থাকলেও দুই দেশের সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে এর এখন পর্যন্ত কোনো বাস্তব প্রভাব পড়েনি এবং অদূর ভবিষ্যতেও তেমন কোনো প্রভাব প্রত্যাশিত নয়।
রাশিয়ার বিরুদ্ধে তথ্যযুদ্ধ : ল্যাভরভ বলেন, আসন্ন স্টেট ডুমা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমা প্রচারণার বড় ধরনের ঢেউ চলছে। তিনি বলেন, “আসন্ন স্টেট ডুমা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বর্তমানে আমাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক ও আগ্রাসী অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।”
রুশভাষীদের অধিকার নিয়ে কোনো আপস নয় : ইউক্রেন সংকটের সমাধানে রুশভাষী জনগোষ্ঠীর অধিকার নিয়ে কোনো ধরনের দর-কষাকষির সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন ল্যাভরভ। তিনি বলেন, “যেসব বাধ্যবাধকতা সবাই গ্রহণ করেছে এবং পালন করতে বাধ্য, তা নিয়ে কোনো দর-কষাকষি হতে পারে না। কিন্তু পশ্চিমারা কিয়েভ শাসনকে সবকিছুতেই ছাড় দিয়ে যাচ্ছে।”
তিনি বলেন, জাতিসংঘ সনদে বর্ণিত আঞ্চলিক অখণ্ডতার নীতিকে পশ্চিমারা একমাত্র নীতি হিসেবে সমর্থন করে। কিন্তু সনদে আরও অনেক বিষয় রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার। ল্যাভরভ বলেন, “জাতিসংঘ সনদের প্রথম অনুচ্ছেদেই এমন নিশ্চয়তার কথা বলা হয়েছে, যা সনদে স্বাক্ষরকারী সব সদস্য রাষ্ট্রকে দিতে হবে—জাতি, লিঙ্গ, ভাষা ও ধর্ম নির্বিশেষে মানবাধিকারের প্রতি সম্মান।” সূত্র : তাস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গোবিন্দগঞ্জে ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মাদক কারবারী শাহ মো. তৌফিকুল ইসলাম তৌফিক (৩৫) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের মুকুন্দপুর গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় স্থানীয় পুলিশ সূত্র জানায়, তৌফিক দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত ছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের ব্যস্ততম কিংস ক্রস রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের বিঘ্ন ঘটার কারণে ট্রেন চলাচলে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। আজ সকালে স্টিভেনেজ (Stevenage) এবং ফিন্সবেরি পার্কের (Finsbury Park) মধ্যবর্তী লাইনে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ফলে লন্ডনে আসা এবং লন্ডন থেকে ছেড়ে যাওয়া একাধিক ট্রেনের রুট বাতিল ও মারাত্মকভাবে বিলম্বিত হচ্ছে।
যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল রেল সূত্র জানিয়েছে, বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে গ্রেট নর্দার্ন (Great Northern), এলএনইআর (LNER), থেমসলিংক (Thameslink), লুমো (Lumo), গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল এবং হাল ট্রেনসের (Hull Trains) মতো প্রধান রেল অপারেটরদের পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে।
ন্যাশনাল রেল জানিয়েছে, লাইনে বিদ্যুৎ না থাকায় ধারণক্ষমতার তুলনায় অনেক কম ট্রেন চালানো সম্ভব হচ্ছে। এর ফলে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রুট বাতিল করা হয়েছে এবং অন্যান্য ট্রেনের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। স্টিভেনেজ থেকে লন্ডনের দিকে আসা ট্রেনগুলোতে অন্তত ২০ মিনিট বা তার বেশি বিলম্বের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
লন্ডনের এই ব্যস্ততম রেল সংযোগে বিঘ্ন ঘটায় সাধারণ যাত্রী এবং কর্মস্থলে যাওয়া হাজার হাজার পথচারী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। যাত্রীদেরকে তাদের নির্ধারিত সময়ের অন্তত ৪৫ মিনিট আগে বের হতে এবং প্রয়োজনে বিকল্প ট্রেন বা আন্ডারগ্রাউন্ড (টিউব) পরিষেবা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
গ্রাহকদের জন্য সুনির্দিষ্ট কিছু বিকল্প রুটে কোনো অতিরিক্ত চার্জ ছাড়াই টিকিট ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে নেটওয়ার্ক রেল ও স্থানীয় বিদ্যুৎ সরবরাহকারী দলগুলো সমস্যাটি দ্রুত সমাধানের জন্য ঘটনাস্থলে কাজ করছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় পুরো সময়জুড়ে রেল পরিষেবায় বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পুকুরে গোসল করতে গিয়ে মোঃ সৌরভ প্রধান ইমরান নামের এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার নাকাই কলেজপাড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত মোঃ সৌরভ প্রধান ইমরান ওই এলাকার মোঃ গোলজার প্রধানের পুত্র।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সৌরভ পুকুরে গোসল করতে যান। এক পর্যায়ে তিনি পানিতে ডুবে যান। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার মৃত্যু ঘটে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার পরিবার দোয়া চেয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ