ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কাউখালীতে সন্ধ্যা নদীতে বিশেষ অভিযান: সাড়ে ৮ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ ও ধ্বংস


কাউখালীতে সন্ধ্যা নদীতে বিশেষ অভিযান: সাড়ে ৮ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ ও ধ্বংস

পিরোজপুরের কাউখালীতে মা ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ‘ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬’-এর অংশ হিসেবে সন্ধ্যা নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তর। রবিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুর দুইটার দিকে উপজেলার সন্ধ্যা নদীর চিরাপাড়া মোহনা ও লঞ্চঘাট এলাকাসহ বিভিন্ন পয়েন্টে পরিচালিত এ অভিযানে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়েছে।
জব্দকৃত জালের মধ্যে সাড়ে সাত হাজার মিটার অবৈধ সুতার জাল এবং এক হাজার মিটার চায়না দুয়ারি জাল রয়েছে। উদ্ধার করা এসব জালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩০ হাজার টাকা।
কাউখালী উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এবং নৌ পুলিশের সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধ জালগুলো উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে জব্দ করা জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
কাউখালী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন,
"মা ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ। বর্তমান প্রজনন মৌসুমে একটি মা ইলিশও যদি ডিম ছাড়ার সুযোগ পায়, তবে তা ভবিষ্যতে আমাদের ইলিশের উৎপাদন বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। কিন্তু কিছু অসাধু ও অসচেতন মৎস্যজীবী সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে জাল ফেলে ইলিশ শিকারে মেতে ওঠে। আমরা তাদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছি। আজকের অভিযানে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। মা ইলিশ রক্ষায় আমাদের এই নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান পুরো প্রজনন মৌসুমজুড়ে কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে।
অভিযানের বিষয়ে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহানা আক্তার বলেন, জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষা এবং মা ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত করতে আমাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় থাকবে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ যাতে নদীতে জাল ফেলতে না পারে, সে লক্ষ্যে দিন-রাত তদারকি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাকসুর ক্রিড়া সম্পাদক নার্গিস পেলেন ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১৩ পি.এম


রাকসুর ক্রিড়া সম্পাদক নার্গিস পেলেন ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬

ক্রীড়া উন্নয়নে স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে ‘ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং জাতীয় নারী ফুটবল দলের খেলোয়াড় মোছা. নার্গিস খাতুন।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে আয়োজিত ‘ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ ও অনুদান প্রদান’ অনুষ্ঠানে তিনি এই পুরস্কার গ্রহণ করেন।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

নার্গিস খাতুন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) ২০২৫-২৬ কার্যনির্বাহী কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি ব্যক্ত করে নার্গিস খাতুন বলেন, "ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬-এর ক্রীড়া উন্নয়ন ক্যাটাগরিতে রাষ্ট্রীয় পুরস্কার হিসেবে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট গ্রহণ করা আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের এবং আনন্দের।"

তিনি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের প্রতি এ উদ্যোগ গ্রহণের জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

এর আগে, গত বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক সামাজিক ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ১৫ জন তরুণকে ‘ইয়্যুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ দেওয়ার কথা জানান।

এছাড়াও তিনি নিবন্ধিত ৪৩২টি যুব সংগঠনকে ৩ কোটি ৫৭ লাখ টাকার প্রকল্পভিত্তিক অনুদান দেওয়ার কথাও জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পূজায় ছোটবেলার স্মৃতি সামনে আনলেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১৪ পি.এম


পূজায় ছোটবেলার স্মৃতি সামনে আনলেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী

ঢাকে কাঠি পড়ে গেছে। গোটা বাংলা উৎসবের আবহে মেতে উঠেছে। কলকাতা দুর্গাপূজার আনন্দে কোনো কমতি রাখতে নারাজ। তারকারাও এই কয়েক দিন আনন্দে মেতে ওঠেন। বাঙালির জন্য দুর্গাপূজা মানেই দেদার মজা করা, ঠাকুর দেখা, জমিয়ে খাওয়া-দাওয়া করা এবং মন্দিরে ঘুরে বেড়ানোর আনন্দ। পূজার রুটিন তো এমনই।

টালিউডের তারকা দম্পতি কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টরাজও ঠিক তেমনটিই বিশ্বাস করেন। কাজের পাশাপাশি পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা দিতে তাদেরও ভালোবাসা রয়েছে। এবারের পূজার পরিকল্পনার কথা গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে জানালেন এই তারকা দম্পতি।

কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টরাজের কাছে চলতি বছরের পূজা ভীষণ স্পেশাল। কারণ, গত বছর তারা মেয়েকে নিয়ে ঘুরেছিলেন। এবার তাদের সঙ্গে রয়েছে ছেলে। তাই আনন্দও দ্বিগুণ! ছোট্ট ছেলের কথা বলতেই তারা একই স্বরে বলেন— ‘গদাইয়ের বয়স দুই মাস। ওকে নিয়ে বেরোনো যাবে না।’

কাঞ্চন বলেন, ‘তবে আমাদের মেয়ে ঠাকুর দেখতে খুব ভালোবাসে। ওকে প্যান্ডেলেও নিয়ে গেছি, কাঁধে চড়িয়ে ঠাকুরও দেখিয়েছি গত বছর।’ অন্যদিকে শ্রীময়ী বলেন, 'গত বছর মেয়েকে নিয়ে গিয়েছিলাম। এ বছরও একদিন নিয়ে যাব, দারুণ কাটবে আশা করি।' তিনি আরও বলেন, 'আমার গ্রামের বাড়িতে পূজা হয়। বাড়ির সবাই মুখে কাপড় বেঁধে ভোগ রান্না করেন। মিউজিক্যাল চেয়ার খেলা হয়। সিঁদুর খেলা, ভাসানের সময়ে নাচ— সব মিলিয়ে দারুণ কাটে।'

ছোটবেলার স্মৃতির কথা মনে করে কাঞ্চন বলেন, ‘ছোটবেলায় পূজার সময়ে অপেক্ষা করে থাকতাম— কোন মামা কোন কাকা কী জামা দেবেন, সে অপেক্ষা। দেখতাম ১০টা জামা হচ্ছে কিনা। আর মায়ের হাত ধরে পূজার মণ্ডপে মণ্ডপে ঘুরতাম। সেই সঙ্গে মেলায় মোগলাই পরোটা দিয়ে কষা মাংস খেতাম। এই ছিল আমার আনন্দ।

তিনি আরও বলেন, 'এরপর যখন নিজে পাড়ার পূজার সঙ্গে যুক্ত হলাম, তখন আলাদাই উচ্ছ্বাস। গলায় ক্লাবের নাম লেখা কার্ড ঝুলিয়ে ভলান্টিয়ার হয়ে ভিড় সামলানোর মধ্যে একটা অন্য রকমের মজা ছিল।’

পূজায় প্রেম হয়েছে কখনো?—এমন প্রশ্নের উত্তরে এ কৌতুক অভিনেতা বলেন, ‘কেউ আমার প্রেমে পড়েনি কোনো দিন, কেউ না। কেউ না মানে কেউ-ই না।

তিনি বলেন, দশমীর দিন প্রণাম করা, কোলাকুলি করা— আহা কী সব দিন কেটেছে! ওই দিন আবার এখন খুব স্পেশাল হয়েছে, বিশেষ করে শ্রীময়ীর জন্য। সিঁদুর খেলতে পারলে কথা বন্ধ রাখে!’

শ্রীময়ীর আবার ছোটবেলায় পূজা কেটেছে খানিক কঠোরভাবেই। তার রাত জেগে ঠাকুর দেখার সুযোগ ছিল না। শ্রীময়ী বলেন, ‘বাবার সঙ্গে একদিনই সারারাত ঘুরতে যেতাম। আমি বন্ধুদের হয়ে প্রেমের চিঠি বিলাতাম। চতুর্থীতে প্রেম হতো, আর দশমীতে কেটে যেত।'

তিনি আরও বলেন, 'আমি উত্তর কলকাতায় থাকতাম। পূজায় কেউ দেখে নেবে ভেবে আমি আর প্রেম করার ঝুঁকি নিইনি। আর আমার খুব পছন্দের নাগরদোলা, মেলায় গিয়ে সেটায় চড়তাম।'

কথা থামিয়েই কাঞ্চন বলেন, আমার কাছে নাগরদোলা মানে ‘ট্রমা’। একবার এক কাকিমাকে চেপে ধরেছিলাম ভয়ে, একটুর জন্য চড় খাওয়া থেকে বেঁচেছি।

শ্রীময়ীর পছন্দের দিন দশমী। কারণ সিঁদুরখেলা তার বড্ড প্রিয়। অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি সিঁদুর খেলতে খুব ভালোবাসি। বিয়ের পর তা আরও প্রিয় হয়েছে। আগে তো ফটোশুট করার জন্য খেলতাম। এখন আমি মনে করি, শাঁখাপলা আর সিঁদুর যে কোনো নারীর শ্রেষ্ঠ অলঙ্কার। আগে কাঞ্চন আমার সৌন্দর্যের প্রশংসা করত, এখন অবশ্য মেয়ে করে।

শ্রীময়ীর কাছে পূজা মানেই ‘নো ডায়েট’। তিনি বলেন, ‘আমরা চতুর্থী থেকে রেস্তোরাঁয় খাই। পোলাও-মাটন তো অবশ্যই থাকে তালিকায়, শুধু অষ্টমীর দিন নিরামিষ খাই। তাই খিচুড়ি ভোগ আর তার সঙ্গে লাবড়া থাকতেই হবে।'

দশমীর কথায় কাঞ্চন বলেন, ‘আমার দশমীর দিন মনটা খারাপ হয়ে যায়। কারণ আমি ৩৬৫ দিন অপেক্ষা করি পূজার জন্য। দশমীর রেশ কাটতে না কাটতেই আবার দিন গুনি পরের বছর পূজার। এবারেও তার অন্যথা হবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেব জানালেন, শুভশ্রীকে যার সঙ্গে ভালো লাগে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১৪ পি.এম


দেব জানালেন, শুভশ্রীকে যার সঙ্গে ভালো লাগে

টালিপাড়ার সুপারহিট জুটি দেব ও শুভশ্রীর প্রেমের শুরু থেকে বিচ্ছেদ পর্যন্ত সবকিছুই তাদের ভক্তদের চোখে জল এনেছে। তাই দুজনকে আবার কাছাকাছি আসতে দেখে ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে রীতিমতো উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

পূজায় মুক্তি পেয়েছে সিনেমা 'দেশু ৭'। বর্তমানে 'দেশু ৭' নিয়ে পুরো বাংলা উত্তাল। একসময় দেব ও শুভশ্রী ছিলেন অনস্ক্রিন এবং অফস্ক্রিনের সফল জুটি। তাদের আবার কাছাকাছি আসার খবরটি বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

'দেশু ৭' সিনেমার ফার্স্ট ডে ফার্স্ট শোর পর দেব ঘোষণা করেছেন যে, তিনি জিতের সঙ্গে নতুন সিনেমা আনতে যাচ্ছেন। তিনি এ বিষয়ে একটি কমিটমেন্টও দিয়েছেন। সেই সিনেমা হবে একদম বিগ বাজেটের ধামাকা।

দুই সুপারস্টার একসঙ্গে আসলে ধামাকা হওয়া তো স্বাভাবিক। সবকিছু ঠিক থাকলে, দেব ও জিৎ একসঙ্গে ২০২৭ সালের পূজায় সিলভার স্ক্রিনে হাজির হতে পারেন।

দেব ও শুভশ্রী নিজেদের পুরোনো প্রেমকে কাজে লাগিয়ে সিনেমার প্রচারে কোনো খামতি রাখেননি। সিনেমার ট্রেলার লঞ্চে দেব অকপটে বলেন— ‘আমার পর যদি শুভশ্রীকে কারও সঙ্গে ভালো লাগে তাহলে সেটি জিৎ। অবশ্যই আমার পর, 'সরি জিৎদা আই লাভ ইউ টু'।' দেবের এমন কথা শুনে শুভশ্রী গাঙ্গুলি রীতিমতো ব্লাশ করতে থাকেন। যদিও তাদের প্রেমের সেই দিনগুলো ‘দেশু ৭’ মুক্তির আগে যতই আলোচনায় আসুক, ব্যক্তিগত জীবনে দুই তারকা অনেকদূর এগিয়ে গেছেন।

দেব, শুভশ্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর প্রেমে পড়েছেন অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্রের। তাদের সম্পর্ক প্রায় ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে। দেবের অনেক সিনেমার নায়িকা হিসেবে কাজ করেছেন রুক্মিণী। অন্যদিকে, দেবের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর শুভশ্রীর জীবনে আসেন রাজ চক্রবর্তী। তারা ২০১৮ সালে বিয়ে করেন এবং বর্তমানে দুই সন্তানের বাবা-মা।

'দেশু ৭' সিনেমা মুক্তির আগে এমন খবর রটেছিল যে, দেবের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে শুভশ্রীর সংসার ভাঙতে বসেছে। তবে সেই জল্পনায় পানি ঢাললেন রাজ চক্রবর্তী নিজেই।

ছেলে ইউভানের ষষ্ঠ জন্মদিনে শুভশ্রী গাঙ্গুলিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন রাজ। ক্যাপশনে তিনি লিখেছিলেন, তাদের গোটা সংসারকে যিনি বেঁধে রেখেছেন, তিনি তার সন্তানদের মা। অর্থাৎ 'দেশু ৭' সিনেমার নায়িকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পোল্যান্ড-মিশরের চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত বাংলাদেশি সিনেমা ‘সাঁকোটা দুলছে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১৫ পি.এম


পোল্যান্ড-মিশরের চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত বাংলাদেশি সিনেমা ‘সাঁকোটা দুলছে’

‘সাঁকোটা দুলছে’ সিনেমাটি বাংলাদেশের গ্রামীণ জনপদে বসবাসরত তিন নারীর জীবন, স্বপ্ন এবং মুক্তির আকাঙ্ক্ষার গল্প তুলে ধরেছে। তরুণ নির্মাতা ইশতিয়াক আহমেদ জিহাদের প্রথম সিনেমা এটি, যার পুরো নাম ‘সাঁকোটা দুলছে’-দ্য ব্লাইন্ড গার্ল অ্যান্ড অ্যান এলিফ্যান্ট।

গত জুন মাসে নীরবে সাংহাই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিয়ে সিনেমাটি পুরস্কার অর্জন করেছিল। বর্তমানে একই সময়ে দুটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে স্থান করে নিয়েছে ‘সাঁকোটা দুলছে’ সিনেমাটি।

সিনেমাটি যৌথভাবে প্রযোজনা করা হয়েছে। মনোজ প্রামাণিকের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান মনপাচিত্র এবং জার্মানির মগাদোর ফিল্মের সহযোগিতায় নির্মিত ‘সাঁকোটা দুলছে’ সিনেমাটির দৃশ্য বিন্যাস, আলো-ছায়ার ব্যবহার, স্থির ও দীর্ঘ শট এবং গ্রামীণ জীবনের প্রতি নিবিড় পর্যবেক্ষণ চলচ্চিত্রটির স্বতন্ত্র দৃশ্যভাষা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

কুসংস্কার, ধর্মীয় রক্ষণশীলতা, পুরুষতান্ত্রিক সামাজিক কাঠামো এবং বিভিন্ন বিধিনিষেধের মধ্যে নিজেদের মতো করে বাঁচার পথ খুঁজে বের করে তারা। সিনেমাটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সানজিদা আক্তার স্বর্ণা, তাহমিদা রহমান তৌহিদা, সুমাইয়া আক্তার, মুনসিফ মিম, অশোক বেপারী, পঙ্কজ পালিত, রবিউস সানিসহ আরও অনেকে।

এদিকে পোল্যান্ডের ‘এনার্গাক্যামেরিমেজ’ চলচ্চিত্র উৎসবে ‘সাঁকোটা দুলছে’ সিনেমাটি নির্বাচিত হয়েছে। পোল্যান্ডের উৎসবে সেরা পরিচালক ও সেরা চিত্রগ্রাহক বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছেন ইশতিয়াক ও সামিউল করিম সুপ্তক। উৎসবটি আগামী ৭ নভেম্বর শুরু হয়ে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে।

অন্যদিকে, মিশরের ৪৭তম কায়রো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমাটি ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রিটিকস উইক কম্পিটিশন’ বিভাগে স্থান পেয়েছে। সেখানে শাদি আব্দেল সালাম অ্যাওয়ার্ড ফর বেস্ট ফিল্ম এবং ফ্যাদি ফারাগ অ্যাওয়ার্ড-স্পেশাল জুরি প্রাইজের জন্য বাংলাদেশের সিনেমা ‘সাঁকোটা দুলছে’ প্রতিযোগিতা করবে। এ উৎসব চলবে ১১ থেকে ২০ নভেম্বর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%