সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৩৩ পি.এম
দিনাজপুরের পার্বতীপুরে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ৬৫ বছর বয়সী মজিবর রহমানের মৃত্যু ঘটেছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে পার্বতীপুর রেলওয়ে জংশনের নিকটস্থ হলদিবাড়ি রেলগেটের দক্ষিণ পাশে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মজিবর রহমান জয়পুরহাট জেলার পশ্চিম দেবীপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে হলদিবাড়ি রেলগেটের দক্ষিণ পাশে ঢাকাগামী চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে এসে পড়েন মজিবর রহমান। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
দুর্ঘটনার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে বিষয়টি পার্বতীপুর রেলওয়ে থানায় জানানো হয়। খবর পাওয়ার পর রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল সম্পন্ন করে এবং আইনি প্রক্রিয়া শুরু করে।
পার্বতীপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুন নবী মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, কিভাবে মজিবর রহমান চলন্ত ট্রেনের সামনে পড়লেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্তের আওতায় রয়েছে এবং রেলওয়ে পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত করছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ‘ডিনস অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়েছে, যা তিন বছরের (২০২১, ২০২২ ও ২০২৩) জন্য অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অনুষদের ১৬টি বিভাগের মোট ৪৮ জন শিক্ষার্থী এবং সেরা গ্রন্থ ও নিবন্ধের জন্য দুজন শিক্ষকের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।
ডিনস অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২০২১ সালের তালিকায় রয়েছেন-ইশতিয়াক আহমেদ, মো. হাসান আল আজাদ, মো. হিমেল রহমান, ব্রতোতি সাহা, নাহিয়ান মাশিয়াত এনায়েত, ফারিতা বিনতে হান্নান, ইসনা হক শেওতি, রাবেয়া আক্তার সাথী, নওশিন জারিন প্রাপ্তি, লুদমিলা সারাহ খান, ফাহিন রহমান অঙ্কিতা, নিসর্গ নিঝুম, রাহনুমা বিনতে মালেক এবং শেখ রাশিদ বিন ইসলাম।
২০২২ সালের পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন-সারারা জাফরিন, ফয়সাল কাইয়ুম, সুরাইয়া জেবিন পাপিয়া, খন্দকার তাহমিদ রেজওয়ান, লিংকন দাস, ফারাহ জাহান শুচি, মো. মহিউদ্দিন খান, মো. আসিফুর রহমান, মো. শাহাদাত, মেহেদি হাসান রিমন, সারাফ ওয়ামিয়া আহমেদ, ফারিহা আহমেদ, বিক্রমাদিত্য, লামিয়া আফজাল, ফাহমিদা মতিন মিম, অনিকা আফিয়া জাহান এবং মো. ইফরাত জাহান ভূঁইয়া শাফিন।
২০২৩ সালের ডিনস অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন- লুবাবা বিনত হালিম, মো. মাজহার উদ্দিন ভূঁইয়া, ফারিয়া ইসলাম, রেশমি, আজরা হুমায়রা, মোসাম্মৎ সন্ধ্যা, নূর নিশাত আঞ্জুম, প্রাপ্তি রায়, তানজিমা সাবরিন, জেরিন রাফিজা, এ. আর. তাহসিন জাহান, মহসিনা বিনতে হারুন, এস. এস. সালাহ উদ্দিন আকাশ, নুসাইবা বিনতে মোরশেদ, আফরিন জাহান এনা মনি, শারমিন জাহান মিম এবং মো. রবিউল ইসলাম হৃদয়।
সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক কাজী মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং গেস্ট অব অনার হিসেবে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর উল্লেখ করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে শুধু ‘টিচিং ইউনিভার্সিটি’ হিসেবে নয়, বরং জ্ঞান সৃষ্টিকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষার্থীদের প্রচলিত জ্ঞান অনুসরণ না করে প্রশ্ন করতে হবে এবং নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করতে হবে। তিনি মিথ্যা তথ্য ও অপতথ্য মোকাবেলায় সমালোচনামূলক চিন্তা এবং গবেষণাভিত্তিক জ্ঞানচর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। উচ্চশিক্ষাকে শুধুমাত্র সার্টিফিকেট অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রকৃত দক্ষতা অর্জন এবং জনগণের অর্থে পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয়ে জবাবদিহি ও জনস্বার্থ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা তিনি উল্লেখ করেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, এই পুরস্কার মেধা ও কৃতিত্বের স্বীকৃতি, যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের কথা জানান এবং শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের পাশাপাশি নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও মানবিক গুণাবলির বিকাশের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ্ আল মামুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, জাতীয় অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ এবং ইউনেস্কোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. সুজান ভাইজ। অনুষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নাম ঘোষণা করেন যথাক্রমে ড. মাহবুব উল্লাহ এবং বিভাগীয় চেয়ারম্যানরা। বিকেলে অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে পুরস্কারপ্রাপ্তদের সঙ্গে একটি উন্মুক্ত সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্ষা এবং বন্যার মৌসুম শেষ হয়ে গেছে। এ কারণে ব্রহ্মপুত্রের তীরে কোনোমতে মাথা গুঁজে বছরটি পার করার পরিকল্পনা করেছিলেন মাইদুল ইসলাম। কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে ব্রহ্মপুত্রের জলস্তর বেড়ে গেছে। চরগুলোতে ভাঙন চলছে। এতে টিকতে না পেরে নতুন ঠিকানার উদ্দেশ্যে নৌকায় মালপত্র বোঝাই করে চলেছেন তারা।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ঘাট থেকে ইঞ্জিনচালিত শ্যালো নৌকায় ব্রহ্মপুত্রের চর কালির আলগা ও গোয়ালপুরী যেতে সময় লাগে প্রায় এক ঘণ্টা। ভারতীয় সীমান্ত সংলগ্ন এই চরগুলোতে বর্তমানে ভাঙনের তাণ্ডব চলছে। তিন দিক থেকে ব্রহ্মপুত্র চরগুলোকে গিলে ফেলতে চাইছে। তাই নতুন ঠিকানার খোঁজে বাসিন্দারা চতুর্থ দিকে পাড়ি দিচ্ছেন।
মাইদুল তাদের মধ্যে একজন। বৃহস্পতিবার বিকেলে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় এ প্রতিবেদকের। এ সময় মাইদুল বলেন, ‘দুই মাসে হাফ কিলোমিটার ভাঙল। এই চরে আমার থাকার আশ্রয় নাই। বাধ্য হয়ে তিন কিলোমিটার দূরে দক্ষিণ কালির আলগা চরে চলে যাচ্ছি। ওখানে কী হবে আল্লাহ জানেন।’
আড়াই হাজার টাকা নৌকাভাড়া করে মাইদুল নতুন গন্তব্যে যেতে পারলেও ভাঙনে চরম দুর্ভোগে পড়া অনেক পরিবার তা করতে পারছে না। গোয়ালপুরী চরে অন্তত ৫০টি পরিবার ঘর ভেঙে ফাঁকা জায়গায় অবস্থান নিয়েছে। কিছু পরিবার জায়গা ভাড়া নিয়ে অস্থায়ীভাবে বসবাস করছে। অর্থ ও জমির অভাবে নতুন ঠিকানা তৈরির সামর্থ্য নেই।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন জানান, গোয়ালপুরী ও রলাকাটায় গত দুই সপ্তাহে প্রায় দেড়শ পরিবার ভিটেমাটি হারিয়েছে। চলতি বর্ষা মৌসুমে এ দুটি চরে ৩০০ পরিবার ভিটে হারিয়েছে। কালির আলগা চরের শেষ চিহ্ন মুছে যাচ্ছে। সেখানে এ বছর গৃহহীন হয়েছে প্রায় অর্ধশত পরিবার।
ইউপি সদস্য আরও জানান, গত দুই সপ্তাহে গোয়ালপুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোয়ালপুরী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঈদগাহ মাঠ ও একটি মাদরাসা ভেঙে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ১৫০টি পরিবারকে কিছু সহায়তা প্রদান করা হলেও বাকিরা তেমন কোনো সহায়তা পায়নি।
গোয়ালপুরী চরের বাসিন্দা খায়রুন্নেসা জানান, তার ঘর ভেঙে ফাঁকা জমিতে রেখেছেন। জমি এবং টাকা নেই। কোথায় যাবেন জানেন না। তিনি বলেন, ‘ভাঙা বাড়িঘরে আছি বাবা। ট্যাহা-পয়সা নাই। অভাবী সংসার। যামু কই? ট্যাহা-পয়সা জোগাড় কইর্যা কোনোহানে যামু। তার আগে ভাইস্যা গেলে যামু।’
খায়রুন্নেসার প্রতিবেশী জেলেমন বেওয়ার গোয়ালঘরের অর্ধেক নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। দুটি ঘর ভেঙে রেখেছেন পাশের জমিতে। মালামাল পড়ে আছে যত্রতত্র। এখনও গন্তব্য ঠিক করতে পারেননি। অসহায় এই বৃদ্ধা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলেন, ‘ঘর দুইটা হ্যাঙ্গা দিয়া রাখছি। ট্যাহা না থাকলে জাগা-জমি কিনি কী কইর্যা।’
একই অবস্থা আল আমিন, পনির উদ্দিন, আব্দুল খালেকসহ অনেকের। নতুন চরে প্রতিবিঘা জমির মূল্য ৩০-৪০ হাজার টাকা। এই টাকা সংগ্রহ করতে না পেরে টিনের চাল ও ঘরের মালামাল খোলা জায়গায় ফেলে রেখেছেন। তারা চালাঘর তুলে মাথা গুঁজে আছেন।
তারা জানান, কেউ কেউ মহাজনের কাছে দাদন নিচ্ছেন, আত্মীয়-স্বজনদের কাছে ধার-দেনা করছেন। আর যারা টাকা জোগাড় করতে পারছেন না, তারা পড়ে আছেন ভাঙা সংসারে।
কালির আলগা চরের হামেদ আলী, মর্তুজা ও আনোয়ার হোসেন জানান, পুরনো কালির আলগা থেকে ৩০০টি পরিবার দক্ষিণ কালির আলগায় নতুন চরে চলে গেছে। ঠিকানা না পেয়ে ২০-২২টি পরিবার ঝুঁকি নিয়ে পড়ে রয়েছেন। ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে কালির আলগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
যাত্রাপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর জানান, রলাকাটা, কালির আলগা, গোয়ালপুরী ছাড়াও শিবেরপাচি, অষ্ট্রআশিসহ কয়েকটি চরে কমবেশি ভাঙন চলছে। অনেকেই ঘর তুলতে পারেননি। দিন দিন গৃহহীন মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। এমনকি সাবমেরিন ক্যাবল নাইনের মাধ্যমে যাওয়া বিদ্যুতের খুঁটি ভাঙনের মুখে পড়লেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
ইউপি চেয়ারম্যান জানান, ভাঙনের শিকার কয়েকটি পরিবারকে ২০ কেজি করে চাল সহায়তা দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পেলে ঘর নির্মাণের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ঢেউটিন ও অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মুন্না হক বলেন, চরাঞ্চলে নদীভাঙন রোধে জিওব্যাগ ফেলার সুযোগ নেই। তবে ভাঙন রোধে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে অনেক সময় বিশেষ বরাদ্দ দিয়ে কাজ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, দেশের ব্যাংক খাতের মতো বীমা খাতেও লুটপাট চলছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, বীমা খাতে মানুষের বিপুল পরিমাণ সম্পদ নষ্ট হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।
তিনি জানান, গ্রাহকের পাওনা বীমা দাবি পরিশোধের জন্য নির্ধারিত সময় বেঁধে দেওয়া হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পরিশোধে ব্যর্থ হলে কোম্পানির সম্পত্তি বিক্রি করে হলেও গ্রাহকের পাওনা পরিশোধ করা হবে।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের ৫৭ শতাংশ বীমা দাবি এখনো অপরিশোধিত রয়েছে। কিছু কোম্পানি গ্রাহকদের দাবি পরিশোধ না করে নিজেদের সম্পদ বাড়ানোর চেষ্টা করছে।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘দাবি পরিশোধ করতে তাদের সময় বেঁধে দেওয়া হচ্ছে। যদি এর মধ্যে পরিশোধ না করা হয়, তবে কোম্পানির সম্পত্তি বিক্রি করে জনগণের টাকা দেওয়া হবে।’
তিনি উল্লেখ করেন, গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধ নিশ্চিত করার মাধ্যমে বীমা খাতে মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। এ জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে কার্যকরভাবে কাজ করতে হবে।
অর্থমন্ত্রী বীমা কোম্পানিগুলোকে দ্রুত অটোমেশনের আওতায় আসার নির্দেশও দিয়েছেন। তিনি বলেন, সকল বীমা কোম্পানিকে অটোমেশনে যেতে হবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা না মানলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মতবিনিময়সভায় বীমা খাতের অনিয়ম, গ্রাহকের দাবি পরিশোধে দীর্ঘসূত্রতা এবং খাতটিতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বীমা খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং গ্রাহকের আস্থা পুনর্গঠন সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এজন্য অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি গ্রাহকের পাওনা দ্রুত পরিশোধ নিশ্চিত করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন যে, জামায়াত-শিবির যদি পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতি এত ভালোবাসা অনুভব করে, তাহলে তাদের বাংলাদেশ ত্যাগ করে পাকিস্তানের নাগরিকত্ব গ্রহণ করা উচিত। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, জামায়াত-শিবির বাংলাদেশকে আবার পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্দেশ্যে কাজ করছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ মন্তব্য করেন।
রাশেদ খান তার পোস্টে উল্লেখ করেছেন, ‘ভবিষ্যতে জামায়াত-শিবির ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশকে পাকিস্তানের অংশ বানাবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংগ্রহশালা এর একটি প্রমাণ।’
তিনি পোস্টে আরও লেখেন, ‘ডাকসুকে পুরো জামাতিকরণ করেছে শিবির! ডাকসু যেন শিবিরের প্রধান কার্যালয়! আর তার অংশ হিসেবে ডাকসুতে দেশবিরোধী ও ভাষাবিরোধীদের ছবি টাঙিয়েছে জামায়াত-শিবির!’
ছবি টাঙানোর প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, ‘ছবি যদি টাঙাতে হয়, তবে ১৯৮১ সালে বায়তুল মোকাররমের সামনে জনগণ কর্তৃক গোলাম আযমকে জুতা নিক্ষেপের ছবিও টাঙানো উচিত!’
মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানের জাতির পিতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহকে যদি এত ভালো লাগে, তবে বাংলাদেশ ছেড়ে জামায়াত-শিবিরের পাকিস্তানের নাগরিকত্ব গ্রহণ করা উচিত!’
তিনি আরও প্রশ্ন তুলেছেন, ‘বাংলাদেশে থেকে দেশবিরোধী শক্তিকে প্রাসঙ্গিক করার দুঃসাহস জামায়াত-শিবির কোত্থেকে পায়?’
রাশেদ খান বলেন, ‘সময় থাকতে এই শক্তির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারলে, এরা বাংলাদেশকে পাকিস্তানের অঙ্গরাজ্য বানিয়ে ছাড়বে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ