ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পারমাণবিক শক্তিধর দেশের নেতাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক চান ট্রাম্প


পারমাণবিক শক্তিধর দেশের নেতাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক চান ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তিনি এ সময় উল্লেখ করেছেন, ইরান কখনোই পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের অধিকারী হবে না।

শনিবার (৩ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্প এসব মন্তব্য করেন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বড় ও পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকার কারণে তাকে নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয় উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, বিশাল ও পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকা একটি ভালো বিষয়। তিনি জানান, উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গেও তার ভালো সম্পর্ক রয়েছে।

আরও পড়ুন: মালয়েশিয়ায় কর্মরত ৫ বাংলাদেশি সাংবাদিক ক্যান্টন ফেয়ারে অংশ নিতে চীন যাচ্ছেন

এরপর ইরান প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, “ইরান কখনোই পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র পাবে না।” এটি ট্রাম্পের আগের অবস্থানের পুনরাবৃত্তি, যেখানে ওয়াশিংটন দীর্ঘদিন ধরে বলছে, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না।

অন্যদিকে, ইরানের সরকার বারবার বলছে, তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে না। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সম্প্রতি মন্তব্য করেছেন, তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র চায় না এবং তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে।

ওহাইওর সমাবেশটি আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচনকে সামনে রেখে রিপাবলিকান দলের প্রচারণার অংশ ছিল। এবারের নির্বাচনে সিনেটের ১০০ আসনের মধ্যে ৩৩টি এবং প্রতিনিধি পরিষদের সব ৪৩৫টি আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। তথ্যসূত্র: তাস

আরও পড়ুন: জমানো খাবারে বানানো কেকেও ছাড় নেই, বন্দিদের জীবন নরক বানানোর হুমকি বেন-গভিরের

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মোকাবেলায় ইরান ‘নতুন ব্যবস্থা’ গ্রহণ করেছে : পেজেশকিয়ান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৬ এম


মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মোকাবেলায় ইরান ‘নতুন ব্যবস্থা’ গ্রহণ করেছে : পেজেশকিয়ান

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক চাপ এবং কঠোর নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষাপটে ইরান একটি ‘নতুন ব্যবস্থা’ গ্রহণ করেছে। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর পদক্ষেপগুলো ইরানের অর্থনৈতিক নেটওয়ার্কগুলো ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে, এবং এই নতুন কৌশল সেই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে মোকাবেলার জন্য গৃহীত হয়েছে।

পেজেশকিয়ান সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) অভিযোগ করেছেন যে, শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলো, বিশেষ করে আমেরিকা, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক চ্যানেলগুলো বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করছে, যাতে জনগণের ওপর দুর্ভোগ বৃদ্ধি পায়। যদিও অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে, তিনি দাবি করেছেন যে জনগণের সমর্থন এবং সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে শত্রুর উদ্দেশ্য সফল হয়নি।

মার্কিন অর্থ দপ্তর জানিয়েছে, ইরান যে তেল চোরাচালান, নিষেধাজ্ঞা এড়ানো এবং সন্ত্রাসে অর্থায়নের জন্য বিভিন্ন নেটওয়ার্ক এবং আর্থিক চ্যানেল ব্যবহার করে, সেগুলোর একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা বা মানচিত্র তারা তৈরি করেছে। দেশটির সরকারের যেকোনো অবৈধ আয়ের উৎসে আঘাত হানতে আমেরিকা কোনো আপস করবে না বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এই প্রচার বিশ্বজুড়ে চালিয়ে যাচ্ছেন।

আমেরিকার এই কঠোর নজরদারি এবং চাপ এখন ইরানের বিমান চলাচল খাত পর্যন্ত পৌঁছেছে। ওয়াশিংটন বিদেশি কোম্পানি ও সেবা প্রদানকারীদের সতর্ক করেছে যে, ইরানি বিমান সংস্থাগুলোকে সমর্থন বা সহায়তা দিলে তাদেরও পরোক্ষ মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে হবে। গত মাসেই মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ নতুন বেশ কয়েকটি ইরানি এয়ারলাইনস এবং বিমান খাতকে সহায়তাকারী বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে।

বছরের পর বছর ধরে চলতে থাকা মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের এভিয়েশন খাতে সংকট কাটছে না। এর ফলে নতুন বিমান কেনা, খুচরা যন্ত্রাংশ জোগাড় করা এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ সেবা পাওয়া ইরানি এয়ারলাইন্সগুলোর জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। মূলত, এই পদক্ষেপগুলো ইরানের পুরো অর্থনীতিকে চেপে ধরার বৃহত্তর মার্কিন কৌশলেরই অংশ, যার আওতায় আগেই যুক্ত হয়েছে দেশটির জ্বালানি, জাহাজ চলাচল, প্রযুক্তি, সোনা ও ডিজিটাল সম্পদের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজার ধ্বংসস্তূপের ছবি শেয়ার করে মানবিক সহায়তার আহ্বান জানালেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৬ এম


গাজার ধ্বংসস্তূপের ছবি শেয়ার করে মানবিক সহায়তার আহ্বান জানালেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

মার্কিন অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে গাজার অবরুদ্ধ এলাকার স্যাটেলাইট ছবিগুলো শেয়ার করেছেন, যা ইসরাইলি আগ্রাসনের আগে ও পরে তোলা হয়েছে। ছবিগুলো শেয়ার করার সময় তিনি লিখেছেন, ‘এখন গুগল আর্থ খুললেই দেখা যাবে গাজার কী অবস্থা করা হয়েছে।’

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, জোলি একটি দীর্ঘ পোস্টে ইসরাইলের নাম উল্লেখ না করে বলেন, গাজার ‘পুরো এলাকাজুড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে’। তিনি আরও বলেন, বেঁচে থাকার জন্য মানুষের প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর একটি বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

জোলি জানান, গাজায় প্রায় ১৯ লাখ ৮০ হাজার মানুষের মানবিক সহায়তা প্রয়োজন। তবে তিনি উল্লেখ করেন, ‘ত্রাণ ও আশ্রয় সামগ্রী পৌঁছানোর ক্ষেত্রে এখনো নানা বিধিনিষেধ ও বিলম্ব রয়েছে।’

তিনি লেখেন, ‘গুগল আর্থে অভূতপূর্ব স্পষ্টতায় ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র দেখা যাচ্ছে। শীত আসার আগেই মানুষের আশ্রয় প্রয়োজন। প্রয়োজন অনুযায়ী বিপুল পরিমাণ মানবিক সহায়তা বেসামরিক মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে। হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রী সরবরাহ করতে হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কর্নেলে গণধর্ষণ কাণ্ডে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান মাইকেল কটলিকফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৭ এম


কর্নেলে গণধর্ষণ কাণ্ডে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান মাইকেল কটলিকফ

যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে এক শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের (গণধর্ষণের) অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনার মধ্যে প্রতিষ্ঠানের প্রধান মাইকেল কটলিকফ মুখ খুলেছেন। তিনি ঘটনাটিকে ‘গভীরভাবে উদ্বেগজনক’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও ভালো করতে হবে এবং কীভাবে বিষয়টি মোকাবেলা করা হয়েছিল, তার জবাব খুঁজে বের করা হবে।

৩ অক্টোবর দেওয়া প্রায় আট মিনিটের ভিডিও বক্তব্যে কটলিকফ জানান, জেন ডোকে ঘিরে ওঠা অভিযোগগুলো যৌন নিপীড়ন, মানুষকে অমানবিকভাবে দেখা এবং পার্টিতে মদ ও মাদক ব্যবহারের সংস্কৃতি নিয়ে হৃদয়বিদারক ও উদ্বেগজনক প্রশ্ন তুলেছে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালে জেন ডোর সঙ্গে ঘটে যাওয়া বিষয়টি গভীরভাবে উদ্বেগজনক এবং এর প্রভাব কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রদায়ের ওপর দীর্ঘকাল থাকবে। কটলিকফ স্বীকার করেন, ঘটনাটি কীভাবে সামাল দেওয়া হয়েছিল, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে সব উত্তর নেই। তাই বিষয়টি আরও ভালোভাবে মোকাবিলা করা প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ আগামী সপ্তাহে একটি স্বাধীন পর্যালোচনার ঘোষণা দেবে বলে কটলিকফ জানিয়েছেন। বাইরের একটি আইন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ২০২৪ সালের ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয় কীভাবে সামাল দিয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হবে।

এছাড়াও নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হকুলের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন কটলিকফ। অভিযোগের ফৌজদারি তদন্তের দায়িত্ব নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমসের কার্যালয়ের হাতে দেওয়ার সিদ্ধান্তে সমর্থন জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় এই তদন্তে সহযোগিতা করবে।

যৌন নিপীড়ন সংক্রান্ত নিউইয়র্কের আইন পরিবর্তনের উদ্যোগকেও সমর্থন জানিয়েছেন কর্নেল প্রধান। বর্তমান আইনে কেউ স্বেচ্ছায় মাদক বা মদ গ্রহণ করলে শুধুমাত্র সেই কারণে তাকে যৌন সম্পর্কে সম্মতি দেওয়ার আইনগত অক্ষম ব্যক্তি হিসেবে ধরা হয় না—এ নিয়ে সমালোচনা রয়েছে।

অন্যদিকে অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশ্য বক্তব্য নিয়েও সমালোচনা হয়েছে। কটলিকফ বলেন, ভবিষ্যতে কোনো ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে, কেন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং কী সীমাবদ্ধতা রয়েছে—এসব বিষয়ে আরও পরিষ্কারভাবে জানানো হবে। আইন ও নীতিমালার সীমার মধ্যে স্বচ্ছতাও বাড়ানো হবে।

২০২৪ সালের তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন

২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে ওই শিক্ষার্থী কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান। এর আগে একই বছরের ১৯ অক্টোবর কর্নেলের ‘চি ফাই’ ভ্রাতৃসংঘের ভবনে তাকে কয়েকজন সদস্য যৌন নিপীড়ন করেছেন বলে সেপ্টেম্বরে করা মামলায় অভিযোগ করেন জেন ডো। ওই সময় তার বয়স ছিল ২০ বছর।

বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ জেন ডোর ছয় পৃষ্ঠার একটি বক্তব্য স্থানীয় সরকারি জজদের কাছে পাঠায়। পরে আরও কিছু প্রমাণ ও সাক্ষাৎকারের তথ্য নিয়ে পুলিশ স্থানীয় জজদের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও অভিযোগের বিষয়ে ফৌজদারি মামলা না করার সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া হয়েছে জানিয়ে সেসব অতিরিক্ত তথ্য পর্যালোচনা করা হয়নি বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

স্থানীয় সরকারি জজ ম্যাথিউ ভ্যান হাউটেন আগে অভিযোগে মামলা না করার সিদ্ধান্তের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। তবে ২ অক্টোবর তিনি বলেন, ঘটনাটির পুরো চিত্র হয়তো তার কাছে পৌঁছায়নি।

ভ্রাতৃসংঘের কার্যক্রমও পর্যালোচনা

কটলিকফ জানিয়েছেন, কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভ্রাতৃসংঘের ভূমিকা ও কার্যক্রমও নতুন করে পর্যালোচনা করা হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থী, সাবেক শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্ট অন্যদের সঙ্গে আলোচনা করে ভ্রাতৃসংঘগুলোর ইতিবাচক দিকগুলো কীভাবে ধরে রাখা যায় এবং একই সঙ্গে ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা, স্বচ্ছতা ও অন্যের নিরাপত্তার প্রতি দায়িত্ববোধ কীভাবে আরও শক্তিশালী করা যায়, তা দেখা হবে।

সমালোচনা তীব্র হওয়ার প্রেক্ষিতে কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় সপ্তাহান্তের সব সামাজিক ভ্রাতৃসংঘের অনুষ্ঠান বাতিল করেছে। এ ঘটনায় ৫ অক্টোবর শিক্ষার্থীদের কয়েকটি সংগঠন বিক্ষোভেরও পরিকল্পনা করেছে।

এছাড়া যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ ও সচেতনতা, মানসিক স্বাস্থ্য এবং মাদক ব্যবহারের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মসূচিগুলো আরও শক্তিশালী করার কথাও জানিয়েছেন কটলিকফ।

তিনি বলেন, পরিবর্তনের শুরু কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রদায়ের নিজেদের মধ্য থেকেই হতে হবে।

সূত্র: ইউএসএ টুডে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হবিগঞ্জে প্রতারক স্বামীর খোঁজে ভারতীয় নারী, তদন্তের দাবি স্থানীয়দের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৮ এম


হবিগঞ্জে প্রতারক স্বামীর খোঁজে ভারতীয় নারী, তদন্তের দাবি স্থানীয়দের

ভারতের এক নারী হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে প্রতারণার শিকার স্বামীর খোঁজে এসেছেন। অভিযোগ উঠেছে, মিজান মিয়া (২৮) নামের এক ব্যক্তি বাংলাদেশি পরিচয় গোপন করে নিজেকে কলকাতার বাসিন্দা পরিচয় দিয়ে ওই নারীকে বিয়ে করেছেন এবং পরে তার নামে ব্যাংক থেকে ৩ লাখ ৮৩ হাজার রুপি ঋণ নিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে গেছেন।

মিজান মিয়া বানিয়াচং উপজেলা সদরের ১ নম্বর ইউনিয়নের চানপুর বন্দের বীমা তাহের মিয়ার ছেলে। স্থানীয়দের দাবি, ওই নারী বাংলাদেশে আসার পর থেকে মিজান আত্মগোপনে রয়েছেন। এমনকি তিনি কাতারে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

জানা গেছে, মিজান দীর্ঘদিন ধরে ভারতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। এ সময় তিনি সিতারা নামে এক খ্রিস্টান তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান, নিজেকে কলকাতার বাসিন্দা পরিচয় দিয়ে। একপর্যায়ে সিতারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মিজানকে বিয়ে করেন।

অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের পর সিতারার নামে ভারতের এক্সিস ব্যাংক থেকে কয়েক দফায় ৩ লাখ ৮৩ হাজার রুপি ঋণ নেন মিজান। পরে তিনি মা-বাবার সঙ্গে দেখা করার কথা বলে ঋণের টাকা নিয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন। এরপর থেকে স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।

দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর ভারতে কর্মরত বানিয়াচংয়ের শ্রমিক সাইদুর রহমানের মাধ্যমে সিতারা জানতে পারেন, মিজানের বাড়ি কলকাতায় নয়, বাংলাদেশে। এরপর বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজখবর নিয়ে তিনি স্বামীর প্রকৃত ঠিকানা সংগ্রহ করে বানিয়াচংয়ে আসেন।

সিতারা জানান, স্বামীর নেওয়া ব্যাংকঋণের কিস্তি পরিশোধের চাপ সামলাতে পারছেন না। এ অবস্থায় স্বামীর সন্ধানে বাংলাদেশে এসেছেন। এ ঘটনায় বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতাও কামনা করেছেন তিনি।

ভারতে মিজানের সঙ্গে কাজ করা শ্রমিক সাইদুর রহমান বলেন, তিনি মিজানের সঙ্গে ভারতে কাজ করেছেন। সিতারার সঙ্গে মিজানের বিয়ে এবং তাঁর নামে ব্যাংকঋণ নেওয়ার বিষয়টি সত্য বলে দাবি করেন তিনি।

এদিকে, স্বামীর সন্ধানে কয়েক দফা মিজানের বাড়িতে যান সিতারা। তবে মিজান বাড়িতে নেই জানিয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে চলে যেতে বলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, তারা মিজান ও সিতারার বিয়ের কাগজপত্র এবং ব্যাংকঋণসংক্রান্ত নথি দেখেছেন। সিতারা বানিয়াচংয়ে আসার পর থেকেই মিজান বাড়ি ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন বলেও জানান তারা।

ঘটনাটি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই, প্রতারিত নারীর আইনি অধিকার নিশ্চিত এবং তাকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%