শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৪২ পি.এম
সম্প্রতি, মুম্বাইয়ের বিখ্যাত লালবাগচা রাজার মণ্ডপে গণপতি দর্শনে গিয়েছিলেন বলিউড অভিনেতা গোবিন্দ। তার সঙ্গে ছিলেন সহ-অভিনেত্রী কোমল রানি স্বর্ণকার। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই নেটিজেনদের মধ্যে একের পর এক আলোচনা শুরু হয়েছে।
গোবিন্দ কিছুদিন ধরে তার ব্যক্তিগত জীবনের কারণে বলিপাড়ায় বারবার আলোচনায় আসছেন। এবার, মামাশ্বশুর গোবিন্দের লালবাগচা রাজার মণ্ডপের ছবি ভাইরাল হওয়ার পর অভিনেত্রী কাশ্মীরা শাহ রহস্যময় একটি পোস্ট দিয়েছেন।
সামাজিক মাধ্যমে পোস্টে কাশ্মীরা লিখেছেন, ‘বিশ্বাসই করতে পারছি না— মানুষ কেন একজন ‘রহস্যময় নারী’কে নিয়ে এত বড় করে পোস্ট করছে? তিনি বলেন, ‘ঘরভাঙানি’দের উৎসাহ দেওয়া বন্ধ করুন এবং যে পুরুষেরা তাদের আজীবনের সঙ্গী স্ত্রীদের ছেড়ে কমবয়সি, উচ্চাকাঙ্ক্ষী মেয়েদের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন, তাদের আদর্শ হিসেবে দেখানো বন্ধ করুন— এটা অত্যন্ত জঘন্য বিষয়।’
কাশ্মীরা আরও বলেন, ‘মানুষের কাছ থেকে আরও বিবেচনাবোধ এবং নৈতিকতা আশা করেছিলাম। দয়া করে এই উন্মাদনা বন্ধ করুন।’
উল্লেখ্য, অভিনেতা গোবিন্দের ভাগ্নে কৃষ্ণা অভিষেকের স্ত্রী কাশ্মীরা শাহ। যদিও সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে পোস্টে কারও নাম উল্লেখ করেননি তিনি, তবে এক কাপ কফি হাতে এ পোস্ট যে মামাশ্বশুরকে উল্লেখ করেই তা বলাই যায়।
কাশ্মীরার এই পোস্টের কারণে অনেকেই তার প্রশংসা করেছেন। এক নেটিজেন বলেছেন— ‘সুনীতা আহুজার মতো একজন স্ট্রং নারীর পাশে অন্য একজন নারীকে দাঁড়াতে দেখে সত্যিই খুব ভালো লাগছে। এটা সত্যিই প্রয়োজন ছিল।’
আরেক নেটিজেন বলেছেন—‘মামির পাশে যেভাবে তুমি দাঁড়ালে সত্যিই প্রশংসাযোগ্য। তোমায় অনেক অনেক ধন্যবাদ কাশ্মীরা।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে তার দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) ২৭ সেপ্টেম্বর ইসলামাবাদে মিছিলের ডাক দিয়েছে। রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করতে পাকিস্তান সরকার কার্যত লকডাউন করে ফেলেছে, যাতে সমর্থকদের মিছিল ঠেকানো যায়।
দেশের প্রধান সড়কগুলোতে শিপিং কনটেইনার বসিয়ে যান চলাচল বন্ধ করা হয়েছে এবং হাজার হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। পিটিআই জানিয়েছে, তারা নির্ধারিত কর্মসূচি চালিয়ে যাবে। অন্যদিকে, সরকার বলেছে, রাজধানীর সড়ক বন্ধ করে জনজীবন ব্যাহত করার সুযোগ দেওয়া হবে না। এ নিয়ে সরকার এবং ইমরান খানের দলের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে।
মিছিলের আগে ইমরান খানের তিন বোন, আলিমা খান, উজমা খান ও নোরিন নিয়াজি আটক হয়েছেন। পাশাপাশি পিটিআইয়ের বেশ কয়েকজন কর্মী ও নেতাকেও আটক করা হয়েছে বলে দলটি জানিয়েছে।
এই বিক্ষোভ পাকিস্তানে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে। ইমরান খানের কারাবাস এবং তার দলকে বিভিন্নভাবে চাপে রাখার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এর আগে দেশটির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়েছে।
যদি বিপুলসংখ্যক মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেয় বা রাজধানীতে যাওয়ার পথে সংঘর্ষ হয়, তাহলে ব্যবসা ও পরিবহন ব্যবস্থা ব্যাহত হতে পারে। এতে সরকারের ওপর অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সংকট মোকাবেলার চাপ আরও বাড়তে পারে।
এদিকে, পাকিস্তানের ৭০০ কোটি ডলারের ঋণ কর্মসূচির পর্যালোচনা করতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) একটি দল বর্তমানে দেশটিতে রয়েছে। দীর্ঘদিনের আর্থিক সংকটের পর এই কর্মসূচি পাকিস্তানের অর্থনীতি স্থিতিশীল করতে সহায়তা করছে।
এই সপ্তাহে আইএমএফের প্রতিনিধিদল করাচিতে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। পরিকল্পিত বিক্ষোভের পরদিন সোমবার তাদের ইসলামাবাদে যাওয়ার কথা রয়েছে।
‘দ্য নিউজ’-এর প্রতিবেদনে কর্মকর্তাদের বরাতে বলা হয়েছে, রাজধানীর পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে আইএমএফের প্রতিনিধিদলের ইসলামাবাদ সফরের পরবর্তী কার্যক্রম নির্ধারিত সময় অনুযায়ী চলতে পারে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ১ হাজার শিপিং কনটেইনার অস্থায়ী ব্যারিকেড হিসেবে বসানো হয়েছে। রবিবারের পরিকল্পিত বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ২২ হাজারের বেশি নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েনের প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে। প্রকাশ্যে কথা বলার অনুমতি না থাকায় ওই কর্মকর্তা ব্যারিকেড বসানোর নির্দিষ্ট কারণ জানাননি।
ইমরান খানের সঙ্গে শিপিং কনটেইনারের এমন ঘটনার আগেও সম্পর্ক রয়েছে। ২০২২ সালে একটি বিক্ষোভ মিছিলে সমর্থকদের উদ্দেশে কথা বলার সময় তিনি একটি কনটেইনারের ওপর দাঁড়িয়েছিলেন। সে সময় এক বন্দুকধারীর গুলিতে তিনি পায়ে আহত হন।
দুর্নীতির একটি মামলায় ইমরান খান ১৪ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন। তার পরিবার ও আইনজীবীরা অভিযোগ করেছেন, কারাগারে তাকে অমানবিক পরিবেশে রাখা হয়েছে। তাদের দাবি, খান দিনে প্রায় ২৩ ঘণ্টা একটি ছোট কক্ষে থাকেন, যেখানে প্রাকৃতিক আলো নেই এবং অন্য বন্দিদের সঙ্গেও তার যোগাযোগের সুযোগ নেই। তবে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
রবিবারের বিক্ষোভ সামনে রেখে সরকারের মন্ত্রীরা মিছিল ঠেকানোর কথা জানিয়েছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি চলতি সপ্তাহের শুরুতে বলেছেন, বিক্ষোভকারীদের কারণে দেশ অচল হয়ে পড়ার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।
এরই মধ্যে ইসলামাবাদে প্রবেশের প্রধান মহাসড়ক ও অন্যান্য সড়ক বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ইমরান খানের দল পিটিআই-শাসিত উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ খাইবার পাখতুনখাওয়ার সঙ্গে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যোগাযোগও রয়েছে।
পাকিস্তানের ডন পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, কর্তৃপক্ষ ইসলামাবাদজুড়ে দুই মাসের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে, যার আওতায় পাঁচ বা ততোধিক লোকের সমাবেশ এবং জনসমাগমস্থলে র্যালি ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
জিও নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাঞ্জাব নিরাপত্তা জোরদার করতে রাওয়ালপিন্ডিসহ চারটি জেলায় আধাসামরিক রেঞ্জার্স মোতায়েনের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে অনুরোধ করেছে। মিছিলের আগে প্রদেশটি মোবাইল ও ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখারও দাবি জানিয়েছে।
পিটিআই সরকারের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘনের জন্য ক্ষমতা ব্যবহারের অভিযোগ করেছে। পিটিআই চেয়ারম্যান গোহর আলী খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা যখন ইসলামাবাদে প্রবেশ করব, তখন সর্বত্র পাকিস্তানের পতাকাসহ একটি উৎসবমুখর পরিবেশ থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হাইকোর্ট পূর্ণাঙ্গ রায়ে পর্যবেক্ষণ করেছেন যে, কোনো ব্যক্তি যদি একাধিক ফৌজদারি মামলায় আলাদাভাবে দণ্ডিত হন, তবে আদালতের স্পষ্ট নির্দেশনা ছাড়া সেই সাজা একই সঙ্গে চলার বা গণনার জন্য কোনো আইনি সুযোগ নেই।
আদালত রায়ে উল্লেখ করেছে যে, পৃথক মামলায় দণ্ড দেওয়ার সময় যদি বিচারিক আদালতের রায়ে ‘সাজা একই সঙ্গে চলবে’ বলে উল্লেখ না থাকে, তাহলে একটি মামলার নির্ধারিত সাজা ভোগ শেষ হওয়ার পরই কেবল ধারাবাহিকভাবে পরবর্তী মামলার সাজা কার্যকর হবে।
এক আসামির সাজা ভোগ ও কারাগারে রাখার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের রুল খারিজ করে বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় প্রদান করেছেন। ২০২৫ সালের ২৭ আগস্ট প্রদত্ত উক্ত রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে।
আরো পড়ুন
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী জানান, "অর্থ হরিলুটের কারণে আজ বিদ্যুতের ঘাটতি।" মামলার নথি ও প্রকাশিত রায়ের বিবরণী থেকে জানা যায়, চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী মো. নাসির উদ্দিন দ্য নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট (এনআই অ্যাক্ট), ১৮৮১-এর ১৩৮ ধারায় দায়েরকৃত চেক ডিজঅনারের পৃথক ছয়টি মামলায় বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ডপ্রাপ্ত হন। ২০২১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর তিনি গ্রেপ্তার হন এবং পর্যায়ক্রমে অন্যান্য মামলাতেও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। নির্ধারিত সাজার মেয়াদ ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গেছে দাবি করে তাকে বেআইনিভাবে আটকে রাখার অভিযোগ এনে ২০২২ সালে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন নাসির উদ্দিন।
ওই রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে ২০২২ সালের ১১ এপ্রিল হাইকোর্ট রুল জারি করে এবং রিটকারীকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন প্রদান করে। রুল শুনানিতে রিটকারীর আইনজীবী দাবি করেন, বিচারাধীন অবস্থায় রিটকারী কারাগারে ছিলেন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫এ ধারা অনুযায়ী হাজতবাসের মেয়াদ মূল সাজা থেকে সমন্বয় করলে তার কারাভোগ ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গেছে।
আরো পড়ুন
বিবাদীদের আইনজীবী আইনি ব্যাখ্যা তুলে ধরে বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৭ ধারা অনুযায়ী একজন দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি অন্য মামলায় পুনরায় দণ্ডিত হলে আদালত যদি সুস্পষ্টভাবে সাজা ‘একসঙ্গে চলবে’ বলে নির্দেশ না দেন, তবে একটির সাজা শেষ হওয়ার পরই পরবর্তী সাজা শুরু হবে। আলোচ্য ক্ষেত্রে বিচারিক আদালত সাজা একসঙ্গে চলার কোনো নির্দেশ দেননি।
সুপ্রিম কোর্টের সার্কুলার ও আইন অনুযায়ী, আসামি নির্দিষ্ট যে মামলায় বিচারের সময়ে হেফাজতে ছিলেন, কেবল সেই নির্দিষ্ট মামলার মোট সাজা থেকেই ওই মেয়াদ বাদ যাবে। এক মামলার হাজতবাস অন্য মামলার সাজা কাটানোর কাজে ব্যবহার করা যাবে না। দুই পক্ষের শুনানি ও নথিপত্র পর্যালোচনার পর রুলটি চূড়ান্তভাবে খারিজ করে রায় দেন হাইকোর্ট।
রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৭ ধারা অনুযায়ী যেহেতু বিচারিক আদালত পৃথক মামলাগুলোতে সাজা একই সঙ্গে চলার নির্দেশ দেননি, তাই প্রতিটি মামলার সাজা একের পর এক (ধারাবাহিকভাবে) কার্যকর হবে।
আরো পড়ুন
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫এ ধারা অনুযায়ী আসামি যে নির্দিষ্ট মামলায় বিচার চলাকালে কারাভোগ করেছেন, কেবল সেই মামলার মূল সাজা থেকেই ওই সময় বাদ যাবে। সংশ্লিষ্ট আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা ছাড়া রিট এখতিয়ারের অধীন কোনো ফৌজদারি কার্যক্রম বাতিল করার সুযোগ নেই এবং হাইকোর্ট রিট এখতিয়ার প্রয়োগ করে বিচারিক আদালতের বিচারিক রায়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারেন না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে এক যুবলীগ কর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাড়ির লোকজন তাকে নিজের ঘরে স্ত্রীর ওড়না দিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলতে দেখে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের নাম মো. আব্দুল্লাহ আল পাশা (২৩)। তিনি সীতাকুণ্ড পৌরসভার নুনাছাড়া এলাকার মো. নুরুল আফছারের ছেলে এবং নিষিদ্ধ যুবলীগের কর্মী ছিলেন।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) পাশার মেজো ভাইয়ের বিয়ের কেনাকাটা শেষে রাত ৮টায় বাড়ির লোকজন ঘরে ফিরে তাকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলতে দেখে দ্রুত উদ্ধার করে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. শিব্বীর আহমেদ প্রিন্স বলেন, ‘হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়।’
নিহতের চাচি ঝর্ণা আক্তার বলেন, ‘পাশা সাত মাস আগে প্রেমের সম্পর্ক করে বিয়ে করেছিলেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে পারিবারিক বিষয় নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার ঝগড়া হয়েছিল।’ পাশা মাদকাসক্ত ছিল বলেও জানান তিনি।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো. আলমগীর বলেন, ‘নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছি। ময়নাতদন্তে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বের হয়ে আসবে। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুরিখ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে, সুইজারল্যান্ডের বৃহত্তম বিমানবন্দরে, উড্ডয়নের ঠিক পূর্বমুহূর্তে মদ্যপ অবস্থায় থাকা এয়ার ইন্ডিয়ার এক কো-পাইলটকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভির তথ্য অনুযায়ী, গত ৬ সেপ্টেম্বর দিল্লিগামী ফ্লাইটের উড্ডয়নের ঠিক আগে কো-পাইলটের মদ্যপ অবস্থায় থাকার সন্দেহে তাকে বিমান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে প্রাথমিক অ্যালকোহল টেস্টে তিনি ফেল করেন। এরপর তাকে বিমান থেকে নামিয়ে সাধারণ যাত্রী হিসেবে ভারতে ফিরিয়ে আনা হয়।
চূড়ান্ত মেডিক্যাল রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত তিনি বরখাস্ত থাকবেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনার কারণে এয়ার ইন্ডিয়া ফ্লাইট এআই ১৫১ নির্ধারিত সময়ে উড্ডয়ন করতে পারেনি। পরবর্তীতে পরের দিন ফ্লাইটটি পরিচালনা করা হয়।
এয়ার ইন্ডিয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিরাপত্তা, নিয়মকানুন বা প্রতিষ্ঠানের নীতি লঙ্ঘনের বিষয়ে তাদের অবস্থান আপসহীন। নিয়মভঙ্গের কোনো প্রমাণ পাওয়া গেলে তা কঠোরভাবে দমন করা হয় এবং বিধিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
এর আগে, গত ৪ আগস্ট ফুকেট থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে বড় ধরনের বিপত্তি ঘটেছিল। ওড়িশার ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় বিমানটি হঠাৎ প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায়। এতে অন্তত ২০ জন যাত্রী ও ক্রু আহত হন।
পরে জানা যায়, ওই ফ্লাইটের মূল পাইলট সুদীপ বশিষ্ঠ ডোপ টেস্টে (মারিজুয়ানা) পজিটিভ হয়েছিলেন। যদিও পাইলট দাবি করেছিলেন তিনি ঘুমের ওষুধ খেয়েছিলেন, তবে এই ঘটনার পর কর্তৃপক্ষের টনক নড়ে।
এসব ঘটনার পর এয়ার ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে তাদের সব পাইলটের জন্য নতুন করে বাধ্যতামূলক ডোপ টেস্টের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কর্মচারীদের মধ্যে নিয়ম মানার সংস্কৃতি জোরদার করতে তারা অতিরিক্ত বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সাইকোহ্যাক্টিভ বা মনস্তাত্ত্বিক উপাদানের জন্য বাধ্যতামূলক পরীক্ষা, সচেতনতামূলক কর্মসূচি বৃদ্ধি এবং কঠোর শৃঙ্খলা রক্ষা নিশ্চিত করা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ