০৯:২১ এম
সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছে। হামলাকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করে সৌদি আরব জানায়, বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনার ওপর এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য একটি বড় হুমকি। হুতি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেছেন, তারা সৌদি আরবের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় তিনটি সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে।
এনএসআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব অভিযানে ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। হুতিদের দাবি অনুযায়ী, প্রথম অভিযানে সৌদির রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়, যার ফলে বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। দ্বিতীয় অভিযানে রাবিঘের আরামকো তেল শোধনাগারে হামলা চালানো হলে সেখানে আগুন ধরে যায়। তৃতীয় অভিযানে আবহা বিমানবন্দর, খামিস মুশাইতের একটি সামরিক ঘাঁটি এবং নাজরান ও জিজানের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালানো হয়।
হুতি মুখপাত্রের দাবি, গত ২৪ ঘণ্টায় ইয়েমেনের রাজধানী সানাসহ বিভিন্ন এলাকায় সৌদি বাহিনীর ৬০টি বিমান হামলার প্রতিশোধ হিসেবে এসব হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে, মক্কা ও মদিনার পবিত্র আকাশসীমা ছাড়া সৌদি আরবের আকাশপথ ব্যবহারকারী আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনগুলোকে সতর্ক করেছে গোষ্ঠীটি।
আরও পড়ুন: দেশবাসী তাকিয়ে আছে কবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন: নাহিদ ইসলাম
তবে এসব হামলার ঘটনায় সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, ২০১৪ সালে হুতিরা ইয়েমেনে ক্ষমতা দখলের পর থেকেই সৌদি আরব রাজনৈতিক সমাধানের চেষ্টা করে আসছে। কিন্তু হুতিদের ধারাবাহিক হামলা ইয়েমেনের জনগণকে আরো বড় মানবিক ও অর্থনৈতিক সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরো জানায়, দেশের ভূখণ্ড, সার্বভৌমত্ব ও নাগরিকদের নিরাপত্তা রক্ষায় আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণের অধিকার সৌদি আরব সংরক্ষণ করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন