সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২৫ পি.এম
ভারতের একটি বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে বোরকা পরিহিত নারীদের উদ্দেশ্যে ধর্মীয় কটূক্তিপূর্ণ স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় স্টুডেন্টস ইসলামিক অর্গানাইজেশন (এসআইও) ছত্তিশগড় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ছত্তিশগড়ের রায়পুরের একটি স্কুলের মঞ্চ থেকে স্লোগান তোলা হচ্ছে— “দুর্গা বন, কালী বন, কভি না বোরখেওয়ালি বন” (দুর্গা হও, কালী হও, কখনো বোরকা পরিহিতা নারী হয়ো না)।
তবে ভিডিওটির সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট, সংশ্লিষ্ট স্কুলের পরিচয় বা অনুষ্ঠানটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর এসআইও ছত্তিশগড় জানায়, বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে এ ধরনের স্লোগান একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তোলে।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, “যখন একজন শিক্ষক নির্দিষ্ট কোনো ধর্মীয় পোশাক বা পরিচয়কে হেয় করার জন্য বিদ্যালয়ের মঞ্চ ব্যবহার করেন, তখন তা কেবল ওই ব্যক্তির দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণে সীমাবদ্ধ থাকে না। এর মাধ্যমে সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দিকেও আঙুল ওঠে, যারা এই মঞ্চ ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছে এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সামনে এমন বার্তার অনুমোদন দিয়েছে।”
এসআইও আরও মন্তব্য করে যে, শিক্ষকদের কাজ ধর্মীয় বৈষম্য ছড়ানো নয়, বরং তাঁদের উচিত সাংবিধানিক মূল্যবোধ, সমতা, মর্যাদা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ শেখানো। সংগঠনটি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে, “বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এই ঘটনার প্রাতিষ্ঠানিক দায় নিতে হবে। প্রকাশ্যে এর নিন্দা জানিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সম্প্রদায়ের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে।”
এই পুরো ঘটনার একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। এসআইও ছত্তিশগড় বলে, “আমরা এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। স্কুলের কাজ মানুষের মনকে আলোকিত ও শিক্ষিত করা, ধর্মীয় কুসংসস্কার বা বিদ্বেষ ছড়িয়ে বিষাক্ত করা নয়।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ভিডিওটি নিয়ে নানা ধরনের মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তবে বিদ্যালয়টির নাম বা কোন পরিস্থিতিতে ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছিল, সে সম্পর্কিত স্পষ্ট কোনো তথ্য এখনো জানা যায়নি।
এ বিষয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কর্তৃপক্ষ বা স্কুল প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো বিবৃতি দেওয়া হলে ঘটনাটি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএ) নতুন ডিলার নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রাখার আহ্বান জানিয়েছে, যতক্ষণ না সার ডিলার নিয়োগ নীতিমালা-২০২৬-এর বিভিন্ন ধারা নিয়ে অস্পষ্টতা দূর করা হয়।
সংগঠনটি একই সঙ্গে দাবি করেছে, সার ডিলারদের বস্তাপ্রতি বিক্রয় কমিশন ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০ টাকা করা হোক।
আজ ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএফএ’র চেয়ারম্যান মো. মোশারফ হোসেন এসব দাবি তুলে ধরেন। সংবাদ সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন জেলার সার ডিলাররা উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে সার ডিলারদের বিক্রয় কমিশন বাড়ানোর দাবি জানানো হচ্ছে, কিন্তু তা কার্যকর করা হয়নি। এর মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম, পরিবহন ব্যয় এবং জীবনযাত্রার খরচ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। ২০০৮ সালে বস্তাপ্রতি পরিবহন ব্যয় ও বিক্রয় কমিশন মিলিয়ে ১০০ টাকা থাকলেও বর্তমানে পরিবহন ব্যয় বাদ দিয়েই ডিলারদের বস্তাপ্রতি প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ টাকা লোকসান হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সরকার বস্তাপ্রতি কমিশন ৫০ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে। তবে এতে ডিলারদের ব্যবসা লাভ-লোকসানের কাছাকাছি অবস্থায় থাকবে। এই কারণে ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে কমিশন আরও ১০০ টাকা বাড়িয়ে ২০০ টাকা করার দাবি জানানো হয়েছে।
বিএফএ চেয়ারম্যান জানান, সার ডিলার নিয়োগ নীতিমালা-২০২৬-এর বিভিন্ন ধারার অসংগতির বিষয়ে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন করা হয়েছে। আদালত এ বিষয়ে রুল জারি করেছে। তবুও দেশের বিভিন্ন জেলায় সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির মাধ্যমে নতুন ডিলার নিয়োগের কার্যক্রম চলছে।
তিনি বলেন, আদালতের রুল জারির পরও নতুন ডিলার নিয়োগ কার্যক্রম অব্যাহত থাকায় এর কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, তা বিবেচনা করা প্রয়োজন।
বিএফএ আরও দাবি করেছে, নীতিমালায় বিসিআইসি ও বিএডিসির ডিলারদের একই শ্রেণির সার ডিলার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হলেও নিয়োগের প্রক্রিয়া, অভিজ্ঞতা, নিরাপত্তা জামানত, বিনিয়োগ, অবকাঠামো ও দায়িত্বের ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। এ বিষয়ে সুস্পষ্ট প্রশাসনিক ব্যাখ্যার দাবি জানিয়েছেন বিএফএ চেয়ারম্যান।
সংগঠনটি বলেছে, নতুন ডিলার নিয়োগের আগে বিদ্যমান ডিলারদের মর্যাদা, ডিলার ইউনিট, ডিলারের সংখ্যা ও কাঠামো সম্পর্কে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত দিতে হবে। এসব বিষয়ে সমাধান না হওয়া পর্যন্ত নতুন ডিলার নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রাখার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিএফএ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নগদ লিমিটেড, আইএফআইসি ব্যাংকের সঙ্গে ডিজিটাল সঞ্চয় ও ঋণসেবা চালুর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে। নগদ গ্রাহক, এজেন্ট, ডিস্ট্রিবিউটর ও মার্চেন্টদের জন্য এই সেবাগুলো প্রদান করা হবে।
সোমবার ঢাকার পুরানা পল্টনে আইএফআইসি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই সমঝোতা স্মারক সই হয়। আইএফআইসি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ও প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (সিআইও) মো. মনিতুর রহমান, চিফ অব ব্রাঞ্চ বিজনেস হেলাল আহমেদ এবং নগদ লিমিটেডের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার মোহাম্মদ শহীন সারওয়ার ভূইয়া নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন। এ সময় দুই প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সমঝোতা স্মারকের আওতায় নগদের গ্রাহক ও এজেন্টদের জন্য নগদ অ্যাপ ও এজেন্ট অ্যাপের মাধ্যমে আইএফআইসি ব্যাংকের ডিপোজিট পেনশন স্কিম (ডিপিএস) ও ফিক্সড ডিপোজিট (এফডি) হিসাব খোলার সুযোগ চালুর সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে।
এছাড়া, নগদ অ্যাপের মাধ্যমে যোগ্য গ্রাহকদের আইএফআইসি ব্যাংকের বিভিন্ন ঋণপণ্য ও ডিজিটাল ঋণ দেওয়ার সম্ভাবনাও যাচাই করবে দুই প্রতিষ্ঠান। নগদের এজেন্ট, ডিস্ট্রিবিউটর ও মার্চেন্টদের আইএফআইসি ব্যাংকের ঋণসুবিধার আওতায় এনে অর্থায়নের সুযোগ তৈরির বিষয়টিও প্রস্তাবিত সহযোগিতার মধ্যে রয়েছে।
আইএফআইসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মনসুর মোস্তফা বলেন, "এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে দেশের লাখো গ্রাহকের কাছে ব্যাংকের সঞ্চয় ও ঋণসেবা আরও সহজে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।" তিনি আরও জানান, ব্যাংকিং সক্ষমতার সঙ্গে নগদের বিস্তৃত ডিজিটাল নেটওয়ার্ককে কাজে লাগিয়ে ডিজিটাল মাধ্যমে ঋণ ও আমানতসেবা দেওয়ার নতুন সুযোগ খতিয়ে দেখা হবে।
নগদের প্রশাসক (বিপিও-নগদ) মো. মোতাছিম বিল্লাহ বলেন, "সারাদেশে নগদের তিন লাখের বেশি উদ্যোক্তার নেটওয়ার্ক রয়েছে। ফলে যেকোনো ব্যাংকের সেবা দেশজুড়ে পৌঁছে দিতে নগদ কার্যকরভাবে সহায়তা করতে পারে।" এই সমঝোতার মাধ্যমে গ্রাহক, এজেন্ট, ডিস্ট্রিবিউটর ও মার্চেন্টদের জন্য আরও বিস্তৃত আর্থিক সেবার সুযোগ তৈরির সম্ভাবনা যাচাই করা যাবে।
সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে প্রস্তাবিত ব্যবসায়িক ক্ষেত্রগুলোর সম্ভাব্যতা, কার্যকর মডেল ও বাস্তবায়নের সুযোগ যৌথভাবে যাচাই ও মূল্যায়ন করবে দুই প্রতিষ্ঠান।
২০২১ সালের মার্চ থেকে ‘অ্যাড মানি’ সেবার জন্য আইএফআইসি ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে নগদ। এই সেবার মাধ্যমে আইএফআইসি ব্যাংকের হিসাব থেকে নগদ ওয়ালেটে টাকা যোগ করতে পারেন গ্রাহকেরা। নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে বিদ্যমান সহযোগিতার পরিধি আরও বাড়িয়ে আইএফআইসি ব্যাংকের ব্যাংকিং ও ঋণসেবাগুলো নগদের গ্রাহক ও এজেন্ট প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত করার সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের মেঘনা নদীতে গোসল করতে গিয়ে তিন স্কুলছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় নৌপুলিশ বাল্কহেডসহ চারজনকে আটক করেছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতের দিকে বৈদ্যেরবাজার এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
এদিকে, তিন শিক্ষার্থীর মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর দাফন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে বাড়ি মজলিশ হাফেজিয়া মাদরাসা মাঠে জানাজা শেষে যমজ দুই ভাই আরেফিন আহমেদ ও আশেকিন আহমেদের মরদেহ দাফন করা হয়। অপর নিহত আবিদ হোসেনের মরদেহ খুলনায় তার গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়েছে।
সোনারগাঁ থানার বৈদ্যেরবাজার নৌপুলিশের পরিদর্শক রুহুল আমিন জানিয়েছেন, তিন শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় বাল্কহেডসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। নিহত যমজ দুই শিক্ষার্থীর বাবা মোহাম্মদ ফারুক বাদী হয়ে মামলা করার পরিকল্পনা করছেন।
রুহুল আমিন আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা মেঘনা নদীতে যেখানে বাল্কহেডটি থামানো ছিল, সেখানে গোসল করছিল। বাল্কহেডের ইঞ্জিন চালু করার পর নদীর পানিতে প্রচণ্ড ঘূর্ণি তৈরি হয়। এ সময় একজন নারী টান দিয়ে একজন শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও অন্য তিনজন পানিতে তলিয়ে যায়। বাল্কহেড ও আটক চারজনের বিরুদ্ধে অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।
আটক চারজন হলেন- বাল্কহেড এমবি সোনারগাঁ মদিনা-৪ এর সুকানি মো. হাবিবুর রহমান (৪৫), গ্রিজার মো. আবু জাফর (৩৫), লস্কর এবাদুল হাওলাদার (২৫) ও মো. সিফাত (১৯)। বাল্কহেডটির নম্বর ০১-১০৭৭। এটি মেসার্স রনি এন্টারপ্রাইজের। প্রতিষ্ঠানটির মালিক মোহাম্মদ হোসেন মিয়া ও সুজিত কুমার সাহা।
রোববার দুপুরে উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের ভাটি বন্দর এলাকায় মেঘনা নদীতে গোসল করতে গিয়ে তিন স্কুলছাত্র তলিয়ে যায়। নিহতরা হলো- মোগরাপাড়া ইউনিয়নের বাড়ি মজলিশ এলাকার মোহাম্মদ ফারুকের জমজ ছেলে আরেফিন আহমেদ (১৫) ও আশেকিন আহমেদ (১৫) এবং একই এলাকার আবদুল আলীমের ছেলে আবিদ হোসেন (১৪)। তারা মোগরাপাড়া এইচ জি জি এস স্মৃতি সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল।
ফায়ার সার্ভিসের সহকারী উপপরিচালক আবদুল্লাহ আল আরেফিন জানিয়েছেন, মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ তিন শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুজন জমজ ভাই। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বাল্কহেডের পাখার সঙ্গে ধাক্কা লেগে শিক্ষার্থীরা পানিতে তলিয়ে যেতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, শিক্ষার্থীরা বাল্কহেডে উঠে নদীতে গোসল করছিল। একপর্যায়ে তারা নদীতে লাফিয়ে পড়লে বাল্কহেডের ইঞ্জিন চালু করা হয়। এতে ইঞ্জিনের পাখার আঘাতে তারা পানিতে তলিয়ে যায়। আশপাশের লোকজন ইঞ্জিন বন্ধ করতে বললেও বাল্কহেডের কর্মীরা তা করেননি এবং শিক্ষার্থীদের উদ্ধারে এগিয়ে আসেননি।
বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আরেফিন ও আশেকিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আবিদের মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কেরানীগঞ্জের রামের কান্দায় অবস্থিত খালের পাড়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার জন্য উপজেলা প্রশাসন একটি অভিযান পরিচালনা করেছে। এই উচ্ছেদ কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ উমর ফারুক।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অভিযানটি চলমান ছিল। অভিযানে খালের জায়গা দখল করে নির্মিত তিনটি বড় স্থাপনাসহ বেশ কিছু অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়।
এছাড়া, তাতী মার্কেট, তমিজউদ্দীন প্রেসসহ অন্যান্য কিছু স্থাপনাকে ৭ দিনের মধ্যে মালিকদের নিজ উদ্যোগে সরিয়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়। অভিযানে কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ রাশেদ খান এবং শাক্তা ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের চেয়ারম্যান নাসিমা বেগমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ উমর ফারুক উল্লেখ করেন, খালটি দখলমুক্ত করে এর স্বাভাবিক প্রবাহ পুনরুদ্ধার করা হবে।
তিনি আরও জানান, দখলদাররা যতই প্রভাবশালী হোক, খালটি দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ