ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চকরিয়া পৌর শহরের ফুটপাত সড়ক মুক্ত করতে উচ্ছেদ ৫ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা


চকরিয়া পৌর শহরের ফুটপাত সড়ক মুক্ত করতে উচ্ছেদ ৫ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা

কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরশহরকে যানজটমুক্ত ও সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য নিরাপদ করার লক্ষ্যে একটি ব্যাপক উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এই অভিযানে ফুটপাত ও ড্রেন দখল করে গড়ে ওঠা পাঁচ শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং ভাসমান স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন অপরাধে ৫টি মামলায় ১৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত এই ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেন চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও চকরিয়া পৌরসভার প্রশাসক শাহীন দেলোয়ার। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং পৌরসভার প্রায় শতাধিক কর্মী অংশগ্রহণ করেন।

অভিযানের সময় সহযোগিতা প্রদান করেন চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শফিউল আলম। উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান, পরিদর্শক (তদন্ত) মাছুম আহমেদ এবং পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা ডা. লোকমান হাকিম।

আরও পড়ুন: সিম খেতে কাজ করতে গিয়ে প্রাণ গেল কিশোর দিনমজুরের

পৌরশহরের গুরুত্বপূর্ণ চিরিঙ্গা বাজার, ওয়াপদা সড়ক এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের উভয় পাশে গড়ে ওঠা অননুমোদিত শেড, চৌকি ও অন্যান্য অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করার ফলে দীর্ঘদিন পর ফুটপাতগুলো পথচারীদের চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত হয়ে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও হকার প্রধান সড়কের ফুটপাত এবং ড্রেনের ওপর পসরা সাজিয়ে ব্যবসা করে আসছিলেন। ফলে পথচারীদের মূল সড়ক দিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হতে হতো। এর ফলে একদিকে তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছিল, অন্যদিকে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছিল। আজকের এই অভিযানে সাধারণ পথচারী ও অভিভাবকদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) শফিউল আলম জানান, অবৈধ দখল ও নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে সড়ক পরিবহন আইন, স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ৫টি মামলায় মোট ১৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

অভিযান শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌরসভার প্রশাসক শাহীন দেলোয়ার মন্তব্য করেন, “জনসাধারণের চলাচলের পথ অবরুদ্ধ করে ব্যবসা পরিচালনা করা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও সাধারণ পথচারীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে পুরো পৌরশহরকে পর্যায়ক্রমে দখলমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উচ্ছেদকৃত স্থানগুলো যেন পুনরায় দখল না হয়, সেজন্য কঠোর নজরদারির পাশাপাশি নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।”

আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতির বিজয়া দশমীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি শুভেচ্ছা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লং মার্চে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হলে বিএনপির আগে কেউ করত: নুরুল ইসলাম মনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৭ পি.এম


লং মার্চে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হলে বিএনপির আগে কেউ করত: নুরুল ইসলাম মনি

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলাম মনি মন্তব্য করেছেন যে, যদি লং মার্চের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হতো, তাহলে বিএনপিই প্রথমে লং মার্চ করত। তিনি বলেন, সরকার দেশের মানুষের সার্বিক কল্যাণ ও ভাগ্যের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।

আজ বুধবার দুপুরে বরগুনার সার্কিট হাউসের সম্মেলনকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। বরগুনা-২ আসনের এই সংসদ সদস্য আট দিনের সফরে বরগুনায় উপস্থিত হয়েছেন।

নুরুল ইসলাম মনি তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও দলের নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশনার প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, জাতীয় সংসদে একটি বিশেষ সভায় তারেক রহমান সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে কঠোর বার্তা প্রদান করেছেন। সেখানে তিনি নেতাকর্মীদের সঙ্গে চলা এবং তাদের পাশে থাকার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

দলের মধ্যে চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তারেক রহমানের কঠোর অবস্থানের কথা উল্লেখ করে নুরুল ইসলাম মনি বলেন, এসব কর্মকাণ্ডের জন্য কোনো সুযোগ নেই। যদি কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চিফ হুইপ তারেক রহমানের নেতৃত্বকে দেশের জন্য সৌভাগ্য হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ভাগ্য বাংলাদেশের যে তারেক রহমানের মতো একজন মানুষ দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তার ভাষ্য, বর্তমান নেতৃত্বের সুযোগ কাজে লাগাতে না পারলে ভবিষ্যতে দেশ আরো ভালোভাবে পরিচালিত হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে গণশুনানিতে জেলা প্রশাসক মমতাময়ী মায়ের মতো শিশুকে কোলে নিলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৭ পি.এম


শেরপুরে গণশুনানিতে জেলা প্রশাসক মমতাময়ী মায়ের মতো শিশুকে কোলে নিলেন

শেরপুরে গণশুনানিতে জেলা প্রশাসক মিজ্‌ ফরিদা ইয়াসমিন শিশুকে কোলে তুলে নেন, যিনি মমতাময়ী মায়ের মতো।

গণশুনানীতে অংশগ্রহণকারী মা হারা ছোট্ট আব্দুল্লাহকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয় এবং তার জন্য পোশাক ক্রয় করা হয়। জেলা প্রশাসক জানান, মাতৃহারা আব্দুল্লাহর সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য জেলা প্রশাসনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ ফরিদা ইয়াসমিন গণশুনানি পরিচালনা করেন।

গণশুনানিতে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আগত সেবাপ্রার্থীরা চিকিৎসা সহায়তা, আর্থিক অসচ্ছলতা, শিক্ষা, বাসস্থান, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা, ভূমি-সংক্রান্ত সমস্যা ও বিভিন্ন নাগরিক সেবা-সংক্রান্ত বিষয়ে তাঁদের আবেদন ও অভিযোগ উপস্থাপন করেন। জেলা প্রশাসক সেবাপ্রার্থীদের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং সমস্যার ধরন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক সহায়তা, প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

গণশুনানিতে মোট ১৮০ জন সেবাপ্রার্থীর মধ্যে জেলা প্রশাসকের নিজস্ব তহবিল থেকে ১৫১ জনকে আর্থিক সাহায্য, ২ জনকে হুইলচেয়ার, ৫ জনকে ওষুধ, এবং একজন শিশুকে পরিধানের বস্ত্র প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সহায়তার জন্য ১টি, ঘরের জন্য ৪টি, ভিজিডি কার্ডের জন্য ৩টি, প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সহায়তা-সংক্রান্ত ১টি, ঢেউটিনের জন্য ০৪ টি এবং ভূমিসহ অন্যান্য বিষয়ে ৫টি আবেদন ও অভিযোগ জমা পড়ে। উত্থাপিত সমস্যাগুলোর যথাযথ সমাধান ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সেবাপ্রার্থীদের আবেদন সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ এবং উপযোগিতা অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।

জেলা প্রশাসক মিজ্‌ ফরিদা ইয়াসমিন দৈনিক ইনকিলাবকে জানান, "জনসাধারণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া, নাগরিক সমস্যা সরাসরি শোনা এবং দ্রুত প্রতিকারের উদ্যোগ গ্রহণে জেলা প্রশাসন, শেরপুরের এ ধরনের গণশুনানি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঐশ্বরিয়া রাইয়ের ইনস্টাগ্রামে দেড় কোটি ফলোয়ার, ফলো করেন শুধু অভিষেককে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৮ পি.এম


ঐশ্বরিয়া রাইয়ের ইনস্টাগ্রামে দেড় কোটি ফলোয়ার, ফলো করেন শুধু অভিষেককে

বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। সৌন্দর্য, অভিনয় এবং ব্যক্তিজীবন নিয়ে অনুরাগীদের মধ্যে কৌতূহলের অন্ত নেই। ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারীর সংখ্যা দেড় কোটি ছাড়িয়েছে। তবে, কি জানেন, এই অভিনেত্রী নিজে শুধুমাত্র একজনকেই অনুসরণ করেন?

তিনি আর কেউ নন, ঐশ্বরিয়ার স্বামী এবং বলিউডের অভিনেতা অভিষেক বচ্চন। ইনস্টাগ্রামে ঐশ্বরিয়ার অনুসরণ করা ব্যক্তিদের তালিকায় শুধুমাত্র অভিষেকই রয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় ঐশ্বরিয়া। নিজের কাজ, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ, ফ্যাশন এবং পরিবারের বিশেষ মুহূর্তের ছবি তিনি ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন। তবে অন্যদের অনুসরণ করার ক্ষেত্রে তিনি বেশ সংযত।

এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, ইনস্টাগ্রামে একমাত্র অভিষেক বচ্চনকেই অনুসরণ করেন ঐশ্বরিয়া।

গত কয়েক বছর ধরে ঐশ্বরিয়া এবং অভিষেকের দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে নানা ধরনের জল্পনা চলছে। তাদের সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইনস্টাগ্রামে ঐশ্বরিয়ার একমাত্র অ্যাকাউন্ট অনুসরণ করার বিষয়টি নতুন করে নজর কেড়েছে।

তবে দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে ছড়ানো জল্পনার বিষয়ে ঐশ্বরিয়া বা অভিষেক—কেউই প্রকাশ্যে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আসমা হত্যাকাণ্ড: ৬০ দিন পর রহস্য খুলে দিলো নাকফুল-কাপড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২০ পি.এম


আসমা হত্যাকাণ্ড: ৬০ দিন পর রহস্য খুলে দিলো নাকফুল-কাপড়

দীর্ঘ ৬০ দিন ছায়া তদন্তের পর পুলিশ চাঞ্চল্যকর আসমা বেগম হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে। ক্লু-লেস এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত দুইজন, ইকরামুল শেখ (৪০) ও মীর আলী (৪৮), গ্রেফতার করা হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে তাদের জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন মোংলা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার রেফাতুল ইসলাম।

ব্রিফিংয়ে পুলিশ জানায়, আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে আসমার চা দোকানে যাতায়াত করতেন। বিভিন্ন সময় তাদের মধ্যে টাকা-পয়সার লেনদেনও হয়েছে। পূর্ব পরিচয়ের ভিত্তিতে তারা আসমাকে মোংলা থেকে দাকোপে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে ধর্ষণের পর হত্যা করে নদীতে তার মরদেহ ফেলে দেওয়া হয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তেমন কোনো আলামত ছিল না। তবুও সূক্ষ্ম তদন্ত চালানো হয়। এক পর্যায়ে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুই আসামির অবস্থান শনাক্ত করে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে নিহত আসমার মোবাইল ফোনটিও উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা চা বিক্রেতা আসমাকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত আসমা বেগম (৩৯) দুই সন্তানের জননী এবং তার বাড়ি মোংলার মালগাজী এলাকায়। তিনি ফেরিঘাট সংলগ্ন বেড়িবাঁধ এলাকায় একটি চায়ের দোকান চালাতেন। ১৪ আগস্ট দিবাগত রাতে দোকান থেকে বাড়ির উদ্দেশে বের হয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন আসমা। কোথাও তার সন্ধান না পেয়ে ১৬ আগস্ট মোংলা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার পরিবার।

পরে, ২০ আগস্ট খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার কাজিবাছা নদী থেকে অজ্ঞাত নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। ওই সময় মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত না হলেও; আলামত হিসেবে নাকফুল ও পরিধেয় কাপড়ের ছবি সংরক্ষণ করা হয়।

নৌ পুলিশের সংরক্ষিত ছবি-তথ্যের ভিত্তিতে ছায়া তদন্ত শুরু করে মোংলা থানা পুলিশ। নিখোঁজ আসমার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে তার ব্যবহৃত কাপড়ের সঙ্গে অর্ধগলিত মরদেহের কাপড়ের সাদৃশ্য খুঁজে পায় তদন্ত দল। এছাড়া, বিশেষ ধরনের নাকফুলের ছবি দেখানোর পর উপস্থিত স্বজনরা মরদেহটি চা বিক্রেতা আসমার বলে নিশ্চিত করে।

নিহতের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর কল ডিটেলস রেকর্ড (সিডিআর) বিশ্লেষণ এবং নিবিড় গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে প্রথমে ধরা পড়ে ইকরামুল। পরে, তার দেওয়া তথ্যে ধরা পড়েন মীর আলী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%