রিয়াদ মাহমুদ সিকদার কাউখালী প্রতিনিধি
০২:৫৫ পি.এম
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায় বেওয়ারিশ ও ক্ষ্যাপা কুকুরের তাণ্ডবে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিদিন কোনো না কোনো স্থানে পথচারী ও কোমলমতি শিক্ষার্থীরা কুকুরের আক্রমণের শিকার হচ্ছে। গত তিন দিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও বৃদ্ধসহ অন্তত ১২ জন কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছেন। এর ফলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ভীতি বিরাজ করছে, যা ব্যাহত করছে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন সড়ক ও অলিগলিতে বেওয়ারিশ কুকুর দলবদ্ধভাবে ঘোরাঘুরি করছে। সুযোগ পেলেই সামনে থাকা পথচারী, শিশু বা বৃদ্ধের ওপর দলবেঁধে আক্রমণ চালাচ্ছে। গত তিন দিনে কুকুরের কামড়ে আহতদের মধ্যে রয়েছেন কেউন্দিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা স্বপ্না রানী, শিক্ষার্থী আকাশ হালদার, প্রদীপ, আব্দুল্লাহ, রাইসা, মাহিরা এবং স্থানীয় বাসিন্দা হেমায়েত উদ্দিন।
কাজী হারুন অর রশিদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বীথিকা সাহা বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আকাশকে কুকুরে কামড়ানোর পর থেকে শিশুদের মধ্যে সবসময় একটা আতঙ্ক বিরাজ করছে। কোমলমতি শিশুরা স্কুলে আসতে ভয় পাচ্ছে।
অভিভাবক ফারজানা মুনমুন উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, কুকুরের আতঙ্কে সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছি। এখন বাধ্য হয়ে নিজেদেরই বাচ্চাদের স্কুলে দিয়ে আসতে হয় এবং ছুটির পর গিয়ে নিয়ে আসতে হয়। এতে আমাদের দৈনন্দিন কর্মঘণ্টা ব্যাহত হচ্ছে। অনেক শিশু কুকুরের ভয়ে স্কুলে যেতেই চাইছে না।
উপজেলায় কুকুরের তাণ্ডব ও চিকিৎসার বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ সুব্রত কর্মকার বলেন, গত তিন দিনে কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের অন্তত ৯ জন পথচারী কুকুরের কামড়ের চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে আব্দুল্লাহ নামের এক শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। আক্রান্তদের প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডাঃ সোমা সরকার জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে সকলকে সচেতন থাকতে হবে এবং বিশেষ করে শিশুদের দিকে আলাদা নজর রাখতে হবে। আমরা ইতিমধ্যে এলাকায় জলাতঙ্ক রোগের প্রতিষেধক (ভ্যাকসিন) দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছি।
এদিকে উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ ও অভিভাবকরা দ্রুত ক্ষ্যাপা ও বেওয়ারিশ কুকুরগুলো শনাক্ত করে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতীয় ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সমন্বয়ে গঠিত অনন্য বাংলার মসলিনের শাড়ি পরে বিশ্বমঞ্চে বাংলার তাঁতশিল্প ও কারুকার্যকে তুলে ধরলেন বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। প্যারিসের আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলার মসলিন ও অপ্সরা রূপে দেখা গেল এই অভিনেত্রীকে। তিনি রিয়া কাপুরের স্টাইলিং ও পোশাকের সমন্বয়ে ফ্যাশনে বৈচিত্র্য উপস্থাপন করেন।
প্যারিসে অনুষ্ঠিত বিশ্বখ্যাত ‘বিজনেস অব ফ্যাশন’ ইভেন্টে তরুণ প্রজন্মের অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর উপস্থিত ছিলেন। সেই অনুষ্ঠানে দেবীতুল্য ও মোহময়ী অবতারে ধরা দিয়ে সকলকে তাক লাগিয়ে দেন এই অভিনেত্রী। ফ্যাশন দুনিয়ার বিশ্ব সেরা ৫০০ প্রভাবশালী মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিত্বের তালিকায় এবার স্থান পেয়েছেন তিনি। আর সেই উদযাপনের মঞ্চে ভারতীয় ঐতিহ্য আর আধুনিকতার মেলবন্ধনে নিজেকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান। বাংলার মসলিনের শাড়ি পরে বিশ্বমঞ্চে তাঁতশিল্প ও কারুকার্যকে তুলে ধরেন জাহ্নবী কাপুর।
অভিনেত্রীর এই রাজকীয় স্টাইলিংয়ের পেছনে ছিলেন কাপুর পরিবারের আরও এক কন্যা ডিজাইনার ও স্টাইলিস্ট রিয়া কাপুর। বিখ্যাত ব্র্যান্ড ‘পঙ্কজ এস হেরিটেজ’-এর কাস্টম ডিজাইনে নির্মিত এই পোশাকটিতে ঐতিহ্যবাহী শাড়ির আধুনিক রূপায়ণ ঘটানো হয়েছে।
শাড়িটি তৈরি করা হয়েছে ৪৬০ কাউন্টের সুতা দিয়ে, যার মধ্যে ফুটে উঠেছে মসলিনের সূক্ষ্ম কারুকাজ আর ঐতিহ্যগতভাবে ‘বাফ-ই-হাওয়া’, ‘শবনমী’ বা ‘চাঁদনি’ নামে পরিচিত। আইভরি ক্যানভাসের ওপর পোখরাজ, পান্না, গার্নেট, মুক্তা ও সোনার পুঁতির চমৎকার কারুকাজ কাঁধ থেকে হাত পর্যন্ত ছড়ানো গহনার কাজ পোশাকটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।
২০২৬ সালের ‘বিজনেস অব ফ্যাশন’ তালিকায় বিশ্বজুড়ে আটটি ক্যাটাগরিতে ১০০ জন নতুন ব্যক্তিত্বকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ তালিকায় জাহ্নবী কাপুরের পাশাপাশি স্থান করে নিয়েছেন আরও দুই ভারতীয় মডেল ভাবিতা মান্ডভা ও প্রীতিশা স্বরূপ।
‘শানেল’-এর শো ওপেন করা প্রথম ভারতীয় নারী শানেলের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ভাবিতা মান্ডভা। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মডেল, অপারেশন্স স্মাইলের গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর ও আয়ুর্বেদিক বিউটি ব্র্যান্ড ‘প্রাক্তি’র প্রতিষ্ঠাতা প্রীতিশা স্বরূপ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মহাসড়কগুলোতে তীব্র যানজট ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে বিশ্বরোডসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশামুক্ত করার দাবি তুলেছেন আলোচিত ইসলামিক বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তিনি এই মন্তব্য করেন। তার পোস্টটি যুগান্তরের পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-
‘অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ ও বিকল্প কর্মসংস্থান!
বিশ্বরোডে অটোরিকশা চালানোর আন্দোলন প্রয়োজনে কঠোর অবস্থানে গিয়ে হলেও বন্ধ করতে হবে। এই অটোরিকশাগুলোর কারণে সড়কে যে পরিমাণ যানজট সৃষ্টি হয়, তা অকল্পনীয়। শহরের প্রধান সড়ক তো আছেই, গ্রামীণ বাজারগুলোতেও চলাচল করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে।
এদের মধ্যে নেই ন্যূনতম ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ, এবং সড়কে চলাচলের নিয়মাবলী যথাযথভাবে মানার অভাব রয়েছে। যে এলাকায় ১০টি অটো যথেষ্ট, সেখানে দেখা যায় ৩০টি অটো। এর ফলে যানজট, সড়ক দুর্ঘটনা এবং মানুষের কর্মঘণ্টা নষ্ট— সবকিছুই বৃদ্ধি পাচ্ছে।
দেখুন, বিষয়টি শুধুমাত্র সহানুভূতির নয়; এটি দেশের সার্বিক যানজট কমানো, কর্মঘণ্টা সুরক্ষা, সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস এবং জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচলের মতো অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জড়িত।
তবে যারা অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন, তাদের হঠাৎ করে বেকার করে দেওয়া সমাধান নয়। সরকারকে পরিকল্পিতভাবে তাদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে— প্রয়োজনে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, ক্ষুদ্র ব্যবসার সুযোগ, সহজ শর্তে ঋণ বা অন্য কোনো কর্মমুখী ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
মানুষের জীবিকার বিষয়টি বিবেচনা করে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। জনস্বার্থে বিশ্বরোডসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোকে অটোরিকশার অবাধ চলাচল থেকে মুক্ত করার কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থা গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণের জন্য তাবলীগ জামাত বাংলাদেশ কর্তৃক একটি আনুষ্ঠানিক আবেদনপত্র প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বরাবর জমা দেওয়া হয়েছে। টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা-২০২৭-এর ঘোষিত তারিখকে বিবেচনায় নিয়ে এই অনুরোধ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশন থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আবেদনটি সিইসিকে জমা দেন তাবলীগ জামাত বাংলাদেশের আহলে শুরা সদস্য এবং কাকরাইল তাবলীগ মার্কাজ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মাওলানা মোহাম্মদ জুবায়ের স্বাক্ষরিত।
আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্ব ইজতেমা মুসলিম উম্মাহর জন্য দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় সম্মেলন। বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান মিলনস্থলে পরিণত হয়েছে, যা সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও দ্বীনি পরিবেশের ফলস্বরূপ। আগামী ২০২৭ সালের ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ইজতেমার প্রথম পর্ব এবং ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি দ্বিতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
গাজীপুরের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণের প্রেক্ষিতে ইজতেমার ভাবগাম্ভীর্য, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সুবিশাল জনসমাগমের বিষয়গুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার জন্য আবেদনপত্রে জোর দাবি জানানো হয়েছে।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও ইজতেমার মতো বিশাল আয়োজনের সার্বিক নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। তাই দুই পর্বের ইজতেমা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে নির্বাচনের সময়সীমা সেভাবেই নির্ধারণ করা প্রয়োজন, যাতে কোনো ধরনের প্রশাসনিক জটিলতা বা সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি না হয়।
আবেদনপত্রে কমিশন ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্বীনি কাজে সহায়তামূলক ভূমিকার প্রশংসা করা হয়েছে এবং দেশ ও আখেরাতের কল্যাণ কামনা করা হয়েছে। বিশ্ব ইজতেমার মতো আন্তর্জাতিক ধর্মীয় আয়োজন সফল করার জন্য নির্বাচন কমিশন ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে শরিফুল ইসলাম (২২) নামের এক আসামি ‘পালিয়ে’ গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিএমপি প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল কালের কণ্ঠকে।
মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল জানান, আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালতে হাজিরা শেষে হাজতখানায় নেওয়ার পথে কৌশলে পালিয়ে যান শরিফুল।
শরিফুল ইসলাম একটি হত্যা মামলার আসামি এবং তিনি এর আগে একবার পালিয়েছিলেন। সেবার তিনি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়ার পথে পুলিশকে মারধর করে পালিয়ে গিয়েছিলেন।
মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল বলেন, ‘মামলায় হাজিরার জন্য তাকে আদালতের এজলাসে ওঠানো হয়। তার হাতে হাতকড়া পড়ানো ছিল। কিন্তু কৌশলে আসামি পালিয়ে যান।’
ডিএমপি প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ এর আগে এই আসামি একবার পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরও বলেন, ‘আজ সেই মামলায় হাজিরার জন্য দিন নির্ধারণ ছিল। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য কার্যক্রম পরিচলনা করা হচ্ছে। আশা করি খুব শিগগির তাকে গ্রেপ্তার করা হবে।’
আদালত ও মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৯ জুন ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের এজলাস থেকে হাজতখানায় নেওয়ার পথে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের আঘাত ও মারধর করে হাতকড়া খুলে প্রথম দফায় পালিয়ে যান শরিফুল ইসলাম। ওই ঘটনার দিনই তৎকালীন হাজতখানার ইনচার্জ মো. রিপন মোল্লা বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
পরবর্তীতে গ্রেপ্তার হওয়া শরিফুলকে আজ সেই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলমের আদালতে তোলা হয়। তবে সাক্ষী উপস্থিত না হওয়ায় আজ সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি। শুনানি শেষে ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের কনস্টেবল আব্দুল আলিম তাকে এজলাস থেকে হাজতখানার দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় তিনি অতর্কিতে ও অত্যন্ত কৌশলে হাতকড়া খুলে আদালত চত্বর থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর প্রিজন ভ্যান থেকে একাধিক মামলার আসামি রাজা ওরফে পিচ্চি রাজার পলায়নের ঘটনা ঘটে। তবে পুলিশ তদন্তে উঠে এসেছে, এ ঘটনায় পুলিশ সদস্যরা জড়িত ছিলেন। তাদের গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার গাজীপুর মহানগর পুলিশের সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে পুলিশ কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার জানান, তদন্তে দেখা যায়, ২৯ জন আসামি নিয়ে ঢাকা জেলা জজ কোর্ট থেকে স্কট পার্টি প্রিজন ভ্যানে রওনা দিয়ে তাঁতীবাজার পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কাছে এসে প্রিজন ভ্যান থামে। এ সময় স্কট পার্টির ইনচার্জ এসআই প্রবীর বিশ্বাস ড্রাইভার নায়েক কামাল হোসেনের কাছ থেকে প্রিজন ভ্যানের চাবি নিয়ে আসামি পিচ্চি রাজা ও হাজতি আসামি বাশারকে বের করে ভ্যানের সামনের দিকে নিয়ে যান। খাইরুল বাশার প্রিজন ভ্যানের ড্রাইভারের সিটের পাশে বসে। এ সময় পিচ্চি রাজা ও এসআই প্রবীর প্রিজন ভ্যানে ওঠে না। মূলত সেখান থেকে অপেক্ষমাণ একটি প্রাইভেট কারে করে আসামি পিচ্চি রাজা পলিয়ে যায়।
পরবর্তী সময়ে এসআই প্রবীর রাত সাড়ে ৮টায় মামলার এজাহারে বর্ণিত ঘটনাস্থলে এসে প্রিজন ভ্যানে উঠে স্কট পার্টির সদস্যদের নিয়ে মামলার এজাহারে বর্ণিত ঘটনাটি সাজান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ