মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৩৭ পি.এম
বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, "আমাদের মূল লক্ষ্য এ দেশের সাধারণ মানুষের সত্যিকারের উন্নয়ন করা।" তিনি যোগ করেছেন, "জনগণের যে প্রত্যাশা রয়েছে, তা পূরণ করেই আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জয়লাভ করতে চাই।"
মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর মিরপুর-১২ নম্বর বিআরটিসি বাসস্ট্যান্ডে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা-১৬ আসন বিএনপির আয়োজিত একটি বর্ণাঢ্য র্যালির আগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
নেতাকর্মীদের সতর্ক করে আমিনুল হক বলেন, "কোনো দুষ্কৃতকারী বা অন্যায়কারীকে বিএনপি প্রশ্রয় দেবে না।" তিনি নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেন, "কেউ যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সেই বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।"
তিনি আরও বলেন, "জনগণের পাশে থাকবেন, প্রতিটি কাজ জনগণের মতামত নিয়ে করবেন।" তিনি উল্লেখ করেন, "জনগণকে সঙ্গে নিয়েই আমাদের প্রতিটি কার্যক্রম পরিচালনা করব।"
নিজ এলাকার উন্নয়ন প্রসঙ্গে আমিনুল হক জানান, "যেসব এলাকায় পানির পাম্প প্রয়োজন, সেখানে দ্রুত পানির পাম্প স্থাপনের কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।" তিনি বলেন, "রাস্তা-ঘাট, স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নকাজও শুরু হয়েছে।"
মিরপুরে হাসপাতাল নির্মাণের প্রসঙ্গে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, "বৃহত্তর মিরপুরে একটি হাসপাতাল নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানানো হয়েছে।" তিনি আরও বলেন, "প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় খুব শিগগিরই পল্লবীসহ বৃহত্তর মিরপুরে একটি হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।"
কর্মসংস্থানের বিষয়েও প্রতিশ্রুতি দেন আমিনুল হক। তিনি বলেন, "আপনাদের এখানে কর্মসংস্থান হবে, আপনাদের কাজের প্রয়োজন—সেটিও পূরণ হবে, ইনশা-আল্লাহ। সেটাই আমি করে দেব।"
বিএনপির সরকার গঠনের ছয় মাসের কার্যক্রম তুলে ধরে আমিনুল হক বলেন, "নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।" তিনি জানান, "কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা, খাল খনন, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্যসহায়তার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।" আগামী পাঁচ বছরে এসব কার্যক্রমের সুফল সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।
বক্তব্যের শুরুতে জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ করেন আমিনুল হক। তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ভূমিকার কথাও স্মরণ করেন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি জানান, "দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলনে তার নেতৃত্বে বিএনপির নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ ছিলেন।"
সমাবেশ শেষে মিরপুর-১২ নম্বর বিআরটিসি বাসস্ট্যান্ড থেকে বর্ণাঢ্য র্যালিটি শুরু হয়। র্যালিটি মিরপুর-১১ নম্বর বাসস্ট্যান্ড, মিরপুরের মূল ১০ নম্বর হয়ে মিরপুর-৬ নম্বর বাজারের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
র্যালিতে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী রেজাউল হোসেন রিয়াজ ও মাহবুব আলম মন্টু, পল্লবী থানা বিএনপির আনিসুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ আলী গাজী, যুগ্ম আহ্বায়ক ফজলুল হক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাবা-মেয়ের সম্পর্কের আবেগ সবসময়ই বিশেষ। নিজের জন্মদিনে বিমানে উঠার পর, এক বাবা বিমানের সেবিকার পোশাকে তার মেয়েকে দেখে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন। এই মুহূর্তটি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গেছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিমানে যাত্রীরা একে একে প্রবেশ করছেন। বিমানের দরজার কাছে দাঁড়িয়ে হাসিমুখে যাত্রীদের অভ্যর্থনা জানাচ্ছিলেন বিমানসেবিকারা। এর মধ্যেই বিমানে প্রবেশ করেন এক ব্যক্তি। তিনি সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ করে তার চোখ পড়ে এক বিমানসেবিকার দিকে।
কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকার পর, তিনি যেন থমকে যান। সামনে দাঁড়িয়ে থাকা বিমানসেবিকাকে চিনতে তার কিছুটা সময় লাগে। পরে তিনি বুঝতে পারেন, ওই বিমানসেবিকা আর কেউ নন, তার নিজের মেয়ে শ্বেতা পাণ্ডে।
জানা গেছে, ওই দিনটি ছিল শ্বেতার বাবার জন্মদিন। শ্বেতা আগে থেকেই জানতেন যে তার বাবা ওই ফ্লাইটের যাত্রী হবেন। তবে বাবার পরিকল্পনার কথা তিনি একেবারেই জানতেন না। জন্মদিনে বাবাকে চমকে দিতে, তিনি একই ফ্লাইটে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
A post shared by Shweta Pandey (@shwetaaa.pandey)
বাবাকে দেখে শ্বেতা তার প্রতি সম্মান জানিয়ে প্রণাম করেন। এরপর দুজন একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন। মেয়েকে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় দেখে বাবা আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। তার চোখেমুখে তখন আনন্দের অশ্রু ও মেয়েকে নিয়ে গর্বের ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
এই বিশেষ মুহূর্তের ভিডিওটি শ্বেতা তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেছেন। প্রকাশের পরপরই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বাবা-মেয়ের এমন নির্মল ভালোবাসার দৃশ্য দেখে নেটিজেনরাও আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
বাবা-মেয়ের এই আবেগঘন পুনর্মিলন যেন আরও একবার মনে করিয়ে দেয়, জীবনের সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্তগুলো অনেক সময় অপ্রত্যাশিতভাবেই সামনে আসে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার ১১ বছর পর জাতীয় বেতন স্কেল বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে সরকারি চাকুরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদিও প্রশাসনিক আমলারা মূল সুবিধাভোগী, তবে ক্রীড়াঙ্গনের অনেক কোচ, সাবেক ও বর্তমান ক্রীড়াবিদরাও এই বেতন বৃদ্ধির আওতায় আসছেন।
ক্রীড়াঙ্গনের প্রধান অভিভাবক সংস্থা হচ্ছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। এই মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, বিকেএসপি, ক্রীড়া পরিদপ্তর এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, বিকেএসপি ও ক্রীড়া পরিদপ্তরে সাবেক ক্রীড়াবিদরা বিভিন্ন পদে যেমন কোচ ও অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন। তারা সবাই পে-স্কেলের আওতায় থাকার কারণে বেতন বৃদ্ধির সুবিধা পাবেন।
বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের প্রথম পা রাখা জায়গা হলো বিকেএসপি। সেখানে খেলোয়াড় তৈরির কারিগর কোচদের বেতন ছিল তুলনামূলকভাবে কম। যেখানে বিসিবি কিংবা বাফুফের কোচরা উচ্চ বেতনে কাজ করতেন, সেখানে সরকারি নিয়মে বিকেএসপির কোচদের মাসের শেষ পর্যন্ত চলতে কষ্ট হতো।
১১ বছর পর পে-স্কেল বৃদ্ধি পাওয়ায় বিকেএসপির উপ পরিচালক ও বিশিষ্ট ক্রিকেট কোচ মন্টু দত্ত কিছুটা তৃপ্তি প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, "এটা অনেক দিনের দাবি ছিল পেশাজীবী সমাজের। অবশেষে সেটা বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে।" বিকেএসপির কোচ ও অন্যান্যরা এই সুবিধা পাবেন, বিশেষ করে কোচদের জন্য কিছুটা চাপ কমবে।
সাবেক শুটার আল আমিন সবুজ বর্তমানে ক্রীড়া পরিদপ্তরের অধীনে জেলা ক্রীড়া অফিসার হিসেবে কাজ করছেন। তিনি জানান, "একটি জেলার সামগ্রিক দিক দেখার পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে ক্রীড়া অফিসারদের কাজ।" তিনি মনে করেন, পে স্কেলের এই সিদ্ধান্ত ক্রীড়াবিদদের পরবর্তী জীবনে ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে থাকার সুযোগ তৈরি করবে।
তিনি আরও বলেন, "যখন একজন ক্রীড়াবিদ খেলাধূলা শেষে দেখবে ক্রীড়া অফিসার কিংবা কোচ হলে ভালো বেতন পাওয়া যায়, তখন অবশ্যই তারা এই পেশায় আসবে।" এতে ক্রীড়াঙ্গনের মান অনেক বৃদ্ধি পাবে।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে দেশের সকল ফেডারেশন ও ক্রীড়া স্থাপনা রয়েছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে বিভিন্ন খেলায় দশের অধিক কোচ কর্মরত আছেন।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক প্রশাসন টিটন ক্ষীসা জানিয়েছেন, "জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে কোচরাও পে স্কেলের অধীনে বেতন ভাতাদি সুবিধা পাবেন।" তিনি বলেন, "এটা আমাদের কোচদের জন্য খানিকটা স্বস্তির খবর। কোচরা ভালো থাকলে আরো ভালো মানের ক্রীড়াবিদ উঠে আসবে।"
ফুটবল, ক্রিকেটের বাইরে অন্যান্য খেলাধুলার অধিকাংশ খেলোয়াড়রা পুলিশ, আনসার, নৌবাহিনী, সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন সার্ভিস সংস্থায় যুক্ত রয়েছেন। সার্ভিসেস সংস্থায় কর্মরত স্থায়ী ক্রীড়াবিদরাও এই সুবিধার আওতায় থাকবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ ১ সেপ্টেম্বর, রাজশাহী রেঞ্জের মান্যবর উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আশিক সাঈদ-এর শুভ জন্মদিন। এই মহান কর্মবীরের জন্ম হয়েছিল মেহেরপুর জেলার এক প্রগতিশীল ও সম্ভ্রান্ত পরিবারে, যেখানে মা-বাবার কোল আলো করে তার আগমন ঘটে।
শৈশবকাল থেকেই তিনি ছিলেন অনন্য সৃজনশীল প্রতিভা ও উদার মানবিক গুণের অধিকারী। তার স্বকীয় মেধা, কঠোর পরিশ্রম এবং কর্মনিষ্ঠা তাকে বাংলাদেশ পুলিশ বিভাগের এক উদীয়মান নক্ষত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আঞ্চলিক পুলিশিংয়ের চিত্রে আমূল পরিবর্তন এসেছে। "পুলিশ শাসক নয়, শোষক নয়—পুলিশ জনগণের পরম বন্ধু ও সেবক"—এই মূলমন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে রাজশাহী রেঞ্জের পুলিশ সদস্যরা কাজ করছেন। বলপ্রয়োগ বা ভীতি প্রদর্শনের পরিবর্তে, তিনি ভালোবাসা ও সেবার বার্তা দিয়ে সমাজ থেকে অপরাধ দূর করার অনন্য উদাহরণ স্থাপন করেছেন।
তার সুদূরপ্রসারী নেতৃত্ব ও বলিষ্ঠ পদক্ষেপের ফলে রাজশাহী রেঞ্জ আজ মাদক নিয়ন্ত্রণ, জঙ্গিবাদ দমন এবং জনবান্ধব সেবা প্রদানে একটি মডেল হিসেবে গড়ে উঠেছে। সাধারণ মানুষের কাছে পুলিশের ভাবমূর্তি আজ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
যখন সমাজ থেকে মানবিক মূল্যবোধ হারিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়, তখন আশিক সাঈদ স্যারের মতো হৃদয়বান ও মহানুভব ব্যক্তিরা প্রমাণ করেন যে পৃথিবীতে মানবিকতা এখনও বেঁচে আছে। যে কেউ তার দরবারে সাহায্যের আশায় আসলে খালি হাতে ফেরেন না। জনসেবায় তার এই নিবেদিতপ্রাণ ভূমিকা যেন খলিফা হারুনুর রশীদের মতো প্রজাবৎসল মানবিকতার এক আধুনিক রূপ।
আজকের এই শুভ দিনে আমাদের কামনা—পৃথিবীর সমস্ত ফুলের সৌরভে সুবাসিত হোক তার আগামী দিনগুলো। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাকে ও তার পরিবারকে সদা সুস্থ রাখুন এবং তাকে দীর্ঘায়ু দান করুন।
শুভ জন্মদিন স্যার!
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুর জেলা বিএনপির কমিটি দীর্ঘ সাত মাস ধরে নেই। এই অবস্থার মধ্যেই বিএনপির দুটি গ্রুপ আলাদা আলাদা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ৭টায় শহরের রঘুনাথ বাজারস্থ জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়, যা জেলা পরিষদের প্রশাসক মামুনুর রশিদ পলাশের নেতৃত্বে বিএনপির একটি অংশ পরিচালনা করে।
অন্যদিকে, সকাল সাড়ে ৭টায় একই কার্যালয়ে জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আউয়াল চৌধুরীর নেতৃত্বে বিএনপির অপর অংশ জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করে।
এরপর বেলা ১২টায় শহরের থানা মোড়স্থ সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক হযরত আলী নেতৃত্বে আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়, যা শেষে সমাবেশে রূপ নেয়। এই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা। সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মামুনুর রশিদ পলাশ, এডভোকেট আব্দুল মান্নান পিপি, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম স্বপন প্রমুখ।
অন্যদিকে, বিকাল ৪টার দিকে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের এমপি মাহমুদুল হক রুবেলের নেতৃত্বে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের বিভিন্ন স্থান প্রদক্ষিণ করে বিএনপির অফিসে এসে বৃষ্টির কারণে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন এমপি রুবেল।
বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক ছাত্রদল সভাপতি আওয়াল চৌধুরীর সভাপতিত্বে এই সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ফজলুর রহমান তারা, আবু রায়হান রুপন, কামরুল ইসলাম এবং যুবনেতা শওকত হোসনে প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ