ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নিউইয়র্ক যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘ইউএন-কপস’ সম্মেলনে অংশ নিতে


নিউইয়র্ক যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘ইউএন-কপস’ সম্মেলনে অংশ নিতে

জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিতব্য পঞ্চম জাতিসংঘ পুলিশ প্রধানদের সম্মেলন ‘ইউএন-কপস’ এ অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

এই সফরের সময়ে মন্ত্রী আগামী ৮ জুলাই জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ হলে অনুষ্ঠিতব্য ‘ইউএন-কপস’ সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বসহ বিভিন্ন প্লেনারি সেশনে অংশ নেবেন।

এবারের সম্মেলনের প্রেক্ষাপটে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্লেনারি সেশন অনুষ্ঠিত হবে। সেগুলি হচ্ছে, ‘জাতিসংঘ পুলিশের ভবিষ্যৎ রূপরেখা’, 'জাতিসংঘ পুলিশিংয়ে উদ্ভাবন ও নতুন প্রযুক্তি', এবং ‘আন্তঃদেশীয় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি’।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

সম্মেলনের সাইডলাইন ইভেন্ট হিসেবে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের নৈশভোজেও তিনি অংশগ্রহণ করবেন।

নিউইয়র্কে অবস্থানকালে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জাতিসংঘের অপারেশনাল সাপোর্ট বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল অতুল খারে, পিস অপারেশনস বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জঁ-পিয়েরে লাক্রোয়া, এবং পলিটিক্যাল ও পিস বিল্ডিং বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল রোজমেরি এ. ডিকার্লোর সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন।

এছাড়াও, তিনি বিভিন্ন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন।

এসব বৈঠকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবদান, বাংলাদেশ পুলিশের অংশগ্রহণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিশেষায়িত পুলিশ ইউনিট মোতায়েন, শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের ভবিষ্যৎ অগ্রাধিকার ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

উল্লেখ্য, দুই দিনব্যাপী (৭-৮ জুলাই, ২০২৬) অনুষ্ঠেয় এই সম্মেলনে মন্ত্রী ৫ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

সম্মেলনে অংশ নিতে মন্ত্রী আজ (৫ জুলাই) রাত ১টা ৪০ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করবেন।

আগামী ১২ জুলাই তার ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাসের চাপায় সিএনজি যাত্রী নিহত, আহত ৪

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদাবাজদের হামলায় পুলিশের নীরব ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বুলবুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৫৩ এম


চাঁদাবাজদের হামলায় পুলিশের নীরব ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বুলবুল

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি রাজধানীর গুলিস্তানে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের মিছিলে হামলার ঘটনার পর পুলিশের নীরব ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি দাবি করেছেন, চাঁদাবাজদের সন্ত্রাসী হামলার পরও পুলিশের কোনও কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া ‘সন্দেহজনক’ বলে মনে হচ্ছে।

শনিবার (৪ জুলাই) রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামলায় আহত ব্যবসায়ীদের দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বুলবুল বলেন, বিকাল ৫টার দিকে ব্যবসায়ীদের ওপর হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত করার পরও এখন পর্যন্ত পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। তিনি অভিযোগ করেন যে, পুলিশের ভূমিকা দেখে মনে হচ্ছে তারা জনগণের জন্য নয়, বরং সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের জন্য কাজ করছে।

বুলবুল আরও বলেছেন, ব্যবসায়ীদের ওপর হামলার সাথে কারা জড়িত এবং কোন দলের লোকেরা এতে সম্পৃক্ত পুলিশ তা জানে। তবে এরপরও তাদের গ্রেফতারে কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, অবিলম্বে হামলায় জড়িত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের গ্রেফতার না করা হলে ব্যবসায়ী সমাজ পুলিশের বিরুদ্ধে রাজপথে নামতে পারে।

এই নেতা বলেছেন, খুনি, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজরা দেশ ও জাতির শত্রু, তাদের কোনো দলীয় পরিচয় থাকতে পারে না। যারা এমন অপরাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়, তারাও দেশ ও জাতির শত্রু। বুলবুল বলেছেন, জুলাইয়ের চেতনায় ছাত্র-জনতা ঐক্যবদ্ধ রয়েছে এবং খুনি, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে প্রয়োজন হলে তারা আবারও রাজপথে নামতে পারে। তাই সরকারের উচিত নিজের স্বার্থে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো-টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে কঠোরভাবে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি দমনে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বুলবুল সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। এসময় জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ দেলাওয়ার হোসেন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও সহকারী সেক্রেটারি ড. আব্দুল মান্নান, কর্মপরিষদ সদস্য শাহীন আহমেদ খান, সহকারী প্রচার সম্পাদক আবদুস সাত্তার সুমন, শাহবাগ পশ্চিম থানা আমির অ্যাডভোকেট শাহ মাহফুজুল হক, শাহবাগ পূর্ব থানা আমির আহসান হাবিব, রমনা থানা আমির আতিকুর রহমানসহ মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের নতুন কমিটি আসতে পারে চলতি সপ্তাহে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৫৭ এম


কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের নতুন কমিটি আসতে পারে চলতি সপ্তাহে

 

দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে গতি আনা, শৃঙ্খলা রক্ষা এবং তৃণমূল পর্যায়কে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ঢাকা জেলা ও মহানগর দক্ষিণ বিএনপি এবং কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

শনিবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে পৃথকভাবে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দলের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। একইসঙ্গে কয়েকটি সংগঠনের নতুন কমিটি ঘোষণার ইঙ্গিত দিয়েছে বিএনপি হাইকমান্ড।

দলীয় সূত্র জানায়, বৈঠকগুলোতে সংগঠনের শৃঙ্খলা বজায় রাখা, দলীয় ঐক্য সুসংহত করা এবং জনগণের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করেন তারেক রহমান। একই সঙ্গে সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর সহযোগিতা চান তিনি। বৈঠকে অংশ নেওয়া নেতারা নিজ নিজ ইউনিটের সাংগঠনিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন এবং দলকে আরও গতিশীল করতে বিভিন্ন প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। বিএনপি চেয়ারম্যান এসব প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

বৈঠকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু, সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন, ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি আবু আশফাক এবং সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী অংশ নেন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু জানান, বিএনপি চেয়ারম্যান সবার খোঁজ-খবর নিয়েছেন এবং নেতারা নিয়মিত পার্টি অফিসে যাচ্ছেন কিনা, সে বিষয়েও জানতে চেয়েছেন।

সূত্র জানায়, এদিন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সঙ্গেও এই বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও অনিবার্য কারণে তা পরিবর্তন করা হয়েছে। আগামী দুই-একদিনের মধ্যে উত্তর বিএনপির সঙ্গে বিএনপি চেয়ারম্যান বৈঠক করতে পারেন বলে জানা গেছে।

 

একই দিনে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও একটি পৃথক বৈঠক করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেখানে সংগঠনের সাংগঠনিক পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সূত্র জানিয়েছে, সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও সক্রিয় করার লক্ষ্যে বর্তমান কমিটি ভেঙে দিয়ে নতুন কমিটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারেক রহমান। বৈঠকে অংশ নেওয়া স্বেচ্ছাসেবক দলের শীর্ষ নেতাদের তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় দিয়েছেন বলেও জানা গেছে। আগামী几个 দিনের মধ্যেই স্বেচ্ছাসেবক দলের নতুন কমিটি ঘোষণা হতে পারে বলে জোর ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বৈঠকে অংশ নেওয়া এক নেতা রাতে যুগান্তরকে বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান বৈঠককালে সংগঠনের বর্তমান অবস্থা সম্পকে বিস্তারিত জানতে চান। পরে তিনি বর্তমান কমিটির নেতাদের বিদায় দেন। আশা করছি, শিগগিরিই নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে।

দলীয় সূত্র আরও জানা যায়, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ছাত্রদলসহ অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বৈঠক করার কথা রয়েছে। এই বৈঠকে সাংগঠনিক নির্দেশনার পাশাপাশি নতুন কমিটিও আসতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদকের বিরুদ্ধে এসপি গৌতমের ‘সরাসরি অ্যাকশন’: চোরাকারবারিরা কাঁপছে, বিপুল মাদক উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শাহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৫৯ এম


মাদকের বিরুদ্ধে এসপি গৌতমের ‘সরাসরি অ্যাকশন’: চোরাকারবারিরা কাঁপছে, বিপুল মাদক উদ্ধার

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে সম্পূর্ণরূপে মাদকমুক্ত করতে সরাসরি মাঠে নেমেছেন পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস।

মাদকবিরোধী ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে বিশেষ চিরুনি অভিযান।

আজ দিনব্যাপী চালানো এই বিশেষ অভিযানে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।

পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় ও উপস্থিতিতে আজ জেলার বিভিন্ন মাদকপ্রবণ এলাকায় একযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে ডিবি পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের একাধিক টিম অংশ নেয়। দিনভর চলা এই সাঁড়াশি অভিযানে বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয় এবং মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিযান শেষে এক সংক্ষিপ্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন, "মাদক একটি সমাজ ও প্রজন্মকে ধ্বংস করে দেয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে কোনোভাবেই মাদকের স্বর্গরাজ্য হতে দেওয়া হবে না। মাদকের সাথে জড়িত চুনোপুঁটি থেকে শুরু করে গডফাদার—কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। এই অপশক্তির বিরুদ্ধে আমাদের অ্যাকশন সরাসরি এবং চলমান থাকবে।"

এ সময় তিনি জেলাবাসীর প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়ে বলেন, মাদক নির্মূল কেবল পুলিশের একার পক্ষে সম্ভব নয়। সমাজ থেকে এই ব্যাধি দূর করতে হলে সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। তিনি এলাকাবাসীকে মাদক ব্যবসায়ী ও চোরাকারবারিদের তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান।

সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা পেলেই খুব দ্রুত চাঁপাইনবাবগঞ্জকে সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত ও নিরাপদ জেলা হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

জেলা পুলিশের এই ঝটিকা ও কঠোর অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষ।

এলাকাবাসী আশা করছেন, পুলিশ সুপারের এমন কঠোর অবস্থানের কারণে জেলায় মাদকের দৌরাত্ম্য দ্রুতই নিয়ন্ত্রণে আসবে।

পুলিশ জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে এই বিশেষ অভিযান আগামী দিনগুলোতে আরও জোরদার করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমারখালী পৌরসভার বাসিন্দারা উন্নয়নকাজের ধীরগতিতে ক্ষুব্ধ, এক মাসের আল্টিমেটাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০২ এম


কুমারখালী পৌরসভার বাসিন্দারা উন্নয়নকাজের ধীরগতিতে ক্ষুব্ধ, এক মাসের আল্টিমেটাম

এক বছরের মেয়াদের কাজ দুই বছরেও শেষ করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে কুষ্টিয়ার কুমারখালী পৌরসভার অন্তত ৩০ হাজার মানুষ ব্যাপক ভোগান্তিতে ভুগছেন। ঠিকাদার ও পৌর কর্তৃপক্ষের অবহেলায় তারা দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন। প্রায় ৩৬ কোটি টাকার উন্নয়নকাজ এখন তাদের জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ব্যবসা-বাণিজ্য থমকে গিয়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে পৌরসভার বাসিন্দারা ব্যাপক ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন; তারা আগামী এক মাসের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

গত বুধবার (১ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় কুমারখালী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আয়োজিত মানববন্ধনে পৌরসভার বাসিন্দারা এই হুঁশিয়ারি দেন, যেখানে কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কের উত্তর দিক বন্ধ ছিল। কুমারখালী সচেতন নাগরিক ও ভুক্তভোগী পৌরবাসীর ব্যানারে আয়োজিত এই মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় যুব অধিকার পরিষদের সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি শাকিল আহমেদ তিয়াস। বক্তব্য দেন জেলা এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী কে এম আর শাহিন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম জিলাল, কুমারখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি খন্দকার লিপু আমীর প্রমুখ। মানববন্ধন শেষে তারা পৌর প্রশাসক ও ইউএনও ফারজানা আখতারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

কুমারখালী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কের উত্তর দিকে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ সময় কিছু যানবাহন আটকে গেছে। উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম জিলাল এই সময় বলেন, প্রশাসনের নজর নেই নির্মাণকাজে। ঠিকাদাররা কাজের নামে পৌরবাসীকে জিম্মি করে রেখেছেন। এর ফলে স্বাভাবিক চলাচল ভেঙে পড়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্য থমকে যাওয়া অবস্থায় পৌরবাসী প্রচণ্ড দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন।

কুমারখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি খন্দকার লিপু আমীর ব্যক্ত করেন, প্রায় দুই বছর আগে পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণকাজ শুরু হলেও এটি এখনও শেষ হয়নি। সারা জায়গায় গর্ত খুঁড়ে রাখার ফলে দুর্ঘটনা ঘটছে, শিশুর প্রাণ যাচ্ছে। বৃষ্টিতে ভোগান্তি আরও বাড়ছে। তিনি প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বলেন, আগামী এক মাসের মধ্যে নির্মাণকাজ কীভাবে শেষ করবেন সেটি আপনাদের (প্রশাসন) বিষয়। অন্যথায় কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

শাকিল আহমেদ তিয়াস বলেন, ‘উন্নয়নকাজের ধীরগতির কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে। জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে।’ বক্তারা দাবি করেন, দ্রুত নির্মাণকাজ শেষ করে মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। মানববন্ধন শেষে তারা প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দেন এবং দ্রুত কাজ শেষ না হলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়ে দেন।

পৌর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আইইউজিএইপি প্রকল্পের আওতায় ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ধাপে ধাপে ড্রেন ও সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু হয়। এতে প্রায় ৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে চারটি প্রকল্প বর্তমানে চলমান রয়েছে। অধিকাংশ কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করা হয়নি। কয়েক দফা মেয়াদ বাড়িয়েও ৩০ ভাগের বেশি কাজ এখনও বাকি রয়ে গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পৌরসভার প্রশাসক ও ইউএনও ফারজানা আখতার বলেন, জনবল সংকটসহ নানা কারণে এতদিন নিবিড় তদারকি সম্ভব হয়নি। শিশুমৃত্যুর ঘটনায় ঠিকাদারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে নির্মাণকাজ কঠোরভাবে মনিটর করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%