ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মার্কিন-রুশ আলোচনায় ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে বিশাল তেল চুক্তি


মার্কিন-রুশ আলোচনায় ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে বিশাল তেল চুক্তি

ইউক্রেনের যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে রাশিয়ার সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের আলোচনায় একটি তেল চুক্তি যুক্ত হয়েছে, যার মূল্য কয়েক বিলিয়ন ডলার। এই চুক্তির ফলে মধ্যপ্রাচ্যের কিছু ব্যবসায়ী লাভবান হতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনাকারী স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক রয়েছে। শনিবার নিউইয়র্ক টাইমসের একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

এনডিটিভি জানায়, প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া সরকারের অনুমোদন পেলে চুক্তিটি কার্যকর হবে। এই চুক্তির আওতায় রাশিয়ার জ্বালানি কোম্পানি লুকঅয়েলের মালিকানাধীন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তেলক্ষেত্র, তেল শোধনাগার এবং জ্বালানি স্টেশন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

নিয়মিত অফিস সময়ের বাইরে এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য হোয়াইট হাউস, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় এবং লুকঅয়েলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

আরও পড়ুন: ভারতে বাণিজ্য কূটনীতির লক্ষ্যে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও

পত্রিকাটি জানায়, এই চুক্তির জন্য একটি দল কাজ করছে। এই দলে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারী ও ধনকুবের টড বোহলি এবং মধ্যপ্রাচ্যের দুটি ব্যবসায়িক গোষ্ঠী রয়েছে। এসব গোষ্ঠীর কুশনার বা উইটকফের পরিবারের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক বিদ্যমান। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের একটি সংস্থা এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত কয়েকজনের বরাত দিয়ে জানা যায়, গত ৫ সেপ্টেম্বর ক্রেমলিনে উইটকফ ও কুশনারের সঙ্গে বৈঠকের সময় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই চুক্তির কথা উত্থাপন করেন।

বৈঠক সম্পর্কে অবগত একজন ব্যক্তি জানান, রুশ নাগরিকদের দেখানোর জন্য যে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা করতে পারে, সেই উদ্দেশ্যে চুক্তিটি সম্পন্ন করার প্রস্তাব দেন পুতিন।

আরও পড়ুন: আর্কটিকে উপস্থিতি বাড়াতে নতুন কৌশল ঘোষণা করছে ইইউ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াত আমিরের অবস্থান গণহত্যার পক্ষে : রাশেদ খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪৩ পি.এম


জামায়াত আমিরের অবস্থান গণহত্যার পক্ষে : রাশেদ খান

মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে ‘বীর’ হিসেবে উল্লেখ করে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান কার্যত গণহত্যার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ মন্তব্যটি করেন।

রাশেদ খান বলেন, ‘গণহত্যার মদদদাতা মেজর আখতারুজ্জামানকে বীর হিসেবে আখ্যায়িত করে জামায়াতের আমির কার্যত গণহত্যার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।’ তিনি দাবি করেন, গণ-অভ্যুত্থানের এক মাস পর আওয়ামী লীগ সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করার মাধ্যমে জামায়াত আমিরের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার মাধ্যমে ২০২৪ সালের গণহত্যার নির্দেশদাতা শেখ হাসিনাকেও কি ক্ষমা করা হয়নি? রাশেদ খানের মতে, আজ মেজর আখতারুজ্জামানের জন্য যারা সহানুভূতি দেখাচ্ছেন, ভবিষ্যতে তারা শেখ হাসিনার জন্যও একই ধরনের অবস্থান নিতে পারেন।

জামায়াতের রাজনৈতিক চরিত্র নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। রাশেদ খান বলেন, ১৯৭১ সালের গণহত্যায় সহযোগিতার অভিযোগের কারণে ২০২৪ সালের গণহত্যার বিষয়টি জামায়াতের কাছে গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে। তিনি জামায়াত আমির ও নেতাকর্মীদের মেজর আখতারুজ্জামানের প্রতি অবস্থানকে এর উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

রাশেদ খান আরও বলেন, মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের গণহত্যায় মদদ দেওয়ার অভিযোগে মামলা হওয়া উচিত। তিনি প্রশ্ন তোলেন, জামায়াতে যোগ দেওয়ার কারণে কি তার বিরুদ্ধে থাকা অপরাধগুলো ক্ষমা হয়ে গেছে? একই সঙ্গে জামায়াতকে ‘অপরাধীদের পুনর্বাসন কারখানা’ বানানোর চেষ্টা না করার আহ্বান জানান।

এর আগে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা, সরকারি কাজে বাধা, নির্বাহী পরিচালককে হুমকি ও নিরাপত্তাকর্মীকে মারধরের অভিযোগে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালত তাকে এক দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেয়। উক্ত গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করে জামায়াতের নেতাকর্মীরা।

আখতারুজ্জামানের গ্রেপ্তার নিয়ে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান তার পক্ষে অবস্থান নিয়ে বলেন, অন্যায়ের প্রতিবাদ করার কারণেই তাকে গ্রেপ্তার ও অপমান করা হয়েছে। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে তিনি আখতারুজ্জামানকে ‘বীর’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তবে জামায়াতের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম জানিয়েছেন, আখতারুজ্জামান দলের কোনো নেতা নন; তিনি প্রাথমিক পর্যায়ের সদস্য। তার দাবি, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে আখতারুজ্জামান জামায়াতে যোগ দিয়ে সহযোগী সদস্যের ফরম পূরণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানিকগঞ্জে চোখ জুড়াবে ৫টি দর্শনীয় স্থান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪৩ পি.এম


মানিকগঞ্জে চোখ জুড়াবে ৫টি দর্শনীয় স্থান

বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান বিদ্যমান। কোথাও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, আবার কোথাও ইতিহাস ও ঐতিহ্যের নিদর্শন পর্যটকদের আকর্ষণ করে। ঢাকার নিকটবর্তী অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে। রাজধানী ঢাকা থেকে প্রায় ৬৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মানিকগঞ্জও তেমন একটি জেলা। ঐতিহাসিক স্থাপনা, জমিদারবাড়ি এবং বিনোদনকেন্দ্রের জন্য জেলাটি ভ্রমণপ্রেমীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণীয়।

মানিকগঞ্জে ভ্রমণের সময় দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পাঁচটি হলো—

বালিয়াটি জমিদার বাড়ি

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় অবস্থিত বালিয়াটি জমিদার বাড়ি দেশের অন্যতম ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর মধ্যে গণ্য হয়। প্রায় ১৬ হাজার ৫৫৪ বর্গমিটার জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই জমিদারবাড়িতে রয়েছে কারুকার্যখচিত সাতটি দালান।

কালের পরিবর্তনে ভবনের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এর নির্মাণশৈলী এখনও দর্শনার্থীদের জন্য আকর্ষণীয়।

ঢাকার গুলিস্তান থেকে পাটুরিয়া-মানিকগঞ্জগামী বাসে প্রায় দুই ঘণ্টায় কালামপুর পৌঁছানো যায়। সেখান থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা বা সাটুরিয়ার বাসে করে আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টার মধ্যে বালিয়াটি জমিদারবাড়িতে পৌঁছানো সম্ভব।

এছাড়া গাবতলী-আমিনবাজার থেকে সরাসরি সাটুরিয়ার বাস পাওয়া যায়। সাটুরিয়া থেকে ব্যাটারিচালিত ভ্যানগাড়িতে প্রায় পাঁচ মিনিটেই বালিয়াটি জমিদারবাড়িতে যাওয়া সম্ভব। বঙ্গবাজার থেকেও সাটুরিয়ার সরাসরি বাস পাওয়া যায়।

তেওতা জমিদার বাড়ি

শিবালয় উপজেলার যমুনা নদীর তীরে সবুজে ঘেরা তেওতা গ্রামে অবস্থিত তেওতা জমিদার বাড়ি দেশের পুরাকীর্তির অন্যতম। এই স্থাপনাটি এখনও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

জমিদারবাড়ির আঙিনায় রয়েছে নবরত্ন মঠ। জমিদার শ্যামশংকর রায় এটি নির্মাণ করেছিলেন। এক সময় অনেক দূর থেকে মঠটি দেখা যেত।

ঢাকা থেকে বাসে আরিচা ঘাটে গিয়ে সেখান থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তেওতা গ্রামে যাওয়া যায়। চাইলে নদীপথেও সেখানে যাওয়া সম্ভব।

বেতিলা জমিদার বাড়ি

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বেতিলা গ্রামে অবস্থিত বেতিলা জমিদার বাড়ির নির্মাণকাল এবং নির্মাণের পদ্ধতি সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায় না। তবে এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন জনশ্রুতি রয়েছে।

একটি জনশ্রুতি অনুযায়ী, সত্য বাবু নামে এক বণিক যাতায়াতের সুবিধার জন্য এখানে বাড়িটি নির্মাণ করেন। পরে তার বসতবাড়িই লোকমুখে বেতিলা জমিদার বাড়ি নামে পরিচিতি পায়। স্থানীয়দের আরেকটি দাবি হলো, কলকাতার বণিক জ্যোতি বাবু ছিলেন এই জমিদারবাড়ির পূর্বপুরুষ।

মত্ত মঠ

মানিকগঞ্জ জেলা সদরে নিটোল দিঘির পাড়ে প্রায় আড়াইশ বছর আগে নির্মিত হয় মত্ত মঠ। প্রায় ১৫ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত এই মঠের উচ্চতা প্রায় ২০০ ফুট।

মঠটি নির্মাণের জন্য ইরাক থেকে কারিগর আনা হয়েছিল বলে জানা যায়। প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী, মানিকগঞ্জের পটল গ্রামের হেমসেন নামে এক অত্যাচারী জমিদার তার বাবার শেষকৃত্য সম্পন্ন করার পর এখানে মঠটি নির্মাণ করেন।

নাহার গার্ডেন

গ্রামীণ ও নিরিবিলি পরিবেশে পরিবার নিয়ে সময় কাটাতে চাইলে যেতে পারেন সাটুরিয়া উপজেলার কামতা গ্রামের নাহার গার্ডেনে। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের গোলড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে এর অবস্থান।

নাহার গার্ডেনে ছোট-বড় মিলিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় তিন হাজার পাখি রয়েছে। দর্শনার্থীদের জন্য রয়েছে নয়টি উট, একটি উটপাখি ও আটটি ময়ূর। শিশুদের জন্য রয়েছে বড় একটি শিশু পার্ক।

এছাড়া এখানে রয়েছে ছোট-বড় চারটি পুকুর এবং টাইটানিকের আদলে তৈরি একটি জাহাজ।

নাহার গার্ডেনে প্রবেশমূল্য ২০ টাকা। সেখানে সাতটি বনভোজনের স্থান রয়েছে। লোকসংখ্যা ও সময়ের ওপর ভিত্তি করে এসব স্থান ৬ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে ভাড়া নেওয়া যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যর্থতায় টেনেসির কারা বিভাগের প্রধানের পদত্যাগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪৪ পি.এম


মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যর্থতায় টেনেসির কারা বিভাগের প্রধানের পদত্যাগ

ঢাকা, ৪ অক্টোবর, ২০২৬ : মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নজিরবিহীন ব্যর্থতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলীয় টেনেসি অঙ্গরাজ্যের কারা বিভাগের প্রধান পদত্যাগ করেছেন।

অঙ্গরাজ্যটির গভর্নর জানিয়েছেন, দণ্ডিত এক খুনি মৃত্যুদণ্ডের ওষুধ প্রয়োগের পরও বেঁচে যান এবং বর্তমানে গুরুতর অবস্থায় ভেন্টিলেটরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এএফপি সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, টেনেসি ডিপার্টমেন্ট অব কারেকশনের কমিশনার ফ্র্যাঙ্ক স্ট্রাডা চলতি মাসের মধ্যে পদ ছাড়বেন বলে শনিবার গভর্নর বিল লি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন।

বুধবার ৫০ বছর বয়সী ক্রিস্টা পাইকের শরীরে পেন্টোবার্বিটাল নামের একটি ওষুধের দুই দফা প্রাণঘাতী মাত্রা প্রয়োগ করা হয়। এই ওষুধ স্নায়ুতন্ত্রের কার্যক্রম দমন করে।

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা জানান, প্রাণঘাতী ওষুধ প্রয়োগের পর প্রায় এক ঘণ্টা তারা পাইকের নাক ডাকার শব্দ শুনতে পান। পরবর্তীতে ন্যাশভিলের রিভারবেন্ড ম্যাক্সিমাম সিকিউরিটি ইনস্টিটিউশনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কক্ষের দর্শক এলাকা থেকে বের করে দেওয়ার সময়ও তিনি জীবিত ছিলেন।

পরে পাইককে হাসপাতালে নেওয়া হয়। শুক্রবার আদালতে দাখিল করা নথিতে তার আইনজীবীরা জানান, তিনি ‘অত্যন্ত সংকটজনক অবস্থায়’ রয়েছেন এবং অচেতন। তিনি ভেন্টিলেটরের সাহায্যে শ্বাস নিচ্ছেন। চিকিৎসকেরা তার শরীর থেকে পেন্টোবার্বিটাল অপসারণের চেষ্টা করছেন।

গভর্নর লি বলেন, ‘এই কঠিন সময়ে টেনেসির জনগণের স্বার্থকে সবার আগে রাখার জন্য’ তিনি স্ট্রাডার প্রতি কৃতজ্ঞ।

একই বিবৃতিতে স্ট্রাডা বলেন, ‘আমি এখনো বিশ্বাস করি, কারা বিভাগ নির্ধারিত প্রোটোকল অনুযায়ী তার দায়িত্ব পালন করেছে।’

এর আগে পাইকের ক্ষমার আবেদন নাকচ করা গভর্নর লি এখন বছরের বাকি সময়ের জন্য টেনেসিতে সব মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত করেছেন। তিনি এ বিষয়ে ‘বিস্তৃত ও স্বাধীন তৃতীয় পক্ষের পর্যালোচনা’ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

‘ক্ষয়কারী’ ওষুধ

পাইকের আইনজীবীরা এর আগে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় শিরায় ওষুধ দেওয়ার পদ্ধতি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাদের দাবি ছিল, পাইকের শিরা ছোট এবং তার একটি রক্তজনিত সমস্যা রয়েছে। ফলে নির্ধারিত পদ্ধতিতে ওষুধ প্রয়োগ করলে অপ্রয়োজনীয় কষ্ট হতে পারে।

আইনজীবী র‌্যান্ডি স্পিভি জানান, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কর্মীরা পাইকের বাম হাতেই শিরায় ওষুধ দেওয়ার জন্য সাতটি সুচ ব্যবহার করেছিলেন। তার একটি সুচ ব্যর্থ চেষ্টার পর হাত থেকে বের করার সময় বাঁকা অবস্থায় দেখা যায় বলে তিনি জানান।

আইনজীবী স্টিফেন ফেরেল বলেন, চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছিলেন যে সুচ শিরা থেকে সরে যেতে পারে বা শিরা ভেদ করে ফেলতে পারে। সে ক্ষেত্রে প্রাণঘাতী ওষুধ রক্তপ্রবাহে না গিয়ে পাইকের হাতের টিস্যুতে প্রবেশ করতে পারে।

আদালতে দাখিল করা নথিতে পেন্টোবার্বিটালকে এমন একটি ক্ষয়কারী পদার্থ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যা ত্বক, টিস্যু ও শিরা পুড়িয়ে দিতে পারে। হাসপাতালে নেওয়ার সময় পাইকের দুই হাত ফুলে গিয়েছিল, পুড়ে গিয়েছিল এবং ফোসকা পড়েছিল বলেও নথিতে উল্লেখ করা হয়।

গণমাধ্যমের প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রাণঘাতী ওষুধ প্রয়োগের পর পাইক মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কর্মীদের বলেছিলেন, তার মনে হচ্ছে তার হাত ‘ফেটে যাবে’।

যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ডসংক্রান্ত তথ্য ও বিশ্লেষণ প্রকাশকারী ডেথ পেনাল্টি ইনফরমেশন সেন্টার জানিয়েছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রাণঘাতী ওষুধ প্রয়োগের পর বেঁচে যাওয়া প্রথম বন্দি পাইক।

পাইকের মামলাটি তরুণ বয়সে সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছিল।

১৯৯৫ সালে পাইকের বয়স ছিল ১৮ বছর। সে সময় তিনি তার প্রেমিকের সঙ্গে মিলে ১৯ বছর বয়সী কলিন স্লেমারকে একটি চাকরির প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পিটিয়ে মেরে ফেলেন।

ডেথ পেনাল্টি ইনফরমেশন সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৬ সালের পর যুক্তরাষ্ট্রে মাত্র ১৮ জন নারীকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কালকিনিতে সম্পত্তি জালিয়াতি ও ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর প্রতিনিধি

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪৪ পি.এম


কালকিনিতে সম্পত্তি জালিয়াতি ও ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাদারীপুরের কালকিনিতে পোস্টমাস্টার মরহুম আব্দুস সামাদ সরদারের রেকর্ডীয় সম্পত্তি জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাৎ এবং ক্রয় করা জমিতে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও জমির ক্রেতারা।

রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে কালকিনি মডেল প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও সহযোগিতা কামনা করেন কুয়েতপ্রবাসী এবং জমির ক্রয়সূত্রে মালিক আব্দুল আলীম।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ১৯৫৪ সালে আব্দুস সামাদ সরদারের মৃত্যুর পর তাঁর পালকপুত্র লাল মিয়া তৎকালীন ভূমি জরিপে নিজেকে তাঁর ঔরসজাত সন্তান পরিচয় দিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে খতিয়ানে নাম অন্তর্ভুক্ত করেন। পরে হেবা দলিলের মাধ্যমে ওই সম্পত্তি হস্তগত করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়।

ভুক্তভোগীদের দাবি, এ নিয়ে বিরোধের পর আদালত ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্তে জালিয়াতির বিষয়টি প্রমাণিত হয়। এ ঘটনায় লাল মিয়ার ওয়ারিশ সাইদুল কবীর মুকুলসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের সাজা হয় বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।

তবে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সাজা হওয়ার পরও হয়রানি বন্ধ হয়নি। আব্দুস সামাদ সরদারের উত্তরসূরিদের কাছ থেকে ক্রয়সূত্রে মালিক হওয়া ১৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ জমির মালিকদের কাছে লাল মিয়ার ওয়ারিশরা ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করছেন। টাকা না দিলে জমি দখলের চেষ্টা ও বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।

এ ছাড়া গণমাধ্যমে জমি নিয়ে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ব্যক্তিরা। স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হলেও তা মানা হয়নি দাবি করে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরতে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে কুয়েতপ্রবাসী আব্দুল আলীম, তাঁর স্ত্রী তানিয়া খানম, প্রতিবেশী খায়রুল বাসারসহ ভুক্তভোগী পরিবার ও জমির ক্রেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%