মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:৪৭ পি.এম
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির হত্যা মামলার আসামি সাজিবুল ইসলাম, যিনি অপূর্ব নামে পরিচিত, তার (২৮) জন্য আদালত দ্বিতীয় দফায় চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। এর আগে তাকে এক দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। পুলিশ সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানালে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে দুর্গাপুর চৌকি আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল আমিন ভূঁইয়া এই আদেশ প্রদান করেন। পরে সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুর্গাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসাদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এসআই আসাদুল ইসলাম জানান, আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এই কারণে দ্বিতীয় দফায় সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছিল। আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। মঙ্গলবার দুপুর ২টা থেকে আগামী ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। মামলাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরি ইউনিয়নের তেলুঞ্জিয়া গ্রামে শ্বশুরবাড়ির এলাকার একটি দোকানের সামনে দুর্বৃত্তদের গুলিতে সাংবাদিক আলিফ ফকির নিহত হন।
এ ঘটনায় শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে নিহত সাংবাদিকের স্ত্রী আনন্দিতা সাংমা অজ্ঞাতপরিচয় সাত-আটজনকে আসামি করে দুর্গাপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে শনিবার (১৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে দুর্গাপুর পৌর শহরের মধ্যবাজারের সিনেমা হল এলাকা থেকে অপূর্বকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অপূর্ব পৌর শহরের উকিলপাড়া এলাকার শমশের আলীর ছেলে।
এর আগে ২০২৫ সালের ৯ জানুয়ারি দুর্গাপুরে ছুটিতে বাড়িতে আসা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শফিকুল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ওই হত্যা মামলায় ১৩ জানুয়ারি অপূর্বকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান।
নিহত সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির আইপিটিভি চ্যানেল রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি ‘ডিটেকটিভ আর্টিকেল’ নামে একটি ফেসবুক পেজও পরিচালনা করতেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরের নকলায় কমিউনিটির নেতা, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও নেটওয়ার্ক সদস্য নিয়ে এমএনসিএএইচ বিষয়ে জনসংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জনসম্পৃক্ততায় সামাজিক ও আচরণ পরিবর্তন (এসবিসি) প্রকল্পের আওতায় স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির আয়োজনে এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশ’র সহযোগিতায় সোমবার দুপুরের দিকে উপজেলার ৫নং বানেশ্বরদী ইউনিয়নের বাউসা একতা বাজারে এ জনসংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।
সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. লুৎফুল আনোয়ার বাদলের সভাপতিত্বে এবং স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির নকলা উপজেলা শাখার সমন্বয়কারী নার্গিস আক্তাররের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত জনসংলাপে বক্তব্য রাখেন, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মো. আব্দুল আজিজ, পরিবার কল্যাণ সহকারী সাহেরা খাতুন, স্বাস্থ্য সহকারী খন্দকার শরীফ হোসেন, বাউসা কমিউনিটি ক্লিনিকের কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোপাইটার (সিএইচসিপি) এস.এম মনিরুজ্জামান প্রমুখ।
এ জনসংলাপে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ হতে মাঠ পর্যায়ে মা ও শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের জন্য যেসব সেবা প্রদান করা হয় তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বক্তারা মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ এবং সিজি সদস্যদের সক্রিয় ভূমিকার প্রয়োজনীয়তাসহ বিভিন্ন বিষয়াবলী তুলে ধরেন।
সংলাপ শেষে মা ও শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের সেবার মান উন্নয়নে সকলের অংশগ্রহণে সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের জন্য একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয়। এই জনসংলাপে সিজি কমিটির সদস্য, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, মসজিদের ইমাম-মোয়জ্জেম, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ মা দলের সদস্য, গর্ভবতী ও প্রসূতি মা, স্থানীয় কিশোর-কিশোরী ও অভিভাবকগন উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২০ অক্টোবর, ২০২৬ : প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের প্রধান ফটক ও সীমানাপ্রাচীর নির্মাণকাজের ফলক উন্মোচন করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
আজ মঙ্গলবার ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে তিনি এ ফলক উন্মোচন করেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক এ সময় বলেন, ঢাকেশ্বরী মন্দিরকে ভেতরে-বাইরে সুন্দরভাবে সাজানোর পাশাপাশি আদি ঢাকা ও পুরান ঢাকার সৌন্দর্যবর্ধনে কাজ করছে সিটি কর্পোরেশন।
তিনি আরও জানান, ঢাকেশ্বরী মন্দির ঢাকার প্রধান মন্দির। এ মন্দিরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য অনেক পুরোনো। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি মন্দিরটি পরিদর্শনে আসেন। এ কারণে মন্দিরের পরিবেশ ও অবকাঠামো সুন্দর করার পাশাপাশি এর মাধ্যমে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির চিত্রও তুলে ধরতে হবে।
আবদুস সালাম বলেন, ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার।’ তিনি উল্লেখ করেন, এ দেশে হিন্দু, মুসলমান, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধ—সব ধর্মের মানুষ সমান অধিকার নিয়ে বসবাস করেন। সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু হিসেবে বিভাজন না করে সবাইকে এ দেশের নাগরিক হিসেবে দেখতে হবে। একজন মুসলমানের যে অধিকার, একজন হিন্দুরও সেই সমান অধিকার রয়েছে।
মন্দিরের উন্নয়নে সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, প্রধান ফটক ও সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের পাশাপাশি মন্দিরের সার্বিক উন্নয়নে অতিরিক্ত ১৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। এ কাজের দরপত্র প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।
ঢাকা শহর পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে আবদুস সালাম বলেন, সকালে শহর পরিষ্কার থাকলেও মানুষের চলাচল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আবর্জনা জমতে শুরু করে। এ অবস্থার পরিবর্তনে তিনি রাস্তায় টিস্যু ও অন্যান্য বর্জ্য না ফেলা, ড্রেনে ময়লা না দেওয়া, পলিথিন বর্জন এবং বাড়িঘরের আশপাশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, পরিবেশ রক্ষা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে কোথাও তিন দিনের বেশি পানি জমতে দেওয়া যাবে না। গাছ লাগানো এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার মাধ্যমে ঢাকাকে বাসযোগ্য করে তুলতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন মন্দিরের রাস্তা সংস্কার, আলোর ব্যবস্থা এবং ড্রেনেজ পরিষ্কারে সিটি কর্পোরেশন কাজ করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রথমবারের মতো ডিএসসিসির আওতাধীন ১৬৮টি পূজামণ্ডপে মোট ১৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে।
ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মধ্যে তেলেগু ও কানপুরি সম্প্রদায়ের প্রায় ৬৮০টি পরিবারকে এবার প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দুর্গাপূজা উপলক্ষে বোনাস দেওয়া হয়েছে, যাতে তারাও উৎসবের আনন্দে অংশ নিতে পারেন।
তিনি বলেন, সমাজে যারা মানবতার ক্ষতি করে, তারা কোনো ধর্মের নয়; তারা মানুষের শত্রু। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে অন্যায় ও অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে। কাউকে পিছিয়ে রেখে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।
বক্তব্যের শেষে আবদুস সালাম সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়া, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য সবার কাছে দোয়া চান। একই সঙ্গে শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ডিএসসিসি সব ধর্মের মানুষের পাশে রয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রশাসক ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শন করেন এবং পূজার শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় ঢাকা মহানগর পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়িকা পরীমনি ব্যক্তিগত বিভিন্ন ইস্যুতে বেশি আলোচনায় থাকেন, অভিনয়ের চেয়ে। हाल ही में, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ‘এআই’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁর একটি ভুয়া ও আপত্তিকর ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় তিনি তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানান। এমনকি একটি টিভি চ্যানেলের হ্যাকড হওয়া ইনস্টাগ্রাম পেজেও সেই ভিডিওটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা হওয়ার পর, তিনি এবার সরাসরি গণমাধ্যমের সামনে এসে এ বিষয়ে কথা বলেছেন।
গত সোমবার (১৯ অক্টোবর) একটি শোরুম উদ্বোধনের সময় গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন পরীমনি।
জীবনে বারবার নানা ঝামেলা ও বিতর্ক তৈরি হওয়া নিয়ে খোলামেলা মন্তব্য করে এই অভিনেত্রী বলেন, “আমার কপালে মনে হয় এটাই লেখা, সারাজীবন ঝামেলা হবে, ঝামেলা নিয়েই যাব। এটা আমি মেনে নিয়েছি। আমার ভালো লাগে, এনজয় করি।”
বর্তমান সময়ে এআই বা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নারীদের হেনস্তার ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলেছে। এ বিষয়ে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে পরীমনি আরও বলেন, “বিষয়টা অনেক সেনসিটিভ। আমার মতো মানুষ এটা গায়েই লাগানোর কথা না। প্রথম তিন-চার দিন তো পাত্তাই দিইনি। যখন দেখলাম, এটা আর এভয়েড করতে পারছি না, তখন গিয়ে কথা বললাম। কোনো সাধারণ মেয়ের ক্ষেত্রে হলে অনেকে সুইসাইডও করে ফেলে। সেসব নিয়ে অহরহ নিউজ হয়েছে। সুতরাং এ বিষয় নিয়ে সোচ্চার হওয়া জরুরি।”
এর আগে ফেসবুকে লাইভে এসে অপরাধীদের বিরুদ্ধে স্পষ্টভাবে প্রতিবাদ জানানোয় অনেকেই তাঁর সাহসের প্রশংসা করেন। এ বিষয়ে পরীমনি বলেন, “সবাই যখন আমার সাহসকে সম্মান জানায়, তখন আরও সাহস পাই। মনে হয়, আমি সঠিক পথে আছি।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন যে, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় যেভাবে দেশের জনগণকে বিভ্রান্ত ও ধোঁকা দিয়েছিল, ঠিক একইভাবে তারা চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান নিয়েও সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে। তিনি উল্লেখ করেন, মুখে তারা চব্বিশকে ধারণ করার কথা বললেও, জুলাই শহীদদের স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ না নিয়ে নিজেদের আসল চরিত্র প্রকাশ করে দিয়েছে।
মঙ্গলবার রাজশাহীতে আখচাষিদের মাঝে সরকারি প্রণোদনার অর্থ বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জনসভায় উপস্থিত হাজারো মানুষের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭১ সালে তারা যেভাবে এ দেশের জনগণকে ধোঁকা দিয়েছিল, ঠিক একইভাবে চব্বিশের জুলাই আন্দোলন নিয়েও তারা ধোঁকাবাজি করছে। মুখে বলে তারা চব্বিশকে ধারণ করে, কিন্তু বাস্তবে তাদের কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ ভিন্ন।’
তিনি আরো উল্লেখ করেন, ঢাকার ওসমানী উদ্যানে জুলাই আন্দোলনের বীর শহীদ ও যোদ্ধাদের স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনী আয়োজনে সব রাজনৈতিক দলকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু মুখে বড় বড় কথা বললেও সেই দলটির কোনো প্রতিনিধি জুলাইয়ের শহীদ পরিবারের পাশে এসে দাঁড়ায়নি। এর মাধ্যমেই প্রমাণ হয় যে তাদের কথা ও কাজে কোনো মিল নেই।
তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সাল থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত যখনই সুযোগ পেয়েছে, তখনই তারা জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চালিয়েছে। নির্বাচনে টিকিট বিক্রির রাজনীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের কাছে তাদের সেই অসত্য ও চক্রান্ত ধরা পড়ে গেছে, জনগণ আর তাদের মিথ্যা আশ্বাসে বিশ্বাস করে না।
প্রধানমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দেশের উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক মুক্তিকে বাধাগ্রস্ত করতে কোনো অপশক্তিকে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেওয়া হবে না। সব ভেদাভেদ ভুলে দেশ গড়ার কাজে বিএনপি সরকারের পাশে থাকার জন্য তিনি সর্বস্তরের জনতার প্রতি আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ