বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:২৯ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দলিলমূলে মালিকানা দাবি ফোরকানের, প্রভাবশালী মহিউদ্দিন মন্টুর বিরুদ্ধে দখল ও বাধা দেওয়ার অভিযোগ
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি বাজারে দলিলমূলে জমির মালিকানা থাকা সত্ত্বেও ভোগদখলে বাধা এবং আদালতের নির্দেশ অমান্য করে বিরোধীয় জমিতে নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালী মহিউদ্দিন মন্টুর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০২২ সালে স্থানীয় লোকমান হোসেন গংয়ের কাছ থেকে সৈয়দ মাহবুব আলম ফোরকান ৩ দশমিক ২৫ শতাংশ জমি সাব-কবলা দলিলের মাধ্যমে ক্রয় করেন। জমিটি ৩৮২৪/২৫ দাগের মোট ৩৯ শতাংশ জমির অংশ বলে জানা গেছে। ক্রয়ের পর ওই জমি তার নামে রেকর্ডও করা হয়েছে বলে দাবি করেন ফোরকান।
ফোরকানের অভিযোগ, জমি কেনার পর থেকেই মহিউদ্দিন মন্টু বিভিন্নভাবে তাকে জমিতে প্রবেশ ও ভোগদখলে বাধা দিয়ে আসছেন। এমনকি ভয়ভীতি ও হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে একাধিক মামলা ও স্থানীয়ভাবে কয়েক দফা সালিশ-বৈঠক হলেও বিরোধের কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি বলে জানান ফোরকান।
পরবর্তীতে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন। ফোরকানের দাবি, আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও বিরোধীয় জমিতে টিনের বেড়া দিয়ে ঘেরাও এবং পাকা স্থাপনা নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন মহিউদ্দিন মন্টু।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, দলিলপত্র অনুযায়ী তারা সৈয়দ মাহবুব আলম ফোরকানকেই ওই ৩ দশমিক ২৫ শতাংশ জমির মালিক হিসেবে জানেন। তবে জমির দখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।
অভিযোগের বিষয়ে মহিউদ্দিন মন্টু বলেন, “৩০-৪০ বছর ধরে আমার স্বজনরা ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন।” তবে একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, জমিটি সরকারি সম্পত্তি। সরকারি সম্পত্তি হয়ে থাকলে সেখানে তার নির্মাণকাজের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
এদিকে বাকেরগঞ্জ থানার এসআই সোহেল জানান, আদালতের নির্দেশনার কাগজ তারা পেয়েছেন। তিনি বলেন, “বিরোধীয় জমিতে মহিউদ্দিন মন্টু যাতে কোনো ধরনের কাজ করতে না পারেন, সে বিষয়ে তাকে নোটিশ দিয়ে আসব।”
এ ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে—দলিল, রেকর্ড ও আদালতের নির্দেশনা থাকার পরও বিরোধীয় জমিতে নির্মাণকাজ চলতে থাকলে এর পেছনে কার প্রভাব কাজ করছে? বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনগতভাবে নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলায় এক স্কুলের নারী অফিস সহকারীকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে একই স্কুলের প্রধান শিক্ষক সহ আরেক শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক রথীয়া রাজাপুর এলাকার বাসিন্দা মৃত ইয়সিন আলী হাওলাদার এর পূত্র নান্না মিয়া হাওলাদার (৫০) ও রাজাপুর এলাকার ভোপাল চন্দ্র শিকদার এর পূত্র সহকারী শিক্ষক গৌতম শিকদার (৪৫)।
ভূক্তভোগী ওই অফিস সহকারী মাকসুদা খানম লিজা ও অভিযুক্তরা সবাই রাজাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত।
হয়রানির স্বীকার লিজার স্বামী ওই একই এলাকার বাসিন্দা মৃত আব্দুল হান্নান এর পূত্র জারজিস (৪০) এ অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক নান্না ও সহকারী শিক্ষক গৌতম, তার স্ত্রী লিজাকে দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্কুলের অপ্রয়োজনীয় ও যা তার দায়িত্বে পড়েনা এমন কাজ করাত। পাসাপাসি তাদের ব্যাক্তিগত কাজও করাত। জারজিস আরও অভিযোগ করে বলেন, আমার স্ত্রী ওই স্কুলে চাকরি করার সুবাদে স্কুলের প্রধান শিক্ষক নান্না মিয়া ও গৌতম আমার স্ত্রীকে বার বার হেনস্তা, গালি-গালাজ, মানসিক নির্যাতন করেছেন। এতদিন লোক লজ্জায় আমি বিষয়টি কাউকে বলিনি। খুব শিগ্রই আমি তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিব।
এ নিয়ে জারজিস ও শিক্ষকদের মধ্যে ব্যাপক বাক-বিতন্ডা ও হুমকি ধামকির ঘটনাও ঘটেছে।
গত ১০ সেপ্টেম্বর ঘটিত এসব ঘটনা নিয়ে স্কুল কতর্িৃপক্ষ কয়েক দফা বৈঠক করেছেন।
জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক গৌমত বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পুর্ন মিথ্য ও বানোয়াট।
অন্যদিকে হয়রানির স্বীকার ওই ভূক্তভোগী স্কুলের অফিস সহকারী মাকসুদা খানম লিজার বক্তব্যের জন্য বার বার চেষ্টা করা হলেও তিনি আতঙ্কে কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক নান্না মিয়া হাওলাদার বলেন, আমার স্কুলের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মাকসুদা খানম লিজা ঠিকমত স্কুলে আসেন না। যে কারনে স্কুল ম্যানেজিং কমিটি তার বিরুদ্ধে বহুবার আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে। তাই জারজিস ক্ষোভে আমাদের বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদীর রায়পুরায় সাত বছরের এক শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে নুরুল ইসলাম নামের এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার প্রকাশ্যে আসার পর, অভিযুক্ত নুরুল ইসলামের বাড়িতে ভাঙচুর করেছে ক্ষুব্ধ স্থানীয় জনগণ।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অভিযুক্তের বিরুদ্ধে রায়পুরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
অভিযুক্ত বৃদ্ধ নুরুল ইসলাম মুছাপুর ইউনিয়নের তালুককান্দি এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি এবং তার পরিবার আত্মগোপনে চলে গেছেন।
১৫ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের তালুককান্দি এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী। প্রতিদিন সন্ধ্যায় শিক্ষক শান্তা আক্তারের কাছে প্রাইভেট পড়তে যেত সে। তার মা প্রতিদিন প্রাইভেট শেষে তাকে বাড়ি নিয়ে আসতেন। তবে মঙ্গলবার শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি মেয়েকে আনতে যেতে পারেননি।
অভিযোগ রয়েছে, ওই দিন সন্ধ্যায় প্রাইভেট শেষে শিশুটিকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে শিক্ষক শান্তার বাবা নুরুল ইসলাম তাকে নিয়ে বের হন। পথে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে শিশুটির ওপর জোরপূর্বক যৌন নির্যাতন চালান নুরুল ইসলাম। পরে শিশুটির আচরণে পরিবর্তন লক্ষ্য করেন পরিবারের সদস্যরা। বিষয়টি জানার পর শিশুটি তাদের কাছে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেয়।
পরিবারের সদস্যরা জানান, শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগী শিশুটির মা বলেন, প্রাইভেট শিক্ষকের বাবা তার মেয়েকে যৌন নির্যাতন করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, শিশুটির স্পর্শকাতর স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে।
এদিকে, ঘটনার পর অভিযুক্ত নুরুল ইসলাম এবং তার পরিবার আত্মগোপনে চলে গেছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। শিশুটির ওপর নির্যাতনের ঘটনা জানাজানি হলে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নুরুল ইসলামের বাড়িতে ভাঙচুর চালায়।
রায়পুরা থানার ওসি মুজিবুর রহমান জানিয়েছেন, ভুক্তভোগীর পরিবার অভিযোগ করেছে। অভিযুক্ত পলাতক রয়েছেন। ভুক্তভোগী শিশুকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) আন্তর্জাতিক মাইক্রোঅর্গানিজম ডে উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের সময় ডিজিটাল স্ক্রিনে মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনার ছবি প্রদর্শনের ঘটনা ঘটেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ এবং অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক সহযোগী অধ্যাপক ড. খন্দকার ফাহমিদা সুলতানাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সময় অডিটোরিয়ামের ডিজিটাল স্ক্রিনে হঠাৎ করে শেখ হাসিনার ছবি ভেসে ওঠে। বিষয়টি দ্রুত নজরে আসার পর ছবিটি সরিয়ে নেওয়া হয়।
ঘটনার পর অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। একই সঙ্গে প্রশ্ন ওঠে, গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষ্ঠানে স্ক্রিনে প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত ভিডিওটি আগে যাচাই করা হয়েছিল কি না।
মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ বলেন, এ ধরনের অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং শিক্ষকরা তা তদারকি করেন। এবারের অনুষ্ঠানে একজন শিক্ষার্থীকে অনুষ্ঠান ও ব্যানার দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ওই শিক্ষার্থী ইউটিউব থেকে জাতীয় সংগীতের একটি ভিডিও সংগ্রহ করেন।
অধ্যাপক ফিরোজ আহমেদ জানান, ‘পুরো ভিডিওর শেষ ১০ সেকেন্ডের মতো এই ঘটনা ঘটে। ওই শিক্ষার্থী আমাদের বলেছে, সে বিষয়টি খেয়াল করেনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এটা অনাকাঙ্ক্ষিত একটা ভুল হয়েছে। এ বিষয়ে আমরা প্রশাসনের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছি। ট্রেজারার মহোদয়ের কাছেও দুঃখ প্রকাশ করেছি। ছাত্র এ বিষয়ে ক্ষমা চেয়েছে। সে বলেছে, সর্বোচ্চ ভিউ দেখে ভিডিওটা সিলেক্ট করেছিলাম, ভিডিওতে এমন কিছু থাকবে ভাবিনি।’
অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক সহযোগী অধ্যাপক ড. খন্দকার ফাহমিদা সুলতানা বলেন, ‘আজকের প্রোগ্রামে শুরুতেই আমাদের একটা র্যালি ছিল। এরপর প্রোগ্রাম শুরু হয়। আমাদের প্রোগ্রামগুলো জাতীয় সংগীত দিয়েই শুরু হয়। আগে আমাদের ডিজিটাল বোর্ড ছিল না, অডিওতে জাতীয় সংগীত বাজানো হতো। আজকে যে শিক্ষার্থীরা এর দায়িত্বে ছিল, তারা ইউটিউব থেকে একটা জাতীয় সংগীত ছেড়েছে। ওরা এটা ভাবেনি যে ভিডিওতে এ ধরনের কিছু থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কেউই চাইনি এ ধরনের ছবি থাকুক। এটা অনাকাঙ্ক্ষিত একটা ঘটনা। এটা আসলেই আমাদের ভুল হয়েছে, আমাদের খেয়াল রাখা উচিত ছিল। এটা নিয়ে শিক্ষার্থীদেরও মন খারাপ হয়েছে, আমাদেরও খারাপ লেগেছে।’
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন তার বক্তব্যে ঘটনাটিকে দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও অনুষ্ঠানের কনভেয়রের আরো সতর্ক ও দায়িত্বশীল থাকা উচিত ছিল। এটি নিছক অসতর্কতা, নাকি এর পেছনে কোনো উদ্দেশ্য ছিল—তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।’
কোষাধ্যক্ষ আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ও জাতীয় অনুষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষায় এ ধরনের ঘটনার যথাযথ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি।’
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ এবং অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক সহযোগী অধ্যাপক ড. খন্দকার ফাহমিদা সুলতানাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) তামজিদ হোসাইন চৌধুরী স্বাক্ষরিত পৃথক চিঠিতে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তাদের লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) তামজিদ হোসাইন চৌধুরী বলেন, ‘মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার ছবি প্রদর্শনের ঘটনায় প্রশাসন বিভাগের চেয়ারম্যান ও অনুষ্ঠানের আহ্বায়ককে শোকজ করেছে। তিন দিনের মধ্যে তাদের জবাব চাওয়া হয়েছে। প্রশাসন এ ঘটনায় যথাযথ পদক্ষেপ নেবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ