রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৩৯ পি.এম
ভারত এবং রেস্ট অব দ্য ওয়ার্ল্ড একাদশের মধ্যে একটি ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই) নিজেদের একশ বছর পূর্তি উদযাপনের জন্য। শুক্রবার মুম্বাইয়ে বার্ষিক সাধারণ সভা শেষে এক বিবৃতিতে বিসিসিআই জানায়, ২০২৮ সালে বোর্ডের শতবর্ষ উদযাপনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে তাদের সাধারণ পরিষদ।
২০২৭ সালের ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে ২০২৮ সাল পর্যন্ত চলবে এই শতবর্ষ উদযাপন কর্মসূচি। এটি ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।
দ্য নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই উদযাপনের তদারকির জন্য একটি কমিটি গঠনের পরিকল্পনা করছে বোর্ড। সভায় আলোচিত প্রস্তাবগুলোর মধ্যে একটি হলো ভারত বনাম রেস্ট অব দ্য ওয়ার্ল্ড ম্যাচ আয়োজনের সম্ভাবনা।
তবে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই আলোচনা এখনও একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। উদযাপনের পরিকল্পনা ঠিক কীভাবে সাজাবে বোর্ড, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
এখন পর্যন্ত মোট নয়টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে আইসিসি বিশ্ব একাদশ। ২০০৫ সালের জানুয়ারিতে এশিয়া একাদশের বিপক্ষে একটি ওয়ানডে খেলে তারা। এরপর ২০০৫ সালের অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে এবং একটি টেস্ট খেলে। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলে তারা। এছাড়া ২০১৮ সালের মে মাসে লর্ডসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে একটি টি-টোয়েন্টি খেলে বিশ্ব একাদশ।
আইসিসি বিশ্ব একাদশের বিপক্ষে এখনো কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেনি ভারতীয় দল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোরের শার্শা অঞ্চলে একটি বসতবাড়ির গোয়ালঘর থেকে তিনটি তাজা ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে, লক্ষ্মণপুর ইউনিয়নের খামারপাড়া গ্রামের ইউনুস আলীর বাড়ি থেকে এই ককটেলগুলো উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার সকালে পুলিশের একটি টিম অভিযান পরিচালনা করে। খামারপাড়া গ্রামের ইউনুস আলীর বসতবাড়ির গোয়ালঘরে একটি সাদা প্লাস্টিকের ব্যাগ দেখতে পান স্থানীয় ও পরিবারের সদস্যরা। ব্যাগের ভেতরে তিনটি ককটেল সদৃশ বস্তু দেখতে পেয়ে তারা দ্রুত গোড়পাড়া পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ককটেলগুলো উদ্ধার করে নিরাপদে হেফাজতে নেয়।
শার্শা থানার ওসি শামিনুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ খবর পাওয়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে গিয়ে ককটেল তিনটি উদ্ধার করেছে। কে বা কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এগুলো গোয়ালঘরে লুকিয়ে রেখেছিল, সেই বিষয়টি তদন্তে পুলিশ ইতোমধ্যে নিবিড়ভাবে কাজ শুরু করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিকো নোদা প্রায় ৪০ বছর ধরে রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে যাত্রীদের হাতে রাজনৈতিক প্রচারপত্র তুলে দিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরও তিনি এই অভ্যাসটি বজায় রেখেছেন।
গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে চিবা এলাকার মিনামি-ফুনাবাশি স্টেশনে নোদাকে দেখা যায়। তার সরকারি কর্মসূচির অংশ হিসেবে, সকাল সাড়ে ৬টা থেকে সাড়ে ৮টা পর্যন্ত সেখানে প্রচারপত্র বিতরণের কথা ছিল। তিনি এবারের প্রচারপত্র বিতরণের সময় কোনো বক্তব্য দেননি। যাত্রীদের হাতে সরাসরি প্রচারপত্র তুলে দেন তিনি।
এই প্রচারপত্রগুলোর মধ্যে দুর্যোগ বীমা, শিশু সহায়তা ও প্রাদেশিক সংস্কারের মতো স্থানীয় বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। কিছু যাত্রী নোদাকে চিনতে পেরে তার কাছ থেকে প্রচারপত্র গ্রহণ করেন, আবার অনেকেই তাকে না চিনেই পাশ দিয়ে চলে যান।
নোদার স্টেশনে দাঁড়িয়ে প্রচারপত্র বিলির অভ্যাসটি ১৯৮৬ সালে শুরু হয়। সে সময় তিনি জাতীয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেননি। ১৯৮৭ সালে তিনি চিবা প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৯৩ সালে জাপানের সংসদের নিম্নকক্ষে নির্বাচিত হন।
পরবর্তীতে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন নোদা। ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি জাপানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব ছাড়ার পরও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের এই পদ্ধতি তিনি বন্ধ করেননি।
নোদার সরকারি ওয়েবসাইটে সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর কর্মসূচিতে বিভিন্ন রেলস্টেশনে সকালে প্রচারপত্র বিতরণের একাধিক সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমানে তিনি শুধুমাত্র প্রচারপত্র বিতরণ করছেন এবং বক্তব্য দিচ্ছেন না।
জাপানে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে প্রচারপত্র বিতরণ ও যাত্রীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের ঘটনা পরিচিত। তবে নোদার ক্ষেত্রে বিষয়টি আলাদা গুরুত্ব পেয়েছে তার দীর্ঘ সময় ধরে একই কাজ চালিয়ে যাওয়ার কারণে।
প্রধানমন্ত্রীর মতো দেশের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক দায়িত্ব পালন করার পরও প্রায় চার দশক ধরে একইভাবে সাধারণ মানুষের কাছে গিয়ে প্রচারপত্র তুলে দেওয়ার এই অভ্যাস তার রাজনৈতিক জীবনের ভিন্ন একটি দিক তুলে ধরেছে।
সূত্র: দ্য গালফ নিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মন্ত্রিসভা ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন প্রদান করেছে, যা দেশের শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষার পাশাপাশি সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে।
রোববার রাজধানীর সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ২১তম বৈঠকে অধ্যাদেশটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সরকারি ক্রয় আইন সংশোধনের মাধ্যমে দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষার পাশাপাশি ক্রয় কার্যক্রমে অধিক প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করা হবে। ক্রয় চুক্তি পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত বিধান সম্প্রসারণের পাশাপাশি উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির কার্যপ্রণালির আধুনিকায়নও করা হবে।
টেকসই ক্রয় ব্যবস্থার অধিক সংস্থানের লক্ষ্যে পণ্য, কার্য ও ভৌতসেবা ক্রয়ে নির্ণায়কের অনুপাতভিত্তিক মূল্যায়নের বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে বহুল ব্যবহৃত ‘রেটেড ক্রাইটেরিয়া’ ধারণার সমার্থক এই পদ্ধতির মাধ্যমে বিভিন্ন নির্ণায়কের ভিত্তিতে ক্রয় প্রস্তাবগুলো মূল্যায়ন করা হবে।
এছাড়া, সম্পদের সুষম বিস্তারের লক্ষ্যে সীমিত দরপত্র পদ্ধতির প্রয়োগ এবং পেশাগত অসদাচরণ সম্পর্কিত বিধান স্পষ্টীকরণের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প ক্রয় ব্যবস্থার সংস্থান রাখা হয়েছে।
এসব যুগোপযোগী পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর খসড়া মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, খসড়া অধ্যাদেশটি লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং-সাপেক্ষে মন্ত্রিসভা বৈঠকে চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করেছে। বৈঠকে মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিনোদন জগতের খ্যাতিমান অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। অভিভাবকদেরও আরও সচেতন ও সতর্ক থাকার জন্য তিনি অনুরোধ করেন। অপূর্ব বলেন, "শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে এই সমাজের অস্তিত্বই অর্থহীন।" শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কিশোর অপ্রতিম হত্যার মর্মান্তিক ঘটনার প্রেক্ষিতে তিনি সামাজিক মাধ্যমে একটি ফেসবুক পোস্টে এই মন্তব্য করেন।
অভিনেতা তার পোস্টে উল্লেখ করেন, "একটি শিশুর নিরাপদে বেড়ে ওঠার সুযোগ তার সবচেয়ে স্বাভাবিক অধিকার।" কিন্তু শিশুদের ওপর বারবার যে নৃশংসতা ঘটছে, তা সমাজ ও বিবেকের চরম পতনের ইঙ্গিত দেয়।
শুক্রবার, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষিকা নাহিদা বেগম তার ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের নিখোঁজ হওয়ার খবর জানিয়ে ফেসবুকে খুঁজে পাওয়ার আকুতি জানান। এই ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার জঙ্গল থেকে পুলিশ ওই কিশোরের লাশ উদ্ধার করে। অপূর্ব এই লোমহর্ষক ঘটনার জন্য হতবাক হয়ে যান।
১৩ বছর বয়সি ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের হত্যাকাণ্ডে তিনি স্তব্ধ হয়ে পড়েন। শিশুদের ওপর এমন নৃশংসতা বন্ধে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে অভিনেতা বলেন, "সব শিশুর জন্য নিরাপদ শৈশব চাই।"
অপ্রতিম হত্যার বিষয়টি সরাসরি উল্লেখ না করলেও সাম্প্রতিক শিশুহত্যার ঘটনার কারণে তিনি একজন বাবা এবং দেশের সাধারণ নাগরিক হিসেবে স্তব্ধ হয়ে গেছেন বলেও জানান এ রোমান্টিক অভিনেতা।
অভিভাবকদের আরও সতর্ক ও সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে অপূর্ব বলেন, "একটু বাড়তি সতর্কতা ও সচেতন নজরদারি হয়তো অনেক বড় বিপদ থেকে সন্তানকে রক্ষা করতে পারে।"
তিনি বলেন, ঘরের ভেতরে কিংবা বাইরে— কোথাও যেন শিশুদের নিরাপত্তায় কোনো ঘাটতি না থাকে, সেদিকেও নজর দেওয়া উচিত। সেই সঙ্গে শিশুহত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন অপূর্ব। শিশুদের জন্য দেশকে নিরাপদ করে তোলাকে তিনি সবচেয়ে বড় দায়িত্ব বলেও মনে করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ