০১:৪৭ এম
২০২৬ সালের বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে ১২২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৮৪তম স্থানে অবস্থান করছে। এ বছর বাংলাদেশের স্কোর ১৯ দশমিক ২। এই স্কোরের ভিত্তিতে, বাংলাদেশ মাঝারি মাত্রার ক্ষুধা পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে।
গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স-২৬ (জিএইচআই) প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। সংস্থাটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এই র্যাংকিংটি প্রকাশ করা হয়।
১২২টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ১০০ তম, যেখানে ভারতের স্কোর ২৪ দশমিক ১। অন্যদিকে, পাকিস্তান ১০৬ তম স্থানে রয়েছে, যার স্কোর ২৫ দশমিক ৫।
আরও পড়ুন: ইনকিলাবে সংবাদ প্রকাশের পর বিধবা আকলিমা পেলেন নতুন ঘর
দক্ষিণ এশিয়ার গড় স্কোরের তুলনায় বাংলাদেশ তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থানে রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর গড় স্কোর ২৩ দশমিক ৫, কিন্তু বাংলাদেশের স্কোর ১৯ দশমিক ২। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ থেকে ভালো অবস্থানে রয়েছে শ্রীলংকা ও নেপাল। তবে বৈশ্বিক গড় স্কোর (১৮ দশমিক ১) এর তুলনায় বাংলাদেশ কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে।
বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে স্কোর শূন্য থেকে ১০০-এর মধ্যে নির্ধারণ করা হয়। স্কোর ১০-এর কম হলে ক্ষুধার মাত্রা কম, ১০ থেকে ১৯ দশমিক ৯ হলে মাঝারি, ২০ থেকে ৩৪ দশমিক ৯ হলে গুরুতর, ৩৫ থেকে ৪৯ দশমিক ৯ হলে আশঙ্কাজনক এবং ৫০ বা তার বেশি হলে অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হিসেবে গণ্য করা হয়। এই পরিপ্রেক্ষিতে, বাংলাদেশের ১৯ দশমিক ২ স্কোর মাঝারি মাত্রার ক্ষুধা পরিস্থিতি নির্দেশ করে।
জিএইচআই স্কোর মূলত চারটি সূচকের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয়। এগুলো হলো— জনসংখ্যার মধ্যে অপুষ্টির হার, শিশুমৃত্যুর হার, বয়সের তুলনায় শিশুদের উচ্চতা কম হওয়া এবং উচ্চতার তুলনায় শিশুদের ওজন কম হওয়া।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের সূচকে বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ৮ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ অপুষ্টির শিকার। পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে বয়স অনুযায়ী উচ্চতা না বাড়া বা খর্বকায়তার হার ২৪ দশমিক ০ শতাংশ। তবে এটি একটি বড় অগ্রগতি, কারণ ২০০০ সালে এই হার ছিল ৫৪ দশমিক ৯ শতাংশ। অর্থাৎ গত ২৬ বছরে এই হার ৩০ দশমিক ৯ শতাংশ পয়েন্ট কমেছে।
আরও পড়ুন: প্রতিষ্ঠার দুই দশকেও জনবলসহ সংকটে বরিশাল মহানগর পুলিশ
পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে উচ্চতা অনুযায়ী ওজন না বাড়া বা কৃশতার হার ১২ দশমিক ৯ শতাংশ। পাঁচ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগেই দেশে ৩ দশমিক ০ শতাংশ শিশু মারা যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন