রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:১১ পি.এম
ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং প্রতিবেশী একটি দেশকে লক্ষ্য করে বলেছেন, ভারত শান্তি চায়, যুদ্ধ নয়। তিনি উল্লেখ করেন যে, যতদিন সন্ত্রাসবাদকে মদদ দেওয়া হবে, ততদিন ভারত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে প্রস্তুত থাকবে। এই কারণে ভারতের শান্তির আকাঙ্ক্ষাকে দুর্বলতা হিসেবে ভুলভাবে দেখা উচিত নয়।
রবিবার অনুষ্ঠিত ডিফেন্স সামিট ২০২৬-এ রাজনাথ সিং এই মন্তব্য করেন। সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি জানায়, ‘প্রতিবেশী দেশ’ বলতে তিনি পাকিস্তানকে ইঙ্গিত করেছেন।
মন্ত্রী বলেন, ভারত শান্তিতে বিশ্বাসী, এবং যুদ্ধ চায় না। ভারত অন্য দেশের ভূখণ্ড দখল করতে বা কাউকে হুমকি দিতে আগ্রহী নয়। তবে তিনি উল্লেখ করেন, নীরবতা এবং দুর্বলতার মধ্যে একটি স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভারত শান্তি চায়, কিন্তু জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না। তিনি স্পষ্টভাবে জানান যে, যতদিন প্রতিবেশী দেশ সন্ত্রাসবাদে মদদ দেবে, ততদিন ভারত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যেকোনো অভিযানে প্রস্তুত থাকবে—এটি তারা এবং বিশ্বকে জানাতে চায়।
রাজনাথ সিং বলেন, ভারত সংলাপে বিশ্বাস করে, কিন্তু যদি কোনো দেশ সন্ত্রাসবাদকে মদদ দেয়, তাহলে সেই সংলাপের সমাপ্তি ঘটবে। ভারত সহযোগিতা চায়, তবে তা জাতীয় স্বার্থের বিনিময়ে নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার নলুয়ার হাওর প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমির বিস্তীর্ণ চাষাবাদের এলাকা। বর্ষা মৌসুমে হাওর পানিতে ভরে গেলে কৃষক, জেলে, ট্রলারচালকসহ সাধারণ মানুষের যাতায়াত অনেকটাই নৌপথনির্ভর হয়ে পড়ে।
নলুয়ার হাওর দিয়ে দিরাই উপজেলার পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন ইউনিয়নের মানুষও যাতায়াত করেন। ফলে বর্ষাকালে এই নৌপথটি দুই এলাকার মানুষের যোগাযোগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
বৈরী আবহাওয়া, ঝড়ো বাতাস ও প্রবল বৃষ্টির সময় হাওরের মাঝখানে থাকা জেলে, ট্রলারচালক ও যাত্রীরা নিরাপদ আশ্রয়ের সংকটে পড়েন। বিশেষ করে হঠাৎ আবহাওয়া খারাপ হলে মানুষের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
তাই হাওরপাড়ের সাধারণ মানুষের দাবি, নলুয়ার হাওরের মধ্যখানে একটি স্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হোক। দুর্যোগের সময় এটি জেলে, ট্রলারযাত্রী ও হাওর দিয়ে চলাচলকারী মানুষের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ কাউখালী জেলা শাখার উদ্যোগে সাংগঠনিক মাস ২০২৬ পালন উপলক্ষে কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার শিয়ালকাঠী ইউনিয়ন শাখায় এ কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ কাউখালী সাংগঠনিক জেলা শাখার সভাপতি সুনন্দ সমাদ্দার-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বক্তব্য রাখেন নারী নেত্রী শামীমা, চায়না মজুমদার, রেক্সোনা খানম, শিমুলসহ স্থানীয় অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সভায় বক্তারা নারী অধিকার রক্ষা, সহিংসতা প্রতিরোধ এবং তৃণমূল পর্যায়ে নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে মহিলা পরিষদের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও মজবুত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
কর্মী সভা শেষে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ কাউখালী সাংগঠনিক জেলা শাখার সভাপতি সুনন্দ সমাদ্দার বলেন, আমাদের
প্রধান লক্ষ্য হলো তৃণমূলের নারীদের সংঘবদ্ধ করা। গ্রামের নারীরা যেন তাদের আইনি অধিকার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সচেতনতা সম্পর্কে জানতে পারেন এবং নিজেদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হতে পারেন, সেজন্যই আমরা প্রান্তিক পর্যায়ে এই সাংগঠনিক মাস উদযাপন করছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেশীয় অস্ত্রের মহড়া ও রিল ভিডিও তৈরি করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী 'ঙঝঞ' (ঙঁৎ ঝঃৎববঃ ঞবধস) নামক কিশোর গ্যাংয়ের দলনেতাসহ তিন সদস্যকে আটক করেছে হাতিয়া থানা পুলিশ। আটককৃত তিনজন হলেন, ওসামা (২০), সাকিব উদ্দিন শরীফ (১৯), এবং আমজাদ হোসেন (১৯)।
আটককৃতদের বাড়ি হাতিয়া উপজেলার তমরদ্দি ইউনিয়নের বেজুগালিয়া গ্রামে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হাতিয়া থানার ওসি মোঃ কবির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ফেসবুক ও টিকটকের মাধ্যমে 'ঙঝঞ' (ঙঁৎ ঝঃৎববঃ ঞবধস) নামক একটি গ্রুপ থেকে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করে রিল ভিডিও তৈরি করে প্রচার করা হচ্ছিল।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, উপজেলার ৭ নং তমরুদ্দি ইউনিয়নের উত্তর বেজুগলিয়া ৯ নং ওয়ার্ডের শেখ নুরুজ্জামান চুকু মেম্বারের ছেলে শেখ ওসামা আল জামান ওরফে ওসামা (২০)-র নেতৃত্বে যুবক ও কিশোরদের নিয়ে ১৯ সদস্যের এই দলটি গড়ে ওঠে। এই দলটি এলাকায় নানা ধরনের অপরাধ কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিল। হাতিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ কবির হোসেন জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং গ্রুপটির অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লায় পুলিশের অভিযানে আবারও ২৫৪ জন কিশোর গ্যাং সদস্যকে আটক করা হয়েছে। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে ১৮ থানায় অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে আটক করা হয়। কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান রোববার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আটকদের মধ্যে কুমিল্লা নগরের আলোচিত ‘রতন গ্রুপ’ বা ‘আর -্কােয়াড’-এর সক্রিয় চার সদস্য রয়েছে। তাদের মধ্যে একজন আনিসুর রহমান ওরফে আনিক (১৯), যিনি এই গ্যাংয়ের ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ হিসেবে পরিচিত।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, কিশোর গ্যাংবিরোধী নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে একযোগে ১৮টি থানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। কুমিল্লা মহানগরসহ প্রতিটি থানা এলাকার যেসব স্থানে উঠতি বয়সী বখাটেদের উৎপাত ও কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা রয়েছে, সেসব স্থান চিহ্নিত করে অভিযান চালানো হয়েছে। এ সময় ২৫৪ জনকে আটক করা হয়েছে এবং যাচাই-বাছাই শেষে আটকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার জানান, রাতে কিশোর গ্যাংবিরোধী এই অভিযানে কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে ৩৭ জনকে আটক করা হয়েছে। নগরের যেসব এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের আড্ডা জমে এবং তারা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের চেষ্টা করে, সেসব এলাকায় অভিযানটি পরিচালিত হয়েছে।
পুলিশের দাবি, আটককৃতদের মধ্যে চারজন কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। আটক চারজনের একজন আনিসুর রহমান ওরফে আনিক (১৯)। তিনি নগরের ছোটরা মফিজাবাদ কলোনির আবুল কাশের ছেলে। তিনি রতন গ্রুপের প্রধান ইমরান হোসেন ওরফে রতনের ভাগ্নে।
রতন বর্তমানে আত্মগোপনে থাকায় আনিকই গ্রুপটির কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করছেন। তিনি ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ হিসেবে রয়েছেন। বাকি তিনজনও এই গ্রুপের সক্রিয় সদস্য বলে জানা গেছে। এর আগে গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কুমিল্লার ১৮টি থানায় একযোগে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান চালানো হয়। ওই অভিযানে ৬২৪ জনকে আটক করে পুলিশ। তাদের মধ্যে ৪৫১ জনকে মুচলেকায় অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। বাকি ১৭৩ জনের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, নিয়মিত মামলা, ভ্রাম্যমাণ আদালত, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাসহ বিভিন্ন অভিযোগে তাদের আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ