ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফেনী জেনারেল হাসপাতালের সাব-স্টেশন থেকে যন্ত্রাংশ চুরি, বিদ্যুৎ ১৪ ঘণ্টা বন্ধ


ফেনী জেনারেল হাসপাতালের সাব-স্টেশন থেকে যন্ত্রাংশ চুরি, বিদ্যুৎ ১৪ ঘণ্টা বন্ধ

ফেনী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের বিদ্যুৎ সাব-স্টেশন থেকে ট্রান্সফরমার ও জেনারেটরের মূল্যবান যন্ত্রাংশ এবং তামার ক্যাবল চুরির ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে হাসপাতালের নতুন ভবনে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রায় ১৪ ঘণ্টা বন্ধ থাকে। তীব্র গরমের মধ্যে আইসিইউ, মেডিসিন, আইসোলেশন ও সার্জারি ওয়ার্ডের রোগী এবং তাঁদের স্বজনদের জন্য দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়।

মঙ্গলবার সকালে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। পরে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর দুটি বিদ্যুৎ লাইনের মধ্যে একটি বেলা ১১টার দিকে এবং অন্যটি বিকেল ৫টার দিকে সচল করা সম্ভব হয়।

সোমবার গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা সাব-স্টেশনের ভেন্টিলেশনের ফ্যান খুলে ভিতরে প্রবেশ করে এসব মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়। চুরি হওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকা।

আরও পড়ুন: নওগাঁয়ে ঘরে মাটির নিচে ২৪৫ কেজির কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গ উদ্ধার, আটক ১

সাব-স্টেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি হাবিবুর রহমান জানান, দুর্বৃত্তরা সাব-স্টেশনে প্রবেশ করে ট্রান্সফরমার ও বড় জেনারেটরের মূল্যবান যন্ত্রাংশ এবং সব তামার ক্যাবল খুলে নিয়ে গেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে তাঁরা মেরামতের কাজ শুরু করেন।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোবারক হোসেন দুলাল বলেন, ‘চোরেরা সব ক্যাবল নিয়ে গেছে। এর আগে হাসপাতাল ভবনের থাইগ্লাস, বাথরুমের কলসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি চুরির ঘটনা ঘটেছে। আমরা এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ দিচ্ছি।’

এদিকে, একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি হাসপাতালে এ ধরনের চুরির ঘটনায় সেখানকার সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে।

ফেনী গণপূর্ত বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আনিসুল হক বলেন, ‘সাব-স্টেশনটি গণপূর্ত বিভাগের অধীন হলেও এটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ব্যবহার করে। এর নিরাপত্তার দায়িত্বও তাদের। মূলত পর্যাপ্ত পাহারা না থাকায় এ চুরির ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে।’

আরও পড়ুন: দিনাজপুর বোর্ডের ১ কোটি ২৬ লাখ টাকার দুর্নীতির তদন্তের নির্দেশ

ফেনী জেনারেল হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই নয়ন চন্দ্র দাস জানান, এ ঘটনায় হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার নূর নবী বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লাখাইয়ে ডোবা থেকে রাজমিস্ত্রির লাশ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগে বন্ধু গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৭ পি.এম


লাখাইয়ে ডোবা থেকে রাজমিস্ত্রির লাশ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগে বন্ধু গ্রেপ্তার

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় এক রাজমিস্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে, যার নাম তারেক মিয়া (২২)। আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার লোভে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। নিখোঁজ থাকার ছয় দিন পর, পুলিশ উপজেলার একটি ডোবা থেকে তার গলিত মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের বন্ধু ও সহকর্মী সাহেলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাহেল হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।

গত মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে, লাখাই ও নবীগঞ্জ থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে ফুলবাড়িয়া গ্রামের শাহ আলমের বাড়ির সামনের রাস্তার পাশে একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত তারেক মিয়া নবীগঞ্জ উপজেলার চৌস্তপুর গ্রামের মারফত উল্লাহর ছেলে। অভিযুক্ত সাহেলও একই গ্রামের নুরুজ্জামান মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২১ অক্টোবর রাজমিস্ত্রির কাজের সুবাদে তারেক ও সাহেল লাখাই উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামের সুরের রহমানের বাড়িতে আসেন। সেখানে কাজ করার সময় তারেকের ব্যবহৃত দামি আইফোনটির প্রতি সাহেলের লোভ জন্মায়। এর জেরে ২২ অক্টোবর রাতে তারেককে কৌশলে ডেকে নিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে পাশের একটি ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়।

এদিকে, তারেক বাড়িতে না ফেরায় এবং তাঁর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা নবীগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ওই জিডির সূত্র ধরে প্রযুক্তিগত সহায়তা ও মোবাইল ফোন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে অভিযুক্ত সাহেলকে আটক করে পুলিশ। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে সাহেল আইফোনের লোভে তারেককে হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরবর্তীতে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ফুলবাড়িয়া গ্রামের ওই ডোবা থেকে নিহতের গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে লাখাই থানার ওসি শরীফ আহমেদ মরদেহ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় নিহত তারেকের বাবা মারফত উল্লাহ বাদী হয়ে লাখাই থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় সাহেলকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং এ ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, সে বিষয়েও তদন্ত চলছে।

এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘যেদিন আমরা ডাকসুতে জিতব, সেদিন বাংলাদেশে ইসলামের বিজয় হবে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৭ পি.এম


‘যেদিন আমরা ডাকসুতে জিতব, সেদিন বাংলাদেশে ইসলামের বিজয় হবে’

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার ইসলামী ছাত্রশিবিরের অতীত নেতৃত্বের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেছেন, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি অতীতে বলতেন—‘আমরা যেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিতব, সেদিন বাংলাদেশে ইসলাম বিজয়ী হবে’। বর্তমানে ডাকসুসহ দেশের শীর্ষ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ইসলামী আন্দোলনের পক্ষে যে গণজোয়ার তৈরি হয়েছে, তার মাধ্যমে দেশে ইসলামের বিজয়ের পূর্বাভাস স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগরী আয়োজিত পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস উপলক্ষ্যে ‘২৮ অক্টোবর ২০০৬: আওয়ামী নৃশংসতা ও ফ্যাসিবাদের উত্থান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ছাত্রজীবনের স্মৃতি তুলে ধরে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আমরা যখন শিবির করতাম, তখন কেন্দ্রীয় সভাপতিদের কাছে জানতে চাইতাম—দেশের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় সংসদে আমরা বিজয়ী হচ্ছি, কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কবে বিজয়ী হব? তখন আমাদের কেন্দ্রীয় সভাপতিরা দৃঢ়তার সঙ্গে জবাব দিতেন, ‘আমরা যেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিতব, ডাকসুতে বিজয়ী হব, সেদিন বাংলাদেশে ইসলাম বিজয়ী ও প্রতিষ্ঠিত হবে।’ আজ ডাকসুতে বিজয়ের মাধ্যমে এবং দেশের বড় বড় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্রশিবিরের সাফল্যের মধ্য দিয়ে সেই ঐতিহাসিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নের স্পষ্ট আলামত জাতি প্রত্যক্ষ করছে।

২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের পল্টন হত্যাকাণ্ডের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘সেদিন আওয়ামী লীগ, ১৪ দল ও বামপন্থীরা লগি-বৈঠা ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঢাকার চতুর্দিক থেকে পৈশাচিক হামলা চালিয়েছিল। আমাদের জাতীয় নেতৃবৃন্দ ও তৎকালীন আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী যখন মঞ্চে ছিলেন, তখন শিবিরের তরুণ নেতাকর্মীরা নিজেদের জীবন বাজি রেখে বুক দিয়ে মানবঢাল তৈরি করেছিলেন। তারা শহীদ হয়েছেন, রক্তাক্ত হয়েছেন, তবুও বাতিলের রক্তচক্ষুর সামনে মাথা নত করেননি।’

তিনি বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের রক্তপাত ঘটিয়ে আওয়ামী লীগ দেশে এক-এগারোর অগণতান্ত্রিক সরকার এবং পরবর্তীতে দীর্ঘ স্বৈরশাসনের পথ সুগম করেছিল। পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের গণহত্যা এবং সাজানো মামলার মাধ্যমে জামায়াত শীর্ষ নেতাদের বিচারিক হত্যার মধ্য দিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছিল। চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ছাত্র-জনতা সেই ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়েছে।

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও অন্তর্বর্তীকালীন প্রক্রিয়ার সমালোচনা করে জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘জনগণ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে কোনো আপস বা সমঝোতার জন্য নয়। বিএনপি যদি আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী চরিত্র ধারণ করে জনগণের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করতে চায়, তবে জনগণ তাদেরও ক্ষমা করবে না।’ তিনি অবিলম্বে ২৮ অক্টোবরের ঐতিহাসিক পল্টন ট্র্যাজেডিসহ বিগত দেড় দশকের সব হত্যাকাণ্ডের দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিতের জোর দাবি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাহজালালে ১৫৩ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ২২,৬৩৬ যাত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৮ পি.এম


শাহজালালে ১৫৩ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ২২,৬৩৬ যাত্রী

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১৫৩টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে, যা সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মাম বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচলে বিধিনিষেধের কারণে ঘটেছে। বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর যাত্রী সংখ্যা ২২,৬৩৬ জন ছিল।

বুধবার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ৭৬টি সরাসরি ফ্লাইট এবং ৭৭টি ট্রানজিট ফ্লাইট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সরাসরি বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৩৩টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ২০টি এবং রিয়াদ এয়ারের ১৩টি ফ্লাইট রয়েছে।

অন্যদিকে, ট্রানজিট ফ্লাইট বাতিল হওয়ার মধ্যে ইন্ডিগোর ৩০টি, সালাম এয়ারের ৭টি, ইজিপ্ট এয়ারের ১টি, এমিরেটস এয়ারলাইনসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাই দুবাইয়ের ৮টি এবং এয়ার ইন্ডিয়ার ৮টি ফ্লাইট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশি মাছের প্রাকৃতিক উৎপাদন বাড়াতে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: মৎস্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৮ পি.এম


দেশি মাছের প্রাকৃতিক উৎপাদন বাড়াতে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: মৎস্যমন্ত্রী

ঢাকা, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, দেশি মাছের প্রাকৃতিক উৎপাদন বৃদ্ধি ও প্রজনন ক্ষেত্রগুলো রক্ষার জন্য বর্তমান সরকার একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। হাওড়, বাওড়, নদীনালা এবং সমুদ্রের অভয়াশ্রম তৈরির কাজ চলছে।

আজ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে (বিএআরসি) বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) আয়োজিত ‘বার্ষিক গবেষণা অগ্রগতি পর্যালোচনা (২০২৫-২৬) ও পরিকল্পনা প্রণয়ন (২০২৬-২৭)’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী মাছে-ভাতে বাঙালির ঐতিহ্য এবং বর্তমান সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে বলেন, অতীতে সফল গবেষণার ফলস্বরূপ আজ আমরা মাছে স্বয়ংসম্পূর্ণ। চাষের মাছের উৎপাদন, গুণগত মান এবং খাদ্য ব্যবস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। তবে জলবায়ু পরিবর্তন এবং মানুষের সচেতনতার অভাবে প্রাকৃতিক মাছের প্রজনন ক্ষেত্রগুলো আজ বিপন্ন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি নির্দেশে এই সংকট মোকাবেলায় চলতি বছর থেকেই বড় বাজেট ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেছে সরকার।

মন্ত্রী গবেষক এবং বিজ্ঞানীদের উদ্দেশ্যে কিছু নির্দিষ্ট নির্দেশনা ও আহ্বান জানান। গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারের অগ্রাধিকার তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশি মাছের প্রজনন, জাত উন্নয়ন এবং হারিয়ে যাওয়া প্রজাতির পুনরুদ্ধারে গবেষণা জোরদার করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা, রোগ প্রতিরোধ এবং মানসম্মত পোনা উৎপাদন নিশ্চিত করতে হবে। উপকূলীয় ও সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। ক্ষতিকর জালের ব্যবহার রোধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। মানবদেহের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ খাদ্য থেকে বিরত থেকে নিরাপদ মৎস্য উৎপাদনে জোর দিতে হবে।

রপ্তানির প্রসঙ্গে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ বলেন, সরকার আগামী দিনে পর্যাপ্ত মাছ বিদেশে রপ্তানি করতে চায়। তবে রপ্তানির ক্ষেত্রে গুণগত মানের কোনো আপস করা হবে না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দেশে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি এর গুণগত মান নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করা জরুরি। মাছের স্বাদ ও গুণগত মান অনেকাংশে পানির গুণগত মানের ওপর নির্ভরশীল। তাই মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি জলাশয়ের দূষণ রোধ এবং মাছের স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নদী ও খাল খননের মাধ্যমে পানিপ্রবাহ বৃদ্ধি এবং জলাবদ্ধতা হ্রাস পেলে মাছের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের মৎস্য খাতকে আরও সমৃদ্ধ ও এগিয়ে নিতে সকলকে কাজ করতে হবে।

বিএফআরআই’র মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. মীর হোসেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, বিএআরসি'র নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. আবদুছ ছালাম। এ সময় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকমণ্ডলী, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিএফআরআই’র বিজ্ঞানীবৃন্দ, মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং জেলে প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএফআরআই’র পরিচালক ড. মো. আমিরুল ইসলাম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%