ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

বুধহাটায় আহলে হাদীছ আন্দোলনের সভা, যুব সংঘের কমিটি গঠন


বুধহাটায় আহলে হাদীছ আন্দোলনের সভা, যুব সংঘের কমিটি গঠন

আশাশুনি উপজেলার বুধহাটায় আহলে হাদীছ আন্দোলনের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভায় আহলে হাদীছ যুব সংঘের উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে বুধহাটা কেন্দ্রীয় আহলে হাদীছ জামে মসজিদে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন আহলে হাদীছ আন্দোলনের উপজেলা সভাপতি মাওঃ হাবিবুল্লাহ বাহার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুব সংঘের সভাপতি মাওঃ মাসুদ রেজা খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যেলা যুব সংঘ সেক্রেটারী মাওঃ আবিদুর রহমান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওঃ ইনামুল হক, দপ্তর সম্পাদক মাওঃ নাছীর উদ্দীন এবং সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মাওঃ শিহাব উদ্দীন।

সভায় আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে মোঃ কেরামত আলী, হাবিবুর রহমান, মাওঃ মিজানুর রহমান এবং মাওঃ শফিকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সভায় ১১ সদস্য বিশিষ্ট আশাশুনি উপজেলা যুব সংঘের কমিটি গঠন করা হয়, যার সভাপতি নির্বাচিত হন মাওঃ ফজলুর রহমান, সহ সভাপতি হন হাসান ইকবাল মামুন এবং সেক্রেটারী হন মাওঃ শিহাব উদ্দীন।

আরও পড়ুন: রাঙ্গামাটিতে বজ্রপাত রোধে মাসব্যাপী তালবীজ রোপণ শুরু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দরগাহপুরে কমিউনিটি পুলিশিং নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:২৬ এম


দরগাহপুরে কমিউনিটি পুলিশিং নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আশাশুনি উপজেলার দরগাহপুর ইউনিয়ন কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকাল চারটায় দরগাহপুর বাজারে এ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন কমিউনিটি পুলিশিং এর সভাপতি শেখ জুলফিকার হায়দার। আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জের প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিট ইনচার্জ এসআই ফিরোজ আলম, সহ ইনচার্জ আব্দুস সালাম, দরগাহপুর ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শেখ তারিকুল বাশার, এবং সাধারণ সম্পাদক জিএম হাফিজুর রহমান।

বক্তারা যুব সমাজের মধ্যে মাদক এবং জুয়ার ক্ষতিকর প্রভাব এবং বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। বিট ইনচার্জ দরগাহপুর ইউনিয়নে আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সকলকে আহবান জানান।

এ অনুষ্ঠানে গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ইউপি সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রমজানে সিলেটে বাজার নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসন ও যৌথ বাহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:২৭ এম


রমজানে সিলেটে বাজার নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসন ও যৌথ বাহিনী

রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে এবং বাজার ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে সিলেট জেলা প্রশাসন কঠোর মনিটরিং কার্যক্রম শুরু করেছে। সোমবার (৩ মার্চ) জেলা প্রশাসক শের মাহবুব মুরাদের নেতৃত্বে একটি বিশেষ মনিটরিং টিম মহানগরের কালীঘাট ও মদিনা মার্কেটের পাইকারি ও খুচরা দোকানে অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান চলাকালে প্রশাসনের দলটি বাজারের মূল্য তালিকা, ক্রয়-বিক্রয় রশিদ এবং পণ্যের সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। জেলা প্রশাসক নিশ্চিত করেন যে, বাজারে সয়াবিন তেলের কোনো সংকট নেই এবং ব্যবসায়ীরা নির্ধারিত মূল্যে তা বিক্রি করছেন কিনা তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

এ সময় জেলা প্রশাসক শের মাহবুব মুরাদ মন্তব্য করেন, "রমজানে কোনো ব্যবসায়ী যেন কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিনিয়ত বাজার মনিটরিং চালিয়ে যাব। সিন্ডিকেট করে কেউ যদি পণ্যের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

অভিযানে পুলিশ ও সেনাবাহিনীও জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যৌথভাবে অংশগ্রহণ করে। তারা বিভিন্ন দোকানে গিয়ে পণ্যের মজুদ, বিক্রয় প্রক্রিয়া এবং ভোক্তাদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আচরণ পর্যবেক্ষণ করেন।

অভিযান চলাকালে কিছু ব্যবসায়ীকে শর্তসাপেক্ষে সয়াবিন তেল বিক্রি করতে দেখা যায়, যা নিয়মবহির্ভূত। জেলা প্রশাসনের মনিটরিং টিম তাদের কঠোরভাবে সতর্ক করে। একইসঙ্গে, যারা অভিযোগের ভিত্তিতে নিয়ম ভঙ্গ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে জরিমানা ও অন্যান্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। বাজার মনিটরিংয়ের ফলে সাধারণ ক্রেতারা স্বস্তি প্রকাশ করেন। এক ক্রেতা বলেন, "রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ে আমরা সবসময় দুশ্চিন্তায় থাকি। কিন্তু জেলা প্রশাসনের এই কঠোর নজরদারি আমাদের জন্য স্বস্তির খবর। আশা করি, ব্যবসায়ীরা অন্যায়ভাবে দাম বাড়ানোর সুযোগ পাবে না।"

জেলা প্রশাসক আশ্বস্ত করেছেন, "রমজানজুড়ে আমাদের এই বাজার তদারকি অব্যাহত থাকবে, যাতে কেউ অবৈধভাবে মূল্যবৃদ্ধি করতে না পারে এবং সাধারণ মানুষ ন্যায্য দামে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারে।" এ ধরনের কার্যক্রম চালু থাকলে রমজানে সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে বাজার করতে পারবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে.

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজনগরে ভিক্ষাবৃত্তির বিকল্প হিসেবে বিতরণ করা হলো ব্যাটারি চালিত রিকশা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:২৮ এম


রাজনগরে ভিক্ষাবৃত্তির বিকল্প হিসেবে বিতরণ করা হলো ব্যাটারি চালিত রিকশা

রাজনগরের ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগণের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্দেশ্যে উপকারভোগীদের মধ্যে ব্যাটারি চালিত রিকশা বিতরণ করা হয়েছে। ৩রা মার্চ (সোমবার) উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে উপজেলা প্রশাসন এবং উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা হাবিব শাপলা উপকারভোগীদের হাতে রিকশার চাবি তুলে দেন। তিনি বলেন, “ভিক্ষুক পুনর্বাসন কর্মসূচির মাধ্যমে তাদের স্বনির্ভর করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এই উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে ভূমিকা রাখবে।”

তিনি উপকারভোগীদের উদ্দেশ্যে সতর্ক করে বলেন, সরকার ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধ করার জন্য ভিক্ষুকদের এই রিকশা প্রদান করেছে। যদি কেউ এই সুবিধা গ্রহণ করে ফের ভিক্ষাবৃত্তি করেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আজাদুর রহমান, রাজনগর সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জুবায়ের আহমেদ চৌধুরী, প্রেসক্লাব সভাপতি আউয়াল কালাম বেগ, এবং মনসুরনগর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বোরো মৌসুমে হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ অরক্ষিত, ক্ষতির আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:২৮ এম


বোরো মৌসুমে হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ অরক্ষিত, ক্ষতির আশঙ্কা

চলতি বোরো মৌসুমে হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। কারণ, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাওর রক্ষা বাঁধের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়নি। এ অবস্থায় আকস্মিক বন্যা বা ঢলের ফলে হাওরের বোরো ধান তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দেশের মোট উৎপাদিত ফসলের প্রায় ৩০ শতাংশ হাওর এলাকা থেকে আসে। হাওরের বিস্তৃত জলরাশি সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে শুকিয়ে গেলে কৃষকরা ভূমির বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের ফসল চাষ করেন। কিন্তু এ বছরও হাওর অধ্যুষিত অনেক স্থানে ফসল রক্ষা বাঁধ অরক্ষিত রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এবং হাওর বাঁচাও আন্দোলন সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সিলেটের হাওরাঞ্চলে প্রবল বৃষ্টি ও ভারত থেকে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে প্রায়ই অকালবন্যা দেখা দেয়। মার্চ মাসে শুরু হওয়া ওই বন্যার পানি হাওরের কৃষকদের বোরো ধান ভাসিয়ে নিয়ে যায়। প্রতি বছর সুনামগঞ্জ জেলায় সরকারিভাবে হাওরে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হয়। সুনামগঞ্জে হাওরের বাঁধ নির্মাণে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। সিলেট বিভাগের চারটি জেলার মধ্যে মৌলভীবাজার ছাড়া অন্য জেলায় বোরো ফসল রক্ষার জন্য ৭২৫টি প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি) গঠনের মাধ্যমে বাঁধ নির্মাণের কাজ চলছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জে ৬৮৭টি, সিলেটে ২২টি এবং হবিগঞ্জে ১৬টি পিআইসি রয়েছে।

সূত্র জানায়, সুনামগঞ্জে ৮০ ভাগ, সিলেটে ৬০ ভাগ এবং হবিগঞ্জে ৬৯ ভাগ বাঁধ নির্মাণকাজ সরকারি হিসাবে সম্পন্ন হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাঁধ নির্মাণকাজ শেষ করা সম্ভব। কিন্তু হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতাদের মতে, এখনও অর্ধেক কাজ বাকি রয়েছে। মাটি কাটার কাজ শেষ হলেও দুরমুজ, বস্তা বাঁধা, ঘাস লাগানোসহ অনেক কাজ এখনও সম্পন্ন হয়নি। চলতি মৌসুমে সুনামগঞ্জের ১২টি উপজেলার ৫৩টি হাওরে বোরো ফসল সুরক্ষার জন্য ৬৮৭টি পিআইসি গঠন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে পুরো জেলায় ৫৮৮ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণের কাজ চলছে। বাঁধ নির্মাণ ও সংস্কারের জন্য ১২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ে শতভাগ কাজ শেষ হওয়ার বিষয়ে শঙ্কা রয়েছে। তাছাড়া বাঁধে মাটি ফেলার ক্ষেত্রে সঠিক নিয়ম অনুসরণ করা হচ্ছে না।

সূত্র আরও জানায়, সুনামগঞ্জে এখন পর্যন্ত ফসল রক্ষা বাঁধের অর্ধেক কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সঠিক সময়ে ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ শেষ না হলে পাহাড়ি ঢলে বোরো ধানের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। হাওরের গুরুত্বপূর্ণ অনেক বাঁধের কাজে গাফিলতি করা হচ্ছে। কেবল কাগজপত্রে ৭০-৮০ ভাগ কাজ শেষ হওয়ার কথা বলা হলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। বাঁধের কাজ ধীরগতিতে চলছে, ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা শেষ করা সম্ভব নয়। এর ফলে হাওরের বোরো ফসল ঝুঁকির মুখে রয়েছে।

এদিকে, হাওর বাঁচাও আন্দোলন সংশ্লিষ্টদের মতে, কৃষকের ধান রক্ষায় বাঁধের কাজ সময়মতো শুরু করা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু কর্তৃপক্ষ অনেক বাঁধের কাজ নির্ধারিত সময়ের বেশ কিছুদিন পর শুরু করেছে। সরকারি হিসাবে ৭০-৮০ ভাগ কাজ হলেও প্রকৃতপক্ষে এখনও অনেক বাঁধের কাজ বাকি রয়েছে। শুধু মাটি ফেলেই কাজ শেষ নয়, বাঁধের কম্পেকশন, দুরমুজ ও ঘাস লাগানোও বাকি রয়েছে। হাতে মাত্র কয়েকদিন সময় রয়েছে। এর মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে।

অন্যদিকে, পাউবো সংশ্লিষ্টদের মতে, ফেব্রুয়ারির মধ্যেই সব ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ শেষ হবে। ইতিমধ্যে ৮০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে কোথাও কোথাও কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে। তবে কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ হবে। সিলেটের তিন উপজেলার পাঁচটি হাওরে ২২টি পিআইসির মাধ্যমে বাঁধ নির্মাণের কাজ চলছে। এ পর্যন্ত ৬০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। হবিগঞ্জ জেলায় ১৬টি হাওর রয়েছে। সেখানে ১৬টি পিআইসির মাধ্যমে কাজ চলছে। ফেব্রুয়ারির মধ্যেই সব কাজ শেষ হবে।

সার্বিক বিষয়ে পাউবো সিলেটের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণে কোনো অনিয়ম সহ্য করা হবে না। এটি আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কঠোর তদারকির মধ্যে কাজ চলছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাঁধ নির্মাণকাজ শেষ হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%