দিলশান আরা অনিমা স্টাফ রিপোর্টার
০১:১০ পি.এম
সাভারের হেমায়েতপুরের আলোচিত দুর্ধর্ষ মুসা বাহিনীর প্রধান মোশাররফ হোসেন মুসাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার গ্রেপ্তারের খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জুলাই মাসে অপু রাড়িকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি হিসেবে অভিযুক্ত মোশাররফ হোসেন মুসা দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসছিল। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগেও ২০২৫ সালে হেমায়েতপুরের ব্যবসায়ী রমজানকে গুলি করে চাঁদা দাবির অভিযোগে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন মুসা। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় এক ডজন অভিযোগ ও কয়েকটি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতা হত্যার ঘটনায়ও একাধিক মামলার আসামি তিনি।
স্থানীয় সূত্রে অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলে চাঁদাবাজি, দখল বাণিজ্যসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন মুসা। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন বিএনপির ৭নং ওয়ার্ডের সভাপতির পদ বাগিয়ে নেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
২০২৫ সালের ৯ জুলাই দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, নীতি-আদর্শ পরিপন্থি কর্মকাণ্ড এবং একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে মোশারফ হোসেন মুসাকে দল থেকে বহিষ্কার করে বিএনপি।
তবে দল থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পরও হেমায়েতপুর এলাকায় তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। অস্ত্রের মহড়া, দখল বাণিজ্য, গুলি করে চাঁদা আদায়, হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত মুসা ও তার পালিত ক্যাডাররা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মুসা বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে হেমায়েতপুর এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। তাদের ভয়ে সাধারণ মানুষ সব সময় আতঙ্কের মধ্যে থাকেন। একাধিক ভুক্তভোগীর সঙ্গেও কথা বলে তাদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের সত্যতা মিলেছে।
হেমায়েতপুর এলাকার বিভিন্ন গার্মেন্টস কারখানা, ঝুট ব্যবসা, মহাসড়ক ও মহল্লার সড়কের ফুটপাত, বিভিন্ন স্থাপনা এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে প্রভাব বিস্তার করে আসছিল মুসা বাহিনী। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছিল।
মোশাররফ হোসেন মুসাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোস্তফা হোসেন জানান, পলাতক এই আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বারিধারা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে আলোচিত মুসা বাহিনীর প্রধান মোশাররফ হোসেন মুসার গ্রেপ্তারের খবরে হেমায়েতপুরসহ আশপাশের এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তার গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে এলাকায় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও দখল বাণিজ্য বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাজিলের ডানপন্থী নেতা ফ্লাভিও বলসোনারো নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর আর্জেন্টিনা হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় দেশটির শীর্ষ কূটনীতিককে তলব করেছে ব্রাজিল। বৃহস্পতিবার ব্রাজিলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আর্জেন্টিনার চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মারিয়া এমিলিয়া কোর্তেসকে ডেকে পাঠানো হয়।
তবে আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাবলো কিরনো এ ধরনের আনুষ্ঠানিক তলবের কথা অস্বীকার করেছেন। বলসোনারোর দেশত্যাগের ঘটনায় ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা এবং আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইয়ের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
অর্থপাচারের অভিযোগে চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে বলসোনারোর পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচনে পরাজয়ের পর মঙ্গলবার রাতে তিনি আর্জেন্টিনায় যান এবং পরে ইকুয়েডর হয়ে বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে পৌঁছান। তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ও দুই মেয়ে।
ব্যাংকো মাস্টার কেলেঙ্কারিতে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও রয়েছে বলসোনারোর বিরুদ্ধে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ব্যাংকটির সাবেক প্রধান ড্যানিয়েল ভোরকারোর কাছ থেকে পাওয়া কয়েক মিলিয়ন ডলারের অর্থ দিয়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারোকে নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। তবে ফ্লাভিও সব অভিযোগ অস্বীকার করে মামলাটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।
লুলা নির্বাচনে ৫১ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন এবং বলসোনারো ৪০ লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট মিলেইয়ের সহযোগিতার জন্য বলসোনারো কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টের এক মুখপাত্র বলসোনারোর দেশত্যাগকে ‘উদ্ধার অভিযান’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও বলসোনারো পরিবারের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।
লুলা ও মিলেইয়ের মধ্যে ২০২৩ সালে মিলেই ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে। গত আগস্টে দুই দেশের মধ্যে ধারাবাহিক মতবিরোধের কারণে উভয় দেশই নিজেদের রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করেছিল। বর্তমান ঘটনা সেই কূটনৈতিক সংকটকে আরও গভীর করতে পারে।
সূত্র: আলজাজিরা
আরএ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পাসের হার ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ রেকর্ড করা হয়েছে। এই বছর বোর্ডের অধীনে ৯২ হাজার ১৬২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৪ হাজার ২৭২ জন পাস করেছে এবং ১ হাজার ৩১৩ জন জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফলে উদ্বেগজনক চিত্র দেখা গেছে; বোর্ডের ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন পরীক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। অন্যদিকে, মাত্র চারটি প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাসের হার অর্জন করেছে।
বোর্ডের সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৪৫৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ১৯৩টি কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৭ হাজার ৮৯০ জন অকৃতকার্য হয়েছে।
যে ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি, সেগুলো হলো: চাঁদপুর জেলায় ‘চাঁদপুর পৌর শহীদ জাবেদ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ’, মতলব দক্ষিণের ‘ড. এম শামসুল হক মডেল কলেজ’। কুমিল্লা জেলার লালমাইয়ের ‘সুরুজ মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ’, চৌদ্দগ্রামের ‘বগৈর গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ’, ব্রাহ্মণপাড়ার ‘প্রফেসর সিকান্দার আলী ভূঁইয়া গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ’। লক্ষ্মীপুর জেলায় ক্যামব্রিজ সিটি কলেজ, কমলনগরের ‘তুরাবগঞ্জ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ’, সদরের ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. মমতাজ উদ্দীন আলোকিত কলেজ’, ‘লক্ষ্মীপুর পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজ’, কমলনগরের ‘ফজু মিয়ার হাট হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ’।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগরের ‘জিনদপুর ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ’, ‘বীরগাঁও স্কুল অ্যান্ড কলেজ’। ফেনী জেলার ফেনী সদরের বেগম শামসুন্নাহার গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং বিকন মডেল কলেজ। নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জের অ্যাপেক্স মডেল কলেজ (আপার মডেল কলেজ)।
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. শফিকুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন যে, ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। অন্যদিকে, চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। বিজ্ঞান বিভাগের ফলাফল তুলনামূলকভাবে ভালো হলেও ইংরেজি ও উচ্চতর গণিতে শিক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করতে পারেনি।
ফলাফলের এই চিত্রে একদিকে অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, অন্যদিকে ইংরেজি ও উচ্চতর গণিতে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতার বিষয়টিও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পরিবেশ রক্ষা ও জনদুর্ভোগ কমাতে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে নিজ এলাকায় রাস্তা পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছেন তরুণ উদ্যোক্তা ও সমাজকর্মী সরকার শাহনুর ইসলাম রনি।
সাম্প্রতিক সময়ে টঙ্গী স্টেশন রোড এলাকায় রাস্তার বিভিন্ন অংশে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকায় জনসাধারণের চলাচলে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছিল। পথচারীদের এই দুর্ভোগ লাঘব এবং একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিনি এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
উদ্যোগটির আওতায় স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে নিয়ে সরকার শাহনুর ইসলাম রনি নিজে উপস্থিত থেকে রাস্তার আশপাশের জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করেন এবং ডাস্টবিনে আবর্জনা ফেলার ব্যবস্থা করেন।
এ বিষয়ে সরকার শাহনুর ইসলাম রনি বলেন, "একটি সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর সমাজ গঠনে পরিচ্ছন্নতার বিকল্প নেই। আমাদের রাস্তাঘাট পরিষ্কার রাখা শুধু সিটি কর্পোরেশন বা প্রশাসনের একার দায়িত্ব নয়, নাগরিক হিসেবে আমাদেরও দায়িত্ব রয়েছে। এলাকার তরুণদের সাথে নিয়ে আমরা এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছি এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কাজ অব্যাহত থাকবে। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন শাহীন ইসলাম,মফিজুল ইসলাম।
তার এই প্রশংসনীয় উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও পথচারীরা। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই ধরনের সামাজিক কার্যক্রম সমাজের অন্য তরুণদেরও নিজ নিজ এলাকা পরিষ্কার রাখতে এবং সচেতনতা বৃদ্ধিতে উদ্বুদ্ধ করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরে দীর্ঘদিন ধরে বাজিতখিলা ইউনিয়ন একটি অবহেলিত ইউনিয়ন একে উন্নত শিখরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য একজন তরুণ জনপ্রতিনিধি প্রয়োজন। ৩০ অক্টোবর শুক্রবার বিকালে গণসংযোগ শেষে এসব কথা বলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাংবাদিক বুলবুল আহমেদ।
তিনি আরো বলেন, বাজিতখিলা ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ড থেকে হাজার হাজার কর্মী, সমর্থক, যুবক ভাই ও মুরুব্বিগণ আজ একটি গণসংযোগে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছেন এবং লিফলেট বিতরণ করেছেন। আজকের এই স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রমাণ করে বাজিতখিলা ইউনিয়নের জনগণ পরিবর্তন চায়, তারা তরুণ প্রতিনিধি নির্বাচন করতে চায়।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বুলবুল আরো বলেন, বাজিতখিলা ইউনিয়নের জনগণ চায় আগামী দিনে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা ইত্যাদি ভাতাগুলো যেন মানুষ বিনামূল্যে পায়।
এছাড়াও রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট, মসজিদ, মাদরাসা, ঈদগাহ মাঠ ও কবরস্থানসহ সকল উন্নয়ন প্রকল্প যেন জনগণের স্বার্থে যোগ্য চেয়ারম্যান প্রার্থীর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
সাংবাদিক বুলবুল আহমেদ তিনি একজন তরুণ জনপ্রতিনিধি হিসেবে মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি চান এই ইউনিয়ন একটি রোল মডেল হিসেবে পরিচিত লাভ করুক। শেরপুর জেলায় ৫২টি ইউনিয়ন রয়েছে, যার মধ্যে ৩নং বাজিতখিলা ইউনিয়ন অন্যতম। এই ইউনিয়নের সুনাম যেন নষ্ট না হয় এবং মাদক নির্মূল করতে তিনি যুবকদের সাথে নিয়ে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন।
জনগণের জোয়ার অব্যাহত থাকলে অন্য প্রার্থীদের সব ভোট একত্র করলেও তার ভোটের সমতুল্য হবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শেরপুর সদর উপজেলার ৩ নং বাজিতখিলা ইউনিয়নে শুরু হয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা। নির্বাচনী আমেজের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে সাধারণ মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন প্রত্যাশা করছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সমাজসেবক মো. বুলবুল আহমেদ।
এ উপলক্ষে নিজের প্রার্থিতার বিষয়টি তুলে ধরতে এবং ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করতে তাঁর নেতৃত্বে একটি মিছিল ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ