আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
১০:০৫ পি.এম
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার মহিষমারা ইউনিয়নের গারোবাজারে সরকারি খাস জমি অবৈধভাবে দখল করার অভিযোগে একটি ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এ সময় খাস জমির উপরে অবৈধভাবে নির্মিত ০৪টি দোকানঘর অপসারণ করা হয়।
উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সময় মহিষমারা ইউনিয়নের ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ও মধুপুর থানার পুলিশ সদস্যবৃন্দ সার্বিক সহযোগিতা করেন।
ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন মধুপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নঈম উদ্দীন।
উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সময় সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জানিয়েছেন, জনস্বার্থে উপজেলা প্রশাসনের এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী দেশের একীভূত হওয়া শরীয়াহ্ভিত্তিক পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার ব্যাপারে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।
সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আলোচনার সমাপনী বক্তব্যে, এই বিষয়ে তিনি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেন।
অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত আমানত রক্ষা করা। একীভূত হওয়া পাঁচ ব্যাংকের ব্যক্তিগত আমানতকারীরা তাদের চলতি ও সঞ্চয়ী হিসাব থেকে আপাতত ২ লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলন করতে পারবেন। একইসঙ্গে, ডিপোজিট পেনশন স্কিম বা ডিপিএস হিসাবের জন্যও ২ লাখ টাকা পর্যন্ত তাৎক্ষণিক উত্তোলনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। অবশিষ্ট টাকা ধাপে ধাপে ফেরত দেওয়া হবে।
এছাড়া, বিশেষ কিছু পরিস্থিতিতে আমানতকারীদের জন্য বড় ছাড়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, এ বিষয়ে মন্ত্রী জানান। তিনি বলেন, কিডনি ডায়ালাইসিস, ক্যান্সার ও অন্যান্য জটিল ও ব্যয়বহুল রোগে আক্রান্ত আমানতকারীরা এবং যাঁরা হজের উদ্দেশ্যে অর্থ সঞ্চয় করেছিলেন, তাঁদের জন্য বিশেষ মানবিক ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আরও জানান, বহুল আলোচিত ‘ব্যাংক রেজুলিউশন আইন, ২০২৬’ এর একটি বিতর্কিত ধারা বাতিল করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ব্যাংক রেজুলিউশন আইন, ২০২৬-এর ১৮(ক) ধারাটি নিয়ে বিভিন্ন অংশীজনের মধ্যে একাধিক মতামত ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। এই সার্বিক পরিস্থিতি মাথায় রেখে সরকার আলোচনার ভিত্তিতে এই বিতর্কিত ধারাটিকে পুরোপুরি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পাওনা সুদের টাকা নিয়ে আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে দুই গ্রামের লোকজন। এই ঘটনায় সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়াসহ অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (২৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের কালিকচ্ছ বাজারে স্থানীয় সূর্যকান্দি ও ধরন্তি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সূর্যকান্দি গ্রামের বাসিন্দা মোশারফ মিয়া, পার্শ্ববর্তী ধরন্তি গ্রামের খাদেম মোল্লার কাছে সুদের এক লাখ টাকা পাবেন বলে দাবি করেছেন। কিন্তু খাদেম মোল্লা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর রোববার (২৮ জুন) রাতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই সংঘর্ষে মো. খাদিম নামে একজন নিহত হন।
এ ঘটনার পর সোমবার দুপুরে নিহত খাদিমের জানাজার নামাজের পর আবারও দুই গ্রামের লোকজন সংঘর্ষে জড়ায়। প্রায় ৩ ঘণ্টা ধরে চলা এই সংঘর্ষে পুলিশসহ উভয় পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে সরাইল থানার ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়ার চোখে ঢিল লাগে, ফলে তিনি আহত হন।
ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, অতিরিক্ত পুলিশ উপস্থিত হয়ে রাতে সাড়ে ৮টার দিকে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের ঘটনায় ৩ জনকে আটক করা হয়েছে, কিন্তু গতকালের সংঘর্ষে একজন নিহতের সূত্রে এখনো থানায় কেউ মামলার এজহার নিয়ে আসেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এক পেশায় দিনমজুর মহিউদ্দিন, যিনি রাজনীতির জটিল সমীকরণ তেমন বোঝেন না।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির শরিক দল গণঅধিকার, এনসিপির বিপক্ষে ট্রাক মার্কায় এজেন্ট হওয়ার অপরাধে হামলার শিকার হন। হাসনাত আব্দুল্লাহর অনুসারীরা হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করে তার ওপর। অভিযোগ রয়েছে যে মারধর করে টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। কালের কণ্ঠের অনুসন্ধানী টিমের প্রতিবেদনে এসব চিত্র উঠে এসেছে।
মহিউদ্দিন হামলার শিকার হয়ে জানান, জাতীয় নির্বাচনের দিন তিনি তার আত্মীয়ের কাছে ট্রাক মার্কায় ভোট চেয়েছিলেন।
এ সময় এনসিপির নেতারা শাপলা কলিতে ভোট দিতে জোর করতে থাকেন ভোটারদের। পরে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে মহিউদ্দিনের সঙ্গে কথা কাটাকাটি শুরু হয় হাসনাত আব্দুল্লাহর সমর্থিত নেতাকর্মীদের। নির্বাচনের পরের দিন রাতে স্থানীয় বাজারে এনসিপি নেতা আল-আমিনের নেতৃত্বে ২০-৩০ জনের একটি দল মহিউদ্দিনকে হত্যার জন্য তার ওপর হামলা করে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তিনি প্রাণে রক্ষা পান। বিষয়টি ঘটে যেতেই তার কাছে থাকা সন্তানের চিকিৎসার জন্য ১১ হাজার টাকা লুট করে নেয় এনসিপি নেতা আল-আমিন ও তার লোকজন।
মহিউদ্দিনের স্ত্রী হ্যাপি বেগম জানান, হামলাকারীরা বিএনপির রাজনীতি করার অভিযোগে তার স্বামীকে হত্যার চেষ্টা করেছে। তিনি বলেন, ‘১৫ থেকে ২০ জনের ওপরে হবে। তারা ব্যারিকেড দিয়ে ৩ থেকে ৪ জন শুধু মারছে। আমার হাজবেন্ডের মাথায় গাই দিছে।
আমার স্বামী বলছেন ভাই, আমি কিছু করি নাই। তারা কোনো কিছু শুনছে না, শুধু মারছে। তাকে যারা মারছে, তাদের বিচার চাই।’
হ্যাপি বেগম আরও বলেন, ‘বিএনপিকে তারা শেষ কইরা দিবো। তাদের এতটুকুই ক্ষোভ। তারা বিএনপি চায় না। তারা চায় নতুন কিছু।’
হামলার শিকার মহিউদ্দিনের বড় ভাই জানান, মামলা করতে গেলে সেটি না নিয়ে উল্টো থানা থেকে বলা হয় আগুন নিয়ে খেলবেন না। এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, মুখে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কথা বললেও দেবীদ্বারে আওয়ামী পুনর্বাসনে সরাসরি কাজ করেন সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।
তিনি বলেন, ‘এক হাসনাত আব্দুল্লাহ দেবীদ্বারে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন করছেন।’
থানায় গিয়ে মামলা করতে ব্যর্থ হওয়ায় নিরাপত্তার স্বার্থে হামলাকারীদের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করেন ভুক্তভোগী মহিউদ্দিনের বাবা মনু মিঞা। তিনি অভিযোগ করেন, সেখানে হুমকি দেন হাসনাতের পালিত সন্ত্রাসী বাহিনী।
মনু মিঞা বলেন, ‘যেটা হওয়ার হয়ে গেছে, আমরা এখন মিলেমিশে চলতে চাই। কিন্তু তারা একেকজন একেক রকম কথা বলে। তাদের ভাষাই আলাদা। তারা হুমকি দেয় আমরা এনসিপির লোক, দেইখ্যা দিমু। হাসনাত আব্দুল্লাহর লোক এনসিপি করছে। তারা এখনো মানুষের ওপর জোর-জুলুম করছে। আমরা হাসনাতের বিচার চাই।’
এদিকে ঘটনার সত্যতা জানতে অভিযুক্ত ও হাসনাত আব্দুল্লাহর অনুসারী আল-আমিন মোল্লাকে ফোন দিলে তিনি দাবি করেন, এ ঘটনার সঙ্গে তিনি জড়িত নন। তিনি বললেন, ‘কে বা কারা মহিউদ্দিনকে মেরেছে তাদেরও নাকি তিনি চেনেন না।’
তিনি মন্তব্য করেন, ‘মারামারিতে ছোট ছেলেপুলে ছিল। টাকা নিছে কি নিছে না, আমি জানি না।’
এ প্রসঙ্গে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বক্তব্য দেন, ঘটনার বিষয়ে তিনি জানেন না এবং এ বিষয়ে কোনো মামলা করতে আসেনি কেউ। নির্বাচনের দিন নানা কাজে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। তিনি বলেন, কেউ মামলা করতে আসছিল বলে আমার মনে পড়ে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ব বরেণ্য সঙ্গীতাচার্য, সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত ‘সুর সম্রাট দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গনের’ ভূমি সুরক্ষার দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সুর সম্রাট দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন সুরক্ষা কমিটির আয়োজনে সোমবার (২৯ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন, সুর সম্রাট ওস্তাদ দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গনের সংগীত, আবৃত্তি এবং নৃত্য শিক্ষার্থীসহ শহরের বিশিষ্টজনেরা এতে অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধন চলাকালে সুর সম্রাট দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন সুরক্ষা কমিটির আহবায়ক ও সাবেক পিপি অ্যাড. মো. সফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান শাহীনের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।
এ সময় বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মোবারক হোসেন আকন্দ, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জহিরুল হক খোকন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাড. গোলাম সারোয়ার ভূঁইয়া খোকন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন, জেলা সাহিত্য একাডেমির সভাপতি কবি জয়দুল হোসেন এবং সুর সম্রাট দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গনের সাধারণ সম্পাদক মনজুরুল আলম প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বক্তারা বলেন, উপমহাদেশের রাগ ও শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের মহাপুরুষ সুসম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ ১৯৫৫ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে ৪৯ শতাংশ জায়গা ক্রয় করেন। সেখানে তিনি সঙ্গীত চর্চার জন্য দি আলাউদ্দিন সংগীতাঙ্গন প্রতিষ্ঠা করেন। সুদীর্ঘ বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটি সরকারি বিভিন্ন সহায়তায় পরিচালিত হচ্ছে। তবে সম্প্রতি একটি মহল মিথ্যা তথ্য দিয়ে মামলা ও জাল দলিল করে আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গনের ভূমি দখলের অপচেষ্টা করছে যা অত্যন্ত নিন্দনীয়।
বক্তারা এমন অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং বলেন, কোনোভাবেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইতিহাস ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িত সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গনের ভূমি কাউকে দখলের সুযোগ দেয়া হবে না। যে কোনো মূল্যে ভূমি খেকোদের রুখে দেয়া হবে। বক্তারা ভূমি রক্ষায় দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
মানববন্ধন থেকে সঙ্গীতাঙ্গনের জমি রক্ষায় আইনি লড়াই অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেয়া হয়। ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর এই সম্পত্তিকে প্রত্নতত্ত্ব সম্পদ ঘোষণা করে এটিকে রক্ষার দাবি জানান বক্তারা।
মানববন্ধনে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি পাঠাগারের সদস্য ও জেলা অনুশীলন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিলাল বনিক, জেলা উদীচীর উপদেষ্টা সৈয়দ মো. জামাল ও সভাপতি জহিরুল ইসলাম, সুর সম্রাট দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন সুরক্ষা কমিটির সদস্য অ্যাড. আবদুন নূর, অ্যাড. মো. নাসির, ব্রাহ্মণবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোস্তফা কামাল, নিয়াজ মুহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাহিদুল ইসলাম, ভাদুঘর মাহবুবুল হুদা পৌর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এইচ এম শামীম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজ সহকারী অধ্যাপক রাশেদউল্লাহ ভূঁইয়াসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ব্যক্তিবর্গ, সংস্কৃতি কর্মী, সাংবাদিকসহ প্রগতিশীল পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ