মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:৪৬ পি.এম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেছেন, চব্বিশের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে অর্জিত নতুন বাংলাদেশে বৈষম্যহীন ও সমঅধিকারভিত্তিক সমাজ গঠনে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) চট্টগ্রাম মহানগরীর ঐতিহ্যবাহী জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন উপলক্ষে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, চট্টগ্রাম মহানগর আয়োজিত সমাবেশে শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে বসবাসকারী সকল ধর্মের মানুষের একমাত্র ও প্রধান পরিচয় হলো তারা এ দেশের গর্বিত নাগরিক। ধর্মীয় বা জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে ‘সংখ্যালঘু’ হিসেবে অভিহিত করার সুযোগ নেই।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, যিনি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে একটি বিশেষ মহল সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ অন্যান্য ধর্মের মানুষকে কেবল ‘ভোট ব্যাংক’ হিসেবে ব্যবহার করেছে। তবে গত নির্বাচনে দেশের জনগণ সেই ধারণার অবসান ঘটিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক সচেতনতার পরিচয় দিয়েছে।
তিনি বলেন, অতীতে যারা ক্ষমতার মোহে দেশের বিভিন্ন স্থানে উপাসনালয় ও সম্পত্তি দখল এবং সহিংসতার রাজনীতি করেছে, জনগণ তাদের সেই অপচেষ্টা সফল হতে দেয়নি। বিগত দিনে বেদখল হওয়া অর্পিত সম্পত্তি উদ্ধার এবং মন্দির-সংক্রান্ত অমীমাংসিত সমস্যার সমাধানে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, বর্তমান সরকার শুধু প্রতিশ্রুতিতে নয়, বরং কাজের মাধ্যমে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সর্বাত্মক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্বাসী। প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা ও পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশের প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার, উপাসনালয়ের নিরাপত্তা এবং সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীবিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) বিজন কান্তি সরকার।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, সংসদ সদস্য নিপুণ রায়সহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যরা।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি অধ্যাপক অর্পণ কান্তি ব্যানার্জী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন, ‘যেই বাংলাদেশের জন্য ধর্ম-বর্ণ, দল-মত নির্বিশেষে বিভিন্ন সময়ে অকাতরে আমরা বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছি, আসুন সেই বাংলাদেশ গড়ে তুলি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনাদের সবার সহযোগিতা আমার চাই। আপনাদের সহযোগিতা ছাড়া কাঙ্ক্ষিত দেশ গড়তে পারব না।’
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রামের রহমতগঞ্জের জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান যাই হই না কেন, এই দেশ আমাদের সবার। যেহেতু আমরা এই দেশে জন্মেছি, আমাদের একমাত্র পরিচয় আমরা বাংলাদেশের নাগরিক। আমি যেহেতু মুসলিম, এই দেশে আমি সংখ্যাগুরু, কিন্তু রাজনৈতিক কারণে দীর্ঘ ১৭ বছর আমাকে লন্ডনে থাকতে হয়েছে। সেখানে কিন্তু আমি সংখ্যালঘু ছিলাম। কারণ, সেখানে অন্য ধর্মের মানুষ বেশি। সুতরাং সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু কোনো বিষয় নয়। বিষয় একটাই, আমরা সবাই বাংলাদেশি।’
তিনি বলেন, ‘এই দেশের আইন আমার জন্য যেমন প্রযোজ্য, আপনার জন্যও তেমন প্রযোজ্য। এই দেশে আমার যতটা অধিকার আছে, আপনাদেরও তেমনটাই আছে।’
এর আগে, রাত সোয়া ৮টার দিকে প্রধানমন্ত্রী জেএম সেন হল পূজামণ্ডপে উপস্থিত হয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি অর্পণ কান্তি ব্যানার্জি, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিখিল দাস, হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি রাজীব ধর তমাল ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাজিমুর রহমানসহ অন্যান্য নেতা। পরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেন সরকারপ্রধান।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন প্রমুখ।
এর আগে, সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে তিনি সরাসরি পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, সরকার দেশের ৪০ লাখ কৃষককে কৃষক কার্ড প্রদানের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা ১০ ধরনের সুবিধা লাভ করবেন। কৃষিকে লাভজনক করার, উৎপাদন ব্যয় কমানোর এবং কৃষকের জীবনমান উন্নয়নের উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের জন্য সরকারের এসব পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
জনসভায় কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে"—এই বিশ্বাস থেকেই কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কৃষকদের সহায়তা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে খাল খনন ও নদী সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, সেচ সুবিধা বাড়াতে এবং কৃষির পানির সংকট দূর করতে আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। তিনি দাবি করেন, গত আট মাসে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার খাল খননের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে কৃষকের সেচের পানির সংকট কমবে। বিশেষ করে রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলের যেসব এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গেছে, সেখানে পানির সংকট মোকাবিলার পাশাপাশি ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণেও এটি সহায়তা করবে।
তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়েই প্রথম এই খাল খনন কর্মসূচি শুরু হয়েছিল এবং বরেন্দ্র অঞ্চলের উন্নয়নে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় কৃষকের সেচ সুবিধা বাড়ানো ও গ্রামীণ জনপদের পানির কষ্ট কমাতে সরকার আবারও নদী ও খাল খননের কাজ শুরু করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী পাঁচ বছরে দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শয্যাসংখ্যা ৫০ থেকে ১০০-তে উন্নীত করা হবে। এতে সাধারণ চিকিৎসার জন্য গ্রামের মানুষকে আর দূরের জেলা শহর কিংবা মহানগরীতে যেতে হবে না।
তিনি জানান, উপজেলা হাসপাতালগুলোতে শিশু ও নারীদের জন্য আলাদা শয্যার ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি কিডনি রোগীদের ডায়ালিসিস সুবিধা সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে। এর মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ে প্রাথমিক ও সাধারণ চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য হবে, তবে গুরুতর রোগীদের প্রয়োজনে বড় হাসপাতালে যেতে হতে পারে।
রাজশাহীর চিকিৎসাব্যবস্থার উন্নয়নের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, স্থানীয় নেতারা এখানকার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা ১ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৫০০-তে উন্নীত করার দাবি জানিয়েছেন এবং এ বিষয়ে তিনি ইতিবাচক সাড়া দেন।
সমাবেশ শেষে সন্ধ্যায় রাজশাহী ধর্মসভায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সাথে দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর তিনি সড়কপথে হযরত শাহ মখদুম (রহ.) বিমানবন্দরে গিয়ে সামরিক বিমানযোগে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে পূর্ব শত্রুতা ও যৌতুক মামলার জের ধরে মোঃ তোফিজুল ইসলাম (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে পথরোধ করে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্ত্রী মোসাঃ নাসরিন বেগম (৩৮) বাদী হয়ে গোমস্তাপুর থানায় ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জনকে অভিযুক্ত করে একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।
এজাহারের বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের গত ১০ জানুয়ারি উপজেলার রহনপুর ইউনিয়নের ষাঁড়বুরুজ এলাকার মোঃ তোফিজুল ইসলামের মেয়ে মোসাঃ তাসলিমা আফরোজ তিসার সাথে একই এলাকার মোঃ আতাউর রহমানের ছেলে মোঃ সেলিমের (২২) বিবাহ হয়। বিবাহের পর থেকেই যৌতুকের জন্য নির্যাতন করায় তিসা বাদী হয়ে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল আমলী আদালতে একটি মামলা (মামলা নং- ৪১২ সি/২০২৬) দায়ের করেন। উক্ত মামলাটি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং বিবাদীরা জামিনে মুক্ত আছেন।
মামলার জের ধরে গত ২০ অক্টোবর সন্ধ্যা আনুমানিক ৬:০০ ঘটিকার সময় তোফিজুল ইসলাম পার্বতীপুর ইউনিয়নের এনায়েতপুরস্থ আমবাগান থেকে চার্জার ভ্যানযোগে নিজ বাড়ি ষাঁড়বুরুজে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে ষাঁড়বুরুজ গ্রামস্থ সোহবুলের বাড়ির সামনের পাকা রাস্তায় পৌঁছালে পূর্বে থেকে ওত পেতে থাকা বিবাদীরা তার গতিপথ রোধ করে।
অভিযোগ করা হয়, ২নং বিবাদী আতাউর রহমানের হুকুমে বিবাদীরা তোফিজুলকে গালিগালাজ শুরু করে এবং কিল, ঘুসি, লাথি, বাঁশের লাঠি, লোহার রড ও শাবল দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে। একপর্যায়ে হত্যার উদ্দেশ্যে ১নং বিবাদী সেলিম তার কাছে থাকা ধারালো হাঁসুয়া দিয়ে তোফিজুলের মাথার মাঝখানে সজোরে কোপ মেরে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। এছাড়া আতাউর রহমান লোহার রড দিয়ে মাথার পেছনে, ৪নং বিবাদী ফিটলু লোহার শাবল দিয়ে বাম চোখের ভ্রু ও কপালে সজোরে আঘাত করেন। ৫নং বিবাদী সোহেল কোপ মারলে তা ঠেকাতে গিয়ে তোফিজুলের বাম হাতের অনামিকা আঙুল গুরুতর কেটে যায়। ৩নং বিবাদী টুটুল তাকে মাটিতে ফেলে বুকের ওপর চেপে বসে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালায়।
তোফিজুলের ডাক-চিৎকারে আশেপাশের লোকজন ও পথচারীরা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে কেটে পড়ে। পরবর্তীতে স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর স্ত্রী ও মামলার বাদী নাসরিন বেগম জানান, "আমার মেয়ের নামে যৌতুকের মামলা করার জেরে তারা আমার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে এই নৃশংস হামলা চালিয়েছে। হাসপাতালে স্বামীর চিকিৎসা ও সেবাশুশ্রূষায় ব্যস্ত থাকার কারণে এজাহার দিতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।"
গোমস্তাপুর থানা সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গৃহীত হয়েছে এবং ঘটনার সাথে জড়িত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের ৬৬টি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ আবু তাহের তালুকদার। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং পূজা উদযাপনে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
আবু তাহের তালুকদারের নেতৃত্বে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় পূজা উদযাপন পরিষদের প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা ও আয়োজকদের সঙ্গে পূজার প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
পরিদর্শনকালে আবু তাহের তালুকদার বলেন, “ধর্ম যার যার, বাংলাদেশ সবার। এ অঞ্চলের মানুষ যুগ যুগ ধরে হিন্দু-মুসলিম মিলেমিশে বসবাস করে আসছে। এই সম্প্রীতিই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। সবাই যেন নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে পূজা উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য আমাদের নেতাকর্মীরা সতর্ক থাকবেন।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ বাবুল আলম তালুকদার, যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান ফকির, সাইদ আল মামুন শহিদ ফকির, সেলিম উদ্দিন, আনোয়ারুল ইসলাম আনার, আব্দুল গফুর তালুকদার ও আশ্রাফ উদ্দিন। আরও উপস্থিত ছিলেন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এমএ মুনসুর আজাদ, খোকন আকন্দ, সাইদুল ইসলাম কাবুল ও শফিকুল ইসলাম শফিক এবং ছাত্রদলের সদস্য সচিব সাজু আহমেদসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
বিএনপি নেতাদের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন পূজামণ্ডপ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ও স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। তাঁদের মতে, উৎসবের সময় পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতির এমন উদ্যোগ সামাজিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ