রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৪৩ পি.এম
নেত্রকোণা কলমাকান্দায় ফ্যামিলি কার্ড ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জরিপের তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা স্বজনপ্রীতি বরদাশত করা হবে না বলে কঠোরভাবে সতর্ক করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার এবং নেত্রকোণা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের সংসদ সদস্য। তিনি ফ্যামিলি কার্ড তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়ায় দলীয় পরিচয়কে অগ্রাধিকার না দিয়ে সমাজের সবচেয়ে প্রান্তিক ও দরিদ্র পরিবারগুলোকে গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি কাজে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে, এমনকি নিজ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী হলেও তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কলমাকান্দা উপজেলা পরিষদ হল রুমে ফ্যামিলি কার্ড এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জরিপ-২০২৬ এর তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের উদ্দেশ্যে দেওয়া নির্দেশনামূলক সভায় তিনি কেবল প্রশাসনিক নির্দেশনা প্রদান করেননি, বরং বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনের রূপরেখাও তুলে ধরেন। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন কলমাকান্দার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এন. এম. আবদুল্লাহ আল মামুন।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য হলো বাংলাদেশকে একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্রে (সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার স্টেট) রূপান্তরিত করা, যার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো এই ফ্যামিলি কার্ড। তবে তিনি অতীতে এই কার্যক্রমে ঘটে যাওয়া নানা অনিয়মের কথা উল্লেখ করে বলেন, পূর্বে টাকার বিনিময়ে বা স্বজনপ্রীতি করে সচ্ছলদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, ফলে প্রকৃত গরিবরা বঞ্চিত হয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করেন, এবার সেই সুযোগ নেই।
তথ্য সংগ্রহকারীদের উদ্দেশ্যে তিনি নির্দেশনা প্রদান করেন, জরিপ শুরু করতে হবে ছাপরা ঘর, গৃহহীন এবং সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত প্রান্তিক মানুষের দুয়ার থেকে। কোনোভাবেই সচ্ছল বা পাকা বাড়ির বাসিন্দাদের আগে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, তথ্য সংগ্রহকারীদের সরকার নির্ধারিত সম্মানী ভাতা প্রদান করছে। যদি কেউ ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার নামে টাকা দাবি করে, তবে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হবে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, “আমি নিজে একজন আইনজীবী; কেউ অনিয়ম করলে দলের নাম ভাঙিয়ে পার পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। স্বজনপ্রীতি বা চাঁদাবাজিতে জড়িত থাকলে আমি নিজে বাদী হয়ে মামলা করব।” এ প্রসঙ্গে তিনি চাঁদাবাজির অভিযোগে শ্যামগঞ্জে ছাত্রদলের এক নেতার বহিষ্কার ও মামলার উদাহরণ তুলে ধরেন এবং জানান, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের নীতি হলো ‘জিরো টলারেন্স’।
অনুষ্ঠানে সীমান্ত এলাকার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর (গারো, হাজং) জীবনমান ও সততার প্রশংসা করেন ডেপুটি স্পিকার। তিনি জানান, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত নৃগোষ্ঠীর মানুষের পানীয় জল, শিক্ষা ও বাসস্থানের সংকট দূরীকরণে সরকার বিশেষ প্যাকেজ গ্রহণ করেছে। তথ্য সংগ্রহে নিয়োজিত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর তরুণ-তরুণীদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি তাদের জন্য শিক্ষাবৃত্তিসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির আশ্বাস দেন।
এর আগে বিদ্যুৎ সংকটের বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি লোডশেডিংয়ের কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটায় আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেন এবং দিনের আলো ব্যবহার করে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত এই সমস্যার কার্যকর সমাধান করবে।
বক্তব্যের সমাপ্তিতে তিনি দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে এলাকার মানুষের সেবা করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বলেন, “কলমাকান্দা ও দুর্গাপুর হলো একটি ফুলের বাগান, আর আমি নিজেকে এই বাগানের একজন ‘মালী’ মনে করি। আগামী পাঁচ বছর এই বাগানের পরিচর্যা করতেই আমি সততার সঙ্গে কাজ করে যাব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাবেয়া খাতুনের (৩৭) শেষ বিদায় সম্পন্ন হলো দুই মেয়ের চোখের জল এবং স্বজনদের কান্নায়। শনিবার ট্রেনে উঠতে গিয়ে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় দুই পা হারানোর পর রাবেয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হয় রোববার সকালে খিলক্ষেত টানপাড়ায়, রাজধানীতে।
নিকুঞ্জ-টানপাড়া এবং আশপাশের এলাকা থেকে শোকার্ত মানুষের ঢল নামে জানাজায়। ঈদগাহ ময়দানের পরিবেশ স্বজনদের আহাজারি এবং কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে। রাবেয়া খিলক্ষেত এলাকার ইকবাল হোসেনের কন্যা ছিলেন। তাঁর স্বামী মনিরুল ইসলাম খিলক্ষেত টানপাড়া পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দা। তাঁদের দুটি মেয়ে রয়েছে। মায়ের নিথর দেহ সামনে দেখে দুই মেয়ের কান্না উপস্থিত অনেকের আবেগকে স্পর্শ করে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। রাবেয়া রাজশাহী থেকে খুলনাগামী কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রী ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী এবং স্টেশন সূত্র জানায়, ট্রেনটি নির্ধারিত বিরতি শেষে ছেড়ে যাওয়ার মুহূর্তে তাড়াহুড়ো করে ট্রেনে ওঠার চেষ্টা করছিলেন রাবেয়া। এ সময় অসাবধানতাবশত তাঁর পা পিছলে প্ল্যাটফর্ম থেকে রেললাইনে পড়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যে ট্রেনের চাকায় তাঁর দুই পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পান তিনি।
দুর্ঘটনার পর দ্রুত ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাবেয়াকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে তাঁর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কাছে হার মানেন।
এক দিনের ব্যবধানেই যে নারী স্বাভাবিক ছন্দে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন, তাঁকেই নিথর হয়ে ফিরতে হলো আপনজনের কাছে। তিনি রেখে গেলেন দুটি ছোট মেয়েকে, স্বামীকে এবং অসংখ্য স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীকে। জানাজায় উপস্থিত ছিলেন নিকুঞ্জ টানপাড়া কল্যাণ সোসাইটির সভাপতি জাহিদ ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ তৌহিদুজ্জামান সরকার সৈকতসহ মরহুমার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
জানাজা শেষে রাবেয়া খাতুনকে যখন পারিবারিক কবরস্থানের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন দুই মেয়ের কান্না এবং স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। একটি ট্রেনযাত্রা শেষ হওয়ার কথা ছিল গন্তব্যে পৌঁছে। অথচ সেই যাত্রাই রাবেয়ার জীবনের শেষ যাত্রা হয়ে গেল। পেছনে রইল দুটি মেয়ে, স্বজনদের অশ্রু এবং একটি পরিবারের অপূরণীয় শূন্যতা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তার করা হয়েছে রেজাউল করিম (৫০) নামের একজন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা। রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দেওয়ানগঞ্জ পৌর বাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া রেজাউল করিম দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা মামলার আসামি হিসেবে রেজাউল করিমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে দেওয়ানগঞ্জ থানায়।
দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘গ্রেপ্তার রেজাউল করিমকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, পতিত স্বৈরাচারের দোসররা দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে জনগণকে নিয়ে মাঠে থাকতে হবে। ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ উন্মোচন করে রাজনৈতিকভাবে উৎখাত করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মানিকগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা বিএনপি আয়োজিত মতবিনিময়সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিজেকে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে পরিচয় দিয়ে বলেন, ৭১-এর রাজাকার এবং পতিত স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে কঠিন সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। দেশের উন্নয়নের জন্য এদের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করার প্রয়োজন রয়েছে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পর্কে সাখাওয়াত হোসেন জানান, দল যাকে যোগ্য মনে করবে তাকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে এবং সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সেই প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে হবে। এ বিষয়ে দলের মধ্যে কোনো দলাদলি করা যাবে না। যে ষড়যন্ত্র করবে, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সভায় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কিমিটির সিনিয়র সদস্য অ্যাডভোকেট আজাদ হোসেন খান সভাপতিত্ব করেন। এতে বক্তব্য দেন মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ্ কবির, মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মাঈনুল ইসলাম খান প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের ইলিশ সম্পদ রক্ষার জন্য, সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে প্রস্তাব দিয়েছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর। তিনি জানিয়েছেন, অন্তত ৫ অক্টোবরের মধ্যে প্রজনন এলাকার সকল মাছ ধরা জেলেদের নৌকা এবং জাল জমা নেওয়ার ব্যবস্থা করা উচিত।
তিনি উল্লেখ করেছেন, স্ব স্ব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে থাকা মৎস্য কর্মকর্তার দপ্তরে নিবন্ধিত এবং অনিবন্ধিত সকল জেলেদের নৌকা ও জাল জমা নেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে।
গতকাল শনিবার বিকেলে, রাজধানীর মিরপুর প্রেস ক্লাবের আয়োজনে ইলিশ সম্পদ রক্ষায় করণীয় বিষয়ক আলোচনা ও ইলিশ উৎসবে তিনি এসব প্রস্তাব দেন।
তিনি বলেন, "৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ প্রজনন এলাকার নদীতে কোন ধরনের মাছ ধরার নৌকা জাল চলাচল করতে পারবে না"। মৎস্য অধিদপ্তর থেকে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করার প্রয়োজনীয়তা তিনি তুলে ধরেন। তিনি আরও বলেন, "এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলে দেড় দুই হাজার টাকা কেজিতে আর ইলিশ কিনতে হবে না; দেড় শ টাকায় ইলিশ পাবে জনগণ।"
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের সাবেক তথ্যসচিব সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ। তিনি বলেন, "ইলিশ সম্পদ রক্ষা করা না হলে আমরা ইলিশ পাব কোথায়? ইলিশ রক্ষায় সকলকে এগিয়ে আসা উচিত। ইলিশ শুধু প্রশাসনকে নয় সমাজের সকলকে পাহাড়া দিতে হবে।"
সভায় অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মিরপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া সোহাগ, সহসভাপতি মীর আক্তারুজ্জামান তারেক, সহসভাপতি মাহবুবুল কবির হিরু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান সুমন প্রমুখ।
এ সভায় প্রধান বক্তা আহমেদ আবু জাফর ২৭ সদস্য বিশিষ্ট মিরপুর প্রেস ক্লাবের নতুন কমিটি ঘোষণা করেন। কমিটিতে পুনরায় জিএম কাদের সভাপতি এবং জাকারিয়া সোহাগ সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ২০২৬-২০২৯ সেশনের কার্যনিবর্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ