ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ভার্জিনিয়া ও নিউ মেক্সিকোতে মসজিদ ও কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠার অগ্রগতি


ভার্জিনিয়া ও নিউ মেক্সিকোতে মসজিদ ও কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠার অগ্রগতি

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া ও নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যে মুসলিমদের উপাসনালয় ও কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠার দুটি উদ্যোগে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ঘটেছে। ভার্জিনিয়ার নর্টন শহরে একটি ইসলামিক সংগঠন সাবেক ব্যাংক ভবন ক্রয়ের মাধ্যমে সেখানে কমিউনিটি সেন্টার ও নামাজের স্থান প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। অন্যদিকে, নিউ মেক্সিকোর আলবুকার্ক শহরে নতুন মসজিদ নির্মাণের অনুমোদনের বিরুদ্ধে করা আপিল খারিজ করে দিয়েছেন বার্নালিলো কাউন্টির কমিশনাররা।

ভার্জিনিয়ার নর্টনে অবস্থিত সাবেক ব্যাংক অব আমেরিকার ভবনটি ৩ লাখ ডলারে কিনেছে মেরিল্যান্ডভিত্তিক একটি ইসলামিক অলাভজনক সংগঠন। গত ২৭ অক্টোবর মঙ্গলবার ভবনটির ক্রয়প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কার্ডিনাল নিউজ জানিয়েছে, ভবনটির নির্ধারিত মূল্য ছিল ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৫০০ ডলার। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা আইমান নাসার জানিয়েছেন, এ উদ্যোগে এখন পর্যন্ত ১৯০ জনের বেশি দাতা সহায়তা করেছেন। তবে কেন্দ্রটির চালুর নির্দিষ্ট তারিখ এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

এটি পরিকল্পনা অনুযায়ী, কেন্দ্রটিতে শুধুমাত্র মুসলিমদের নামাজের ব্যবস্থা থাকবে না, বরং সব ধর্মের মানুষের জন্য বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। তরুণদের উন্নয়ন, কর্মসংস্থানমুখী প্রশিক্ষণ এবং খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতো কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ভবনটির প্রথম তলায় এসব কার্যক্রম শুরু হতে পারে। নাসারের হিসাব অনুযায়ী, নর্টন ও ওয়াইজ কাউন্টিতে প্রায় ৫০ থেকে ১০০ জন মুসলিম বসবাস করেন। বর্তমানে তাদের নিকটতম মসজিদে যেতে টেনেসির জনসন সিটিতে প্রায় দেড় ঘণ্টা গাড়ি চালাতে হয়।

আরও পড়ুন: দুর্যোগের পর ৮০% শিশু অসুস্থ, ৪৯% স্কুল বন্ধ: সেভ দ্য চিলড্রেন

নর্টনে এই উদ্যোগ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। গত ২০ অক্টোবর শহরের কাউন্সিল সভায় এক ডজনের বেশি বাসিন্দা পরিকল্পনাটির বিরোধিতা করেন। তাদের কয়েকজন ইসলাম ধর্ম নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করেন। সভার আগে মেয়র জো ফাউবুশ জানান, ভবনটি শহরের কেন্দ্রীয় বাণিজ্যিক এলাকার আওতায়, যেখানে গির্জা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অফিস পরিচালনার অনুমতি রয়েছে। ফলে প্রস্তাবিত কার্যক্রমের জন্য নগর কর্তৃপক্ষের কোনো বিশেষ অনুমোদনের প্রয়োজন হয়নি।

শহরের ব্যবস্থাপক জেফ শুপে কার্ডিনাল নিউজকে বলেন, ভবনটি ব্যক্তিমালিকানাধীন হওয়ায় এর বিক্রয়প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করার এখতিয়ার নগর কর্তৃপক্ষের নেই। তবে ভবনের অভ্যন্তরীণ কাঠামো পরিবর্তন করে নতুন ব্যবহার শুরু করতে হলে সংশ্লিষ্ট অনুমতিপত্র নিতে হবে। অন্যদিকে, স্থানীয় বাসিন্দা মাইকেল স্টাবলফিল্ড ধর্মীয় স্বাধীনতার সাংবিধানিক অধিকারের কথা উল্লেখ করে উদ্যোগটির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। গত ২৭ অক্টোবর আয়োজিত এক উন্মুক্ত অনুষ্ঠানে ১৬ জন অংশ নেন। তাদের অনেকেই তরুণদের উন্নয়ন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনাকে স্বাগত জানান।

আলবুকার্কের মসজিদ নির্মাণের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এসেছে। শহরের নর্থ ভ্যালি এলাকায় সেকেন্ড স্ট্রিট এনডব্লিউ ও আলামেডা বুলেভার্ডের কাছে নতুন মসজিদ নির্মাণের অনুমোদন বহাল রেখেছেন বার্নালিলো কাউন্টির কমিশনাররা। গত ১৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত শুনানিতে ৪-১ ভোটে প্রকল্পটির বিরুদ্ধে করা আপিল খারিজ হয়। নিউ মেক্সিকো সেন্টিনেল ও দ্য পেপার-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় একটি প্রতিবেশী সংগঠনের সভাপতি প্যাট হাউজার এই আপিল করেছিলেন। তার পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রকল্পটির কারণে আশপাশের সড়কে যানজট বাড়তে পারে এবং এলাকাটির বিদ্যমান অবকাঠামো অতিরিক্ত চাপ সামলাতে পারবে কিনা, তা যথেষ্টভাবে যাচাই করা হয়নি।

বর্তমানে আলবুকার্ক ইসলামিক সেন্টারের মসজিদে জায়গার সংকট রয়েছে। প্রকল্পের প্রকৌশলী জোসেফ তাহাত কমিশনারদের জানান, শুক্রবারের জুমার নামাজে প্রায় ১২০টি গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য আসে, অথচ বর্তমান ভবনে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে মাত্র ৬৪টি গাড়ির। নতুন স্থাপনায় ২৩৫টি গাড়ি রাখার ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে প্রকল্পটির বিরুদ্ধে আপিলকারী পক্ষের প্রতিনিধি আন্দ্রেয়া আর্চুলেটা স্পষ্ট করে বলেন, তাদের আপত্তি কোনো ধর্মীয় বিশ্বাসের বিরুদ্ধে নয়, বরং যানবাহন চলাচল ও অবকাঠামোগত সক্ষমতা নিয়ে।

আরও পড়ুন: মহাকাশ থেকে মার্কিন নির্বাচনে ভোট দিলেন নাসার তিন নভোচারী

আপিল খারিজ হলেও মসজিদ নির্মাণের জন্য বেশ কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। অনুমোদনের সঙ্গে মোট ১৫টি শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ভবনের উচ্চতা সর্বোচ্চ ২৬ ফুট রাখার পাশাপাশি সেখানে স্কুল প্রতিষ্ঠা এবং ভবনের বাইরে মাইকে শব্দ প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নির্মাণকাজের অনুমতিপত্র পাওয়ার আগে বার্নালিলো কাউন্টি, আলবুকার্ক নগর কর্তৃপক্ষ এবং নিউ মেক্সিকো পরিবহন বিভাগের অনুমোদনসহ যানবাহন চলাচলের ওপর প্রভাবসংক্রান্ত সমীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে। প্রকল্পের কারণে সড়কের উন্নয়ন প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যয়ও মসজিদ কর্তৃপক্ষকে বহন করতে হতে পারে।

আপিল খারিজ হলেও মসজিদ নির্মাণের জন্য বেশ কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। অনুমোদনের সঙ্গে মোট ১৫টি শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ভবনের উচ্চতা সর্বোচ্চ ২৬ ফুট রাখার পাশাপাশি সেখানে স্কুল প্রতিষ্ঠা এবং ভবনের বাইরে মাইকে শব্দ প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নির্মাণকাজের অনুমতিপত্র পাওয়ার আগে বার্নালিলো কাউন্টি, আলবুকার্ক নগর কর্তৃপক্ষ এবং নিউ মেক্সিকো পরিবহন বিভাগের অনুমোদনসহ যানবাহন চলাচলের ওপর প্রভাবসংক্রান্ত সমীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে। প্রকল্পের কারণে সড়কের উন্নয়ন প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যয়ও মসজিদ কর্তৃপক্ষকে বহন করতে হতে পারে।

সংবাদসূত্র: কার্ডিনাল নিউজ, নিউ মেক্সিকো সেন্টিনেল ও দ্য পেপার।

আরও পড়ুন: আবার নতুন সকাল এসেছে-ডেমোক্র্যাটদের জয়ী বলে মন্তব্য মামদানি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের শতভাগ জিপিএ-৫ অর্জনের রেকর্ড বজায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫০ পি.এম


রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের শতভাগ জিপিএ-৫ অর্জনের রেকর্ড বজায়

রাজশাহীর চারঘাটের ঐতিহ্যবাহি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ এবারও শতভাগ জিপিএ-৫ অর্জনের ধারাবাহিক সাফল্য ধরে রেখেছে। এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সারাদেশের মতো রাজশাহী বোর্ডেও পাসের হার এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের হার দুটিই কমেছে। তবে রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ বরাবরের মতো ঈর্ষণীয় সাফল্য ধরে রেখেছে।

এবারও কলেজটি থেকে ৪৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এবং সকলেই জিপিএ-৫ পেয়ে রেকর্ড ধরে রাখার গৌরব দেখিয়েছে। শনিবার দুপুরে রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এ কে এম আজিজুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, কলেজের ৪৬ জন পরীক্ষার্থীর সবাই গোল্ডেন জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের রয়েছে একটি গৌরবোজ্জ্বল অতীত ভালো ফলাফল অর্জনের ক্ষেত্রে। এখানে লেখাপড়ার পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক উৎকর্ষ সাধনের জন্য মৌলিক সামরিক প্রশিক্ষণ এবং খেলাধুলার অনুশীলন করা হয়ে থাকে।

এছাড়া, সৃজনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সহ-পাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের ব্যাপক সুযোগও রয়েছে। সামগ্রিকভাবে ক্যাডেট কলেজসমূহ ক্যাডেটদের জ্ঞান-গরিমায় সমৃদ্ধ করে নৈতিক চরিত্রে আদর্শবান নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয়ে এগিয়ে চলেছে। ভবিষ্যতে এই কর্মধারা অব্যাহত রাখতে রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ সকলের আন্তরিক দোয়া কামনা করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধুটিলা ইকোপার্কের ঐতিহ্য হারাচ্ছে, কমছে পর্যটক সংখ্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫১ পি.এম


মধুটিলা ইকোপার্কের ঐতিহ্য হারাচ্ছে, কমছে পর্যটক সংখ্যা

একসময় পর্যটকদের পদচারণায় মুখর থাকত শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার গারো পাহাড়ের মনোরম পরিবেশে গড়ে ওঠা মধুটিলা ইকোপার্ক। দর্শনার্থীদের প্রধান আকর্ষণ ছিল পাহাড়ি প্রকৃতি, ওয়াচ টাওয়ার, কৃত্রিম লেক, মিনি চিড়িয়াখানা, শিশুপার্ক ও স্টার ব্রিজ।

কিন্তু সময়ের সাথে সাথে পার্কটির সেই জৌলুস হারিয়ে গেছে। অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সংস্কারের অভাব, নিরাপত্তাহীনতা এবং প্রবেশমূল্যের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি কারণে পর্যটকের সংখ্যা ক্রমাগত কমছে।

২০০০ সালে ময়মনসিংহ বন বিভাগের ব্যবস্থাপনায় প্রতিষ্ঠিত এই ইকোপার্কটি একসময় শেরপুরসহ আশপাশের জেলার মানুষের জন্য বিনোদনের অন্যতম কেন্দ্র ছিল। বিশেষ করে নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত এখানে পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যেত। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে নতুন কোনো আকর্ষণীয় রাইড বা স্থাপনা যুক্ত না হওয়ায় পর্যটকদের আগ্রহ কমে গেছে।

জানা যায়, পার্কের কৃত্রিম লেকের অধিকাংশ প্যাডেল বোট নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। একসময়ের আকর্ষণীয় স্টার ব্রিজের বিভিন্ন অংশ ভেঙে গেছে এবং টাইলস উঠে গেছে। প্রাণীর ভাস্কর্যগুলোও রং হারিয়ে বিবর্ণ হয়ে পড়েছে।

সীমানাপ্রাচীরের বিভিন্ন অংশও ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। ওয়াচ টাওয়ারে যাওয়ার সড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় দর্শনার্থীরা সেখানে যেতে পারছেন না।

এদিকে ২০২৪ সালে জনপ্রতি ২০ টাকা প্রবেশমূল্য থাকলেও তা বাড়িয়ে ১০০ টাকা করা হয়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, প্রবেশমূল্য ৫০ টাকার মধ্যে রাখা হলে পর্যটকদের আগ্রহ বৃদ্ধি পেতে পারে। পাশাপাশি পার্ক ও আশপাশে মাদক সেবন, জুয়া এবং নিরাপত্তার ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

শেরপুর ট্যুরিজমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, ২০১৫ সালে কলেজছাত্র আব্দুর রাজ্জাক হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই নিরাপত্তার শঙ্কায় অনেক পর্যটক পার্কে আসতে চান না। দীর্ঘ সময় ধরে উন্নয়ন না হওয়ায় পার্কটি তার আকর্ষণ হারিয়েছে।

ময়মনসিংহ থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক শাহরিয়ার মুক্তাদির জানান, প্রত্যাশা নিয়ে এসে তিনি হতাশ হয়েছেন। পার্কে জুয়া ও মাদক সেবনের পরিবেশ এবং নিরাপত্তার ঘাটতি তাঁর চোখে পড়েছে। নতুন রাইড ও উন্নত ব্যবস্থাপনা চালু হলে দর্শনার্থী বাড়তে পারে বলে তিনি মনে করেন।

অন্যদিকে, দুই দফা টেন্ডার আহ্বান করেও কাঙ্ক্ষিত সাড়া না পাওয়ায় বন বিভাগের নিজস্ব জনবল দিয়েই পার্ক পরিচালনা করতে হচ্ছে। মধুটিলা রেঞ্জ অফিসার আব্দুল করিম দৈনিক ইনকিলাবকে জানান, সরকারি নির্ধারিত মূল্যে টেন্ডার সম্পন্ন না হওয়ায় সীমিত জনবল দিয়েই ব্যবস্থাপনার কাজ চালাতে হচ্ছে।

এদিকে মধুটিলা ইকোপার্কের উন্নয়নের আশ্বাস দিয়েছেন শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ফাহিম চৌধুরী। তিনি পার্কে নতুন নতুন রাইড স্থাপন ও উন্নয়নমূলক কাজের মাধ্যমে আবারও পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার উদ্যোগ নেবেন বলে জানান।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপার সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও যথাযথ পরিকল্পনা, সংস্কার ও নিরাপত্তার অভাবে মধুটিলা ইকোপার্ক আজ পর্যটকশূন্যতার দিকে এগোচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হলে আবারও পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠবে গারো পাহাড়ের এই ঐতিহ্যবাহী বিনোদনকেন্দ্রটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বগুড়ায় ৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেননি কোনো শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫১ পি.এম


বগুড়ায় ৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেননি কোনো শিক্ষার্থী

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল শনিবার বেলা ১১টার সময় প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, বগুড়ার পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে সক্ষম হননি।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের সূত্র অনুযায়ী, শূন্য পাসের তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—বগুড়ার গাবতলী উপজেলার তছলিম উদ্দিন তরফদার কলেজ, একই উপজেলার বাগবাড়ী মডেল মহিলা কলেজ, ধুনট উপজেলার গোসাইবাড়ী মহিলা কলেজ, কাহালু উপজেলার দুর্গাপুর আইডিয়াল মহিলা কলেজ এবং একই উপজেলার আল্লামার তাকিয়া হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

প্রতিষ্ঠানগুলোর ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তছলিম উদ্দিন তরফদার কলেজ থেকে ৪৬ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও একজনও পাস করতে পারেননি। বাগবাড়ী মডেল মহিলা কলেজ থেকে তিনজন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন। গোসাইবাড়ী মহিলা কলেজ ও দুর্গাপুর আইডিয়াল মহিলা কলেজ থেকে দুজন করে পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও কেউ পাস করতে পারেননি।

এছাড়া, আল্লামার তাকিয়া হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে মাত্র একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। তিনিও অকৃতকার্য হয়েছেন।

এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরায়েলি ধর্মপ্রচারকের ‘ভারতীয়রা গোমূত্র চেটে খায়’ মন্তব্যে ক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫২ পি.এম


ইসরায়েলি ধর্মপ্রচারকের ‘ভারতীয়রা গোমূত্র চেটে খায়’ মন্তব্যে ক্ষোভ

গরুর প্রতি হিন্দুদের ধর্মীয় শ্রদ্ধা নিয়ে বিদ্রূপ করে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি করেছেন ইসরায়েলি-আমেরিকান ধর্মপ্রচারক ইয়োসেফ মিজরাহি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে তার বিদ্রূপের কারণে ভারতীয় বিভিন্ন মহলে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, ইয়োসেফ মিজরাহি হিন্দুদের গোমূত্র পান এবং চিকিৎসায় এর ব্যবহার নিয়ে উপহাস করছেন। এছাড়া, নয়াদিল্লির রাস্তায় গরুর কারণে যান চলাচল ব্যাহত হওয়া নিয়েও তিনি বিদ্রূপ করেন।

মিজরাহির এমন মন্তব্যের পর তাকে ‘বর্ণবাদী’ বলে অভিহিত করেছেন অনেক ভারতীয়। কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন যে, তিনি হিন্দুদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও ঐতিহ্যকে অপমান করেছেন। মিজরাহি বলেন, “আপনারা কি সেই ভারতীয়দের কথা জানেন যারা গরুর পূজা করে? অর্থাৎ হিন্দুরা। তারা মেঝে থেকে গরুর মূত্র চেটে খায়। আর মজার ব্যাপার হলো, তাদের মধ্যে এমন কিছু মানুষ আবার চিকিৎসকও।” এরপর তিনি সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন যে, তিনি তাকে ভারতীয়দের মতো বানাননি।

ইন্ডিয়া টুডে জানাচ্ছে, দুই হাজার বছরের বেশি সময় ধরে ইহুদি সম্প্রদায়ের মানুষ ভারতে বসবাস করছেন এবং ইহুদিবিদ্বেষের মুখে পড়েননি—এমন দেশগুলোর মধ্যে ভারত অন্যতম। গত তিন দশকে ভারত ও ইসরায়েলের মধ্যে ঘনিষ্ঠ কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। প্রতিরক্ষা, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, সন্ত্রাসবাদ দমন, সাইবার নিরাপত্তা, কৃষি, পানি ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য ও প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশ সহযোগিতা করছে। চলতি বছরের শুরুতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ‘বিশেষ কৌশলগত অংশীদারত্বে’ উন্নীত করেছে তারা।

দুই দেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের মধ্যে একজন ইহুদি ধর্মপ্রচারকের এই ধরনের বিদ্রূপকে ভারতীয়রা ভালোভাবে গ্রহণ করছেন না। মিজরাহির বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় একজন ভারতীয় তার মন্তব্যকে ‘অশালীন ও বর্ণবাদী বিভ্রম’ বলে অভিহিত করেছেন। আরেকজন তাকে ‘বর্ণবাদী সাইকোপ্যাথ বা বিকৃত মানসিকতার ব্যক্তি’ আখ্যা দিয়েছেন।

ভিডিওটির শুরুতে মিজরাহি একজন ভারতীয় ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেন, যিনি একসময় তার ফেসবুক পেজে কাজ করতেন এবং ইহুদি ধর্মে ধর্মান্তরিত হতে চেয়েছিলেন। তিনি বলেন, “তিনি ভারতে তার বাবা ও ভাইয়ের সঙ্গে থাকতেন, যারা গরুর সামনে মাথা নত করত (পূজা করত)।”

তিনি আরও বলেন, “তারা গরুটিকে বাড়ির বসার ঘরে নিয়ে আসত। আর গরু যখন মেঝেতে কিছু মূত্র বা তরল ফেলে দিত, তখন তারা তা চেটে খেত। ভারতীয়রা ফার্মেসি থেকেও গরুর মূত্র কিনে থাকে।”

ভারতীয় চিকিৎসকদের এমন আচার-অনুষ্ঠান পালনের সম্ভাবনা নিয়ে তিনি উপহাস করে বলেন, “পরের বার যখন আপনি নয়াদিল্লির কোনো হাসপাতালে যাবেন, তখন সেখানকার ডাক্তার আপনার কাছে এসে হয়তো বলবেন ‘গুড মর্নিং’। ” এরপর তিনি ইঙ্গিত দেন, ওই ডাক্তার হয়তো আগের রাতে গরুর মূত্র পান করেছিলেন।

মিজরাহি ওই সময় সুজি নামে একটি গরুর বিষয়েও রসিকতা করেন, যেটি রাস্তার মাঝখানে বসে ছিল। এর ফলে পথচারীরা আটকা পড়েন, কিন্তু তারা গরুটিকে সরানোর সাহস পাননি।

সবশেষে, ইহুদি ধর্মপ্রচারক বলেন, “আমরা বিষয়টি নিয়ে হাসছি, ঠিক আছে; তবে আমরা সৃষ্টিকর্তার কাছে কৃতজ্ঞ যে, তিনি আমাদেরকে তাদের মতো করেননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%