রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২৪ পি.এম
গাইবান্ধায় সাড়ে আট লাখ টাকার চোরাই মোবাইলসহ গ্রেপ্তার ২
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে একটি দোকানের টিনের চাল কেটে ৮ লাখ ৫৫ হাজার টাকার মোবাইল ফোনসহ অন্যান্য মালামাল চুরির অভিযোগে পুলিশ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনার প্রায় তিন মাস পরে, গাইবান্ধা সদর উপজেলার হকার্স মার্কেট এলাকায় পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিনের নির্দেশনায় অভিযান চালিয়ে বিদ্রোহ কুমার কুন্ডসহ একটি দল তাদের আটক করে। অভিযানের সময় চুরি হওয়া ৮টি স্মার্টফোন ও ৯টি বাটন ফোনসহ মোট ১৭টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন গাইবান্ধা সদর উপজেলার কলেজপাড়া এলাকার গৌর চন্দ্র বিশ্বাস (৩৯) এবং মধ্য-ফলিয়া (পুলবন্দি) এলাকার মো. সুজন মাহমুদ (৪০)।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ জুন রাত আনুমানিক ১টার দিকে দোকানমালিক মো. মুকুল হোসেন দোকানটি তালা দিয়ে বাড়িতে চলে যান। পরদিন সকাল ৯টার দিকে দোকান খুলে তিনি দেখতে পান, ভেতরের মালামাল এলোমেলো অবস্থায় পড়ে আছে। পরে তিনি লক্ষ্য করেন, দোকানের ওপরের টিন কেটে চোরেরা ভেতরে প্রবেশ করে মালামাল চুরি করেছে।
চোরেরা দোকান থেকে ২৭টি স্মার্টফোন, ১১০টি বাটন ফোন, চার্জার, এয়ারফোনসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যায়। এসব মালামালের আনুমানিক মূল্য ৮ লাখ ৫৫ হাজার টাকা।
এ ঘটনায় দোকানমালিক মো. মুকুল হোসেন ১ জুলাই সুন্দরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটির এফআইআর নং-০৪, জিআর নং-২১৬/২০২৬।
মামলার তদন্তে চোরাই মোবাইলের সন্ধান পাওয়ার পর পুলিশ অভিযান শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৫ সেপ্টেম্বর গাইবান্ধা সদর থানার হকার্স মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে চুরি হওয়া ৮টি স্মার্টফোন ও ৯টি বাটন ফোন উদ্ধার করা হয়। একই অভিযানে গৌর চন্দ্র বিশ্বাস ও মো. সুজন মাহমুদকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ বিষয়ে কঞ্চিবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. সেলিম রেজা মন্তব্য করেন, "আমরা দিন-রাত বিশেষ অভিযান চালিয়ে চোরদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি।" গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রশাসনিক সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শাস্তি পাওয়া ২০ কর্মকর্তার দণ্ডাদেশ বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিভাগীয় মামলার সুনির্দিষ্ট দায় থেকেও তাদের পূর্ণ অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।
আজ রাষ্ট্রপতির কাছে করা আপিলের পর্যালোচনা শেষে এনবিআর চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত পৃথক পৃথক প্রজ্ঞাপনে দণ্ডাদেশ বাতিল ও অব্যাহতির এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
দণ্ড মওকুফ প্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন- এনবিআর-এর দ্বিতীয় সচিব (উপ-কমিশনার) মো. শাহাদাত জামিল, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের রাজস্ব কর্মকর্তা শফিউল বশর, ঢাকা উত্তর কমিশনারেটের রাজস্ব কর্মকর্তা সবুজ মিয়া এবং খুলনার কাস্টমস মূল্যায়ন ও অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিশনারেটের উপকমিশনার মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম।
এ ছাড়া কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট (চট্টগ্রাম)-এর কমিশনার (চলতি দায়িত্ব) মো. জাকির হোসেন, একই কমিশনারেটের যুগ্ম কমিশনার মো. সানোয়ারুল কবির, গাজীপুরের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের অতিরিক্ত কমিশনার সাধন কুমার কুন্ডু, চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার আ.আ.ম. আমীমুল ইহসান খান এবং ঢাকা পশ্চিমের অতিরিক্ত কমিশনার সিফাত-ই-মরিয়মের ওপর আরোপিত লঘুদণ্ড বাতিল ও মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
তালিকায় আরও রয়েছেন নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (মূল্য সংযোজন কর, ঢাকা)-এর অতিরিক্ত কমিশনার হাছান মুহম্মদ তারেক রিকাবদার।
একই আদেশে শাস্তি থেকে মওকুফ পেয়েছেন কর ক্যাডারের একাধিক কর্মকর্তা। তারা হলেন—কর অঞ্চল-ময়মনসিংহের যুগ্ম কর কমিশনার মোনালিসা শাহরীন সুস্মিতা, কর অঞ্চল-যশোরের যুগ্ম কর কমিশনার মো. মামুন মিয়া, কর অঞ্চল-গাজীপুরের অতিরিক্ত কর কমিশনার (চলতি দায়িত্ব) চাঁদ সুলতানা চৌধুরানী, কর অঞ্চল-২২ (ঢাকা)-এর অতিরিক্ত কর কমিশনার (চলতি দায়িত্ব) সুলতানা হাবীব, কর অঞ্চল-যশোরের অতিরিক্ত কর কমিশনার মুরাদ আহমেদ, যুগ্ম কর কমিশনার মোহাম্মদ মোরশেদ উদ্দিন খান এবং ই-ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট ইউনিট (ঢাকা)-এর যুগ্ম কর কমিশনার মাসুমা খাতুন।
এর পাশাপাশি খুলনার উপ-কর কমিশনার মো. জিল্লুর রহমান, কর অঞ্চল-২১ (ঢাকা)-এর উপ-কর কমিশনার ইমাম তৌহিদ হাসান শাকিল এবং কর অঞ্চল-দিনাজপুরের অতিরিক্ত কর কমিশনার মির্জা আশিক রানার ওপর অর্পিত লঘুদণ্ড সম্পূর্ণ বাতিল এবং বিভাগীয় মামলার চার্জ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, এনবিআর-এর সংস্কার ও তৎকালীন বিভিন্ন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ২০২৫ সালে একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। কর্মবিরতি বা আন্দোলনে অংশগ্রহণ ও সরকারি চাকরির শৃঙ্খলা বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু এবং বেতন স্কেল ২ থেকে ৩ ধাপ অবনমনসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে দণ্ডপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে আপিল আবেদন করলে রাষ্ট্রপতি তা মঞ্জুর করেন। এর আলোকেই প্রজ্ঞাপন জারি করে তাদের শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মহানগর দক্ষিণের লালবাগ থানা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলী আজমকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
অনৈতিক ও সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু এবং সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন এই তথ্য জানিয়েছেন।
বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদুর রহমান মিন্টুর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে পরিষ্কারভাবে জানানো হয়েছে যে, আলী আজমকে তার পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এছাড়া, বহিষ্কৃত ব্যক্তির সঙ্গে কোনো ধরনের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক যোগাযোগ না রাখার জন্য দলের সব স্তরের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:০৯
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নির্বাচন কমিশন (ইসি) স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সূচনা হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে যাচ্ছে। ধাপে ধাপে এই নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন, চলতি সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই ইউপি নির্বাচনের তফসিল প্রকাশ করা হবে। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, "স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ইসির কর্মপরিকল্পনা তৈরির কাজ দ্রুত এগোচ্ছে।" তিনি আরও জানান, চলতি মাসের মধ্যে এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
আনোয়ারুল ইসলাম সরকার উল্লেখ করেন, ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী আচরণবিধি চূড়ান্ত করা হয়েছে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নতুন করে যুক্ত হওয়া কিছু বিধান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শিগগিরই এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশ করা হবে। ইউপি নির্বাচনের ভোটের সময় নির্ধারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বার্ষিক পরীক্ষা ও অন্যান্য পরীক্ষা বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান এই নির্বাচন কমিশনার। নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাস শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময়।
এই সময়ে বার্ষিক পরীক্ষা, বৃত্তি পরীক্ষা, টেস্ট ও প্রি-টেস্টসহ বিভিন্ন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন, "ভোটকেন্দ্র হিসেবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবহার করা হয়।" পাশাপাশি প্রিসাইডিং, সহকারী প্রিসাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তা হিসেবেও শিক্ষকদের দায়িত্ব পালন করতে হয়। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা এবং নির্বাচন যাতে একই সময়ে না পড়ে, সে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।
ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, পরীক্ষার সময় এড়িয়ে ভোটের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।তবে আনোয়ারুল ইসলাম সরকার এখনই নির্দিষ্ট দিনক্ষণ জানাতে চাননি। তিনি বলেন, "বিষয়টি নিয়ে কমিশন কাজ করছে এবং শিগগিরই বিস্তারিত জানানো হবে।" স্থানীয় সরকার নির্বাচন ইউনিয়ন পরিষদ দিয়ে শুরু করার নীতিগত সিদ্ধান্তের কথাও জানিয়েছেন তিনি। দেশের সব ইউনিয়নে একসঙ্গে ভোট না নিয়ে ধাপে ধাপে নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
এদিকে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে ইসি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ভোটকেন্দ্রগুলো সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনার পাশাপাশি নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের বডি-ওর্ন ক্যামেরার ব্যবহার বাড়ানো হবে।এছাড়া, নির্বাচনী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ড্রোন ব্যবহারের পরিকল্পনাও রয়েছে। কমিশন ভুল তথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য (মিসইনফরমেশন) মোকাবিলায়ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিতকরণ এবং বাংলাদেশ ও ভারতের ব্যবসায়িক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের নিয়ে যৌথ দ্বিপক্ষীয় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ সভাটি রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এলাকায় হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার শ্রী মনোজ কুমার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. ফেরদৌস রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. শাহীনুর ইসলাম মণ্ডল, হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জর্জ মিত্র চাকমা এবং হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন।
সভায় বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতা, আমদানি-রপ্তানিকারক, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় দুই দেশের ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। হিলি স্থলবন্দরকে কেন্দ্র করে পরিচালিত বাণিজ্যিক কার্যক্রম দুই দেশের অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার শ্রী মনোজ কুমার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ক্রমাগত শক্তিশালী হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পেলে সীমান্ত বাণিজ্যের সম্ভাবনা আরও ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হবে। দুই দেশের ব্যবসায়ীদের যৌক্তিক সমস্যাগুলো আলোচনা করে সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, হিলি স্থলবন্দর দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর। ব্যবসা-বাণিজ্যের স্বার্থে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ী নেতাদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে ব্যবসায়ীদের ভিসা সহজলভ্য করা প্রয়োজন। এর ফলে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা ভারতে গিয়ে আমদানির পণ্য যাচাই-বাছাই করতে সক্ষম হবেন।
অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহীনুর ইসলাম মণ্ডল বলেন, ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং বন্দরের কার্যক্রমকে সহজ ও গতিশীল রাখতে দুই দেশের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর মধ্যে নিয়মিত মতবিনিময় অব্যাহত রাখা অত্যন্ত জরুরি। পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিদ্যমান সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধান সম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ