০৩:৪৭ পি.এম
টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মুক্তিপণের দাবিতে ভাতিজাকে অপহরণ ও হত্যার দায়ে আদালত আপন চাচার মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে, অপহরণ ও মরদেহ গুমের অভিযোগে তাকে আরও দুটি ধারায় কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ ন ম ইলিয়াস এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি মো. নুরনবী, যিনি গোপালপুর উপজেলার নবধূলটিয়া গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে, সেখানে আদালতে উপস্থিত ছিলেন রায় ঘোষণার সময়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড ছাড়াও, অপহরণের দায়ে নুরনবীকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি, নিহতের মরদেহ গুমের দায়ে বিচারক তাকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকার জরিমানা করেন।
আরও পড়ুন: মাদারীপুরে খাবারের অভাবে লোকালয়ে ছড়িয়ে পড়ছে বানর, সংখ্যা কমছে
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি ওমরাও খান দিপু জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর মুক্তিপণের দাবিতে গোপালপুরের নাসির উদ্দিনের নাতি কে এম রাহেনুল ইসলাম আরাফকে কয়েকজন সহযোগিতায় অপহরণ করেছিলেন তার চাচা নুরনবী। এর ফলে ১১ অক্টোবর নাসির উদ্দিন বাদী হয়ে গোপালপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পরের দিন কালিয়াকৈর এলাকা থেকে শিশু আরাফের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষে, গত বছরের ২৭ মে গোপালপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মামুন ভূঁইয়া আদালতে আসামি নুরনবীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যগ্রহণের পর বিচারক এই রায় ঘোষণা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন