ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভূমিকম্পে ভেনেজুয়েলায় ৫৮ হাজারের বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত


ভূমিকম্পে ভেনেজুয়েলায় ৫৮ হাজারের বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত

ভেনেজুয়েলায় গত সপ্তাহে আঘাত হানা শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পের ফলে ৫৮ হাজারের বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে কিংবা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা প্রকাশিত স্যাটেলাইট তথ্যের প্রাথমিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী এই তথ্য উঠে এসেছে।

৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি ভূমিকম্পে অন্তত ১ হাজার ৭০০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে এখনও কয়েক হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

আরও পড়ুন: তাঁবুতে আগুন দিল ইসরাইল, খোলা আকাশের নিচে ৮০০ ফিলিস্তিনি গৃহহীন

দক্ষিণ আমেরিকার দেশটিতে এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে এটিই ছিল সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প।

ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবরটির তথ্য জানাচ্ছে।

ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার উচ্চ রেজোলিউশনের রাডার চিত্রগ্রহণকারী স্যাটেলাইট ‘সেন্টিনেল-১’-এর তথ্যের বরাত দিয়ে ওরেগন স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষক কোরি শের এবং জ্যামন ভ্যান ডেন হুক উল্লেখ করেন যে, ভূমিকম্পের পরদিন ২৫ জুন সংগৃহীত স্যাটেলাইট রাডার তথ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় প্রায় ৫৮ হাজার ৮৭০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অথবা ধ্বংস হয়েছে।

গবেষকদের মতে, ‘এটি একটি প্রাথমিক ও দ্রুত মূল্যায়ন। এতে ভূপৃষ্ঠের আকস্মিক পরিবর্তনের যে চিত্র পাওয়া গেছে, তা ক্ষয়ক্ষতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।’

আরও পড়ুন: ইরানে ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে বড় সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

তারা আরও বলেন, এই সংখ্যাকে শুধুমাত্র একটি প্রাথমিক সূচক হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। কারণ, ঘটনাস্থলে গিয়ে এখনও এর সত্যতা যাচাই করা হয়নি।

এদিকে, জাতীয় পরিষদের প্রেসিডেন্ট হোর্হে রড্রিগেজ সোমবার জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ৮৫৫টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৮৯টি ভবন সম্পূর্ণভাবে ধসে পড়েছে।

নাসা জানিয়েছে, তাদের স্যাটেলাইটগুলো গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করছে। স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া ছবি ও তথ্যের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের দলগুলো ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করতে এবং ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হচ্ছে।

আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতি: আজকের শিক্ষার্থীরাই জাতির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে দক্ষ হতে হবে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দখল ও দূষণে বিপন্ন গাইবান্ধার ঘাঘট-আলাই নদী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৫৬ পি.এম


দখল ও দূষণে বিপন্ন গাইবান্ধার ঘাঘট-আলাই নদী

একসময় যে নদী দিয়ে বড় বড় সওদাগরি নৌকা চলাফেরা করতো, সেই ঘাঘট ও আলাই নদী বর্তমানে অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। দখল ও দূষণের ফলে নদী দুটি এখন সরু খালে পরিণত হয়ে গেছে।

নদীর পানি এতটাই দূষিত হয়েছে যে, এটি এখন মশার প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে রূপ নিয়েছে। মরা ঘাঘটকে নান্দনিক লেকে রূপান্তরের জন্য সরকারি উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল, কিন্তু তা এখন কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ রয়েছে। বর্তমানে নদী ও খাল খনন কর্মসূচির আওতায় স্থানীয় বাসিন্দারা নদী দুটিকে দখলমুক্ত করে পুনঃখননের দাবি জানিয়েছেন।

সরকারি মানচিত্র অনুযায়ী গাইবান্ধার একসময়ের খরস্রোতা নদী ছিল ঘাঘট। এ নদী দিয়েই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সাথে নৌপথে ব্যবসাবাণিজ্য চলতো। নব্বইয়ের দশকে, জেলা শহরকে বন্যার হাত থেকে রক্ষার জন্য শহরের উত্তর প্রান্তে লুপ কাটিং করে মূল প্রবাহ ঘুরিয়ে দেয়া হয়। এরপর শহরের ভেতরের প্রায় ৪ কিলোমিটার অংশ মরা ঘাঘটে পরিণত হয়।

দখল ও দূষণের কারণে নদীটি এখন সরু খালে পরিণত হয়েছে। ময়লা-আবর্জনাসহ কচুরিপানার স্তূপ নদীর বুককে ভরাট করে ফেলেছে। নদীর চারপাশে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে। নদীর বুক চিরে তৈরি হয়েছে একের পর এক পাকা ভবন। শহরের সব ড্রেনেজ লাইন এবং হাটবাজারের বিষাক্ত বর্জ্যের জন্য নদীটি শেষ গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। পানির রং কুচকুচে কালো হয়ে গেছে এবং সেখানে মাছসহ কোনো জলজ প্রাণীও নেই। নদীটি এখন রোগব্যাধি ছড়ানোর একটি কারখানায় পরিণত হয়েছে।

গাইবান্ধা পরিবেশ আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়াউল হক জনি জানান, মরা ঘাঘট নদীকে একটি দৃষ্টিনন্দন লেক হিসাবে বাস্তবায়নের উদ্যোগ প্রশাসন নিয়েছিল। কিন্তু অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে ব্যর্থ হওয়ায় কাজটি মাঝপথে বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে দুটি ব্রিজ ও কিছু কাজ করে সেই মহাপরিকল্পনা মুখ থুবড়ে পড়েছে।

জেলা শহরের পাশে বয়ে চলা আলাই নদীরও একই অবস্থা। শহরের কোল ঘেঁষে বয়ে চলা ঘাঘট নদী থেকে উৎপন্ন আলাই নদীটি শহরের অংশে প্রায় ৩ কিলোমিটার এবং মোট ৪৪ কিলোমিটার দীর্ঘ। নদীটির অস্তিত্ব এখন শুধুমাত্র সরকারি ম্যাপ ও খাতা-কলমে বিদ্যমান। বাস্তবচিত্র অনুযায়ী সেখানে আবাদি জমি এবং অধিকাংশ স্থানে স্থায়ী বাড়িঘর গড়ে উঠেছে। একসময়ের উত্তাল এই নদী বর্তমানে দূষণ ও দখলদারদের থাবায় মরা খালে পরিণত হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উচ্ছেদ অভিযান ও নদী খননের ঘোষণা বারবার এলেও তা কার্যকর হয়নি। বর্তমান সরকারের নদী ও খাল পুনঃখননের চলমান কার্যক্রমের আওতায় তারা এই নদী দুটির খনন চান।

ঘাঘট পাড়ের বাসিন্দা গোলাম হোসেন বলেন, 'শহরের বর্জ্য ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় এ নদীটি এখন রোগব্যাধি ছড়ানো ও মশার তৈরির কারখানায় পরিণত হয়েছে।'

আরেক বাসিন্দা রনি মিয়া বলেন, 'নদীটিকে পরিকল্পিতভাবে খনন করা হলে এটি শহরের পানি নিষ্কাশনের পাশাপাশি বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হবে। দু-পাড়ের পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষায় শহরের কোলজুড়ে বয়ে চলা নদী দুটির দখল ও দূষণ বন্ধে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ জরুরি।'

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা বলেন, 'নদী দুটি রক্ষায় বেশ কিছু উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। অবৈধ দখল উচ্ছেদসহ দূষণ বন্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:০১ পি.এম


জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত

জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বৈঠকে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন কমিটির সভাপতি, সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদীন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, মো. আব্দুল বারী, মুহাম্মদ নওশাদ জমির, মো. মুজিবুর রহমান এবং জি এম নজরুল ইসলাম।

বিশেষ কমিটির আমন্ত্রণে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। আলোচনার শুরুতে পূর্বের বৈঠকসমূহের কার্যবিবরণী অনুমোদন করা হয়। বৈঠকে কমিটির পক্ষ থেকে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (দ্বিতীয় সংশোধন) বিল-২০২৬ সম্পর্কে আলোচনা ও রিপোর্ট প্রদান করা হয় এবং এই বিল সংসদে পেশ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে বিশদ পর্যালোচনা করেন কমিটির সদস্যগণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘এক টাকায় বিচার বিভাগ চললে দেশ পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত হবে’: আইনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:০৩ পি.এম


‘এক টাকায় বিচার বিভাগ চললে দেশ পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত হবে’: আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান মন্তব্য করেছেন যে, এক টাকায় আইন ও বিচার বিভাগ চালানো সম্ভব নয়। তার মতে, এভাবে চললে দেশ একটি পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত হবে।

তিনি মঙ্গলবার (৩০ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় এবং প্রথম অধিবেশনের ১৯তম দিনের আলোচনা উপলক্ষে এসব কথা বলেন। এসময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

অধিবেশনে আইনমন্ত্রী তার মন্ত্রণালয়ের জন্য ২ হাজার ১৮৭ কোটি ৫৮ লাখ টাকা মঞ্জুরি দাবি পেশ করেন। কিন্তু বিরোধীদলীয় কয়েকজন সংসদ সদস্য এই দাবি ছাঁটাই করে বরাদ্দ ১ টাকা করার প্রস্তাব দেন এবং বিচার বিভাগের নানা সংকট তুলে ধরেন।

ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য আল ফারুক আব্দুল লতিফ বলেন, “নিম্ন আদালত পৃথক করা হলেও পদোন্নতি ও বদলিতে সরকারের নিয়ন্ত্রণ থাকায় তা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না।” তিনি বিচারক সংকট, মামলাজট ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের সমালোচনা করেন।

পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান বলেন, বিচার বিভাগের জন্য এই বরাদ্দ ‘অত্যন্ত অপ্রতুল’। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, “দেশে ২৫ লাখের বেশি মামলা পেন্ডিং রয়েছে। কিন্তু বিভাগীয় শহরে হাইকোর্ট স্থাপন বা পেপারলেস জুডিশিয়ারি করার সুস্পষ্ট পরিকল্পনার অভাব রয়েছে।”

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কেরামত আলী থানা ও পুলিশের কার্যক্রমে সাধারণ মানুষের হয়রানি এবং তদন্ত প্রক্রিয়ার দুর্বলতা তুলে ধরেন।

অপর দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেন, “বিচার বিভাগের বরাদ্দ জিডিপির মাত্র শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ, যা বিটিভির বরাদ্দের চেয়েও কম।” তিনি দেশে ৫০ লাখের বেশি মামলা জটের কথা উল্লেখ করে প্রবীণ ও শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের মানবেতর জীবনযাপনের চিত্র তুলে ধরেন।

এদিকে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান সংসদ সদস্যদের এসব প্রস্তাব ও সমালোচনার জবাবে বলেন, “অন্য দাবির ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যরা নিজেরাই যুক্তি দিয়েছেন, তবে এই দাবির ক্ষেত্রে মনে হচ্ছে তারা পোশাক পরিহিত আইনজীবী হায়ার করে এনেছেন।”

তিনি ছাঁটাই প্রস্তাবগুলোর স্ববিরোধিতা তুলে ধরেন এবং বলেন, “বিরোধীদলীয় সদস্যদের মধ্য থেকে দুই ধরনের দাবি এসেছে। একজন বলছেন বরাদ্দ বেশি হয়ে গেছে তাই ১ টাকায় কমানো হোক, আরেকজন বলছেন বরাদ্দ অনেক কম হয়ে গেছে তাই ১ টাকায় কমানো হোক। ১ টাকা দিয়ে যদি আইন বিভাগ চালাতে বলা হয়, তাহলে তো বিচার বিভাগের দরকার নাই, এটা একটা পুলিশি রাষ্ট্র হয়ে যাক।”

আইনমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের দাবিগুলোকে ‘জনপ্রিয়’ কিন্তু কার্যপ্রণালী বিধির ১১৮ বিধির পরিপন্থি (মিসকনসিভড) বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, ১ টাকা দিয়ে কীভাবে গোটা বিচার বিভাগ চালানো সম্ভব, তার কোনও বিকল্প নীতি ছাঁটাই প্রস্তাবে দেওয়া হয়নি। বর্তমানে বাস্তবতায় এই বরাদ্দ বিচার বিভাগের জন্য অপ্রতুল হলেও আপাতত এর কোনও বিকল্প নেই।” আইনমন্ত্রী ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো নাকচ করে মূল বরাদ্দ অনুমোদনের জন্য সংসদের কাছে আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বালিয়াকান্দি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন, 'নাটক' বলছেন ভুক্তভোগীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:০৮ পি.এম


বালিয়াকান্দি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন,

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোছা. তাজমুননাহারের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগের তদন্তকে ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগকারী শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সংবাদকর্মীদের একাংশের দাবি, অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে স্বপদে বহাল রেখেই তদন্ত পরিচালনা করায় নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

বালিয়াকান্দি উপজেলার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোছা. তাজমুননাহারের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের পক্ষে অভিযোগকারীদের দাবি, তদন্তের আনুষ্ঠানিকতা থাকলেও প্রকৃতপক্ষে এটি নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হচ্ছে না।

অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বই বিতরণ শাখার উপপরিচালক তাপস কুমার অধিকারী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে আগামী ১ জুলাই সকাল ১০টায় বালিয়াকান্দি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে তদন্তের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

সরকারি ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দৈনিক রাজবাড়ী কণ্ঠে প্রকাশিত "বালিয়াকান্দিতে ঘুষ না পাওয়ায় স্লিপ ফান্ডের ৩০ লাখ টাকা ছাড় না করার অভিযোগ" শীর্ষক সংবাদের ভিত্তিতে তদন্ত পরিচালিত হবে।

তবে অভিযোগ উঠেছে, চিঠির অনুলিপির ৭ নম্বর ক্রমিকে "প্রতিনিধি/প্রতিবেদক, দৈনিক রাজবাড়ী কণ্ঠ, রাজবাড়ী"-এর নাম থাকলেও সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক মো. সাখাওয়াত হোসেনের কাছে এখনো কোনো সরকারি নোটিশ বা চিঠি পৌঁছায়নি। তার দাবি, তদন্ত প্রক্রিয়া থেকে তাকে দূরে রাখার উদ্দেশ্যেই এমনটি করা হয়েছে।

এদিকে, তাজমুননাহারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে একাধিক গণমাধ্যমে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, এসব প্রতিবেদনের পর তদন্ত কমিটি গঠন হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে শিক্ষকদের মধ্যে ভয় ও হতাশা তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় একাধিক শিক্ষক অভিযোগ করেন, ভোটকেন্দ্র পরিচালনার বিলসহ বিভিন্ন পাওনা এখনও পরিশোধ করা হয়নি। এছাড়া পেনশন সংক্রান্ত ফাইল নিষ্পত্তিতেও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয় নিয়েও অতীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রধান শিক্ষক বলেন, স্লিপ ফান্ডের অর্থ ছাড়সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজে দীর্ঘদিন ধরে ঘুষের অভিযোগ রয়েছে। তবে অভিযুক্ত কর্মকর্তা এখনও বহাল থাকায় তারা প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন।

প্রতিবেদক মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, "আমি তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করেছি। সরকারি চিঠিতে অনুলিপি দেওয়ার কথা থাকলেও আমার কাছে কোনো নোটিশ পৌঁছায়নি। এতে তদন্তের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

আরও কয়েকজন শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে দায়িত্বে রেখেই তদন্ত করায় তারা প্রকাশ্যে বক্তব্য দিতে সাহস পাচ্ছেন না। তাদের দাবি, তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ তবিবুর রহমান বলেন, প্রতিনিধি কেন চিঠি পাইনি এটা আমার জানা নাই চিনি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন তিনি বাইপত্রে এটা পাঠানোর কথা রয়েছে। ভোট কেন্দ্র সংস্থার এর দ্বিতীয় ধাপের বরাদ্দের বিষয়ে বিল আটকে রাখার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তাজমুন নাহার জানেন বিষয়টি আমার জানা নাই যেহেতু এটা আর্থিক লেনদেনের বিষয়, এর সম্পূর্ণ দায়ী তার, এই বিষয়ে তার কাছ থেকে মতামত নেওয়াই ভাল হবে।

ভোট কেন্দ্র সংস্কারের দ্বিতীয় ধাপের বরাদ্দ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোছা. তাজমুননাহার যোগাযোগ করা হবে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে জানতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বই বিতরণ শাখার উপপরিচালক তাপস কুমার অধিকারী মুঠো ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলো, তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%