শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৫১ পি.এম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনে অত্যাধুনিক 'প্যাট্রিয়ট' আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় চূড়ান্ত লাইসেন্স বা অনুমোদন প্রদান করেছেন। এই তথ্য শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সাংবাদিকদের জানান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সময়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার সাম্প্রতিক বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে ধরে জেলেনস্কি বলেন, "আমাদের মধ্যে সুনির্দিষ্ট চুক্তি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমাদের শেষ বৈঠকে স্পষ্টভাবে জোর দিয়ে বলেছেন—হ্যাঁ, তিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং ইউক্রেন প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির লাইসেন্স পাবে।"
রুশ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিরোধের জন্য প্যাট্রিয়ট ইউক্রেনের জন্য প্রধান ভরসা হিসেবে কাজ করবে। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এবং নিজস্ব চাহিদার কারণে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি পর্যাপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করতে পারছিল না। এই অবস্থায় ইউক্রেন এবং ইউরোপীয় মিত্ররা দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন প্রতিরক্ষা সংস্থা 'আরটিএক্স (রেথিয়ন)' ও 'লকহিদ মার্টিন'-এর সহায়তায় স্থানীয়ভাবে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির লাইসেন্স চেয়ে আসছিল।
প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং কারখানা স্থাপনের পর পুরোপুরি উৎপাদনে যেতে এক থেকে দেড় বছর সময় লাগতে পারে। তবে এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত ইউক্রেনের দীর্ঘমেয়াদি আকাশ নিরাপত্তা জোরদার করবে এবং ওয়াশিংটনের ওপর সরাসরি সামরিক সাহায্যের নির্ভরশীলতা অনেকাংশে হ্রাস পাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর, সরকারের ১৮০ দিনের মধ্যে মালদ্বীপে অবস্থানরত প্রবাসীদের সার্বিক সুরক্ষায় বাংলাদেশ হাইকমিশন ৪৬ হাজারেরও বেশি কনস্যুলার, শ্রম ও কল্যাণসেবা প্রদান করেছে। পাশাপাশি, দুই দেশের সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে ৫৫০টিরও বেশি সমন্বিত কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
গতকাল মালদ্বীপে বসবাসরত প্রবাসীদের অংশগ্রহণে ‘সেবা, সম্পৃক্ততা, সংলাপ- আপনার কথা, আগামীর পথ’ শীর্ষক আয়োজিত এক বিশেষ সংলাপ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে সরকারের ১৮০ দিনের এসব সাফল্য তুলে ধরা হয়।
আজ শুক্রবার মালদ্বীপের বাংলাদেশ হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রবাসীসেবা ও কনস্যুলার সহায়তা
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের ১৮০ দিনে হাইকমিশনের কনস্যুলার উইং ৩৪ হাজার ৪৩০টি এবং শ্রম ও কল্যাণ উইং ১১ হাজার ৮৩৩টি সেবা প্রদান করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ৩ হাজার ৮৮৪টি পাসপোর্ট আবেদন ও বায়োমেট্রিক গ্রহণ, ৩ হাজার ৫৯৪টি নতুন পাসপোর্ট বিতরণ, ৩৩৩টি ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন এবং ১৭৫টি হারিয়ে যাওয়া পাসপোর্টের জটিলতা নিরসন।
একই সময় ৪২৫টি স্বেচ্ছায় প্রত্যাবর্তনের আউটপাস, ১৫৫টি ডিটেনশন আউটপাস, ১৯২টি ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড কার্ড এবং ৯৯৪টি প্রশাসনিক নথি ও ভিসা সত্যায়ন সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া ৪৩জন প্রবাসীর মরদেহ স্বজনদের কাছে পাঠাতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম মন্তব্য করেন, ‘প্রবাসীদের কল্যাণ ও অধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল অগ্রাধিকার। রাজধানী মালের বাইরে দূরবর্তী প্রশাসনিক দ্বীপগুলোতে অবস্থানরত প্রবাসীদের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছানোর কাজ চলমান রয়েছে।’
দ্বিপক্ষীয় কূটনীতি ও কর্মসংস্থান
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ককে সুদৃঢ় করতে দ্বিপক্ষীয়, অর্থনৈতিক, শিক্ষা, পরিবেশ ও প্রতিরক্ষা সহ ১৫টির বেশি নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করা হয়েছে। সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ৭০টির বেশি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক, ৩০টি মন্ত্রিপর্যায়ের আলোচনা এবং মালদ্বীপের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে ১০০টিরও বেশি প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ সম্পন্ন হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মালদ্বীপের শ্রমবাজারে প্রায় ১০ হাজার সাধারণ কর্মী, ২০০-৩০০ শিক্ষক এবং শতাধিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীর সম্ভাব্য নিয়োগের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া ৩০টির বেশি প্রতিষ্ঠানে বৈষম্যহীন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে আলোচনা হয়েছে।
রেমিট্যান্স সংযোগ
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈধ চ্যানেলে প্রবাসী আয় বাড়াতে মালদ্বীপে একটি বাংলাদেশি ব্যাংকের শাখা প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে আলোচনা চলমান রয়েছে। হাইকমিশন জানিয়েছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মালদ্বীপ থেকে প্রায় ১৪ কোটি ১১ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ১,৭৩৭.৯ কোটি টাকা) রেমিট্যান্স বাংলাদেশে এসেছে। ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে যা ছিল ১১ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার। অর্থাৎ আগের অর্থবছরের তুলনায় ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে মালদ্বীপ থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহ প্রায় ২৫.৯৮ শতাংশ বেড়েছে।
সংস্কৃতি, জনকূটনীতি ও সফট পাওয়ার
বিজ্ঞপ্তিতে হাইকমিশন জানায়, বাংলাদেশের ভাবমূর্তি তুলে ধরতে ৩০টির বেশি জনকূটনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, ১৫টি সাংস্কৃতিক উদ্যোগ এবং শিল্প, সাহিত্য ও আলোকচিত্র প্রচারে ১০টিরও বেশি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একইসাথে সফট পাওয়ার ও জনকূটনীতিতে ২০টিরও বেশি সম্পৃক্ততা, জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ বৃদ্ধিতে ১৫টিরও বেশি উদ্যোগ, গণমাধ্যম ও কৌশলগত যোগাযোগে ২০টিরও বেশি সম্পৃক্ততা এবং বাংলাদেশের জাতীয় ভাবমূর্তি ও ব্র্যান্ডিংয়ে ৩০টিরও বেশি কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ক্রীড়ার মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় মানবিক সম্পর্ক জোরদার করার পাশাপাশি বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা সক্রিয়করণ, ১০টির বেশি উচ্চপর্যায়ের সরকারি সফর সমন্বয় এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসে ৩০টিরও বেশি অনুষ্ঠানে কূটনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া ৮০ জন মালদ্বীপি শিক্ষার্থীকে বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা, ১৯ জন মালদ্বীপের পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ২০ হাজার চারা ও বীজ প্রদানের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
হাইকমিশন আরও জানায়, আগামী দিনগুলোতে প্রবাসীদের কল্যাণ ও সেবা আরও উন্নত করা, দ্বীপভিত্তিক সেবা সম্প্রসারণ, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান, আনুষ্ঠানিক রেমিট্যান্স চ্যানেল সম্প্রসারণ এবং দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগকে সরাসরি বাণিজ্যিক সামুদ্রিক রুট ও সরাসরি বিমান যোগাযোগের সঙ্গে যুক্ত করার মাধ্যমে পণ্য আদান-প্রদান ও পর্যটন খাতের টেকসই প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার অগ্রাধিকার অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মিরপুরে রাতের অন্ধকারে মুখোশধারীদের দ্বারা একটি টিকাদান ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে ভাঙচুর ও লুটপাটের পর সেখানে দোকানদার সমিতির সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে।
এ বিষয়ে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ডা. নাসরিন আখতার শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) তথ্য প্রদান করেন।
তিনি জানান, প্রায় ২৫০ জন মুখোশ পরা হামলাকারী ‘সম্মাননা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেড’ ব্যানারে ক্লিনিকে হামলা চালায়। তারা কর্তব্যরত দুজন নিরাপত্তাকর্মীকে জিম্মি করে ভেতরে প্রবেশ করে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। পরে তারা ক্লিনিকের দখল নিয়ে স্থানীয় সাধারণ মানুষকে সেখানে প্রবেশে বাধা দেয়।
ডা. নাসরিনের বক্তব্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা সরকারি ইপিআই টিকা, টিকা দেওয়ার রেজিস্টার ও নথি, পরিবার পরিকল্পনার বিভিন্ন সরঞ্জাম ও পদ্ধতি, ওষুধ ও ভ্যাকসিন, নগদ প্রায় ১১ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং প্রায় ৪৫ লাখ টাকা মূল্যের একটি আলট্রাসনোগ্রাম মেশিন নিয়ে গেছে।
এছাড়া, লুটের অভিযোগে একটি জেনারেটর, তিনটি ফ্রিজ, তিনটি এসি, সিসিটিভি ক্যামেরা, তিনটি স্টিলের আলমারি, পাঁচটি স্টিলের ফাইল কেবিনেট, ল্যাবরেটরির সরঞ্জাম ও রিএজেন্ট, দুটি টিভি, দুটি কম্পিউটার, দুটি ল্যাপটপ, দুটি প্রিন্টার এবং বিভিন্ন আসবাবপত্র অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তিনি দাবি করেন, হামলাকারীরা ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে একটি পাকা ও তিনটি সেমিপাকা ভবনসহ কেন্দ্রটির স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। পরে সেখানে ‘সম্মাননা দোকানদার সমিতি লিমিটেড’-এর সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেওয়া হয়।
ডা. নাসরিন জানান, যন্ত্রপাতি ও মালামালের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক দেড় কোটি টাকা।
তিনি আরও জানান, রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারটি সরকারের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে প্রায় ৫০ বছর ধরে মিরপুর এলাকার দরিদ্র ও অসহায় মানুষকে বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, প্রসূতি সেবা, পরিবার পরিকল্পনা ও শিশুদের টিকাদান সেবা প্রদান করে আসছে।
তিনি বলেন, আগামীকাল (শনিবার) থেকে সরকারি হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে কেন্দ্রটি দখল ও ভাঙচুরের কারণে হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনসহ সকল ধরনের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।
ঘটনার পর কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে বলেও জানান প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক।
তিনি বলেন, এটি শুধুমাত্র একটি প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলা নয়; বরং দেশের দরিদ্র, শিশু ও অসহায় মানুষের স্বাস্থ্যসেবার অধিকারের ওপরও আঘাত।
ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত বিচার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত কেন্দ্রটির সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দিয়ে দ্রুত স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালুর দাবি জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় শাহ আলী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শাহ আলী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম জানান, মামলায় হানিফ মিয়ার নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় ২০০ থেকে ২৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে অনধিকার প্রবেশ, চুরি, হুমকি এবং দেড় কোটি টাকার বেশি ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিভিন্ন প্রতিবাদী লেখা সম্বলিত ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় পোস্টারিং করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) আনুমানিক রাত ১১টার দিকে গোপনে এ পোস্টারিং কর্মসূচি করে সংগঠনটি।
সরেজমিনে দেখা যায়, পোস্টারে ‘ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন’, ‘অবৈধ ক্যাঙ্গারু ট্রাইব্যুনালের ফরমায়েশি রায়ের প্রতিবাদ’, এবং ‘শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরলে কি হবে?’ লেখা মোট তিনটি শিরোনাম দেখা যায়। তবে শিক্ষার্থীদের চোখে পড়ার আগেই নিরাপত্তা কর্মীরা এসব পোস্টার সরিয়ে নেয়।
এদিকে ‘নেত্রীর প্রত্যাবর্তন সুনিশ্চিত করতে ও অবৈধ ক্যাঙ্গারু ট্রাইবুনালের ফরমায়েশি রায়ের প্রতিবাদে ইবি ছাত্রলীগের উদ্যোগে পোস্টারেং কার্যক্রম’ উল্লেখ করে এসব পোস্টারের ছবি ও একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন সংগঠনটির শাখা আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হাফিজ।
নিরাপত্তা কর্মীরা জানান, একই সময়ে একদিকে সিগারেটের টাকা পরিশোধ নিয়ে দোকানি কর্তৃক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে ক্যাম্পাসে উত্তপ্ত পরিস্থিতি, নিরাপত্তা কর্মীরা সেইদিকে যখন নজর দিই, সেই সুযোগে এসব পোস্টার লাগিয়ে পালায় ছাত্রলীগ। ঘটনার একই সূত্র কিনা বা ইন্ধন আছে কিনা প্রশাসন খতিয়ে দেখছে।
এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ইতোমধ্যে উপাচার্য ও পুলিশ প্রশাসনের সাথে এ বিষয়ে কথা বলেছি। এ কাজের সাথে যারা জড়িত ও ইন্ধন দিয়েছে তাদের শনাক্ত করে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের দুষ্কৃতকারীদের ঠাঁই হবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য সুশিক্ষিত ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।
তিনি নারী সমাজের উন্নয়নে সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে বলেন, "দেশের প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। তাদের বাদ দিয়ে কোনোভাবেই টেকসই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব নয়।" নারীদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার পাশাপাশি কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা হিসেবে স্বাবলম্বী করার বিষয়টি সময়ের দাবি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) হাটহাজারী বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত পবিত্র ঈদ-ই মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন ও অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, "বর্তমান সরকার অনগ্রসর জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে নারীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অঙ্গীকারবদ্ধ।" সেই লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি প্রবর্তন করেছেন। হাটহাজারীকে এই প্রকল্পের পাইলট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই উদ্যোগ নারীর আত্মকর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
শিক্ষার্থীদের ওপর জোরপূর্বক কিছু চাপিয়ে না দিয়ে তাদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "সন্ধ্যার পর সন্তান কোথায় যাচ্ছে বা কার সঙ্গে মিশছে—এসব বিষয়ে পরিবারের খেয়াল রাখা জরুরি।"
অনুষ্ঠানে হাটহাজারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নওশীন আরজান হেলালের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন, ড. কানিজ ফাতেমা, মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান দৌলত। স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন। অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ