ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাদক, অনলাইন জুয়া ও সাইবার অপরাধ দমনে জোর: এয়ারপোর্ট থানায় বিএমপি কমিশনারের নির্দেশনা


মাদক, অনলাইন জুয়া ও সাইবার অপরাধ দমনে জোর: এয়ারপোর্ট থানায় বিএমপি কমিশনারের নির্দেশনা

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) পুলিশ কমিশনার মো. আশিক সাঈদ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে বিএমপি'র এয়ারপোর্ট থানা আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন।
বিএমপি মিডিয়া সেলের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দুপুর সাড়ে ২টার দিকে তিনি থানায় পৌঁছে থানার সার্বিক কার্যক্রম, অফিসার ও ফোর্সের শৃঙ্খলা এবং গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টারসমূহ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি দায়িত্ব পালনে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনকালে পুলিশ কমিশনার থানার ফোর্সের কল্যাণে সুপেয় পানির ব্যবস্থা, ব্যারাকে অতিরিক্ত বেডের ব্যবস্থা এবং বিনোদনের জন্য টেলিভিশনসহ বিভিন্ন কল্যাণমূলক আবেদন অনুমোদন করেন। এ সময় উপস্থিত কর্মকর্তা ও সদস্যরা এসব উদ্যোগের জন্য কমিশনারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এছাড়া তিনি মাদক ও জুয়া প্রতিরোধ, অনলাইন জুয়া দমন, মামলা তদন্তের গতি বৃদ্ধি, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল, সিডিএমএস ব্যবস্থাপনা, চুরি ও দস্যুতা প্রতিরোধ, ইভটিজিং, সাইবার অপরাধ, কিশোর অপরাধ দমন এবং নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বিস্তারিত নির্দেশনা দেন। পরিদর্শন শেষে তিনি পরিদর্শন বইতেও প্রয়োজনীয় মন্তব্য লিপিবদ্ধ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ ইমদাদ হুসাইন, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) বেলাল হোসাইন, পিপিএম, সহকারী পুলিশ কমিশনার (এয়ারপোর্ট জোন) মার্জিয়া রহমান, এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাখাওয়াত হোসেনসহ থানার অন্যান্য কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

সব হারিয়েও মুখে হাসি! যা বলছে আধুনিক বিজ্ঞান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫২ পি.এম


সব হারিয়েও মুখে হাসি! যা বলছে আধুনিক বিজ্ঞান

লুকা মদ্রিচ (বাঁয়ে) ও কেন উইলিয়ামসনের হাসি ম্যাচের পরেও অব্যাহত থাকে। সংগৃহীত ছবিতে তাদের মুখে হারার পরও হাসি দেখা যায়।

খেলার মাঠে চরম পরাজয়ের সময় অনেক কিংবদন্তি খেলোয়াড়দের হাস্যোজ্জ্বল মুখ দেখা যায়। লুকা মদ্রিচ, কেন উইলিয়ামসন, রজার ফেডেরার এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর মতো খেলোয়াড়রা বড় ধরনের হার বা হতাশার মুহূর্তেও নিজেদের সংযত রেখে হাসি মাখা মুখ নিয়ে থাকেন। অনেকের কাছে এটি হলো স্পোর্টসম্যানশিপের পরিচয়, তবে আধুনিক মনোবিজ্ঞান ও স্নায়ুবিজ্ঞানের মতে, এর পেছনে মানুষের মস্তিষ্কের স্বাভাবিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কাজ করে।

২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর লুকা মদ্রিচের হাস্যময় মুখ আবারও আলোচনায় এসেছে। কেন উইলিয়ামসনের শান্ত অভিব্যক্তি ২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ ফাইনালে হৃদয় ভেঙে যাওয়ার পর এই বিষয়টি নতুন করে নিয়ে এসেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চরম মানসিক চাপ বা আবেগের মুহূর্তে মানুষের মস্তিষ্ক কখনও কখনও বিপরীতধর্মী আভাস প্রকাশ করে। মনোবিজ্ঞানে একে বলে ‘Incongruent Affect’ বা ‘Dimorphous Expression’। অর্থাৎ, প্রচণ্ড দুঃখের মাঝেও হাসি অথবা অতিরিক্ত আনন্দে চোখে জল আসা, দুটিই একই ধরনের মানসিক প্রতিক্রিয়া।

ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানী ড. ওরিয়ানা আরাগনের গবেষণায় দেখা গেছে, তীব্র আবেগের ভারসাম্য রক্ষা করতে মস্তিষ্ক এমন প্রতিক্রিয়া দেখায়। চরম পরাজয়ের পর শরীরে কর্টিসল এবং অ্যাড্রেনালিনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। একই সময়ে, মস্তিষ্ক এন্ডোরফিন এবং ডোপামিন নিঃসরণ করে মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করে। এর ফলস্বরূপ, অনেক সময় মুখে হাসির একটি ছাপ ফুটে ওঠে।

মনোবিজ্ঞানে এই প্রক্রিয়াকে ‘Emotional Homeostasis’ বলা হয়। অর্থাৎ, মানুষের মস্তিষ্ক সবসময় আবেগের ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করে। অতিরিক্ত দুঃখ অথবা আনন্দ, দুই পরিস্থিতিতেই সেই ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে বিপরীতধর্মী আবেগ প্রকাশ হতে পারে।

ক্রীড়া মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ের খেলোয়াড়রা দীর্ঘ সময় ধরে মানসিক চাপ মোকাবেলার বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তাই তারা অবগত থাকেন যে ফলাফল সবসময় নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়, তবে নিজের প্রচেষ্টা নিয়ন্ত্রিত রাখা যায়। এজন্য, পরাজয়ের পর অনেক সময় তাদের মুখে যে হাসি দেখা যায়, বিশেষজ্ঞরা এটিকে ‘Smile of Acceptance’ বা বাস্তবতাকে মেনে নেওয়ার প্রতীকেরূপে দেখেন।

২০১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে নাটকীয়ভাবে হারের পর কেন উইলিয়ামসনের হাস্যময় মুখটি আজও ক্রিকেট ইতিহাসের একটি স্মরণীয় দৃশ্য। একইভাবে, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে হারলেও লুকা মদ্রিচ, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং রজার ফেদেরারের সংযত হাসি তরুণ সতীর্থদের জন্য অনুপ্রেরণার বার্তা হিসেবে কাজ করেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই হাসি পরাজয়ের আনন্দ বা উল্লাস নয়। বরং এটি মানসিক স্থিতিস্থাপকতা, আত্মসংযম এবং কঠিন বাস্তবতাকে মেনে নেওয়ার ক্ষমতার স্পষ্ট প্রতিফলন। আধুনিক ‘Sports Psychology’ এবং ‘Neuroscience’ প্রদর্শন করে যে, অত্যন্ত কঠিন মুহূর্তে নিজেকে সামলাতে মস্তিষ্ক অনেক সময় হাসিকে বেছে নেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলছি, শুধু মেসির বিপক্ষে নয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৩ পি.এম


আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলছি, শুধু মেসির বিপক্ষে নয়

মাত্র ১৮ বছর বয়সেই বিশ্ব ফুটবলে পরিচিতি পেয়েছেন হামজা আবদেলকরিম। সম্প্রতি এই টিনএজ তারকা বার্সেলোনায় যোগ দিয়েছেন এবং মিশরের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ বিশ্বকাপ অভিষিক্ত খেলোয়াড়ের রেকর্ড গড়েছেন। ২০২৬ বিশ্বকাপের অন্যতম বড় আবিষ্কার এই তরুণ ফরোয়ার্ড আর্জেন্টিনার বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচের আগে এমন এক মন্তব্য করেছেন, যা দ্রুতই সবার নজর কেড়েছে।

চলমান বিশ্বকাপে আফ্রিকান দলটির অন্যতম চমক হামজা। বেলজিয়ামের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে বদলি হিসবে নামার মধ্য দিয়ে মিশর জাতীয় দলে বহু প্রতীক্ষিত অভিষেক হয়েছে তার। চোত ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় পরীক্ষা এবার এই ১৮ বছর বয়সীর সামনে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে মাঠে নামছে তার দল মিশর।

 

মেসির মতো সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়ের মুখোমুখি হওয়ার আগে হামজা অবশ্য গোতা দলটিকে নিয়েই ভাবছেন। মেসিকে নিয়ে আলাদা করে ভাবতে নারাজ তিনি। হামজা বলেন, 'আমরা আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলছি, শুধু মেসির বিপক্ষে নয়।'

 

মেসির মতো কিংবদন্তির মুখোমুখি হওয়ার চাপকে একেবারেই গুরুত্ব দিতে নারাজ আবদেলকরিম। তার মতে, প্রতিপক্ষকে একটি দল হিসেবেই দেখা উচিত।

 

 

তার নতুন ক্লাব বার্সেলোনার সর্বকালের অন্যতম সেরা আইকন মেসির বিপক্ষে খেলবেন, এ কথা মনে করিয়ে দেওয়া হলে তিনি দৃঢ়ভাবেই নিজের অবস্থান জানান। পরে মুন্দো দেপোর্তিভোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, 'আমি যখন মাঠে নামি, তখন যা আমাকে আনন্দ দেয় সেটাই করি। মাঠের বাইরে কে কী বলল বা করল, সেটা নিয়ে আমি ভাবি না। আমার পুরো মনোযোগ থাকে মাঠের খেলায়।'

 

মিশরের নতুন প্রজন্মের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ফুটবলার হলেও দলের প্রকৃত নেতা ও সবচেয়ে বড় তারকা যে অধিনায়ক মোহাম্মদ সালাহ, তা স্বীকার করতে দ্বিধা নেই তার। সালাহর প্রভাব সম্পর্কে আবদেলকরিম বলেন, 'শুধু আমার সঙ্গেই নয়, পুরো দলের সঙ্গেই তিনি থাকেন। নিজের সব অভিজ্ঞতা আমাদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার চেষ্টা করেন, আর আমরা সেগুলো থেকে শেখার চেষ্টা করি। সালাহর মতো একটি ক্যারিয়ার গড়া ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। তার পাশে থাকা আমার জন্য স্বপ্ন এবং গর্বের বিষয়।'

 

কে এই হামজা আবদেলকরিম?

 

২০০৮ সালের ১ জানুয়ারি কায়রোতে জন্মগ্রহণ করেন হামজা আবদেলকরিম। ১.৮২ মিটার উচ্চতার এই স্ট্রাইকারের ফুটবল যাত্রা শুরু হয় মালয়েশিয়ায়। সে সময় তার বাবা, যিনি একজন সাবেক ভলিবল খেলোয়াড়, কুয়ালালামপুরের একটি একাডেমিতে কাজ করতেন।

 

২০২০ সালে তিনি আল আহলির যুব একাডেমিতে যোগ দেন এবং দ্রুতই নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে শুরু করেন। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে, মাত্র ১৭ বছর ১ মাস বয়সে আল আহলির সিনিয়র দলে অভিষেক হয় তার। এর মাধ্যমে তিনি এই শতাব্দীতে ক্লাবটির সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড়ের রেকর্ড গড়েন। এর মাধ্যমে তিনি রমাদান সোবহির রেকর্ডও ভেঙে দেন।

 

মিশরের বয়সভিত্তিক দলে তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্স ইউরোপের একাধিক বড় ক্লাবের নজর কাড়ে। অনূর্ধ্ব-১৭ আফ্রিকা কাপ অব নেশনস ও বিশ্বকাপে ২১ ম্যাচে ১২ গোল করে তিনি আলোচনায় চলে আসেন। ডাচ ক্লাব ফেইনুর্দ তাকে দলে নিতে আগ্রহ দেখালেও আল আহলি দ্রুত তার চুক্তি নবায়ন করে।

 

তবে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বার্সেলোনা তাকে ধারে বার্সেলোনা বি দলে নিয়ে আসে।

 

মিশরীয় সংবাদমাধ্যমে 'নতুন সালাহ' নামে পরিচিত এই তরুণ শুরুতে বার্সেলোনার যুব দলে সুযোগ পেতে কিছুটা সময় নিলেও অভিষেক ম্যাচেই সবাইকে চমকে দেন। মাত্র ১৫ মিনিটে হ্যাটট্রিক করেন, আর তিনটি গোলই ছিল হেড থেকে। সেই ম্যাচেই দলকে লিগ শিরোপা জিততে সাহায্য করেন।

 

এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ১১ ম্যাচে ৮ গোল করার পর বার্সেলোনা তার চুক্তিতে থাকা ১৫ লাখ ইউরোর স্থায়ী কেনার অপশন কার্যকর করে। বিষয়টি আল আহলিও নিশ্চিত করেছে। এমনকি প্রথম দলের কোচ হান্সি ফ্লিকও জানিয়েছেন, আসন্ন প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতিতে হামজা তার পরিকল্পনার অংশ।

 

 

স্পেনে স্থায়ীভাবে খেলার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ার পরই মিশরের কোচ হোসাম হাসান দ্রুত তাকে ২০২৬ বিশ্বকাপ দলে ডাকেন। যদিও তখনও তার সিনিয়র দলে অভিষেক হয়নি এবং প্রথম বিভাগে খেলার অভিজ্ঞতাও ছিল খুবই সীমিত।

 

বিশ্বকাপে মাঠে নামার মাধ্যমে তিনি মিশরের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক ফুটবলার হওয়ার রেকর্ড গড়েছেন। বয়স কম হলেও তাকে ঘিরে প্রত্যাশা বিশাল। দলে তার সঙ্গে আছেন মোহাম্মদ সালাহ, ওমর মারমুশ ও ত্রেজেগে, যারা মূলত উইঙ্গার। ফলে স্বাভাবিক স্ট্রাইকার হিসেবে স্কোয়াডে হামজাই একমাত্র প্রকৃত 'নাম্বার নাইন'। তাই ২০২৬ বিশ্বকাপে এই মিশরীয় বিস্ময়বালককে ঘিরে আলোচনার শেষ হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রবল বর্ষণে পানির কারণে রেললাইন তলিয়ে গেছে, আটকা ৮‘শর বেশি যাত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৪ পি.এম


প্রবল বর্ষণে পানির কারণে রেললাইন তলিয়ে গেছে, আটকা ৮‘শর বেশি যাত্রী

চট্টগ্রামে টানা বর্ষণ ও জলাবদ্ধতার ঘটনা ঘটে থাকায় রেললাইনের ওপর পানির স্তর জমে রয়েছে। ফলে কক্সবাজারগামী ‘পর্যটক এক্সপ্রেস’ ট্রেনটির চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরের সময়, চট্টগ্রামের ষোলশহর স্টেশন এলাকায় যখন রেললাইনে পানি জমেছে, ঠিক তখনই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দুপুর দেড়টার দিকে, ট্রেনটি ষোলশহর স্টেশন এলাকা অতিক্রম করার সময় ভারী বৃষ্টির কারণে রেললাইনের ওপর মহানির্ভরযোগ্য পানি জমে যায়। পানি প্রবাহিত হয়ে ইঞ্জিনে প্রবেশ করে, যা বড় ধরনের যান্ত্রিক ত্রুটি বা দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এই কারণে চালক নিরাপত্তার দিক বিবেচনা করে ট্রেনটি থামিয়ে দেন। তারপর থেকে ট্রেনটি ওই এলাকায় আটকা পড়ে আছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রেলওয়ের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্যই ট্রেনটি বর্তমানে থামে রাখা হয়েছে। এই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, রেলওয়ে কন্ট্রোল রুম থেকে জানানো হয়েছে যে, ট্রেন চলাচল আপাতত বন্ধ রেখেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নদীভাঙন রোধে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে সরকার : পানিসম্পদ মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৪ পি.এম


নদীভাঙন রোধে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে সরকার : পানিসম্পদ মন্ত্রী

পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, নদীভাঙন প্রতিরোধ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নদীতীর সংরক্ষণে সরকার ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

সংরক্ষিত মহিলা আসনের সরকারি দলের সদস্য সেলিনা সুলতানার তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেছেন, নদীভাঙন রোধ সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মসূচি। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য পদ্মা ব্যারেজ, তিস্তা মহাপরিকল্পনা, নদীভাঙন প্রতিরোধ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি সংরক্ষণ, কৃষিজমির লবণাক্ততা হ্রাস এবং টেকসই পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত বিভিন্ন প্রকল্প কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় ২৫০ কিলোমিটার নদীতীর প্রতিরক্ষা কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে গত ৩১ মে পর্যন্ত ২০৬ কিলোমিটার কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। পাশাপাশি ৪৩টি গ্রোয়েন অথবা স্পার নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে আরও ২৫০ কিলোমিটার নদীতীর প্রতিরক্ষা কাজ বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে মোট ১ হাজার ৫০ কিলোমিটার নদীতীর প্রতিরক্ষা কাজ এবং ৫০টি গ্রোয়েন অথবা স্পার নির্মাণ ও মেরামতের পরিকল্পনা রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ৯৩টি উন্নয়ন প্রকল্প কার্যকরভাবে বাস্তবায়নাধীন রয়েছে এবং ৫৮টি প্রকল্প পরিকল্পনাধীন অবস্থায় রয়েছে। এসব প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে নদীতীর সংরক্ষণ, নদী পুনরুজ্জীবন, সেচ ও পোল্ডার পুনর্বাসন, এবং বাঁধ নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণের কাজ কার্যকরীভাবে বাস্তবায়িত হবে।

তিনি জানান, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) স্যাম্পল ভাইটাল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম (এসভিআরএস)-এর ২০২২ ও ২০২৩ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে প্রতিবছর গড়ে ৩ হাজার ৫০০টির বেশি পরিবার এবং ১৫ হাজারের বেশি মানুষ নদীভাঙনের কারণে বাস্তুচ্যুত বা উদ্বাস্তু হয়ে থাকে।

এই সকল কারণে নদীভাঙন প্রতিরোধ ও নদীতীর সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকার ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে, বলেছেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%