ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নদীভাঙন রোধে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে সরকার : পানিসম্পদ মন্ত্রী


নদীভাঙন রোধে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে সরকার : পানিসম্পদ মন্ত্রী

পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, নদীভাঙন প্রতিরোধ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নদীতীর সংরক্ষণে সরকার ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

সংরক্ষিত মহিলা আসনের সরকারি দলের সদস্য সেলিনা সুলতানার তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেছেন, নদীভাঙন রোধ সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মসূচি। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য পদ্মা ব্যারেজ, তিস্তা মহাপরিকল্পনা, নদীভাঙন প্রতিরোধ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি সংরক্ষণ, কৃষিজমির লবণাক্ততা হ্রাস এবং টেকসই পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত বিভিন্ন প্রকল্প কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় ২৫০ কিলোমিটার নদীতীর প্রতিরক্ষা কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে গত ৩১ মে পর্যন্ত ২০৬ কিলোমিটার কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। পাশাপাশি ৪৩টি গ্রোয়েন অথবা স্পার নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

তিনি আরও বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে আরও ২৫০ কিলোমিটার নদীতীর প্রতিরক্ষা কাজ বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে মোট ১ হাজার ৫০ কিলোমিটার নদীতীর প্রতিরক্ষা কাজ এবং ৫০টি গ্রোয়েন অথবা স্পার নির্মাণ ও মেরামতের পরিকল্পনা রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ৯৩টি উন্নয়ন প্রকল্প কার্যকরভাবে বাস্তবায়নাধীন রয়েছে এবং ৫৮টি প্রকল্প পরিকল্পনাধীন অবস্থায় রয়েছে। এসব প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে নদীতীর সংরক্ষণ, নদী পুনরুজ্জীবন, সেচ ও পোল্ডার পুনর্বাসন, এবং বাঁধ নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণের কাজ কার্যকরীভাবে বাস্তবায়িত হবে।

তিনি জানান, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) স্যাম্পল ভাইটাল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম (এসভিআরএস)-এর ২০২২ ও ২০২৩ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে প্রতিবছর গড়ে ৩ হাজার ৫০০টির বেশি পরিবার এবং ১৫ হাজারের বেশি মানুষ নদীভাঙনের কারণে বাস্তুচ্যুত বা উদ্বাস্তু হয়ে থাকে।

এই সকল কারণে নদীভাঙন প্রতিরোধ ও নদীতীর সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকার ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে, বলেছেন তিনি।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাদ চুয়ে পড়ছে পানি, মাথায় পলিথিন দিয়ে অফিস করছেন উজিরপুরের শিক্ষকরা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক বরিশাল

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৭ পি.এম


ছাদ চুয়ে পড়ছে পানি, মাথায় পলিথিন দিয়ে অফিস করছেন উজিরপুরের শিক্ষকরা!

বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ৮৪ নম্বর রাখালতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ অফিস কক্ষে চরম দুর্ভোগ ও ঝুঁকির মধ্য দিয়ে চলছে দাপ্তরিক কার্যক্রম। সামান্য বৃষ্টিতেই ছাদ চুইয়ে পানি পড়ায় মাথায় পলিথিন দিয়ে অফিস করতে হচ্ছে শিক্ষকদের। একই সঙ্গে ভিজে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে বিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র, আসবাবপত্র ও শিক্ষাসামগ্রী।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৪৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এ বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন ধরে অবকাঠামোগত সংকটে রয়েছে। প্রতিষ্ঠার পর এত বছর পেরিয়ে গেলেও বিদ্যালয়ের জন্য একটি আধুনিক ও টেকসই অফিস ভবন নির্মাণ করা হয়নি। বর্তমানে ব্যবহৃত জরাজীর্ণ অফিস কক্ষে বৃষ্টি হলেই বিভিন্ন স্থান দিয়ে পানি পড়ে, ফলে স্বাভাবিকভাবে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শাহানাজ পারভীন বলেন, উপজেলা প্রশাসনের নিকটবর্তী স্থানে বিদ্যালয়টি অবস্থিত হলেও বহুবার ভবন নির্মাণ ও সংস্কারের আবেদন জানানো হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর উদ্যোগ বা বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। ফলে শিক্ষকরা প্রতিনিয়ত দুর্ভোগের মধ্যে দায়িত্ব পালন করছেন এবং শিক্ষার্থীদের পাঠদানও ব্যাহত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বৃষ্টির সময় গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও অফিসের আসবাবপত্র রক্ষায় নানা কৌশল অবলম্বন করতে হয়। কখনো মাথায় পলিথিন দিয়ে, কখনো নথিপত্র সরিয়ে রেখে কাজ চালাতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

এ বিষয়ে উজিরপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম জানান, বিদ্যালয়টির ভবন নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ চেয়ে ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তালিকা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলী সুজা বলেন, স্থায়ী ভবন নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যালয়টিকে ঢেউটিন দিয়ে সাময়িকভাবে সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এদিকে, বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত একটি পাকা অফিস ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে বিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগের অবসান ঘটাবে এবং একটি নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রীলঙ্কায় কারাগারে দাঙ্গার তদন্ত শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০২ পি.এম


শ্রীলঙ্কায় কারাগারে দাঙ্গার তদন্ত শুরু

শ্রীলঙ্কায় একটি কারাগারে ঘটে যাওয়া দাঙ্গার তদন্ত আজ শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে এখন ২৭ জনে পৌঁছেছে এবং এতে আহত হয়েছে শতাধিক মানুষ।

সোমবারের সংঘর্ষের পর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় জোর দেওয়া হয়েছে। যদিও নেগোম্বো কারাগারের ভেতরে সশস্ত্র পুলিশ ও কমান্ডো মোতায়েন করা হয়নি, তবে কারাগারের চারপাশে তারা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে।

কলম্বো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য জানিয়েছে।

বিচারমন্ত্রী হর্ষানা নানায়াক্কারা মঙ্গলবার পার্লামেন্টে এ বিষয়ে জানান, সরকার একটি তদন্ত কমিশন গঠন করার পাশাপাশি ফৌজদারি তদন্তও শুরু করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের সংখ্যা অন্তত ২৭ এবং এই সংখ্যার মধ্যে রাতে আরো একজন বন্দির মৃত্যু হয়েছে।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত থেকে জানা গেছে, উদ্ধারকৃত তথ্যে দেখা যায়, রাজধানীর উত্তরে অবস্থিত ওই কারাগারে প্রতিদ্বন্দ্বী দুটি চক্রের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে তারা কারারক্ষীদের পরাজিত করে তাদের অস্ত্র ছিনিয়ে নেয় এবং গুলি চালাতে থাকে।

নানায়াক্কারা জানিয়েছেন, সংঘর্ষের সময় বন্দিরা একটি সিসিটিভি ক্যামেরাও ভাঙচুর করে।

চিকিৎসকরা জানান, নেগোম্বো হাসপাতালে বর্তমানে ৯৭ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদের মধ্যে ২৩ জন কারারক্ষী রয়েছে। তারা গুলিবিদ্ধ, কাটা জখম এবং গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন।

এছাড়া, আরো ১৯ জন বন্দি বর্তমানে কলম্বোর একটি হাসপাতালে চিকিত্সাধীন।

এক পুলিশ কর্মকর্তা এএফপি-কে জানান, সোমবার দাঙ্গা থামানোর চেষ্টা করতে গিয়ে সাতজন কারারক্ষী নিহত হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে পাহাড়ধসে ১১ জনের মৃত্যু, আতঙ্কের মধ্যে লাখো মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০২ পি.এম


কক্সবাজারে পাহাড়ধসে ১১ জনের মৃত্যু, আতঙ্কের মধ্যে লাখো মানুষ

টানা ভারি বর্ষণে কক্সবাজারে ভয়াবহ পাহাড়ধসে নারী ও শিশুসহ অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সর্বশেষ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে কক্সবাজার শহরের দরিয়ানগর এলাকায় বিশ্রামে থাকা স্বামী-স্ত্রীর উপর পাহাড়ের মাটি ধসে পড়লে স্ত্রী নাসিমা আক্তার লিমার মৃত্যু ঘটে। এই ঘটনার জেরে নিহতের স্বামী জসিম উদ্দিন গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য দ্রুত কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

মৃত নাসিমার লাশ বর্তমানে সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং আহত স্বামী একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে, যেখানে এক রাতেই তিনটি পৃথক স্থানে আটজন নিহত হন। সোমবার (৬ জুলাই) পেকুয়া উপজেলার টৈটং ইউনিয়নে পাহাড়ধসে মো. মিনহাজ উদ্দিন (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু ঘটে।

এছাড়া কক্সবাজার শহর, সদর উপজেলার দরিয়ানগর এবং পেকুয়ায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়।

টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ধসের আশঙ্কায় জেলার পাহাড়ঘেরা এলাকায় প্রায় তিন লাখ মানুষ চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. অহিদুর রহমান বলেন, উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

তিনি আবহাওয়ার উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত পাহাড়ের পাদদেশ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অবস্থান না করার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

শুধু রোহিঙ্গা ক্যাম্প নয়, কক্সবাজার সদর, উখিয়া ও রামুর বিভিন্ন পাহাড়ঘেরা এলাকায় প্রায় তিন লাখ মানুষ পাহাড়ধসের উচ্চ ঝুঁকিতে বসবাস করছেন। টানা বর্ষণে এসব এলাকায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, অবৈধভাবে পাহাড় কাটার কারণে ক্যাম্পের বহু এলাকা চরম ঝুকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তার মতে, এটি শুধু প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়, বরং অবৈধ পাহাড় কাটার কারণে সৃষ্টি হওয়া মানবসৃষ্ট বিপর্যয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেড়িবাঁধ কেটে পাইপ বসানোর বিরুদ্ধে অভিযান, গাবুরায় উচ্ছেদ শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিশেষ প্রতিনিধি সাতক্ষীরার শ্যামনগর

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৫ পি.এম


বেড়িবাঁধ কেটে পাইপ বসানোর বিরুদ্ধে অভিযান, গাবুরায় উচ্ছেদ শুরু

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার উপকূলীয় গাবুরা ইউনিয়নে নদীর বাঁধ কেটে বসানো ‘নাইনটি’ পাইপ উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে প্রশাসন। দীর্ঘদিন ধরে ঘের মালিকদের নদী থেকে লবণাক্ত পানি উত্তোলনের জন্য ব্যবহৃত এসব পাইপ নতুন নির্মিত বেড়িবাঁধের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠেছিল। অবশেষে জনসচেতনতা, স্থানীয়দের প্রতিবাদ এবং গণমাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরার পর প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযানে নামে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘের মালিকরা নদী থেকে লবণাক্ত পানি তুলতে বাঁধ কেটে পাইপ বসিয়ে আসছিলেন। স্থানীয়ভাবে এসব পাইপ ‘নাইনটি’ নামে পরিচিত। সম্প্রতি গাবুরায় নির্মাণাধীন নতুন কংক্রিটের বেড়িবাঁধের বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য পাইপ বসানো হয়, যা বাঁধের স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করে।

বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হলে স্থানীয় বাসিন্দা, বিশেষ করে তরুণ সমাজ, এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়। মানববন্ধনের ডাকসহ নানা কর্মসূচির মাধ্যমে তারা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

এরপর সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিরা জানান, ৭ ও ৮ জুলাই নাইনটি উচ্ছেদে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হবে। ঘোষণার পর অনেক ঘের মালিক রাতের মধ্যেই স্বেচ্ছায় তাদের পাইপ সরিয়ে নেন।

মঙ্গলবার সকালে গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নিজ উদ্যোগে কয়েকটি পাইপ অপসারণ করেন। পরে প্রতিকূল আবহাওয়া ও বৃষ্টির মধ্যেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে প্রশাসনের একটি দল নদী পেরিয়ে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে প্রথম দিনে একটি এলাকায় অভিযান সীমাবদ্ধ থাকলেও আগামী দিনগুলোতে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের দাবি, গাবুরায় প্রায় *১,০২০ কোটি টাকা* ব্যয়ে নির্মাণাধীন টেকসই বেড়িবাঁধ উপকূলবাসীর জীবন ও সম্পদ রক্ষার অন্যতম ভরসা। তাই বাঁধ কেটে পাইপ বসিয়ে ক্ষতিসাধনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

উপকূলবাসীর ভাষ্য, বাঁধ কেটে লবণাক্ত পানি প্রবেশের ব্যবস্থা করা শুধু আইন লঙ্ঘনই নয়, এটি জনস্বার্থ ও জননিরাপত্তার পরিপন্থী একটি গুরুতর কাজ। ভবিষ্যতে যাতে কেউ আর বাঁধে ‘নাইনটি’ পাইপ বসাতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

এদিকে স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সচেতন মহল বলছে, ঘেরে পানি নেওয়ার বিকল্প ব্যবস্থা রয়েছে। তাই সাময়িক সুবিধার জন্য কোটি কোটি টাকার বেড়িবাঁধ ঝুঁকির মুখে না ফেলে সবাইকে আইন মেনে চলতে হবে। উপকূল রক্ষায় প্রশাসন ও জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগই হতে পারে স্থায়ী সমাধান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%