মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৪৪ এম
উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া প্রবাহিত হতে পারে। এই কারণে আবহাওয়া অধিদপ্তর চারটি সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর সতর্কসংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে আবহাওয়ার সতর্কবার্তায় এ বিষয়টি জানানো হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যা উপকূল ও উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি সুস্পষ্ট লঘুচাপ অবস্থান করছে। এই লঘুচাপটি পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে সমুদ্র বন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এই পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে, যতক্ষণ না পরবর্তী নির্দেশনা আসে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার ফলে মৃতের সংখ্যা বর্তমানে ৯৫৫ জনে পৌঁছেছে। প্রায় ৪ হাজার মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছে। দেশের নুয়াকোট জেলার একটি বাড়ি থেকে একসঙ্গে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা এই দুর্যোগের ভয়াবহতা আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।
মঙ্গলবার কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নুয়াকোটের বেত্রাবতী এলাকার ওই বাড়ি থেকে সোমবার সকালে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, বন্যার পানিতে বাড়িটি ভেসে যাওয়ার পর সেখানে মরদেহগুলো আটকা পড়ে ছিল।
গত ২৬ আগস্ট নেপাল-তিব্বত সীমান্তের কাছে বরফ ও পাথরের ধসের ফলে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়। ভোতে কোশি ও ত্রিশূলী নদী ব্যবস্থায় প্রবল স্রোত নেমে এসে উত্তর ও মধ্য নেপালের বহু শহর ও গ্রাম প্লাবিত করেছে। এই পরিস্থিতিতে ঘরবাড়ি, যানবাহন, সড়ক ও সেতুর পাশাপাশি বেশ কয়েকটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বন্যার পর নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলছে। তবে ঘন কাদা, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে অভিযান ব্যাহত হচ্ছে। জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কয়েকটি টানেলে ৯০০ জনের বেশি শ্রমিক আটকা পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ী, ১১টি প্রকল্পের ৯৩৩ শ্রমিক নিখোঁজ বা আটকা পড়েছেন। রাশুয়া ও নুয়াকোট জেলার কয়েকটি টানেলে এখনও উদ্ধারকাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। ত্রিশূলী ৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে প্রায় ৪০ থেকে ৪২ জন প্রকৌশলী কাজ করছিলেন। বন্যার পর তাঁদের সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ত্রিশূলী ৩বি প্রকল্পের ১১৮ শ্রমিকও নিখোঁজ রয়েছেন।
নেপাল সেনাবাহিনী কাদা ও পানি সরাতে নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ, খননযন্ত্র ও সার্চলাইট ব্যবহার করছে। তবে টানেলের ভেতরের পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন হওয়ায় উদ্ধারকাজে সময় লাগছে।
এদিকে প্রতিবেশী ভারতের উত্তর প্রদেশের কুশীনগরের গণ্ডক নদী থেকে ১৩টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ছয়জন নারী ও সাতজন পুরুষ রয়েছেন। মরদেহগুলো নেপালে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।
নিখোঁজ স্বজনদের সন্ধানে হাসপাতালগুলোতে ভিড় করছেন পরিবারের সদস্যরা। অনেক মরদেহ দীর্ঘ সময় পানিতে থাকার কারণে বিকৃত হয়ে যাওয়ায় পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। স্বজনদের কেউ পোশাক, গয়না, ট্যাটু বা ব্যক্তিগত সামগ্রী দেখে মরদেহ শনাক্ত করার চেষ্টা করছেন। প্রয়োজনে ডিএনএ পরীক্ষারও সহায়তা নেওয়া হচ্ছে।
নেপাল মরদেহ শনাক্ত ও উদ্ধারকাজে ফ্রিজার, ডিএনএ কিট, লাইডার, ড্রোন ও সেতু নির্মাণের সরঞ্জাম চেয়েছে। ভারত, চীন, সিঙ্গাপুর ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশ উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে সহায়তা করছে।
জাতিসংঘ জানিয়েছে, বন্যাকবলিত এলাকায় প্রায় ৬৫ হাজার মানুষের জরুরি পানি, পয়োনিষ্কাশন ও স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা প্রয়োজন। এ ছাড়া ২২ হাজারের বেশি শিশুর সুরক্ষা সহায়তা দরকার। ১৯টি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; এর মধ্যে ৯টি পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে এবং ৮টি স্কুল বর্তমানে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ১০ হাজারের বেশি মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩২৩ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন। নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৩৯টি দেশের প্রায় ৫৯০ বিদেশি নাগরিক এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু মন্তব্য করেছেন, ‘রাষ্ট্রের কল্যাণের স্বার্থে কারও সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না। আমরা পাহাড়ের মানুষের মঙ্গলের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যেতে চাই।
তিনি আরও বলেন, ‘শুধু ঢাকায় বসে ফাইলসই বা নির্দেশনা দেওয়ার পক্ষে আমি নই; মাঠে ফিজিক্যালি প্রেজেন্ট থেকে পরিস্থিতি দেখে ব্যবস্থা নিতে চাই।’
সোমবার (৩১ আগস্ট) সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত কক্সবাজার জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা, উন্নয়নমূলক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম সমন্বয় সংক্রান্ত সভায় অনলাইনে যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু কক্সবাজার জেলাকে একটি সুপরিকল্পিত মাস্টার প্ল্যানের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন। পাশাপাশি, দেশের সার্বিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অপরাধ ও মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কঠোর বার্তা প্রদান করেছেন।
মন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
রোহিঙ্গা সংকট এবং কক্সবাজারের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও টেকসই সমাধানের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং কক্সবাজারের স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে নিবিড় সমন্বয় করে কাজ করা হবে।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নানের সঞ্চালনায় সভায় সীমান্ত অপরাধ, চোরাচালান, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান জোরদার, অপহরণ ও মানবপাচার রোধ, সারের পাচার রোধ ও সুষম বণ্টন নিশ্চিতকরণ, পর্যটন নগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং সেন্টমার্টিনে অবৈধ স্থাপনা বা রিসোর্ট নির্মাণ বন্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও প্রশাসনের সমন্বয়ে নিয়মিত যৌথ টহল এবং অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানোর ওপর জোর দেওয়া হয়।
জুম মিটিংটিতে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও পল্লী বিদ্যুৎসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রানা প্লাজা ভবন নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ভবনটির মালিক সোহেল রানাসহ আট আসামির রায় আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ঘোষণা করা হবে।
ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক বি এম তারিকুল কবীর এ মামলার রায় প্রদান করবেন।
এর আগে গত ১৬ আগস্ট মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য আদালত নির্ধারিত দিন ধার্য করেছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রায় প্রস্তুত না হওয়ায় আদালত রায় ঘোষণার তারিখ পিছিয়ে ১ সেপ্টেম্বর নতুন দিন নির্ধারণ করে।
এ মামলায় সোহেল রানার সঙ্গে অন্যান্য আসামিরা হলেন– সাভার পৌরসভার সাবেক মেয়র রেফাত উল্লাহ, সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায়, নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, সাবেক সহকারী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান, সাবেক উপসহকারী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান রাসেল, সাবেক টাউন প্ল্যানার ফারজানা ইসলাম এবং লাইসেন্স পরিদর্শক মো. আবদুল মোত্তালিব।
আসামিদের মধ্যে ভবন মালিক সোহেল রানা এ মামলায় জামিনে থাকলেও রানা প্লাজা ধসে শ্রমিকদের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় তিনি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
রায় ঘোষণার দিন তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হবে। এছাড়া মাহবুবুর রহমান ও ফারজানা ইসলাম পলাতক রয়েছেন। জামিনে থাকা অন্যান্য আসামিদেরও আদালতে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
মামলার বিচার চলাকালে সোহেল রানার বাবা আবদুল খালেক ও মা মর্জিনা খাতুন বেগম মারা যান।
তাদের মৃত্যুর পর আদালত তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।
রানা প্লাজা ধস বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ শিল্পদুর্ঘটনা হিসেবে পরিচিত। ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সকালে সাভার বাসস্ট্যান্ডের কাছে অবস্থিত বহুল আলোচিত রানা প্লাজা ভবনটি ধসে পড়ে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ধসে পড়া ভবনের নিচে চাপা পড়ে প্রাণ হারান ১ হাজার ১৩৬ জনের বেশি মানুষ। নিহতদের অধিকাংশই ছিলেন ওই ভবনে থাকা পোশাক কারখানার শ্রমিক।
এ ঘটনায় আহত হন আরো বহু শ্রমিক ও কর্মচারী।
ভয়াবহ ওই দুর্ঘটনার পর রানা প্লাজা ভবন নির্মাণে নকশা অনুমোদন, ভবনের কাঠামো পরিবর্তন, অতিরিক্ত তলা নির্মাণ এবং পোশাক কারখানা স্থাপনের অনুমোদনসহ বিভিন্ন পর্যায়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত শুরু করে।
দুদকের অনুসন্ধানের পর নকশাবহির্ভূতভাবে ভবন নির্মাণের অভিযোগে ২০১৪ সালের ১৫ জুন সাভার থানায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। তবে প্রাথমিকভাবে ভবনটির মালিক সোহেল রানাকে ওই মামলায় আসামি করা হয়নি। কারণ, ভবনটি তার বাবা আবদুল খালেকের নামে ছিল। পরবর্তী সময়ে তদন্তে ভবনটির নির্মাণ, অনুমোদন ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সোহেল রানার সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। এরপর অধিকতর তদন্ত শেষে তাকে মামলায় আসামি করা হয়।
২০১৭ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি অধিকতর তদন্ত শেষে সোহেল রানা, তার বাবা-মাসহ মোট ১৮ জনকে আসামি করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে দুদক। পরবর্তী সময়ে মামলার অভিযোগ গঠনের সময় আটজনকে অব্যাহতি দেওয়া হয় এবং ১০ আসামির বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। বিচার চলার সময় সোহেল রানার বাবা ও মায়ের মৃত্যু হলে তাদেরও মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ফলে বর্তমানে আট আসামির বিরুদ্ধে মামলাটির বিচার শেষ হয়েছে।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ‘রানা প্লাজা’ নামে ছয়তলা একটি শপিং কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য ২০০৬ সালের ১০ এপ্রিল সাভার পৌরসভা থেকে নকশা অনুমোদন করা হয়। পরবর্তী সময়ে ২০০৮ সালের ২২ জানুয়ারি ওই ভবনের ওপর আরো চারটি তলা নির্মাণের অনুমোদন চাওয়া হয়। অর্থাৎ, ভবনটির মূল অনুমোদিত কাঠামোর বাইরে অতিরিক্ত তলা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
অভিযোগপত্রে আরো বলা হয়, ভবনটি মূলত শপিং কমপ্লেক্স হিসেবে নির্মাণের অনুমোদন পেলেও পরবর্তী সময়ে সেখানে পাঁচটি পোশাক কারখানা স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয়। ভবনের নকশা অনুমোদন, অতিরিক্ত তলা নির্মাণ এবং পোশাক কারখানা স্থাপনের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়। এসব অনিয়মের কারণে ভবনটির নিরাপত্তা ও কাঠামোগত স্থায়িত্ব নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
২০১৭ সালের ২১ মে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষ মোট ২০ জন সাক্ষী উপস্থাপনের অনুমতি পেলেও তাদের মধ্যে ১৯ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাক্ষ্যগ্রহণ, জেরা এবং অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া শেষে মামলাটি রায় ঘোষণার পর্যায়ে আসে।
রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় হওয়া একাধিক মামলার মধ্যে ভবন নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে করা এ মামলাটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ভবনটির নকশা অনুমোদন থেকে শুরু করে অতিরিক্ত তলা নির্মাণ এবং সেখানে পোশাক কারখানা স্থাপনের অনুমোদনের ক্ষেত্রে সরকারি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে এ মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
দীর্ঘ ১২ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা আইনি প্রক্রিয়ার পর আজ এ মামলার রায় ঘোষণাকে ঘিরে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। রায় ঘোষণার মাধ্যমে ভবন নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিচারিক নিষ্পত্তি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইউরোপের ডানপন্থী গণমাধ্যম এবং রক্ষণশীল নাগরিক সমাজকে শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার (২৫ মিলিয়ন) অনুদান দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।
এই পরিকল্পনা ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা নতুন করে বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ২১ আগস্ট কংগ্রেসকে এই তহবিল বরাদ্দের বিষয়ে অবহিত করেছে। এই মোট অর্থায়নের মধ্যে ৪০ লাখ ডলার রাখা হয়েছে ইউরোপে স্বাধীন সাংবাদিকদের একটি কনসোর্টিয়াম গঠন এবং ডানপন্থী সংবাদমাধ্যমকে সহায়তা করার জন্য। এছাড়া, অভিবাসন ও জাতীয় সার্বভৌমত্বের মতো বিষয়গুলোতে নজর রেখে ‘গণতান্ত্রিক পশ্চাদপসরণ’ বিশ্লেষণের জন্য আরো ৩০ লাখ ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে। জানা গেছে, সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ এই তহবিল চূড়ান্ত হতে পারে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শ্রম ব্যুরো (ডিআরএল) দাবি করেছে, এই অর্থায়নের উদ্দেশ্য হলো আন্তঃআটলান্টিক সম্পর্ককে শক্তিশালী করা এবং বাকস্বাধীনতা বৃদ্ধি করা। তারা উল্লেখ করেছে যে, তারা কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সরাসরি অর্থায়ন করে না।
তবে ইউরোপে আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে মার্কিন সরকারের এই পদক্ষেপে বেশ কয়েকটি দেশের পক্ষ থেকে কড়া প্রতিক্রিয়া এসেছে। ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারো ইউরোপের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, "কোনো দেশ থেকেই তাদের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বিদেশি হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ