০৮:০১ পি.এম
মোবাইলে একটি অ্যাপসের মাধ্যমে নাটোরের বড়াইগ্রামের মেয়ে সাদিয়া খাতুনের সঙ্গে পরিচয় ঘটে চীনা নাগরিক সুবেশের। এখান থেকেই বন্ধুত্বের শুরু।
যুগলাটির বন্ধুত্বের টানে সুবেশ ওই তরুণীর বাড়িতে ঘুরতে আসেন। যখন এই খবর ছড়িয়ে পড়ে, তখন তাকে এক নজর দেখতে স্থানীয়রা ওই বাড়িতে ভিড় করে।
বৃহস্পতিবার রাতে ওই চীনা যুবক উপজেলার ভবানীপুর ভাটোপাড়া এলাকায় সাদ্দাম হোসেনের বাড়িতে উপস্থিত হন। উল্লেখ্য, তরুণী সাদিয়া খাতুন ঐ এলাকার সাদ্দাম হোসেনের কন্যা।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে ‘৩৬ জুলাই’ স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিকাণ্ড, ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতা
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক মাস আগে একটি অ্যাপসের মাধ্যমে স্কুলছাত্রী সাদিয়া খাতুনের সঙ্গে পরিচয় হয় ওই চীনা যুবকের। এরপর গড়ে ওঠে তাদের বন্ধুত্ব। একসময়, ওই যুবক বাংলাদেশে তার বাড়িতে বেড়াতে আসতে ইচ্ছা পোষণ করেন। পরে পাসপোর্ট ও ভিসা প্রস্তুত করে যুবক সাদিয়ার কাছে ছবি পাঠান।
প্রথমে সাদিয়া বিশ্বাস করেননি যে, তিনি বাংলাদেশে আসবেন। পরে সাদিয়া তার বাবা-মাকে বিষয়টি জানালে তারা সম্মতি দেন। এর পর, বৃহস্পতিবার বিমানে উঠলে, তরুণীকে জানানোর পর তার পরিবারের সদস্যরা ওই যুবককে ঢাকা বিমানবন্দরে গ্রহণ করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।
সাদিয়া খাতুন জানান, একটি অ্যাপসের মাধ্যমে আমাদের পরিচয় হয়। এরপর আমরা বন্ধুত্বে পরিণত হই। পরে, সুবেশ বলেন যে তিনি আমার সঙ্গে দেখা করতে বাংলাদেশে আসতে চান। প্রথমে আমি এই কথায় বিশ্বাস করিনি। কিন্তু, ঢাকা বিমানবন্দরে আসার পর, আমার পরিবারের লোক গিয়ে তাকে আমাদের বাড়িতে নিয়ে আসেন। বন্ধুত্বের প্রমাণ দিতেই তিনি বাংলাদেশে এসেছেন।
আরও পড়ুন: লক্ষ্মীপুরে ইসলামী যুব আন্দোলনের নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি শোরাফ, সম্পাদক মনির
সাদিয়ার বাবা সাদ্দাম হোসেন বলেন, আমার মেয়ের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব হয়েছে। তিনি আমাদের এলাকায় বেড়াতে আসতে চাইলে, আমরা তাকে আসতে বলি। তিনি একজন বন্ধু হিসেবে এসেছেন, কিছুদিন বেড়ানোর পর আবার চলে যাবেন।
জোয়াড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান আলী আকবর জানান, আমাদের এলাকায় চীন থেকে একজন নাগরিক বেড়াতে এসেছেন। তিনি ভাটোপাড়ার এক মেয়ের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করেছেন। বর্তমানে তিনি ওই বাড়িতে অবস্থান করছেন। কিছু দিন বেড়ানোর পর তিনি তার দেশে ফিরে যাবেন বলে জানা গিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন