ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আগাম অভিযান: ২৭ ওয়ার্ডে বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম শুরু করতে যাচ্ছে ডিএসসিসি


ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আগাম অভিযান: ২৭ ওয়ার্ডে বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম শুরু করতে যাচ্ছে ডিএসসিসি

বর্ষা মৌসুম শুরুর আগে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার বিস্তার রোধে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।

এডিস মশার প্রজননস্থল শনাক্ত করতে এবং সম্ভাব্য ডেঙ্গু ‘হটস্পট’ চিহ্নিত করতে পরিচালিত বর্ষা-পূর্ব জরিপে রাজধানীর দক্ষিণাঞ্চলের ৭৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৬৩টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৭টি ওয়ার্ডে ঝুঁকির মাত্রা সবচেয়ে বেশি। এই কারণেই সেসব এলাকায় বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ডা. নিশাত পারভীন বাসস’কে জানান, ডিএসসিসি ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার যৌথ উদ্যোগে ১২ মে থেকে ২৩ মে পর্যন্ত ১২ দিনব্যাপী এডিস মশার লার্ভা জরিপ পরিচালিত হয়। জরিপে প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে ৩০টি করে মোট ২ হাজার ২৫০টি বাড়িকে নমুনা হিসেবে নির্বাচন করা হয়। তথ্য সংগ্রহে অংশ নেন ৩৬ জন প্রশিক্ষিত মাঠকর্মী। জরিপের নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে আধুনিক ডিজিটাল তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি ‘কোবো টুলবক্স’ (কড়নড়ঞড়ড়ষনড়ী) ব্যবহৃত হয়।

আরও পড়ুন: শিশুকে মাটিতে আছাড় মেরে হত্যার দায়ে ইতালি প্রবাসী জাহাঙ্গীর আলমের যাবজ্জীবন

জরিপে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে ব্রেটো ইনডেক্স (বিআই), হাউস ইনডেক্স (এইচআই), কনটেইনার ইনডেক্স (সিআই) এবং পিউপা ইনডেক্স (পিআই) নির্ধারণ করা হয়। এসব সূচকের মাধ্যমে কোন এলাকায় মশার প্রজনন বেশি এবং কোথায় ডেঙ্গুর ঝুঁকি বেশি, সেটির বৈজ্ঞানিক চিত্র পাওয়া গেছে। ফলাফলে দেখা যায়, ৬৩টি ওয়ার্ডে এডিস মশার ঘনত্ব উদ্বেগজনক পর্যায়ে অবস্থান করছে এবং ২৭টি ওয়ার্ডে পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

জরিপকালে পরিদর্শন করা ২ হাজার ২৩৮টি বাড়ির মধ্যে ২৮১টি বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা ও পিউপা পাওয়া যায়। ভবনের ধরন অনুযায়ী বহুতল ভবনগুলোতে সবচেয়ে বেশি লার্ভা শনাক্ত হয়েছে। মোট আক্রান্ত স্থাপনার ৩৫.২৩ শতাংশই বহুতল ভবন। অন্যদিকে, স্বতন্ত্র বাড়িতে ২৭.৭৬ শতাংশ, নির্মাণাধীন ভবনে ১৭.৪৪ শতাংশ এবং সেমিপাকা বাড়িতে ১৪.৫৯ শতাংশ লার্ভা রয়েছে।

এসব তথ্যের ভিত্তিতে ডিএসসিসি মনে করছে, বহুতল ভবনের ছাদ, অব্যবহৃত পানির ট্যাংক, এসির ট্রে, ফুলের টব, নির্মাণাধীন ভবনের বেজমেন্ট ও বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি বর্তমানে এডিস মশার অন্যতম প্রধান প্রজননক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। ফলে শুধু বস্তি বা নিম্নআয়ের আবাসিক এলাকাই নয়, আধুনিক আবাসিক ভবনগুলোও ডেঙ্গু ঝুঁকির আওতায় চলে এসেছে।

জরিপে মশার প্রজননস্থল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। মেঝেতে জমে থাকা পানিতে ১২.২৬ শতাংশ, বালতিতে জমে থাকা পানিতে ১০.৩৪ শতাংশ এবং প্লাস্টিকের ড্রামে ৮.৮৯ শতাংশ লার্ভা শনাক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ, দৈনন্দিন ব্যবহারের সাধারণ পাত্র ও জমে থাকা পরিষ্কার পানি এডিস মশার বংশবিস্তারের প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করছে।

আরও পড়ুন: জাতীয়তাবাদী শক্তি দেশবিরোধী চক্রান্ত রুখে দিতে রাজপথেই থাকবে: হুইপ দুলু

ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম বাসস’কে জানান, জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতে ডিএসসিসি ইতোমধ্যে একাধিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ২৭টি ওয়ার্ডে পাঁচদিনের বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম। আগামীকাল ৭ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া এ কর্মসূচিতে স্বাস্থ্য বিভাগ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ যৌথভাবে কাজ করবে। কর্মসূচির আওতায় মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, লার্ভা নিধন, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, বর্জ্য অপসারণ, জনসচেতনতামূলক প্রচারণা এবং ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে নিবিড় নজরদারি চালানো হবে।

পরবর্তী সপ্তাহে মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ আরও ৩৬টি ওয়ার্ডেও একই ধরনের বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ডিএসসিসি প্রশাসক আরও বলেন, এবার কেবল নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রমের ওপর নির্ভর না করে জরিপভিত্তিক ও তথ্যনির্ভর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে দ্রুত এবং কার্যকর হস্তক্ষেপ করা সম্ভব হবে।

জনসচেতনতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে আজ (শনিবার) ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে একটি সচেতনতামূলক র‌্যালির আয়োজন করা হয়েছে। ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবর থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি পর্যায়ক্রমে দক্ষিণ সিটির অন্যান্য এলাকাতেও সম্প্রসারণ করা হবে। ডিএসসিসি আশা করছে, নাগরিকদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে।

আরও পড়ুন: ভৈরবে প্রবাসীর স্ত্রী ও ছাত্রদল কর্মীকে ৭ ঘণ্টা আটকে নির্যাতন

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশা মারার চেয়ে এর জন্মস্থান ধ্বংস করা বেশি কার্যকর। এজন্য নগরবাসীকে সপ্তাহে অন্তত একদিন ‘ড্রাই ডে’ পালন করে বাসা, ছাদ, বারান্দা, নির্মাণাধীন ভবন, টব, ড্রাম, বালতি এবং আশপাশের জমে থাকা পানি অপসারণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

আবদুস সালাম বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। নাগরিক, গণমাধ্যম, সামাজিক সংগঠন, ভবন মালিক এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত অংশগ্রহণ ছাড়া এডিস মশার বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তবে জরিপের তথ্যের ভিত্তিতে গৃহীত আগাম পদক্ষেপ, ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডভিত্তিক বিশেষ অভিযান এবং ব্যাপক জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিবহন ও নিত্যপণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে: উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৫৬ পি.এম


পরিবহন ও নিত্যপণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে: উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের যাতায়াত খরচ সাশ্রয় এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার দর নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রেখেছে।

তিনি বলেন, ‘দেশে ব্যবহৃত মোট জ্বালানি তেলের সিংহভাগই (৮২ শতাংশ) ডিজেল হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত সরাসরি সাধারণ মানুষের ওপর মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে সাহায্য করবে।’

আজ শনিবার সকালে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তর (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে আয়োজিত এক জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে লিখিত বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

ব্রিফিংয়ে আরও বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

উপদেষ্টা বলেন, ‘সারাবিশ্বে এবং বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও অস্থিরতার কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম অনেক বাড়লেও সরকার দেশে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। জুন মাসের জন্য স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে তিন ধরনের জ্বালানি- পেট্রোল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম লিটার প্রতি ৫ টাকা বাড়াতে হলেও ডিজেলের দাম লিটার প্রতি ১১৫ টাকায় অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।’

ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার যৌক্তিকতা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা জানান, দেশে প্রতি মাসে ৩ লাখ ৩০ হাজার থেকে ৩ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল ব্যবহৃত হয়, যা মোট জ্বালানি ব্যবহারের প্রায় ৮২ শতাংশ। ডিজেল মূলত পণ্যবাহী ট্রাক, গণপরিবহণ ও কৃষি সেচকাজে ব্যবহৃত হয়, যার সঙ্গে সাধারণ মানুষের সরাসরি স্বার্থ জড়িত।

তিনি আরও বলেন, ‘পেট্রোল ও অকটেন মূলত বিত্তবানদের ব্যক্তিগত গাড়িতে ব্যবহৃত হয়, যার মাসিক ব্যবহারের হার যথাক্রমে মাত্র ৯ ও ৮ শতাংশ। ফলে পেট্রোল ও অকটেনের দাম বাড়লেও তা সাধারণ ও নিম্ন আয়ের মানুষের যাতায়াত বা নিত্যপণ্যের দামে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না।’

বিদ্যুতের নতুন ট্যারিফ ও নিম্ন আয়ের মানুষের সুরক্ষা সম্পর্কে উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) গণশুনানি শেষে সব শ্রেণির গ্রাহকের জন্য বিদ্যুতের দাম বাড়ালেও সরকার সাধারণ মানুষের স্বার্থে নিজে উদ্যোগী হয়ে পুনরায় আপিল করেছে। এর ফলে শূন্য থেকে ৫০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী ‘লাইফলাইন’ গ্রাহক এবং প্রথম ধাপের (৭৫ ইউনিট পর্যন্ত) গ্রাহকদের বর্ধিত মূল্যের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘দেশের মোট বিদ্যুৎ গ্রাহকের প্রায় ৬৫ শতাংশই এই দুই শ্রেণির আওতাভুক্ত। ফলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্য সমন্বয়ের পরও দেশের সিংহভাগ মানুষকে বাড়তি ব্যয়ের চাপ থেকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হয়েছে।’

তিনি আরও জানান, এই দাম বৃদ্ধির পরও সরকারকে আগামী বাজেটে বিদ্যুৎ খাতে প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে।

অতীতের ভুল নীতি ও বর্তমান সংস্কারের কথা উল্লেখ করে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, অতীতে জ্বালানি খাতকে আমদানিনির্ভর করে একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে (অলিগার্ক) সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল, যার ফলে অনশোর গ্যাস অনুসন্ধান প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছিল। বর্তমান সরকার এই চক্র ভাঙতে অফশোর ও অনশোর গ্যাস অনুসন্ধানে দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে।

পাশাপাশি সোলার এনার্জি বা নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং সোলার চালিত বা ইলেকট্রিক স্কুল বাসের মতো পরিবেশবান্ধব পরিবহণকে বিশেষ প্রণোদনা দিচ্ছে।

উপদেষ্টা বলেন, সরকার কেবল ভর্তুকি কমানোর দিকেই মনোযোগ দিচ্ছে না, বরং সংগৃহীত অর্থ দিয়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী (যেমন ফ্যামিলি কার্ড ও টিসিবি কার্যক্রম) আরও শক্তিশালী করছে। তিনি অযৌক্তিকভাবে বাজারে পণ্যমূল্য বৃদ্ধি ঠেকাতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:০২ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

ঢাকায় সফররত তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এই সাক্ষাৎটি শনিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

এই সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও তুরস্কের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। এর পাশাপাশি, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরো জোরদার করা, বাণিজ্য এবং সহযোগিতার বিভিন্ন দিক সম্পর্কিত মতবিনিময়ও হয়।

এ সময় সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি সাংবাদিকদের কাছে এসব তথ্য জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্ত্রীর ফোনে বক্তৃতার মাঝেই থামলেন গাভাস্কার, এরপর যা ঘটল…

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:০৩ পি.এম


স্ত্রীর ফোনে বক্তৃতার মাঝেই থামলেন গাভাস্কার, এরপর যা ঘটল…

সুনীল গাভাস্কার মঞ্চে বক্তব্য দিচ্ছিলেন। সবকিছুই ছিল স্বাভাবিকভাবে। হঠাৎ একটি ফোন কল এলো, আর তাতেই থেমে গেল তাঁর বক্তৃতা। এরপর যা ঘটল, সেটি এখন সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যাচ্ছে।

অতীতে শ্রী সত্য সাই সঞ্জীবনী সেন্টার ফর চাইল্ড হার্ট কেয়ারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারতের কিংবদন্তি এই ক্রিকেটার। 'গিফট অব লাইফ' উদ্যোগের আওতায় হৃদরোগে আক্রান্ত প্রায় ৮৫০ জন সুবিধাবঞ্চিত শিশুর সফল অস্ত্রোপচার উদযাপন উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে রোটারি ক্লাব অব বোম্বে এয়ারপোর্ট।

বক্তব্যের একপর্যায়ে হঠাৎ বেজে ওঠে গাভাস্কারের মোবাইল ফোন। প্রথমে তিনি কথা চালিয়ে গেলেও কিছুক্ষণ পর পকেট থেকে ফোন বের করে হাসিমুখে বলেন, এটি নিশ্চয়ই স্ত্রীর ফোন। এরপর তিনি বক্তৃতা থামিয়ে কল রিসিভ করেন।

ফোন ধরার আগে উপস্থিত দর্শকদের উদ্দেশে রসিকতা করে বলেন, একটু রিসিভ করতেই হবে, আমাকে মনে করিয়ে দিতে ফোন করেছে যেন বেশি কথা না বলি। তাঁর এই কথায় হাসিতে ফেটে পড়ে পুরো হল। মুহূর্তেই পরিবেশটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

এই ঘটনাটি ভিডিও আকারে ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়ে যায় প্রশংসার ঢল। অনেকেই গাভাস্কারের সরলতা ও রসবোধের প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানে শিশুদের হৃদরোগ চিকিৎসা নিয়ে পরিচালিত উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন গাভাস্কার। তিনি জানান, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা অনেক পরিবার আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পায় না, এমন শিশুদের পাশে দাঁড়ানো সত্যিই প্রশংসনীয়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, আমাদের সফলতার হার ৯৯ শতাংশেরও বেশি। অস্ত্রোপচারের পর যখন অভিভাবকেরা সন্তানের সুস্থতার খবর পান, তখন তাদের চোখের আনন্দ তাঁকে দ্বিশতক করার আনন্দের চেয়েও বেশি তৃপ্তি দেয়।

অনুষ্ঠানে তরুণ ব্যাটার বৈভব সূর্যবংশীকেও নিয়ে কথা বলেন গাভাস্কার। তাঁকে অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখানোর মুগ্ধতা প্রকাশ করে বলেন, যে ছেলে হয়তো আমাকে সরাসরি খেলতে দেখেনি, সে যদি আমাকে অনুপ্রেরণা বলে, সেটি আমার জন্য আশীর্বাদ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বালিয়াকান্দিতে কীটনাশক পানে কিশোরীর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জাকির হোসেন পাটোয়ারী ‎রাজবাড়ী প্রতিনিধি

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:০৪ পি.এম


বালিয়াকান্দিতে কীটনাশক পানে কিশোরীর মৃত্যু

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলায় নবাবপুর ইউনিয়নের ঘোড়ামারা গ্রামের সাগর মন্ডলের মেয়ে রুকসানা বেগম (১৯) নামে এক কিশোরী কীটনাশক পানে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

আত্মীয়-স্বজনের সূত্রে জানা যায়, ৪ জুন ২০২৬ তারিখে রাতের খাবার খেয়ে রুকসানা তাহার বাবার বাড়িতে নিজ রুমে ঘুমাতে যায়। সকলের অজান্তে সে কীটনাশক পান করলে অসুস্থ হয়ে পড়ে, পরে তাহার বাড়িতে থাকা লোকজন চেচামেচি করলে আশেপাশের লোকজন এসে দ্রুত তাকে চিকিৎসার জন্য বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরবর্তীতে তাহার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য, ৫ জুন ২০২৬ তারিখ সকালে ৬ টার সময় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮ টার সময় রুকসানা বেগম মৃত্যুবরণ করেন।

এ সময় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে সংবাদ দিলে তারা লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে মৃত ব্যক্তির লাশ তাহার আত্মীয়-স্বজনের কাছে হস্তান্তর করেন।

ঘটনার খবর পেয়ে বালিয়াকান্দি থানা পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল থেকে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ করে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্থানীয়দের মতামত অনুযায়ী, পারিবারিক সচেতনতা এবং সন্তানদের মানসিক অবস্থার প্রতি আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে। তবে রুকসানা বেগমের অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%