জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি
০৩:০৪ পি.এম
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলায় নবাবপুর ইউনিয়নের ঘোড়ামারা গ্রামের সাগর মন্ডলের মেয়ে রুকসানা বেগম (১৯) নামে এক কিশোরী কীটনাশক পানে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
আত্মীয়-স্বজনের সূত্রে জানা যায়, ৪ জুন ২০২৬ তারিখে রাতের খাবার খেয়ে রুকসানা তাহার বাবার বাড়িতে নিজ রুমে ঘুমাতে যায়। সকলের অজান্তে সে কীটনাশক পান করলে অসুস্থ হয়ে পড়ে, পরে তাহার বাড়িতে থাকা লোকজন চেচামেচি করলে আশেপাশের লোকজন এসে দ্রুত তাকে চিকিৎসার জন্য বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরবর্তীতে তাহার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য, ৫ জুন ২০২৬ তারিখ সকালে ৬ টার সময় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮ টার সময় রুকসানা বেগম মৃত্যুবরণ করেন।
এ সময় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে সংবাদ দিলে তারা লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে মৃত ব্যক্তির লাশ তাহার আত্মীয়-স্বজনের কাছে হস্তান্তর করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে বালিয়াকান্দি থানা পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল থেকে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ করে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
স্থানীয়দের মতামত অনুযায়ী, পারিবারিক সচেতনতা এবং সন্তানদের মানসিক অবস্থার প্রতি আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে। তবে রুকসানা বেগমের অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মামলা ফাইলিংয়ের সুবিধার্থে আজ শনিবার (৬ জুন) সুপ্রিম কোর্টের বিভিন্ন শাখা এবং অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের একটি শাখা খোলা রয়েছে। এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন ও অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আজ শনিবার অফিস সময়ে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের স্ট্যাম্প রিপোর্টার, ফাইলিং ও হলফনামা শাখা খোলা রাখা হয়েছে।
অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে এও জানানো হয়েছে যে, আইনজীবীদের মামলার নোটিশ কপি দেওয়ার সুবিধার্থে নোটিশ কপি গ্রহণ শাখা আজ সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালিতে গুপ্তচরবৃত্তি ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে ফরাসি দূতাবাসের এক কর্মকর্তাকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এই রায়কে মালির সামরিক সরকারের সঙ্গে সাবেক ঔপনিবেশিক শক্তি ফ্রান্সের সম্পর্কের অবনতিতে আরেকটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
২০২৫ সালের আগস্টে গ্রেফতার হওয়া ওই ফরাসি কর্মকর্তার নাম ইয়ান ভি। তাকে আদালতের তিনটি পৃথক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, পাঁচ হাজার ৪০০ ইউরো জরিমানা এবং ২০ বছরের জন্য মালিতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞাও দেওয়া হয়েছে।
গ্রেফতারের সময় মালির কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করে যে, ইয়ান ফরাসি গোয়েন্দা সংস্থার জন্য কাজ করতেন এবং বিদ্রোহ ও সন্ত্রাসবাদে জর্জরিত দেশটিকে অস্থিতিশীল করার জন্য বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর প্রচেষ্টার অংশ ছিলেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, ১৩ আগস্ট কয়েকজন মালিয়ান সামরিক কর্মকর্তার সঙ্গে তাকে আটক করা হয়েছিল। ওই কর্মকর্তারাও মালির সামরিক জান্তাকে উৎখাতের উদ্দেশ্যে অভ্যুত্থানের পরিকল্পনা করছিলেন হওয়ার সন্দেহ করা হয়।
তবে, ফ্রান্স আবার দাবি করেছে যে, কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে ভিত্তিহীন। ফরাসি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে যে, আমাদের কর্মকর্তা ভিত্তিহীন অভিযোগের ভিত্তিতে বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হচ্ছেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, তিনি নিরাপত্তা সহযোগিতা মিশনের অংশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং কোনো অবস্থাতেই ফ্রান্স সরাসরি বা পরোক্ষভাবে মালিকে অস্থিতিশীল করার কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল না।
২০১২ সাল থেকে মালি গুরুতর নিরাপত্তা সংকটে ভুগছে। বিশেষ করে আল-কায়দা সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলি, ইসলামিক স্টেট ঘনিষ্ঠ জঙ্গি সংগঠন এবং স্থানীয় সশস্ত্র অপরাধী চক্রগুলোর সহিংসতায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
সামরিক নেতা অসীম গুইতার নেতৃত্বে মালি পশ্চিমা দেশগুলোর, বিশেষ করে ফ্রান্সের, সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করে রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছে।
মালির পাশাপাশি আফ্রিকার দেশ নাইজার এবং বুরকিনা ফাসো-তে সামরিক শাসকরা ক্ষমতায় রয়েছেন। তারা ক্ষমতা গ্রহণের সময় জনগণকে অধিক নিরাপত্তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক সরকারগুলো ক্ষমতায় আসার পর সাহেল অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে গিয়ে পর্যটকবাহী একটি হাউজবোটের ইঞ্জিনে পড়ে এক শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। শুক্রবার বিকালে 'ভ্রমণশৈলী' নামের হাউজবোটে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশুর নাম সৌমাতা সরকার নিঝুম (৮), সে ধর্মপাশা উপজেলার কামলাবাজ গ্রামের বাসিন্দা। জানা যায়, নিঝুম সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) স্বপন চন্দ্র সরকারের কন্যা।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে, দুপুরে নিঝুমের পরিবার 'ভ্রমণশৈলী' নামের নতুন হাউজবোটে করে টাঙ্গুয়ার হাওরের দিকে যেতে শুরু করে। তারা টাঙ্গুয়ার হাওরে গোসল করার পর নিলাদ্রী লেকের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এসময় হাউজবোটের পেছন থেকে সামনের দিকে আসছিল নিঝুম। হঠাৎ করেই সে অসাবধানতাবশত বোটের চলন্ত ইঞ্জিনের মধ্যে পড়ে যায়। এর ফলে ইঞ্জিনের আঘাতে তার শরীর গভীর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
হাউজবোটের মালিক পংকজ রায় বলেন, 'আজ নতুন হাউজবোটের প্রথম ট্রিপ ছিল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, ইঞ্জিনে পড়ে একটি শিশুর মৃত্যু ঘটেছে।'
শিশুটি পড়ে যাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে ইঞ্জিন বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে তাকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি বলেও জানান পংকজ রায়।
নিহতের শিশুর বাবা এসআই স্বপন চন্দ্র সরকার বলেন, 'আমি সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশে কর্মরত আছি। আমার স্ত্রী এবং দুই মেয়ে আত্মীয়ের হাউজবোটে করে টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণে গিয়েছিলেন। কিন্তু দুর্ঘটনায় আমার আদরের মেয়েটিকে হারালাম। এই শোক ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।'
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের কোনো অভিযোগ নেই। বাবার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডেঙ্গুর প্রভাব বাড়ার আগে তা প্রতিহত করার বিষয়টি গুরুত্বারোপ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম। একই সময়ে তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন।
শনিবার রাজধানীর রবীন্দ্র সরোবরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের বিশেষ অভিযান উদ্বোধনকালে আয়োজিত একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এই মন্তব্য উঠে এসেছে।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, আমরা ৭৫টি ওয়ার্ডে সার্ভে সম্পন্ন করেছি। এর মধ্যে ২৮টি ওয়ার্ড রয়েছে যা অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। ডেঙ্গু নির্মূলে জনগণের দায়িত্ব ৫০ ভাগ অন্যদিকে সিটি করপোরেশনের দায়িত্বও ৫০ ভাগ। প্রধানমন্ত্রী আমাদের নিয়ে একটি সভায় বসেছিলেন। তিনি ২ মাস আগে বলেছিলেন, ডেঙ্গু আসবে। তাই আমাদের এখনই সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। সিটি কর্পোরেশন ও স্বাস্থ্য বিভাগ একসঙ্গে ডেঙ্গু নির্মূলে কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, আপনাদের চ্যালেঞ্জ নিয়ে বলতে পারি, যদি সাতটা-আটটার পরে ঢাকা শহরে বের হন, কোথাও কোনো আবর্জনা খুঁজে পাবেন না। কিন্তু ১০ টায় বের হলে দেখবেন, প্রতিটি রাস্তা আবর্জনায় ভর্তি হয়ে আছে। এই আবর্জনা তো মানুষই ফেলে। যদি ২৪ ঘণ্টা আবর্জনা ফেলা হয়, তাহলে সিটি কর্পোরেশন ২৪ ঘণ্টায় সব আবর্জনা নিতে পারবে না। এই কারণে দায়িত্ব নিতে হবে মানুষেরও। এ সময় জনগণকে সচেতন হওয়ার জন্য আহ্বান জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ