সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:৪৭ পি.এম
সরকার অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদারকে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করেছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার ২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট থেকে অর্থ বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার এর আগে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মাধ্যমে তিনি অর্থ বিভাগের শীর্ষ পদে আরও এক বছর অবস্থান করবেন।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী, ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদারকে তাঁর অবসর-উত্তর ছুটি ও সংশ্লিষ্ট সুবিধাদি স্থগিত রেখে চুক্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ নিয়োগের শর্ত হিসেবে, যোগদানের তারিখ থেকে তাঁকে অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা অথবা সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক ছেড়ে দিতে হবে।
তিনি যোগদানের তারিখ থেকে এক বছর অর্থ বিভাগের সচিব পদে থাকবেন। নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্রে নির্ধারিত হবে। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আল-বশিরুল ইসলাম প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের রাজনীতিতে তীব্র ঝড় উঠেছে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্পর্কে করা একটি বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে। ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সারা দেশে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজন করেছে এই মন্তব্যের প্রতিবাদে। কংগ্রেস সভাপতির এই মন্তব্যের জন্য তাঁর এবং কংগ্রেস নেতৃত্বের নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার দাবি উঠেছে।
বিহারের পাটনায় একটি জনসভায় এই ঘটনা ঘটে। সেখানে ভারতের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী শ্রীকৃষ্ণ সিংয়ের ১৩৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন খাড়গে। জনতার মধ্যে থেকে এক ব্যক্তি মন্তব্য করেন যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতা থেকে কোথাও যাবেন না। এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় খাড়গে বলেন, “মোদির বাপও যাবে” (Modi ka baap bhi jayega)। খাড়গের এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি করে।
বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব এই মন্তব্যকে রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত এবং অশালীন বলে অভিহিত করেছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ অভিযোগ করেছেন, খাড়গে রাজনৈতিক শালীনতার সমস্ত মাত্রা লঙ্ঘন করেছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং বিজেপির অন্যান্য শীর্ষ নেতারাও এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করেছেন। তারা বলেন, রাজনৈতিক হতাশার কারণে কংগ্রেস নেতারা এখন ব্যক্তিগত আক্রমণ ও পারিবারিক গালমন্দের আশ্রয় নিচ্ছেন।
অন্যদিকে, কংগ্রেস দল খাড়গের মন্তব্যকে সমর্থন করে দাবি করেছে যে, জনতা ও হেক্লারদের চাপে পড়ে ওই মন্তব্য করা হয়েছিল। তারা বলেন, খাড়গের বক্তব্যকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। কংগ্রেস নেতাদের একাংশের দাবি, তিনি রূপক অর্থে বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে মন্তব্যটি করেছিলেন। তবে বিরোধীদের এই সাফাই কার্যকর হয়নি এবং বিজেপি দেশজুড়ে রাজধানী দিল্লি, বিহার, জম্মু ও বেঙ্গালুরুসহ বিভিন্ন রাজ্যে তীব্র আন্দোলন ও কুশপুত্তলিকা দাহ অব্যাহত রেখেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হারানো মোবাইল ফোন খুঁজতে গিয়ে পুলিশ স্বামী-স্ত্রীর কাছে চোরাই পণ্যের সন্ধান পেয়েছে। অভিযান পরিচালনা করে তাদের কাছে ৪৭টি পণ্য উদ্ধার করা হয়। স্বামী পালিয়ে গেলেও স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) ভোরে সদর উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নের উলচাপাড়া গ্রাম থেকে আলেয়া বেগম নামের ওই নারীকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি ওই এলাকার খায়েশ মিয়ার স্ত্রী।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খাইরুল আলম জানিয়েছেন, কয়েকদিন আগে এক ব্যক্তি একটি মোবাইল ফোন হারানোর বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন। প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল ফোনের লোকেশন দেখা যায় উপচাপাড়ায় একটি বাড়িতে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই বাড়িটি খায়েশ মিয়া নামক এক ব্যক্তির। তিনি চোরাই মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করে থাকেন।
ওসি আরও জানান, খায়েশ মিয়ার স্ত্রীও এই কার্যক্রমে জড়িত। পরে ওই বাড়িতে অভিযান চালানোর সময় ১৪টি এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, ১০টি বাটন মোবাইল ফোন, একটি ট্যাব, ১৩টি টর্চলাইট, পাঁচটি ঘড়ি ও চারটি পাওয়ার ব্যাংক উদ্ধার করা হয়। খায়েশ মিয়া পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী আলেয়া বেগমকে আটক করা হয়।
পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আলেয়া বেগম জিজ্ঞাসাবাদে জানান- চোর, ছিনতাইকারী ও মাদকাসক্তদের কাছ থেকে তারা কম দামে মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন পণ্য কিনতেন। পরে লাভ পেলে বিক্রি করে দিতেন। এর মধ্যে কিছু পণ্য তাদের কাছে টাকার বিনিময়ে বন্ধক দেয়া যেত।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ঢুকে জুয়েল হোসেন নিরব নামে এক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে মারধরের ঘটনায় ছাত্রদল নেতা শহিদুল ইসলাম সাহেদকে দল থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকালে দালাল বাজার ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক লোকমান হোসেন জয় এবং সদস্য সচিব ইকরাম মাহমুদ ফাহাদ স্বাক্ষরিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়। তাকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
অব্যাহতিপ্রাপ্ত সাহেদ দালাল বাজার ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক ছিলেন এবং লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হিসেবে সক্রিয় ছিলেন।
রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে ছাত্রদল নেতা সাহেদ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কক্ষে ঢুকে জুয়েলকে চেয়ার দিয়ে পিটিয়ে ব্যাপক মারধর করেন। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মধ্যে জুয়েলকে চেয়ার দিয়ে পেটানোসহ কিল-ঘুসি ও লাথি দিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। এই মারধরের ঘটনা ঘটান ছাত্রদল নেতা সাহেদ এবং তার অনুসারীরা। আহত জুয়েলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। জুয়েল লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিকালে সাহেদ এবং জুয়েলদের মধ্যে মোবাইল কেনাবেচা নিয়ে মারামারি হয়। এর ফলে চিকিৎসা নিতে জুয়েল হাসপাতালে আসেন। এ সময় সাহেদ তার অনুসারীদের নিয়ে এসে হাসপাতালেই জুয়েলকে মারধর করেন। একপর্যায়ে মারধর থেকে বাঁচতে জুয়েল হাসপাতালের ইমার্জেন্সি কক্ষে ঢুকলে সেখানে সাহেদও প্রবেশ করেন। তখন ইমার্জেন্সি কক্ষের ভেতরেই সাহেদ তাকে চেয়ার দিয়ে পিটুনিসহ এলোপাতাড়ি কিল-ঘুসি ও লাথি মেরে রক্তাক্ত জখম করেন।
এ বিষয়ে ছাত্রদল নেতা শহিদুল ইসলাম সাহেদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।
জেলা ছাত্রদল নেতা হাসিবুর রহমান অভি বলেন, "সাহেদকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তার সঙ্গে এখন ছাত্রদলের কোনো সম্পর্ক নেই।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ