ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

কক্সবাজারে কিশোর গ্যাং বন্ধের ঘোষণা, সন্ধ্যায় শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তারের হুমকি : ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ


কক্সবাজারে কিশোর গ্যাং বন্ধের ঘোষণা, সন্ধ্যায় শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তারের হুমকি : ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ

কক্সবাজারে কিশোর গ্যাংয়ের কার্যকলাপ বন্ধ করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী। তিনি উল্লেখ করেন, কক্সবাজারে কোনো কিশোর গ্যাং থাকতে দেওয়া হবে না। সন্ধ্যার পর স্কুল-কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দেখা গেলে তাদের উপযুক্ত কারণ দেখাতে হবে।

যদি সন্তোষজনক কারণ দেখাতে ব্যর্থ হন, তাহলে তাদের গ্রেপ্তার করা হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের কাছ থেকেও জবাবদিহি চাওয়া হবে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) কক্সবাজারে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং সামাজিক অপরাধ দমনবিষয়ক এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: নান্দাইলে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটে ট্রাকে আগুন, শহর বিদ্যুৎহীন

ডিআইজি আরও বলেন, কিশোরদের অপরাধপ্রবণতা রোধে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা জরুরি। অভিভাবকদের সন্তানের কোথায় যাওয়া, কার সঙ্গে মিশছে এবং সন্ধ্যার পর কেন বাইরে রয়েছে, সে সম্পর্কে খোঁজখবর রাখতে হবে। কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়ার আগেই তাদের নিয়ন্ত্রণে আনা এবং সঠিক পথে পরিচালনা করা প্রয়োজন।

তিনি আরো উল্লেখ করেন, কিশোর গ্যাংয়ের নামে কোনো ধরনের অপরাধ, বিশৃঙ্খলা বা জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার কর্মকাণ্ড সহ্য করা হবে না। অপরাধ দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর অবস্থানে থাকবে।

নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা, কিশোর অপরাধ, মাদকাসক্তি এবং সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একা এসব অপরাধ নির্মূল করতে পারবে না। এই ক্ষেত্রে অভিভাবক, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দসহ সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

সমাবেশে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রশাসনের প্রতিনিধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: শাহ আমানত বিমানবন্দরের ৩১৯ কর্মী অক্টোবরের বেতন পাননি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেহেরপুরে গোরস্তানের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসা ‘খ্যাপা’ শেয়ালের আক্রমণে আহত ১০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ পি.এম


মেহেরপুরে গোরস্তানের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসা ‘খ্যাপা’ শেয়ালের আক্রমণে আহত ১০

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় শেয়ালের আক্রমণে নারী ও শিশুসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনকে গুরুতর অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গাংনী উপজেলার হিন্দা ও মাইলমারী গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন- হিন্দা গ্রামের মোজাম্মেল হকের স্ত্রী বাছিরন (৭৫), ইয়ারুলের স্ত্রী শিউলী খাতুন (৪৮), আক্কাস আলীর ছেলে নূর মোহাম্মদ, রেজাউল ইসলামের স্ত্রী আমিরন নেছা (৫০), আলমগীর হোসেনের স্ত্রী আরশোলা খাতুন (৪৩) এবং ইসরাফিলের ছেলে আতিয়ার (১৬)। মাইলমারী গ্রামের গোলাম হোসেনের ছেলে আব্দুল খালেকও আহত হয়েছেন।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সন্ধ্যায় হিন্দা গ্রামের গোরস্তানের ভেতর থেকে একটি শেয়াল বের হয়ে গ্রামের মধ্যে প্রবেশ করে। এরপর এটি পথচারীদের ওপর এলোপাথাড়ি আক্রমণ চালাতে শুরু করে। এ ঘটনায় এলাকায় ভীতি ছড়িয়ে পড়ে। শেয়ালটি হিন্দা মাঠপাড়া হয়ে মাইলমারী গ্রামের দিকে চলে যায়। শিশুসহ ১১ জনকে কামড় দেওয়ার পর স্থানীয়রা শেয়ালটিকে ধাওয়া করে, তখন এটি মাঠের দিকে পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের মতে, খ্যাপা বা পাগলা শেয়াল এভাবে মানুষকে কামড় দেয়। এই ঘটনায় এলাকায় শেয়াল আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এদিকে, শেয়ালের কামড়ে আহত ১১ জনকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে আহতদের কয়েকজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে হাসপাতালে ইনজেকশন সাপ্লাই না থাকায় কয়েকজন স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের মধ্যে হিন্দা গ্রামের আমিরন নেছাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. রাসেল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় আমিরন নেছাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খারাপ লোক চেয়ারম্যান হলে উন্নয়ন বরাদ্দ পকেটে যাবে: খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৪ পি.এম


খারাপ লোক চেয়ারম্যান হলে উন্নয়ন বরাদ্দ পকেটে যাবে: খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা

খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় সততা, যোগ্যতা ও স্বচ্ছতাকে দলীয় পরিচয়ের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি মন্তব্য করেন, সরকার এলাকার উন্নয়নে বরাদ্দ দিতে পারে, তবে যদি জনপ্রতিনিধি অসৎ হন, তাহলে সেই অর্থ জনগণের কল্যাণে ব্যয় না হয়ে ব্যক্তির পকেটে চলে যাবে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকালে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি ইউনিয়নের হাজীপুর দরবার শরিফে ‘দয়াল বাবা আবুল চান হাজীপুরী স্মরণে ভক্ত মেলা ও বিশেষ সংবর্ধনা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, মানিকগঞ্জ পীর-ফকির, সুফি সাধক ও বাউলদের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের জেলা। এই ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি। প্রত্যেক ব্যক্তি নিজ নিজ ধর্ম ও আচার-অনুষ্ঠান পালনের অধিকার রাখেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, অতীতে দেশের বিভিন্ন স্থানে মাজার ও দরবার শরিফে হামলা, ভাঙচুর, কবর থেকে লাশ তুলে নির্যাতন এবং পুড়িয়ে ফেলার মতো ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। এসব অপকর্ম প্রতিরোধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সাধক ও দরবার শরিফ থেকে মানুষ শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও মানবতার শিক্ষা লাভ করে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে আফরোজা খানম রিতা বলেন, জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের সময় প্রার্থীর দলীয় পরিচয়ের পাশাপাশি সততা, যোগ্যতা ও স্বচ্ছতা যাচাই করা প্রয়োজন। শুধু সরকারি বরাদ্দ আনলেই এলাকার উন্নয়ন হয় না, বরং সেই অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করাও অত্যন্ত জরুরি।

তিনি বলেন, মন্ত্রী হিসেবে আমি এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়নে বরাদ্দ আনার চেষ্টা করব। কিন্তু সৎ ও যোগ্য জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত না হলে সেই অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে না। বরাদ্দ আনতে পারব, তবে তা যথাযথভাবে কাজে লাগানোর দায়িত্ব চেয়ারম্যানের।

চেয়ারম্যান নির্বাচনে নিজের কোনো ভূমিকা নেই উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, এ নির্বাচনে আমার কোনো হাত নেই। এমনকি আমি একটি ভোটও দিতে পারব না। তবে এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে নির্বাচিত করার দায়িত্ব ভোটারদের নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হাজীপুর দরবার শরিফের পীর মো. আতাউর রহমান। আয়োজক ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন মো. মোশাররফ হোসেন চাঁন ও আফরোজা বেগম ডলি।

এ সময় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট নুরতাজ আলম বাহার, অ্যাডভোকেট আজাদ হোসেন খান, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ পারভেজ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল খালেক শুভসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে মাল্যদান, বস্ত্র বিতরণ, বিশেষ সংবর্ধনা ও তবারক বিতরণ করা হয়। পরে লালন সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী ও সরকারি কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণে পাঠালেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৪ পি.এম


প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী ও সরকারি কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণে পাঠালেন

ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ সুশাসন প্রতিষ্ঠা, শৃঙ্খলা এবং নেতৃত্বের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি নজিরবিহীন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তিনি দেশের পুরো মন্ত্রিসভা এবং সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সাধারণ বেসামরিক কর্মকর্তাদের জন্য এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত বিরল হলেও, প্রধানমন্ত্রী তাঁর মন্ত্রী ও সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের এই কঠোর অনুশীলনের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছেন।

বিবিসির একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দেশটির হুরসো সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এই বিশেষ প্রশিক্ষণ ক্যাম্প পরিচালিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ শুধু নির্দেশনা প্রদান করেই থেমে থাকেননি, তিনি নিজেও সামরিক পোশাকে মন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কঠিন শারীরিক কসরত ও মহড়ায় অংশগ্রহণ করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, এই প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন ইথিওপিয়ার হাউস অব ফেডারেশনের স্পিকার মুফেরিয়াত কামিল, অর্থমন্ত্রী ফিতসুম আসেফা এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী মেকদেস দাবার মতো শীর্ষ রাজনীতিকরা।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সামরিক প্রশিক্ষণের যৌক্তিকতা তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ইথিওপিয়ার সার্বিক উন্নয়ন ও সভ্যতা বিনির্মাণের জন্য নতুন ধরনের নেতৃত্বের প্রয়োজন, যারা শারীরিকভাবে দক্ষ, মানসিকভাবে দৃঢ় এবং প্রজ্ঞায় পরিপক্ব।

প্রধানমন্ত্রীর মতে, সামরিক বিজ্ঞান ও অভিজ্ঞতা সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে দলগত সমন্বয়, দায়িত্বশীলতা, শৃঙ্খলা এবং গভীর দেশপ্রেম জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

ক্ষমতাসীন ‘প্রসপারিটি পার্টি’র শীর্ষ নেতাদের জন্য এই ওয়ান-টাইম বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম কবে শুরু হয়েছে বা কতদিন ধরে চলবে, সে বিষয়ে সরকারিভাবে কোনো স্পষ্ট তথ্য প্রদান করা হয়নি।

তবে প্রশাসনের বেসামরিক কর্মকর্তাদের এভাবে সামরিকীকরণের দিকে নিয়ে যাওয়া এবং কড়া শাসনের প্রভাব তৈরি করার এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৪ বছর পর পড়াশোনা শুরু করে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেলেন রীতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ পি.এম


১৪ বছর পর পড়াশোনা শুরু করে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেলেন রীতি

স্বামীর অনুপ্রেরণায় দীর্ঘ ১৪ বছর পর আবারও পড়াশোনা শুরু করে জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার গৃহবধূ রীতি খাতুন (৩০) এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন।

সংসার ও সন্তানের দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা (বিএম) শাখা থেকে তিনি এই সাফল্য লাভ করেন।

রীতি খাতুন নসিরপুর গ্রামের আব্দুল আলিম মন্ডল বাবুর স্ত্রী। তিনি ক্ষেতলাল পাইলট বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিএম শাখা থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

২০১০ সালে মোলামগাড়িহাট দ্বিমুখী উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করার পর, পরবর্তী বছর বিয়ের পর সংসারজীবনে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। বর্তমানে তার ১১ বছর বয়সী একটি মেয়ে রয়েছে। তবে সংসারের ব্যস্ততার মধ্যেও তিনি পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বজায় রেখেছেন।

২০২৪ সালে স্বামীর উৎসাহ ও সহযোগিতায় এসএসসি পাসের প্রায় ১৪ বছর পর আবারও কলেজে ভর্তি হন তিনি।

সংসারের কাজ সামলে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে রীতিকে নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়েছে। এ সময় প্রতিবেশীদের উপহাসও শুনতে হয়েছে তাকে। তবে তিনি কোনো কিছুতেই দমে যাননি। স্বামী ও শিক্ষকদের সহযোগিতা নিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন। অবশেষে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে নিজের স্বপ্ন পূরণের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন।

রীতি খাতুন বলেন, "স্বামীর সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা না পেলে এই বয়সে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হতো না। সংসারের কাজ সামলে নিয়মিত পড়াশোনা করতে হয়েছে। এ সাফল্যের পেছনে শিক্ষকদেরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।"

তার স্বামী আব্দুল আলিম মন্ডল বাবু বলেন, "স্ত্রীর পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ দেখে তাকে কলেজে ভর্তি করিয়েছিলাম। তার এই ফলাফলে পরিবারের সবাই খুব খুশি।"

ক্ষেতলাল পাইলট বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সায়ফুল ইসলাম বলেন, "সংসারের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি রীতির এমন ফলাফল অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তার অধ্যবসায় ও সাফল্য অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%