ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

একাধিক সুবিধাসহ আড়ংয়ে চাকরি, এসএসসি পাসেই আবেদন


একাধিক সুবিধাসহ আড়ংয়ে চাকরি, এসএসসি পাসেই আবেদন

পোশাক প্রস্তুতকারক ও বিপণন প্রতিষ্ঠান আড়ং জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

পদের নাম: ডেলিভারি অ্যাসিস্ট্যান্ট

বিভাগ: কর্পোরেট সেলস

আরও পড়ুন: যুব উন্নয়ন পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় ৫ জন গ্রেপ্তার

পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি অথবা এইচএসসি পাস

অন্যতম যোগ্যতা: করপোরেট ডেলিভারি ট্র্যাকারটির রক্ষণাবেক্ষণ এবং নিয়মিত হালনাগাদ করা, পাশাপাশি সরবরাহে দক্ষতা থাকা আবশ্যক।

অভিজ্ঞতা: প্রয়োজন নেই

আরও পড়ুন: আনসার-ভিডিপি ২২৮ জনকে নিয়োগ দেবে, এসএসসি পাসেও আবেদন

চাকরির ধরন: ফুলটাইম

কর্মক্ষেত্র: আউটলেটে

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)

বয়সসীমা: উল্লেখ নেই

আরও পড়ুন: ৪৫তম বিসিএসে ১৭০২ জনের নিয়োগ গেজেট প্রকাশ

কর্মস্থল: ঢাকা

বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

অতিরিক্ত সুবিধাসমূহ: কোম্পানির নীতিমালা অনুযায়ী প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, উৎসব বোনাস, স্বাস্থ্য ও জীবন বিমাসহ অন্যান্য সুবিধা প্রদান করা হবে।

আবেদনের প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।

আরও পড়ুন: চাকরির প্রলোভনে রাশিয়ায় নিয়ে নামানো ১৭ বাংলাদেশি প্রথম দিনেই প্রাণ হারান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০ কোটি টাকায় বাংলাদেশ অর্জন করলো একটি তামা পদক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৫ এম


২০ কোটি টাকায় বাংলাদেশ অর্জন করলো একটি তামা পদক

তামার মূল্য সোনার চেয়ে বেশি, এ কথা শুনলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। "পাগল নাকি?" বলাটাই স্বাভাবিক। তবে এবার জাপান এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদ ও কর্মকর্তাদের কর্মকাণ্ডের ফলে সোনার চেয়ে এক টুকরো তামার দাম বেড়ে গেছে। বাংলাদেশ এশিয়ান গেমসে অংশ নিতে মোট ২০ কোটি টাকা খরচ করেছে। এই অঙ্কটি হয়তো আরও বাড়তে পারে। প্রথমে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন ৩৭ কোটি টাকার বাজেট নির্ধারণ করেছিল, কিন্তু জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ তা কাটছাঁট করে ২০ কোটিতে নামিয়ে আনে। দেশের বর্তমান আর্থিক সংকটে এই টাকা একটি বিশাল পরিমাণ। এত বড় খরচের পরও সোনা বা রৌপ্য নয়, মিলল এক টুকরো তামা।

এবার বাংলাদেশ ব্যক্তিগত ও একক মিলিয়ে ২২টি ডিসিপ্লিনে অংশগ্রহণ করেছিল। সেখানে অর্জিত হয়েছে মাত্র একটি তামা। উশুতে পদকটি জিতেছেন জিন্নাত আক্তার, তা-ও সৌভাগ্যক্রমে। নিয়ম অনুযায়ী উশুতে সেমিফাইনালে উঠলেই পদক নিশ্চিত হয়। কোয়ার্টার ফাইনালে জিন্নাতের প্রতিপক্ষ না আসায় তিনি সেমিফাইনালে চলে যান। পরে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তিনি জয়ী হতে পারেননি। সেমিফাইনালে না খেলে ওঠার সুবাদে তিনি তামা গলায় ঝোলান। ২০ কোটি টাকার প্রাপ্তি কী, এর উত্তর একটাই—এক টুকরো তামা। একে অর্থ অপচয় ছাড়া আর কী বলা যায়? এমন কথাও উঠেছে—বাজেটের পুরো টাকা খরচ হয়েছে কি না, কারণ ক্রীড়া কর্মকর্তাদের অভ্যাস সবারই জানা।

এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ ভালো কিছু করবে না, তা আগেই ক্রীড়ামোদীরা জানতেন। কিন্তু দেশ ছাড়ার আগে গেমসে বাংলাদেশের শেফ দ্য মিশন কিছু ডিসিপ্লিনের কথা বলেছিলেন। যেসব খেলায় ভালো করার সম্ভাবনা ছিল, তা কি হয়েছে? পুরুষ ক্রিকেট, নারী ক্রিকেট, পুরুষ কাভাডি, নারী কাভাডি, আর্চারি, শুটিং ও সাঁতারে ভালো করার আশা করা হয়েছিল। অথচ সবকিছুই ছিল শূন্যতায় ভরা। পুরুষ ক্রিকেটে তামা আসবে, এ ব্যাপারে অনেকেই নিশ্চিত ছিলেন। বাস্তবে তামাও মিলল না। নারী ক্রিকেটেও ভরাডুবি। তাহলে আর দল পাঠানোর লাভ হলো কী?

জাতীয় কাবাডিতে পুরুষ দল এক দিনে দুই জয় পেয়ে যে উৎসব উদযাপন করেছিল, তা বিশ্বকাপ জয়ের মতো। কিন্তু বাস্তবে এমন ভরাডুবি ঘটল যে, তামার পদকও গলায় ঝুলল না। নারী বিভাগেও একই অবস্থা। অথচ এই কাভাডি একসময় ছিল এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম ভরসা। আর্চারি নিয়ে দেশে যে হৈচৈ হয়, তাতে মনে হয় এরা সাফল্য ছাড়া আর কিছু বোঝেন না। এশিয়ান গেমসে যা দেখা গেল, তীর ছুড়তেই যেন আর্চাররা ভুলে গিয়েছিলেন। শুটিং বা সাঁতারে হিটেই আউট। অ্যাথলেটিকসসহ সব কিছুতেই ভরাডুবি।

যখন কিছুই পাবেই না, তখন কোন যুক্তিতে এত ইভেন্টে অংশগ্রহণ করা হলো? ক্রীড়াবিদদের অভিজ্ঞতা অর্জনের কথা চিন্তা করে কি তা করা হয়েছিল? নাকি কর্মকর্তাদের জন্য বিশেষ সুবিধার জন্য? এশিয়ান গেমসে অংশ নেয়া বাধ্যতামূলক, কিন্তু তা ব্যয়বহুল বাজেটে কেন? সম্ভাবনাময় কিছু খেলাতেই তো সীমাবদ্ধ রাখা যায়। ফেডারেশন থেকে বলা হয় অর্থ সংকটে খেলোয়াড়দের উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে পারি না। বাস্তবেও এ কথা সত্য। ক্রীড়া পরিষদের স্বল্প বাজেটে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অনেক কিছু করা যায় না। ঠিক জায়গায় অর্থ নেই। অথচ বিদেশে গেমস এলে পাহাড় সমান অর্থ খরচ হয়। জাপান এশিয়ান গেমসের বাজেট ২০ কোটি টাকা। এই অর্থ যে শুধু ক্রীড়াবিদদের পেছনে গেছে, তা নয়। ২৬০ জনের বহর জাপানে গিয়েছিল, এর মধ্যে কর্মকর্তাদের ছড়াছড়ি। এমনকি কোচ সেজে কর্মকর্তারা জাপানে গেছেন। এ যেন পিকনিককেও হার মানায়।

এ দায়-দায়িত্ব তো অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের। তারাই তো বড় বড় গেমসের বহর ঠিক করে। সরকার থেকে বারবার বলা হচ্ছে, অর্থ অপচয় রোধ করতে। কিন্তু এই সংস্থা তা মানছে না। কোন যুক্তিতে অর্থ অপচয় করে এত বড় দল পাঠানো হলো, তার কোনো জবাবদিহি নেই। তাই অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন যা খুশি তাই করছে। নিজেদের পছন্দের লোক পাঠাতে হবে। আলাদাভাবে প্রেস অ্যাটাসে পাঠানো হয়েছিল। এতে কি দলের কোনো উপকার হয়েছে? হয়ে থাকলে ভালো।

ক্রীড়াঙ্গনে শুধু ফেডারেশন নিয়েই মন্দ কথা বলা হয়। প্রহসনমূলক নির্বাচন, দুর্নীতি, আরও কত কী। অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন এখানে আড়ালে থেকে যাচ্ছে। নির্বাচনে অনিয়ম থাকায় আমিনুল ইসলামের নেতৃত্ব দেওয়া বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের বর্তমান যে কমিটি রয়েছে, তাদের নির্বাচন কি স্বচ্ছভাবে হয়েছে? আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া ক্রীড়া উপদেষ্টা থাকা অবস্থায় সার্চ কমিটি গঠন করেছিলেন, যা নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। সেই বিলুপ্ত কমিটিই নাকি বর্তমান বিওএকে নিয়ন্ত্রণ করছে। কথাটি সত্য কি না জানি না। বিওএ নিয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে ভাবতে হবে। তা না হলে গেমস ঘিরে শুধু বিতর্ক বাড়বে। টাকা আর টাকা যাবে। সাফল্য আসবে না। হয়তো দলের চেয়ে ব্যক্তিরাই লাভবান হবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনে নিহত ৮০০ শিক্ষক, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৫ এম


গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনে নিহত ৮০০ শিক্ষক, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ২০২৩ সালের অক্টোবরে ইসরাইলি আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে ৮০০-এরও বেশি ফিলিস্তিনি শিক্ষক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৩ হাজার ৩০০ জনেরও বেশি।

রোববার (৪ অক্টোবর) ফিলিস্তিনের শিক্ষা মন্ত্রণালয় এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

আজ সোমবার (৫ অক্টোবর) বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে একটি বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের শিক্ষকরা শিক্ষার অধিকার রক্ষায় ‘বেঁচে থাকার এক বাস্তব লড়াই’ করছেন। তাদের নিয়মিতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।

মন্ত্রণালয়ের দাবি, গাজা ও পশ্চিম তীরের শিক্ষা খাত ইসরাইলের যুদ্ধের কারণে ‘ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের’ শিকার হয়েছে। বর্তমানে ১৭০-এরও বেশি শিক্ষক ইসরাইলের হেফাজতে রয়েছেন এবং তারা ‘কঠিন পরিস্থিতির’ মধ্যে আটক আছেন।

শিক্ষকদের দুর্ভোগ চলাচলে বিধিনিষেধ ও শত শত চেকপোস্টে হয়রানির কারণে আরও বেড়েছে। বিশেষ করে হেবরনের দক্ষিণে মাসাফের ইয়াত্তা, মধ্য পশ্চিম তীরের আল-মুগাইয়ির গ্রাম, জর্ডান উপত্যকা এবং ‘এরিয়া সি’ হিসেবে চিহ্নিত এলাকাগুলোতে এই সমস্যা বেশি দেখা যাচ্ছে।

১৯৯৫ সালের অন্তর্বর্তীকালীন অসলো-২ চুক্তির আওতায় পশ্চিম তীরকে তিনটি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে: এ, বি ও সি। এর মধ্যে ‘এরিয়া এ’ ফিলিস্তিনি বেসামরিক ও নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, ‘এরিয়া বি’ ফিলিস্তিনি বেসামরিক প্রশাসন ও ইসরাইলি নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আর পশ্চিম তীরের প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকা নিয়ে গঠিত ‘এরিয়া সি’ পুরোপুরি ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণে।

ফিলিস্তিনি শিক্ষকদের ওপর নিপীড়নের পাশাপাশি তীব্র আর্থিক সংকটও তাদের জীবনকে কঠিন করে তুলেছে। ফিলিস্তিনের করের অর্থ আটকে রাখার কারণে শিক্ষকদের আর্থিক ও মানসিক স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

‘ক্লিয়ারেন্স রেভিনিউ’ নামে পরিচিত এই অর্থ আমদানি করা পণ্যের ওপর ইসরাইল ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের হয়ে যে কর আদায় করে, তা থেকে আসে। ১৯৯৪ সালের প্যারিস প্রটোকলের আওতায় এসব অর্থ ফিলিস্তিনের কাছে হস্তান্তরের কথা।

২০১৯ সাল থেকে ইসরাইল এসব রাজস্ব থেকে অর্থ কেটে রাখা শুরু করে এবং পরে অর্থ স্থানান্তর বন্ধ করে দেয়। এর ফলে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের আর্থিক সংকট আরও তীব্র হয়েছে এবং সরকারি কর্মীদের পুরো বেতন পরিশোধের সক্ষমতা কমেছে।

ফিলিস্তিনের মোট সরকারি রাজস্বের প্রায় ৫৬ শতাংশই আসে এই ক্লিয়ারেন্স রেভিনিউ থেকে। ফলে এসব অর্থ আটকে রাখায় বেতন পরিশোধ, সরকারি সেবা প্রদান এবং সরকারের বিভিন্ন দায়িত্ব পালনে বড় বাধা তৈরি হয়েছে।

শিক্ষার্থী ও শিক্ষা খাতের কর্মীদের সুরক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ নিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, জাতিসংঘ এবং শিক্ষা ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ফিলিস্তিনের শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এছাড়া আটক শিক্ষকদের মুক্তি এবং আটকে থাকা আর্থিক পাওনা পরিশোধের জন্য বিশ্বজুড়ে শিক্ষক সংগঠনগুলোকে চাপ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

তথ্যসূত্র: আনাদোলু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিকের ৬ শিক্ষার্থী বালি আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াডে পদক জিতেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৮ এম


সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিকের ৬ শিক্ষার্থী বালি আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াডে পদক জিতেছে

ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াডে নীলফামারীর সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে। 'ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিয়াড অন ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ, লিডারশিপ অ্যান্ড সাস্টেইনেবিলিটি (আইওইএলএলএস)-২০২৬'-এ অংশগ্রহণ করে তারা ৪টি স্বর্ণপদক, ১টি রৌপ্যপদক এবং ১টি বিশেষ সম্মাননাসহ মোট ৬টি পদক জিতেছে। এই সাফল্য অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটির ৬ শিক্ষার্থী।

২৫ এবং ২৬ সেপ্টেম্বর বালিতে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় স্বাগতিক দেশ ইন্দোনেশিয়া, ভারত, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, নেপাল এবং বাংলাদেশের প্রতিযোগীদের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তারা এই সাফল্য অর্জন করেছে।

বিজয়ীদের মধ্যে পোস্টার প্রেজেন্টেশনে জুনিয়র ক্যাটাগরিতে দলগতভাবে প্রথম স্থান অর্জন করে স্বর্ণপদক লাভ করে ইংলিশ ভার্সনের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী শাহলা আনজুম, ষষ্ঠ শ্রেণির আরিয়া ইসলাম অদিত্রী এবং বাংলা ভার্সনের সপ্তম শ্রেণির দলনেতা মো. আল ইমতিয়াজ সিয়াম।

স্পেলিং বি প্রাইমারি ক্যাটাগরিতে স্বর্ণপদক অর্জন করেছে ইংলিশ ভার্সনের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ্ আস সাবের। অন্যদিকে ইংলিশ অ্যান্ড লিডারশিপ অলিম্পিয়াড জুনিয়র ক্যাটাগরিতে দ্বিতীয় স্থান লাভ করে রৌপ্যপদক পেয়েছে বাংলা ভার্সনের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী দয়িতা ইসলাম নাবা। পাশাপাশি স্পেলিং বি প্রাইমারি ক্যাটাগরিতে বিশেষ সম্মাননা পদক লাভ করেছে ইংলিশ ভার্সনের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী আরশিয়া ইসলাম অরোরা।

শিক্ষার্থীদের এই আন্তর্জাতিক জয়ে পুরো প্রতিষ্ঠান পরিবার উচ্ছ্বসিত। এ উপলক্ষে রোববার (৪ অক্টোবর) বিজয়ী শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল সৈয়দ শাফিউল ইসলাম মেরাজ, পিএসসি এবং গভর্নিং বডির সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মাসউদুর রহমান, পিএসসি বলেন, "শিক্ষকদের সঠিক দিকনির্দেশনা ও শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রমের ফলেই বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকাকে আমরা অনন্য উচ্চতায় তুলে ধরতে পেরেছি। এই জয় পুরো দেশের জন্য এক বিশাল গর্বের বিষয়।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৯/১১ ধাঁচে বিমান বিধ্বস্তের পরিকল্পনা, সহ-পাইলটের বিরুদ্ধে তদন্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৯ এম


৯/১১ ধাঁচে বিমান বিধ্বস্তের পরিকল্পনা, সহ-পাইলটের বিরুদ্ধে তদন্ত

ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমান বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর ৯/১১-এর মতো হামলা চালিয়ে সেটি ভবন বা অন্য একটি বিমানের সঙ্গে বিধ্বস্ত করার পরিকল্পনা করেছিলেন সহ-পাইলট হামাম আল-হামামি। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) হেফাজতে থাকা হামামি তদন্তকারীদের কাছে এমন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

রোববার (৪ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের ১০৭৩ নম্বর ফ্লাইটের মূল পাইলট স্মিত মাচ্চারকে সরিয়ে দিয়ে বিমানটি স্বাভাবিকভাবে চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন হামামি। তার উদ্দেশ্য ছিল সন্দেহ তৈরি না করে প্রয়োজনীয় অবতরণের অনুমতি নেওয়া এবং শেষ মুহূর্তে হামলা চালানো।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে পৌঁছানোর আগে হামামি জর্ডানের আকাশসীমায় ককপিটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে আহত অবস্থাতেও ক্যাপ্টেন মাচ্চার ককপিটের দরজা খুলে দিতে সক্ষম হন। এরপর যাত্রী ও ক্রু সদস্যরা হামামিকে নিয়ন্ত্রণে নেন এবং বিমানের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়া যায়।

এর আগে ৩০ সেপ্টেম্বর ফ্লাইটটি দুবাই থেকে তেল আবিবের উদ্দেশে যাত্রা করে। উড্ডয়নের পর হামামি জরুরি ব্যবহারের কুঠার দিয়ে ক্যাপ্টেন মাচ্চারের ওপর হামলা করেন এবং বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। হামলার সময় বিমানটি দ্রুত নিচে নামতে শুরু করে। পরে বিমানে থাকা দুই অফ-ডিউটি পাইলটের সহায়তায় বিমানটি সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, হামামি এর আগেও হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন। জুলাইয়ে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের কথা ভাবলেও শেষ মুহূর্তে এক ক্রু সদস্যের সঙ্গে বন্ধুত্বের কারণে তিনি সরে যান বলে তদন্তকারীদের জানিয়েছেন। পরে জুন মাসে ইসরায়েল সফরের সময় হামলার প্রস্তুতি ও তথ্য সংগ্রহে মনোযোগ দেওয়ার কথাও তিনি বলেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলগামী ফ্লাইট পরিচালনা করে এমন বিমান সংস্থাগুলোর বিষয়ে খোঁজ নিয়েছিলেন হামামি। এ কারণেই ফ্লাইদুবাইকে বেছে নেওয়া হয় বলে তিনি তদন্তকারীদের জানিয়েছেন। হামলার পরিকল্পনা ব্যর্থ হলে তেল আবিবের কোনো সুউচ্চ ভবন কিংবা জর্ডানে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সামরিক স্থাপনায় বিমানটি বিধ্বস্ত করার বিকল্প পরিকল্পনাও ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

তবে হামামির জিজ্ঞাসাবাদসংক্রান্ত এসব তথ্য এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা হামামির কাছ থেকে সরাসরি জিজ্ঞাসাবাদের সুযোগ পাননি এবং ইউএই ও সৌদি আরবের তদন্ত থেকে পাওয়া তথ্যের ওপর নির্ভর করছেন বলে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।

এদিকে ইউএইর কর্তৃপক্ষ হামামির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী হামলার চেষ্টা হিসেবে ঘটনাটি তদন্ত করছে। রয়টার্স জানিয়েছে, হামামি বর্তমানে ইউএইর হেফাজতে রয়েছেন এবং তার পরিকল্পনা, উদ্দেশ্য ও সম্ভাব্য অন্য কোনো সহযোগীর বিষয়ে তদন্ত চলছে। তথ্যসূত্র: রয়টার্স, টাইমস অব ইসরায়েল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%