শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৩৭ পি.এম
শনিবার সকাল ১০টা ৪৯ মিনিটে শ্যালিকা সিনথিয়ার মোবাইল ফোনে মেহেদী হাসান মারুফ একটি ম্যাসেজ পাঠায়, "মাকে (শাশুড়ি) নিয়ে বাসায় আসো, আমি চলে যাচ্ছি।" ম্যাসেজটি পাঠানোর পূর্বে পুলিশ গাজীপুর মহানগরীর পূবাইলের তালটিয়া এলাকার ভাড়া বাসা থেকে মেহেদীর স্ত্রী স্নিগ্ধার মৃতদেহ উদ্ধার করে। স্ত্রীর লাশ উদ্ধার হলেও রাত পর্যন্ত মেহেদীকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
অভিযুক্ত মেহেদী হাসান মারুফের বয়স ২৪ বছর এবং তিনি পূবাইলের খিলগাঁও এলাকার সাদেক মিয়ার ছেলে। নিহত আফসানা আক্তার স্নিগ্ধার বয়স ২০ বছর এবং তিনি পূবাইলের সাতানীপাড়া এলাকার ব্যবসায়ী আফসার উদ্দিনের মেয়ে।
সিনথিয়া, স্নিগ্ধার ছোট বোন, জানান, মাত্র দেড় মাস আগে তার বোন ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে সংসার জীবন শুরু করেছিলেন। ৬ মাস আগে সৌদি প্রবাসী মারুফের সঙ্গে মোবাইল ফোনে বিয়ে হয়। বিয়ের দুই বছর আগে সৌদি চলে যায় মেহেদী। সিনথিয়া বলেন, "দুলাভাই মেহেদীকে অসম্ভব ভালোবাসতেন তার বোন।" তিনি মেহেদীর ফাঁসি দাবি করেছেন।
বাবা আফসার উদ্দিন জানান, স্নিগ্ধা তার দুই মেয়ে ও এক ছেলের মধ্যে সবার বড়। কলেজে যাওয়ার পথে মেহেদীর সঙ্গে তার মেয়ের পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু মেহেদী নেশাগ্রস্ত হওয়ায় তারা তাকে অপছন্দ করতেন। দুই বছর আগে সৌদি চলে যাওয়ার পর তার মেয়ে ফোনে মেহেদীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখত, যা তার অজানা ছিল। ৬ মাস আগে গোপনে মোবাইল ফোনে মেহেদীকে বিয়ে করে। দেড় মাস আগে মেহেদী দেশে এসে কাজী অফিসে কাবিননামা করে। কিন্তু মেহেদীর বাবা-মা বিয়ে মেনে না নেওয়ায় স্নিগ্ধাকে নিয়ে বাসা ভাড়া করে সংসার শুরু করে।
তিনি আরো জানান, তার মেয়ে মাকে প্রায়ই ফোন করে বলত যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে মেহেদী তার সঙ্গে ঝগড়াঝাটি এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে। আজ (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে তিনি জানতে পারেন ভাড়া বাসা থেকে তার মেয়ের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সকাল ১০টা ৪৯ মিনিটে সিনথিয়ার মোবাইলে ম্যাসেজ পাঠানোর পরও বাসার অন্য ভাড়াটিয়ারা মেহেদীকে জিনিসপত্র ও ব্যাগ গুছিয়ে সকাল ১০টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতে দেখেছে। ধারণা করা হচ্ছে, বাসা থেকে বের হয়ে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে ম্যাসেজটি পাঠিয়েছে। সারাদিন অনেক খোঁজ করেও তাকে পাওয়া যায়নি এবং তার মোবাইল ফোনও বন্ধ ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, তার মেয়েকে হত্যা করে মেহেদী বিদেশে পালিয়ে গেছে।
পূবাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানান, সকালে বাসার অন্য ভাড়াটিয়ারা ঘরের খাটের ওপর স্নিগ্ধার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেয়। ধারণা করা হচ্ছে, স্ত্রী স্নিগ্ধাকে বালিশচাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে গেছে স্বামী মারুফ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুর মহানগরের টঙ্গীর ৫৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল আহাম্মেদ (৪০) কে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে টঙ্গী পুলিশ।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গাজীপুর মহানগর যুবলীগের ৫৩নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক সোহেল আহাম্মেদকে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে উৎখাতের চেষ্টা করার অভিযোগও রয়েছে।
টঙ্গী পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আরিফুর রহমান কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের প্রচেষ্টার পরও সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকসের শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এবার দেশটি তার দ্বিপক্ষীয় সফর আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে। চলতি বছরে তারেক রহমানের সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ককে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে নতুন করে ঢাকার সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা শুরু করেছে নয়াদিল্লি।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ভারতের সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের থেকে এই তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, নভেম্বরের দ্বিতীয়ার্ধে সফরটি আয়োজন করা সম্ভব কিনা, সে বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে।
এর আগে, গতকাল শুক্রবার কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতের আরেকটি ইংরেজি সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুও জানায়, আগামী নভেম্বর মাসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর আয়োজনের চেষ্টা চলছে।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর জোট ব্রিকসের শীর্ষ সম্মেলনের কয়েক দিন পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের এই উদ্যোগের কথা প্রকাশ পায়। ব্রিকসের আয়োজক দেশ ভারত আঞ্চলিক জোট বিমসটেকের বর্তমান চেয়ার হিসেবে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল; কিন্তু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ওই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেননি।
আগস্টে তারেক রহমানকে দিল্লিতে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য ভারত আমন্ত্রণ জানিয়েছিল বলে পত্রিকাটি উল্লেখ করেছে। তবে শেষ পর্যন্ত সেই সফরটি হয়নি।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত ফেব্রুয়ারিতে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তাকে একক দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল নয়াদিল্লি।
জানা গেছে, ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী এবং নয়াদিল্লির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সফর নিয়ে আলোচনা শুরু করেছেন। দুই পক্ষ এমন একটি তারিখ খুঁজছে, যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সময়সূচির সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।
দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
মূলত, ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক বড় ধরনের টানাপোড়েনে পড়েছে। তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্কের কিছু ক্ষেত্রে উন্নতির সম্ভাবনা তৈরি হলেও ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার প্রকাশ্য বক্তব্যের পর আবারও উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়।
জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। শেখ হাসিনাকে প্রত্যপর্ণের জন্য বারবার দাবি জানিয়ে আসছে বাংলাদেশ সরকার।
তারেক রহমানের ভারত সফরের তারিখ নির্ধারণের ক্ষেত্রে ঢাকার অন্যতম প্রধান বিবেচনা হচ্ছে একটি ‘অনুকূল পরিবেশ’ তৈরি করা। সংশ্লিষ্ট সূত্রের মতে, এর সঙ্গে ভারতে শেখ হাসিনার অবস্থান এবং তার প্রকাশ্য বক্তব্যের বিষয়টি সরাসরি যুক্ত।
ঢাকা চাইছে, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের অনুরোধের বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, তা স্পষ্ট করে যেন জানায় নয়াদিল্লি। তবে, ভারত এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট জবাব দেয়নি।
ফলে, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি একদিকে যেমন আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে আছে, তেমনি তারেক রহমানের সফর আয়োজনের ক্ষেত্রেও এটি একটি জটিলতা তৈরি করেছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বলছে, দুই পক্ষই এখন এমন একটি ‘মাঝামাঝি পথ’ খুঁজছে, যাতে শেষ পর্যন্ত সফরটি আয়োজন করা সম্ভব হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অণুজীবের অদৃশ্য জগত, যা চোখে দেখা যায় না, জীবনের প্রতিটি স্তরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে রয়েছে, এবার পেট্রি ডিশে দৃশ্যমান হয়েছে। বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়ার কালচার ও স্বাভাবিক বৃদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি হয়েছে এসব নকশা, যা কখনো গোলাপ, কখনো গাছের শাখা-প্রশাখার মতো, আবার কখনো কোষ বা বিভিন্ন প্রতীকী অবয়বের আকারে ফুটে উঠেছে। এই ব্যতিক্রমী বৈজ্ঞানিক উপস্থাপনার পেছনে রয়েছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রচেষ্টা।
আন্তর্জাতিক অণুজীব দিবস উপলক্ষে অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রদর্শিত হয় এসব ব্যাকটেরিয়াল কালচার। র্যালি, সমাবেশ, অণুজীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের গ্র্যান্ড ফাইনাল, ইনোভেশন শোকেস, ‘মাইক্রোবস ডিসকভারি কর্নার’ এবং বায়োফার্টিলাইজার প্রদর্শনীর পাশাপাশি পেট্রি ডিশে তৈরি এসব ফর্মেশন দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করেছে।
শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন কালচার মিডিয়ায় ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ঘটিয়ে নান্দনিক এসব ফর্মেশন তৈরি করেছেন। কোথাও ব্যাকটেরিয়ার কলোনি গাছের ডালপালার মতো ছড়িয়ে পড়েছে, কোথাও ফুলের অবয়ব ফুটে উঠেছে। আবার কোনো পেট্রি ডিশে দেখা গেছে কোষের প্রতিকৃতি, অন্যটি প্রকৃতির দৃশ্যের মতো। দূর থেকে এগুলোকে সাধারণ শিল্পকর্ম মনে হলেও, নিকট থেকে দেখলে বোঝা যায়, প্রতিটি রেখা ও নকশার পেছনে রয়েছে অণুজীবের বৃদ্ধি।
প্রদর্শনীতে থাকা পেট্রি ডিশগুলোর মধ্যে একটি ‘The Eternal Tree’ নামে পরিচিত, যা ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিকে ব্যবহার করে গাছের মতো বিস্তৃত ফর্মেশন তৈরি করেছে। অন্যদিকে ‘The Prokaryotic Cell’ প্রদর্শন করে অণুজীববিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণাকে শিল্পের মাধ্যমে উপস্থাপন করেছে। এছাড়া ‘Roses’, ‘The Phoenix’, ‘The Pursuit of Knowledge’, ‘Swimming’ এবং অন্যান্য সৃজনশীল ফর্মেশনও প্রদর্শিত হয়েছে। প্রতিটি কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কালচার মিডিয়া ও অণুজীবের পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে।
শুধু নান্দনিকতা নয়, প্রদর্শনীতে অণুজীববিজ্ঞানের ব্যবহারিক শিক্ষাও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। Escherichia coli, Staphylococcus aureus, Staphylococcus epidermidis, Klebsiella pneumoniae এবং বিভিন্ন Vibrio প্রজাতির ব্যাকটেরিয়ার কালচার প্রদর্শনের পাশাপাশি E. coli-এর জন্য MacConkey ও EMB এবং Vibrio প্রজাতির জন্য TCBS-এর মতো কালচার মিডিয়ায় অণুজীবের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ বৃদ্ধিও দেখানো হয়েছে।
বিভিন্ন পেট্রি ডিশে ব্যাকটেরিয়ার কলোনির রং, আকার, বিস্তার ও বৃদ্ধির ধরন আলাদা। ফলে একই প্রদর্শনীতে দর্শনার্থীরা অণুজীবের বৈচিত্র্য সম্পর্কে ধারণা পেয়েছেন এবং শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে কালচার, পর্যবেক্ষণ ও গবেষণার অভিজ্ঞতার বাস্তব চিত্র দেখতে পেয়েছেন।
অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের আয়োজিত এই প্রদর্শনীর মূল আকর্ষণ ছিল অদৃশ্যকে দৃশ্যমান করে তোলা। সাধারণত ব্যাকটেরিয়া বলতে চোখের সামনে কোনো দৃশ্যমান অবয়ব কল্পনা করা কঠিন। তবে উপযুক্ত কালচার মিডিয়া ও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে তাদের বৃদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষার্থীরা সেই অদৃশ্য জগতকেই পেট্রি ডিশে নান্দনিক রূপ দিয়েছেন।
এই আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতায় বিজ্ঞান ও শিল্পের এক ভিন্ন ধরনের মেলবন্ধন দেখা গেছে। তারা শিখেছেন কীভাবে নির্দিষ্ট কালচার মিডিয়ায় ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করতে হয় এবং সেই বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়াকে ব্যবহার করে দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করার মতো সৃজনশীল উপস্থাপনা তৈরি করেছেন।
আন্তর্জাতিক অণুজীব দিবসের মূল আয়োজনেও অণুজীবের গুরুত্ব, গবেষণা ও জনসচেতনতার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান র্যালিতে শিক্ষার্থীদের প্রদর্শিত ব্যানার ও প্ল্যাকার্ডে বিশেষ করে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (AMR)-সংক্রান্ত সচেতনতামূলক বার্তার প্রশংসা করেছেন। বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক ড. সেলিনা আক্তার মানবদেহ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অণুজীবের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেছেন।
সেই বড় আয়োজনের মধ্যে পেট্রি ডিশে তৈরি এসব ব্যাকটেরিয়াল ফর্মেশন যেন অণুজীববিজ্ঞানের আরেকটি গল্প বলেছে—যে জীবকে খালি চোখে দেখা যায় না, তাকেও বিজ্ঞান, পর্যবেক্ষণ ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে মানুষের সামনে দৃশ্যমান করে তোলা সম্ভব। যবিপ্রবির অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের এই আয়োজন তাই কেবল একটি প্রদর্শনী নয়; এটি তাদের ব্যবহারিক জ্ঞান, গবেষণামুখী চিন্তা ও সৃজনশীলতার এক অভিনব প্রকাশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে এক যাত্রীর কাছ থেকে ২৪ ক্যারেটের ৮২ গ্রাম স্বর্ণ উদ্ধার করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। এই পরিমাণ স্বর্ণ উদ্ধার করা হয় স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন পার হয়ে জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন স্থানে যাত্রীর শরীর তল্লাশি করার মাধ্যমে।
উদ্ধারকৃত স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা। চোরাচালান সংক্রান্ত তথ্যের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের বেনাপোল সার্কেল আজ শনিবার এই অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের সময় ভারতগামী সন্দেহভাজন যাত্রী আল মামুনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করা হয়। তার কাছে স্বর্ণ পাওয়া না গেলেও সন্দেহজনক আচরণের কারণে পরবর্তীতে তার শরীর এক্স-রে করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এক্স-রে পরীক্ষায় তার মলদ্বারে স্বর্ণ সদৃশ বস্তুর উপস্থিতি শনাক্ত হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বর্ণ বহনের বিষয়টি স্বীকার করেন। তার শরীরের অভ্যন্তর থেকে ২৪ ক্যারেটের ৮২ গ্রাম স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানায়, উদ্ধার করা স্বর্ণ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কাস্টম হাউস বেনাপোলের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শরীরের অভ্যন্তরে স্বর্ণ লুকিয়ে সীমান্ত অতিক্রমের এই ঘটনার সঙ্গে অন্য কোনো ব্যক্তি বা চোরাচালান চক্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ