ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নুসরাত হত্যা মামলার রায়কে ঘিকে বাড়তি নিরাপত্তা


নুসরাত হত্যা মামলার রায়কে ঘিকে বাড়তি নিরাপত্তা

মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার হাইকোর্টের রায়কে ঘনিষ্ঠভাবে কেন্দ্র করে ফেনীর সোনাগাজীতে নুসরাতের বাড়ি এবং পরিবারের নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ। রবিবার থেকে বাড়ির নিরাপত্তা বৃদ্ধি করতে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, সেই সঙ্গে আশপাশের এলাকায় নজরদারিও আরও বাড়ানো হয়েছে।

সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল হাসিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গিয়ে নুসরাতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়টি খোঁজ নেওয়া এবং বাড়ি ও আশপাশের এলাকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, নুসরাতের বাড়িতে এর আগেও দুইজন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছিলেন। তবে হাইকোর্টের রায়কে সামনে রেখে নতুন করে আরও সাতজন পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ফলে বাড়িটির নিরাপত্তার দায়িত্বে মোট নয়জন পুলিশ সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন।

আরও পড়ুন: এবার একুশে বইমেলা শুরু ৭ জানুয়ারি

নুসরাতের বড় ভাই মো. নোমান বলেন, বাড়িতে তার মা এবং পারিবারিক অন্য সদস্যরা রয়েছেন। বাড়তি নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনের প্রতি তারা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। তারা হাইকোর্টে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছেন।

সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মো. আবুল হাসিম বলেছেন, ২০১৯ সালে নুসরাত হত্যাকাণ্ডে মামলার বিচারিক আদালতের রায়ের পর থেকেই পরিবারের নিরাপত্তায় নিয়মিত পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এবার হাইকোর্টের রায়কে কেন্দ্র করে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

নুসরাতকে যেভাবে হত্যা করা হয়, তা ঘটেছিল ২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল। সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার ছাদে নুসরাতের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। গুরুতরভাবে দগ্ধ অবস্থায় প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল তাঁর মৃত্যু হয়।

এই ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে ওই বছরের ২৮ মে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে ৬১ কার্যদিবসে ৮৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ এবং যুক্তিতর্ক শেষে মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়ে যায়।

আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে মাদক নিয়ে প্রতিবেদন করায় সাংবাদিককে কুপিয়ে জখম

২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নুসরাত হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করে। এই রায়ে মাদরাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়।

বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য মামলাটি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে প্রেরিত হয়েছে। একই সঙ্গে ডাণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আলাদাভাবে আপিল ও জেল আপিল করেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও আপিল দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য গঠিত বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চে গত ২৮ জুলাই নুসরাত হত্যা মামলার শুনানি শুরু হয়। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে শুনানি শেষে ২৪ আগস্ট রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করা হয়।

এদিকে রায়কে কেন্দ্র করে নুসরাতের পরিবারের সদস্যদের সতর্ক থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বাড়িতে এবং আশপাশের এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি সংকটিপূর্ণভাবে বাড়ানো হয়েছে এবং সার্বিক পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে অগ্নিকাণ্ডে স্ত্রী-সন্তানসহ ছয় স্বজন হারালেন নূর আলম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়ায় ব্ল্যাক আগস্ট, তবে গ্রীষ্মের এই সংকট এড়িয়ে যাচ্ছেন পুতিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:২১ এম


রাশিয়ায় ব্ল্যাক আগস্ট, তবে গ্রীষ্মের এই সংকট এড়িয়ে যাচ্ছেন পুতিন

গবেষণা ও সাংবাদিকতার ভাষায় রাশিয়ায় ‘কালো আগস্ট’ বা ‘আগস্টের অভিশাপ’ বলে একটি শব্দ ব্যবহৃত হয়ে আসছে গত কয়েক দশক ধরে। গ্রীষ্মের শেষ সপ্তাহগুলোতে ঘটে যাওয়া বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত এবং নাটকীয় সংকটকে বোঝাতেই মূলত শব্দটি ব্যবহার করা হয়। সাম্প্রতিক ইতিহাস যাচাই করলে দেখা যায়, আগস্ট মাসে রাশিয়ায় সত্যিই বিস্ফোরক ঘটনা ঘটেছে যা প্রত্যাশিত ছিল না।

এই গ্রীষ্মকাল রাশিয়াতে যেন একটি বিষণ্ণ অধ্যায় হিসেবে হাজির হয়েছে। ইউক্রেনে রুশ বাহিনীর অগ্রগতি সেভাবে চোখে পড়ছে না। বরং, ইউক্রেনের হামলার ফলে তেল শোধনাগার এবং ই-কমার্স গুদামগুলোতে কালো ধোঁয়া উড়ছে। জ্বালানি পাম্পে মানুষের দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে এবং নতুন করে সেনা সমাবেশের গুজব ছড়িয়ে পড়ায় সাধারণ জনতার মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

মনে প্রশ্ন উঠছে—এটি কি আরেকটি ‘কালো আগস্ট’? ৩৫ বছর আগে এই আগস্টেই মিখাইল গর্বাচেভের বিরুদ্ধে ব্যর্থ অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছিল। ১৯৯৮ সালের আগস্টে এ দেশে এক বড় আকারের আর্থিক সংকট দেখা দেয় এবং ১৯৯৯ সালে চেচেন যুদ্ধ শুরু হয়, যা ভ্লাদিমির পুতিনকে ক্ষমতার কেন্দ্রে নিয়ে আসে।

পুতিনের জন্য আগস্ট কখনোই খুবটা স্বস্তির ছিল না। ২০০০ সালের আগস্টে সাবমেরিন ‘কুরস্ক’ ডুবে ১১৮ জন নাবিকের মৃত্যু হল এবং ২০০৮ সালে প্রতিবেশীদের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে দেশটি।

নির্বাসিত ধারাভাষ্যকার ইলিয়া ভারলামভের অভিমত হচ্ছে, অর্থনীতি বর্তমানে বিপর্যয়ের মুখে রয়েছে। জ্বালানি সমস্যার মুখোমুখি, মুদ্রার অবমূল্যায়ন এবং দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি মানুষের জীবনকে কঠিন করে তুলছে। তবে রাষ্ট্রপ্রধান পুতিন যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। তিনি মনে করেছেন যে, হামলার ফলে অর্থনীতিতে বড় ধরনের কোনো প্রভাব পড়বে না। সরকার দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত গুদাম পুনর্নির্মাণ করবে। কিন্তু সাধারণ জনগণের পকেটে এর প্রভাব যথেষ্ট পড়ছে।

যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনে অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা হচ্ছে। সেখানে নির্বাচনের দাবি উঠলেও সামরিক আইন প্রক্রিয়ায় তা আপাতত স্থগিত রয়েছে। তবুও দেশের গণতান্ত্রিক চর্চা সক্রিয় রয়েছে।

অন্যদিকে, পুতিনের দেশে সম্পূর্ণ বিপরীত দৃশ্যমান। বিরোধী রাজনীতিকরা দীর্ঘ সময়ের জন্য কারাদণ্ড পাচ্ছেন এবং নির্বাচনে বাধা দেওয়া হচ্ছে। কারাবন্দী নেতা অ্যালেক্সি নাভালনির মৃত্যুর পর, স্থানীয় সুশীল সমাজ যেন একেবারে নীরব হয়ে পড়েছে। এই ঘটনা কাকতালীয় হলেও সত্য যে, নাভালনিও ২০২০ সালের এক আগস্টেই বিষক্রিয়ার শিকার হয়ে ছিলেন। সব মিলিয়ে, রাশিয়ায় আগস্ট এক কঠিন সময় হয়ে উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান যুদ্ধে শিগগিরই ‘নতুন ধাপে’ প্রবেশ করবে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:২৮ এম


ইরান যুদ্ধে শিগগিরই ‘নতুন ধাপে’ প্রবেশ করবে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র খুব শিগগিরই ‘নতুন ধাপে’ প্রবেশ করতে যাচ্ছে। এই যুদ্ধে এবার যুক্তরাষ্ট্র মিত্র দেশগুলোকেও পাশে চাইছে। মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার মাইক জনসন নতুন এই পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

রবিবার ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জনসন বলেছেন, "আমরা খুব দ্রুত নতুন একটি ধাপে যেতে চলেছি। আমার বিশ্বাস, মিত্র দেশগুলো পরবর্তী ধাপে আমাদের সহায়তা করবে এবং আমরা এটি শেষ করব।"

তিনি আরও বলেছেন, "সবাই জানে আমরা সাপের মাথা কেটে ফেলেছি। আলোচনার টেবিলে ইরানিদের বিশ্বাস করা যায় না। এটাই মূল চ্যালেঞ্জ।" স্পিকার দাবি করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখতে সক্ষম হয়েছেন। "এটা আগের সব প্রশাসনেরই লক্ষ্য ছিল।"

যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন ধাপের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে সাগরে। গত জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরগুলোতে নতুন করে নৌ অবরোধ আরোপ করেছে। অবরোধ নিশ্চিতে মার্কিন নৌবাহিনী এখন পর্যন্ত ৭০টি বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথ ঘুরিয়েছে। দুদিন আগে সংখ্যাটি ছিল ৬৮। এছাড়া দুটি জাহাজে তল্লাশি ও তিনটিকে অকেজো করা হয়েছে।

অবরোধ কার্যকর করতে ইউএসএস জন ফিন এবং ইউএসএস রসের মতো গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ারসহ ২০টির বেশি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ কাজ করছে।

সাগরে এমন জোরালো সামরিক তৎপরতার মধ্যেও সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ একটি মানচিত্র শেয়ার করেন। সেখানে হরমুজ প্রণালিকে ‘নতুন মার্কিন ভূখণ্ড’ হিসেবে দেখানো হয়েছে। এর ঠিক এক দিন আগে এক সমাবেশেও তিনি অঞ্চলটিকে ‘আমেরিকান ভূখণ্ড’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি যথাযথভাবে কাজ করছে না: হাসনাত আবদুল্লাহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৩৭ এম


অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি যথাযথভাবে কাজ করছে না: হাসনাত আবদুল্লাহ

অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি যথাযথভাবে কাজ করছে না। সরকারের দলীয় কয়েকজন সদস্য কমিটিকে ‘আলংকারিক কমিটি’ হিসেবে নিয়েছেন। রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় সংসদে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক শেষ হওয়ার পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন কমিটির একজন সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।

তিনি বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাঠামোগত সংস্কার, ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাতসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী ও এনবিআরের কর্মকর্তাগণ এসব বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থান নিলেও সরকারের দলের কয়েকজন সদস্যের অসহযোগিতার কারণে কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘সভাপতি না হয়েও অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে চিফ হুইপ অযাচিত হস্তক্ষেপ করেন। কমিটির সরকারদলীয় সদস্যরা বৈঠকে আন্তরিক না হয়ে এটিকে অলংকারিক হিসেবে নিয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, জাতীয় সংসদে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকেও সরকারদলীয় কয়েকজন সদস্য জানিয়েছিলেন, তারা প্রস্তুত ছিলেন না। দিতীয় বৈঠকেও একই চিত্র দেখা গেছে। অর্থমন্ত্রী ইতিবাচক অবস্থান নিলেও কোনো এজেন্ডাতেই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

ব্যবসায়ীদের হয়রানি বন্ধে বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলেও জানান হাসনাত আবদুল্লাহ। এর মধ্যে বন্দর, ব্যাংক ও এনবিআরের মধ্যে একটি সমন্বিত ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির প্রস্তাব রয়েছে। এ ছাড়া করের আওতা বাড়ানো, কমলাপুর ডিপোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করার বিষয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানান এনসিপির এই নেতা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অনন্ত সংঘাতের পথ ছেড়ে কৌশলী আপসের দিকে এগোচ্ছে ইরান?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫১ এম


অনন্ত সংঘাতের পথ ছেড়ে কৌশলী আপসের দিকে এগোচ্ছে ইরান?

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান চিরকাল যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া কোনো দেশের পক্ষেই সম্ভব নয়—বাস্তবতার নিরিখে এমন কথাই স্মরণ করিয়ে দিলেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনা নিয়ে যখন দেশের শীর্ষ পর্যায়ে মতভেদ বাড়ছে, ঠিক তখনই সাধারণ মানুষের ভবিষ্যতের কথা ভেবে এমন মন্তব্য করেন।

রবিবার তেহরানে দুটি আলাদা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে, তিনি গত জুনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া একটি সমঝোতা স্মারকের পক্ষপাতিত্ব করেন। যদিও ধারণা করা হয়, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এই চুক্তির বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত গত মাসেই চুক্তিটি ভেস্তে যায়।

তবে পেজেশকিয়ান মনে করেন, যারা এই আলোচনায় সরাসরি যুক্ত ছিলেন, তাদের মতে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য এটিই ছিল সেরা উপায়। তিনি বলেন, ‘যুদ্ধও নয়, আবার শান্তিও নয়—এমন অবস্থা থেকে দেশকে বাঁচাতে একদিন না একদিন আমাদের সিদ্ধান্ত নিতেই হবে। এই স্মারকটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে যুক্তি ও মর্যাদার সঙ্গে সমস্যাগুলো সমাধান করা সম্ভব।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের ফলে দেশের অর্থনীতি ও সমাজের উপর কী প্রভাব পড়ছে, তা নিয়ে তিনি বারবার সতর্ক করেছেন। এর ফলে অনেক সময় কট্টরপন্থী নেতাদের সঙ্গে তার মতবিরোধও দেখা গেছে। নিজের শক্ত অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের অবশ্যই জনগণের পাশে থাকতে হবে। আমরা যদি তাদের বোঝাতে না পারি যে আমরা সবাই একই দেশের মানুষ, তবে আমাদের হাতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামরিক শক্তি থাকলেও আমরা হেরে যাব। তার সরকার এখন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও ভবিষ্যৎকে একটি সম্মানজনক জায়গায় নিয়ে যেতে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে।

পেজেশকিয়ানের ওই অনুষ্ঠানে ইসলামি প্রজাতন্ত্রটির প্রতিষ্ঠাতা রুহুল্লাহ খামেনির নাতি আয়াতুল্লাহ সৈয়দ হাসান খামেনিও উপস্থিত ছিলেন। তিনিও বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন, কখনো কখনো একটি বিজ্ঞ ও কৌশলী আপস শত শত যুদ্ধের চেয়েও অনেক বেশি কিছু অর্জন করতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাত কীভাবে সামলানো হবে, তা নিয়ে ইরানের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে বিতর্ক বাড়ছে। একাংশ মনে করে, অর্থনৈতিক সংকট আরও গভীর হওয়ার আগেই নিজেদের শক্ত অবস্থান থেকে আলোচনা শুরু করা উচিত। তবে নিরাপত্তা কাঠামোর কট্টরপন্থীরা এখনো যেকোনো ধরনের সংলাপের ঘোর বিরোধী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%