ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

শাহজাদপুর প্রেসক্লাবের দ্বিবার্ষিক কমিটি গঠন; সভাপতি আল আমিন, সাধারণ সম্পাদক রাসেল সরকার


শাহজাদপুর প্রেসক্লাবের দ্বিবার্ষিক কমিটি গঠন; সভাপতি আল আমিন, সাধারণ সম্পাদক রাসেল সরকার

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সাংবাদিক সংগঠন ‘শাহজাদপুর প্রেসক্লাব’-এর দ্বিবার্ষিক কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাধারণ সভায় উপস্থিত সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন জিএস আল আমিন এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন রাসেল সরকার ।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) শাহজাদপুর ক্রীড়া সংস্থার হলরুমে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী দুই বছরের জন্য এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

সভায় উপস্থিত প্রেসক্লাবের সদস্যরা নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটিকে স্বাগত জানান। একই সঙ্গে সংগঠনের ঐতিহ্য, সুনাম ও নিরপেক্ষতা অক্ষুণ্ন রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

আরও পড়ুন: পাবনায় জোড়া খুন: ৪৫ ঘণ্টা পর অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার নেই

নবনির্বাচিত সভাপতি জি এস আল আমিন হোসেন বলেন, “আমি জনগণের স্বার্থে এবং দেশের কল্যাণে নিরপেক্ষতা ও বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিত করে সাংবাদিকতা করি। ভবিষ্যতেও সেই আদর্শ ও নীতি ধারণ করে কাজ করে যেতে চাই।”

নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক রাসেল সরকার তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “দীর্ঘ ২৫ বছরের সাংবাদিকতা জীবনে আমি সবসময় বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা এবং মূলধারার সাংবাদিকদের সঙ্গে ছিলাম। ভবিষ্যতেও এর ব্যতিক্রম হবে না, ইনশাআল্লাহ। আমাকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করায় সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।”

নবগঠিত এই কমিটির মাধ্যমে শাহজাদপুর প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং সাংবাদিকদের পেশাগত ঐক্য, মর্যাদা ও স্বাধীন সাংবাদিকতা চর্চায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার হলেন চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদের সহযোগী সানি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তালাশ বিডি নিউজের পর বাকেরগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, বড় চালানসহ প্রতিদিন আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃসানি নিজস্ব সংবাদদাতা

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:০৫ পি.এম


তালাশ বিডি নিউজের পর বাকেরগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, বড় চালানসহ প্রতিদিন আটক

তালাশ বিডি নিউজ প্রকাশের পর বরিশালের বাকেরগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান আরও তীব্র হয়েছে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল হোসেনের নেতৃত্বে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ প্রতিদিনই অভিযান পরিচালনা করছে।
থানা সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিনে একের পর এক বড় মাদক চালান আটক করা হয়েছে। প্রতিদিন ২ থেকে ৪ জন মাদক ব্যবসায়ী, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাকে আটক করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, তালাশ বিডি নিউজ প্রকাশের পর থেকেই বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে যায়। পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানও প্রতিদিন চলমান রয়েছে এবং আটককৃতদের সাজা প্রদান করা হচ্ছে।
এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। পুলিশের এই সাফল্যের কৃতিত্ব ওসি আদিল হোসেনকেই দিচ্ছেন বাকেরগঞ্জের সাধারণ মানুষ।
এলাকাবাসীর দাবি, এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে বাকেরগঞ্জ দ্রুত মাদকমুক্ত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দাসপ্রথার জন্য আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চাওয়ার ইঙ্গিত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:০৮ পি.এম


দাসপ্রথার জন্য আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চাওয়ার ইঙ্গিত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর

ব্রিটেনের ইতিহাসে দাস বাণিজ্যের জন্য আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম। তাঁর এই অবস্থান ব্রিটিশ সরকারের দীর্ঘকালীন নীতিতে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। তবে তিনি আফ্রিকান দাসদের বংশধরদের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণের দাবিতে সমর্থন জানাননি।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দ্য গার্ডিয়ানে প্রকাশিত মতামতধর্মী নিবন্ধে বার্নহাম উল্লেখ করেন, অতীতের অন্যায়ের জন্য বর্তমান ব্রিটিশ জনগণকে দায়ী করা উচিত নয়। তিনি বলেন, “অতীতের অন্যায় যত ভয়াবহই হোক না কেন, ভিন্ন যুগে ও ভিন্ন আইনের অধীনে সংঘটিত এমন ঘটনার জন্য ব্রিটিশ জনগণকে দায়ী করা উচিত নয়, যাতে তাঁদের ব্যক্তিগত কোনো ভূমিকা ছিল না।”

বার্নহাম পূর্ববর্তী সরকারগুলোর সমালোচনা করেন, যারা দাস বাণিজ্যে ব্রিটেনের ভূমিকার ঐতিহাসিক প্রভাব নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেননি। তিনি বলেন, তাঁর পূর্বসূরিরা এই বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন। এই প্রেক্ষাপটে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউনকে বিশ্বের দরিদ্রতম সাবেক ব্রিটিশ উপনিবেশগুলোর ঋণ পুনর্গঠনে একটি বৈশ্বিক উদ্যোগের নেতৃত্ব দিতে অনুরোধ করেছেন তিনি।

বার্নহাম লেখেন, “ব্রিটিশ রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চাওয়ার দাবিগুলো শোনা এই প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হবে। আমি এ বিষয়ে আগ্রহী।”

প্রধানমন্ত্রীর এই অবস্থান আগামী সপ্তাহে অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডায় কমনওয়েলথ নেতাদের বৈঠকে রাজা তৃতীয় চার্লসের আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চাওয়ার সম্ভাবনা উন্মোচন করেছে। তবে কবে রাজা বা প্রধানমন্ত্রী এ ধরনের পদক্ষেপ নেবেন, তা এখনও নিশ্চিত নয়।

ব্রিটেনের সমালোচকদের একটি অংশ শুধুমাত্র ক্ষমা চাওয়ায় সন্তুষ্ট নন। তাঁদের দাবি, দাস বাণিজ্যের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের বংশধরদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ১৭০০ ও ১৮০০ শতকে ব্রিটিশ জাহাজে করে প্রায় ৩০ লাখ আফ্রিকানকে আটলান্টিক পেরিয়ে উপনিবেশগুলোর কৃষি খামারে দাস হিসেবে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তাঁদের বিদ্রোহের চেষ্টা নির্মমভাবে দমন করা হতো।

গত সপ্তাহে ক্যারিবীয় রাষ্ট্রগুলোর সংগঠন ক্যারিকমের ক্ষতিপূরণ কমিশনের চেয়ারম্যান হিলারি বেকলস রাজপরিবারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, দাসপ্রথা থেকে রাজপরিবার যে বিপুল সম্পদ অর্জন করেছে, তার প্রভাব এখনো উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সম্পদে রয়েছে। তাই রাজা চার্লসের উচিত তাঁর পূর্বপুরুষদের শাসনামলের অন্যায়ের বিষয়ে আরও পদক্ষেপ নেওয়া।

তবে বাকিংহাম প্যালেসের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে বলা হচ্ছে, দাস বাণিজ্যে ব্রিটেনের ভূমিকার জন্য ক্ষমা চাওয়া বা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব সরকারের, রাজপরিবারের নয়। শুক্রবারের আগে পর্যন্ত ব্রিটিশ সরকার আনুষ্ঠানিক ক্ষমা ও আর্থিক ক্ষতিপূরণ—দুই দাবিই প্রত্যাখ্যান করে আসছিল।

এর আগে রাজা চার্লস দাসপ্রথাকে “ভয়াবহ নৃশংসতা” হিসেবে বর্ণনা করে বলেছিলেন, এটি “আমাদের ইতিহাসে চিরস্থায়ী কলঙ্ক।” তবে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের দাস বাণিজ্যে ভূমিকার জন্য তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাননি।

বর্তমানে সাত দিনের ক্যারিবীয় সফরে রয়েছেন রাজা চার্লস। আগামী মঙ্গলবার অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডায় কমনওয়েলথ নেতাদের বৈঠকে যোগ দেবেন তিনি। গত সপ্তাহে তিনি বলেন, অতীতে এসব দ্বীপে এবং এর বাইরেও মানুষের যে দুর্ভোগ হয়েছে, তা স্বীকার করা উচিত। একই সঙ্গে বর্তমানের সাফল্য উদ্‌যাপন ও ভবিষ্যতের জন্য নতুন সুযোগ তৈরির কথাও বলেন তিনি।

শুক্রবার রাতে রাজা অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডায় পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রীর নিবন্ধ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বাকিংহাম প্যালেসের একজন মুখপাত্র কোনো মন্তব্য করেননি। বার্নহামও মঙ্গলবারের ওই বৈঠকে অংশ নেবেন। তথ্যসূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস, দ্য গার্ডিয়ান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিউইয়র্কের আয়নামহলে লাল পোশাকে প্রভার ঝলক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:০৮ পি.এম


নিউইয়র্কের আয়নামহলে লাল পোশাকে প্রভার ঝলক

ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। অভিনয়ের পাশাপাশি তার ভ্রমণের প্রতি রয়েছে বিশেষ আগ্রহ। কাজের ব্যস্ততার মাঝে সুযোগ পেলেই তিনি ঘুরতে বের হন। দেশের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে কাটানো মুহূর্তের ছবি প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের একটি ব্যতিক্রমী পর্যটনকেন্দ্রে ভ্রমণকালে তোলা কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছেন প্রভা। এরপর থেকেই ছবিগুলো নিয়ে তার ভক্তদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।

নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে অবস্থিত জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র ‘সামিট ওয়ান ভ্যান্ডারবিল্ট’-এ ছবিগুলো তুলেছেন তিনি। সেখানে লাল রঙের আকর্ষণীয় পোশাকে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন অভিনেত্রী। চারপাশের আয়না ও কাচের প্রতিফলনে তৈরি হয়েছে দৃষ্টিনন্দন এক পরিবেশ, যা তার ছবিগুলোকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা।

ছবিতে প্রভার পরনে ছিল নেটের পেটাল স্লিভস ও বেল্টযুক্ত ক্ল্যাসিক পোশাক। এর সঙ্গে লাল লিপস্টিক, কানে ছোট মুক্তার দুল এবং কাঁধে লম্বা চেইনের ব্যাগে দেখা গেছে তাকে। খোলা চুলে বেশ সাবলীল ভঙ্গিতে ক্যামেরার সামনে ধরা দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

উল্লেখ্য, ওয়ান ভ্যান্ডারবিল্ট ভবনের ৯১, ৯২ ও ৯৩ তলায় অবস্থিত সামিট ওয়ান ভ্যান্ডারবিল্ট পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। আয়নাঘেরা কক্ষ, কাচের তৈরি মিরর স্কাই বক্স এবং নানা ধরনের দৃষ্টিভ্রমের আয়োজন রয়েছে সেখানে। নিউইয়র্ক শহরের আকাশচুম্বী ভবনগুলোর মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখার পাশাপাশি ব্যতিক্রমী ছবি তোলার সুযোগও মেলে এই পর্যটনকেন্দ্রে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাকসুর বরাদ্দের ৯ লাখ টাকা আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য, অনাবাসিকরা বঞ্চিত ৭০ শতাংশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:০৯ পি.এম


চাকসুর বরাদ্দের ৯ লাখ টাকা আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য, অনাবাসিকরা বঞ্চিত ৭০ শতাংশ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রান্তে এসে সংগঠনটির ভিপি, জিএস ও এজিএসের জন্য বরাদ্দকৃত প্রায় ৯ লাখ টাকা আবাসিক শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ব্যয় করা হয়েছে। তবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০ শতাংশ অনাবাসিক শিক্ষার্থীর জন্য এসব উদ্যোগ সরাসরি উপকারে আসেনি। এ কারণে ছাত্র সংসদের বরাদ্দের অর্থ ব্যবহারে আবাসিক ও অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের স্বার্থের ভারসাম্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি হলেও চাকসু ও হল সংসদগুলোর কার্যক্রম মূলত আবাসিক শিক্ষার্থীদের কেন্দ্র করে পরিচালিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপকালে জানা গেছে। দীর্ঘ সময় ধরে আবাসিক হলের সুবিধা, শিক্ষা উপকরণ ও বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে গুরুত্ব দেওয়া হলেও অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের যাতায়াত, খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনের দিকে কার্যক্রম তুলনামূলকভাবে কম লক্ষ্য করা গেছে। যদিও চাকসুর কিছু সম্পাদকের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের বৃহত্তর অংশকে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা দেখা গেছে।

জানা গেছে, চাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) ইব্রাহিম হোসেন রনির যাতায়াত, আপ্যায়ন ও চা-নাশতার জন্য বরাদ্দ ছিল প্রায় চার লাখ টাকা। তিনি ব্যক্তিগত ও আনুষঙ্গিক কাজে এ অর্থ ব্যয় না করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০টি ছাত্র হল এবং মাস্টারদা সূর্য সেন হলের নারী ব্লকের জন্য মোট ১১টি ডিপ ফ্রিজের ব্যবস্থা করেন। যদিও এই উদ্যোগটি আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য সুবিধা তৈরি করেছে, অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা এর সরাসরি সুফল পাচ্ছেন না।

অন্যদিকে, চাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সাঈদ বিন হাবিবের আপ্যায়ন, চা-নাশতা, যাতায়াতসহ আনুষঙ্গিক খাতে বরাদ্দ ছিল প্রায় দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি এ অর্থের কোনো অংশ ব্যক্তিগত কাজে ব্যয় করেননি এবং বরাদ্দ থেকে কোনো টাকা উত্তোলনও করেননি। দায়িত্বের শেষ সময়ে এসে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের একটি সমস্যা সমাধানে বরাদ্দের অর্থ ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

চাকসুর যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) আইয়ুবুর রহমান তৌফিকও তাঁর জন্য বরাদ্দ করা দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা নিজের বা অফিসের কাজে ব্যয় করেননি বলে জানা গেছে। বরাদ্দকৃত অর্থ তিনি আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও সেবামূলক উপকরণ নিশ্চিত করতে ব্যয় করেছেন।

তিন নেতার বরাদ্দের অর্থ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ব্যবহারের উদ্যোগ থাকলেও এর সুবিধাভোগী কারা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ প্রতিদিন শহর থেকে শাটল ট্রেনে যাতায়াত করেন। তাঁদের জন্য বসার জায়গা, খাবারের সুবিধা কিংবা যাতায়াতকেন্দ্রিক সমস্যা সমাধানে এ অর্থের কোনো অংশ ব্যয় করা হলে তা আরও বেশি শিক্ষার্থীর কাজে আসত কি না, সে প্রশ্নও সামনে এসেছে।

হল সংসদের কার্যক্রমেও আবাসিকদের প্রাধান্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। হল সংসদগুলোর নেতারা সংশ্লিষ্ট হলের শিক্ষার্থীদের ভোটে নির্বাচিত হলেও তাঁদের অধিকাংশ কার্যক্রম আবাসিক শিক্ষার্থীদের কল্যাণেই সীমাবদ্ধ ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে হল সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা কতটা পূরণ হয়েছে, তা নিয়েও আলোচনা তৈরি হয়েছে।

এমন উদ্যোগ নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে চাকসুর সাবেক ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি বলেন, "আমি যে ফ্রিজগুলো দিয়েছি ঐই ফ্রিজগুলোতে ২টি পার্ট আছে। যার একটি পার্ট অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা যেন ব্যবহার করতে পারে সেটি বলে দেওয়া হয়েছে।"

তিনি আরও বলেন, "চাকসুতে বাজেটের কয়েক গুণ কাজ করেছি। যার কালেকশনগুলো ভিপি জিএসের মাধ্যমে হয়েছে। এগুলোর সুযোগ সুবিধা অনাবাসিকরাও পাচ্ছে।"

তবে চাকসুর সাবেক জিএস সাঈদ বিন হাবিব বলেন, "আমি আমার বাজেটের যে ফ্রিজগুলো দিয়েছি সেগুলো অনাবাসিক শিক্ষার্থীরাও ব্যবহার করতে পারবে। এছাড়া আমি কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি, শারীরিক শিক্ষা বিভাগ, বিভিন্ন হলে পানির ফিল্টারের ব্যবস্থা করেছি। যা অনাবাসিক শিক্ষার্থীদেরও কাজে আসবে।"

চাকসুর এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিক বলেন, "আসলে আড়াই লক্ষ টাকা পরিমাণে খুবই কম। এই টাকা দিয়ে ৭০ শতাংশ অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের কল্যাণে স্থায়ী কিছু করা যাবে বলে আমার মনে হয়না। তাই আমি আবাসিক হলগুলোতে স্থায়ী কিছু করার চেষ্টা করেছি। যেন হলোগুলোতে অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা আসলেও সুবিধা নিতে পারবে।"

তিনি আরও বলেন, "চাকসু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ লক্ষ টাকা নিয়েছে। এই টাকা তো শিবির প্যানেলই পেয়েছে। আর সেই টাকা দিয়ে ওনারা শুধু জামায়াত শিবিরকে প্রমোট করেছে। ওনারা চাইলে এই টাকা দিয়ে অনাবাসিকদের জন্য স্থায়ী কিছু করতে পারতো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%