ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি শিগগিরই দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী


প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি শিগগিরই দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন যে, হাইকোর্টে দায়ের করা একটি রিট পিটিশন নিষ্পত্তি হওয়ার পর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির কার্যক্রম খুব শিগগিরই শুরু হবে।

তিনি আজ জাতীয় সংসদে নরসিংদী-১ আসনের সরকারি দলের সদস্য খায়রুল কবির খোকনের লিখিত এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানায়, প্রধানমন্ত্রী পদে পদোন্নতি সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন সম্প্রতি নিষ্পত্তি হাওয়ার কারণে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদগুলো পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন: মাওয়া প্রান্তে পদ্মায় গোসলে নেমে নিখোঁজ রাসেলের মরদেহ উদ্ধার

তিনি আরও বলেন, আগের নিয়োগ বিধিমালার আওতায় প্রধান শিক্ষক পদের ৬৫ শতাংশ পদ পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হতো। তবে এখন নতুন নিয়োগ বিধিমালায় এই হার বাড়িয়ে ৮০ শতাংশ করা হয়েছে।

ড. মিলন বলেন, নতুন নিয়োগ বিধিমালা প্রণয়ন করা হলেও হাইকোর্টে বিচারাধীন মামলার কারণে পদোন্নতির কার্যক্রম স্থগিত ছিল। এখন মামলার নিষ্পত্তি হওয়ায় নতুন বিধিমালা অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক পদের ৮০ শতাংশ পদ পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রবল স্রোতে তিস্তার তীর সংরক্ষণকাজে ধস, দুর্ভোগে ৫০০ পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৫ পি.এম


প্রবল স্রোতে তিস্তার তীর সংরক্ষণকাজে ধস, দুর্ভোগে ৫০০ পরিবার

তিস্তা নদীর তীব্র স্রোতে রংপুরের গঙ্গাচড়া ও লালমনিরহাট সীমান্তবর্তী এলাকায় নতুন নির্মিত তীর সংরক্ষণকাজের প্রায় ২০০ মিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

এর ফলে কয়েকটি বসতবাড়ি নদীগর্ভে চলে গেছে এবং প্রায় ৫০০টি পরিবার পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে, সাথেই আমন ধানের বীজতলা তলিয়ে যায়।

দিন কাটছে আতঙ্কে নতুন করে ঘরবাড়ি হারানোর ভয় নিয়ে প্রায় ১ হাজার ৫০০ পরিবারের।

স্থানীয় সূত্র জানাচ্ছে, গত কয়েক বছর ধরে তিস্তার ভাঙনের কারণে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মর্ণেয়া ইউনিয়নের নরশিং ও তালপট্টি এবং লালমনিরহাট সদর উপজেলার হরিণচড়া এলাকার হাজারো মানুষ ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও জীবিকার শেষ সম্বল হারিয়েছে। চলতি বছর ত্রাণ উপদেষ্টা আসাদুল হাবিব দুলুর উদ্যোগে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ওই এলাকায় তীর সংরক্ষণকাজ বাস্তবায়ন করে। কিন্তু নতুন বাঁধ নির্মাণের পর নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে যে স্বস্তি এসেছিল, তা স্থায়ী হয়নি।

মঙ্গলবার রাতে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলে নদীর ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করে।

নদীর তীব্র স্রোতে নতুন নির্মিত তীর সংরক্ষণকাজের প্রায় ২০০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। একইসাথে নদীর পানিতে কয়েকটি বসতবাড়ি ভেঙে যায় এবং প্রায় ৫০০টি বাড়িতে পানি ঢুকে পড়ে। বিস্তীর্ণ এলাকার আমন ধানের বীজতলা তলিয়ে যায়।

মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা যায়, লালমনিরহাটের আদর্শপাড়া থেকে গঙ্গাচড়ার তালপট্টি হয়ে নরশিং পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় তীর সংরক্ষণকাজ করা হয়েছিল।

গত কয়েক দিন ধরে তীব্র স্রোতের কারণে বাঁধটির বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। সোমবার রাতের পানি বৃদ্ধির পর পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটে। ইতিমধ্যে প্রায় ২০০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন স্থানে ধস দেখা দেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ছে।

স্থানীয়রা জানান, গত কিছুদিন ধরে তিস্তার পানি দ্রুত ওঠানামা করছে।

আকস্মিক বন্যা, তীব্র স্রোত এবং হঠাৎ পানি কমে যাওয়ার কারণে নদীতীরজুড়ে ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে প্রায় ১ হাজার ৫০০ পরিবারের বসতভিটা, বিস্তীর্ণ ফসলি জমি, দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হুমকির মুখে পড়েছে।

তালপট্টি গ্রামের আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘অনেক আশা নিয়ে বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল। ভেবেছিলাম এবার আর ভাঙন হবে না। কিন্তু কয়েক মাসও টিকল না। চোখের সামনে নতুন বাঁধ নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এখন আবার ঘরবাড়ি সরানোর চিন্তায় আছি।’

নরশিং এলাকার কৃষক নুর মোহাম্মদ বলেন, ‘সরকার অনেক টাকা খরচ করে বাঁধ নির্মাণ করেছে। কিন্তু এত দ্রুত যদি ভেঙে যায়, তাহলে এই বাঁধ দিয়ে আমাদের কী লাভ হলো? এখন আবার বাড়িঘর ও জমিজমা হারানোর ভয় রয়েছে।’

হরিণচড়া গ্রামের সাইদুল বলেন, ‘বাঁধ হওয়ার পর মনে হয়েছিল ভয় কেটে গেছে। এখন দেখি বাঁধও নদীতে চলে যাচ্ছে। রাতে ঘুমাতে পারি না। মনে হয় কখন ঘরটাও নদীতে ভেঙে পড়ে। ভাঙন শুরুর পর দ্রুত ব্যবস্থা নিলে হয়তো এতটা ক্ষতি হতো না। এখন জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ও ব্লক না ফেললে পুরো বাঁধই নদীগর্ভে চলে যাবে।’

এ বিষয়ে রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে সেখানে ভাঙন শুরু হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে ৬ হাজার জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের কাজ চলছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে আরও জিও ব্যাগ ও অন্যান্য প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাস্তা থেকে মাদরাসাছাত্রীকে তুলে নিয়ে আখক্ষেতে জিল্লু মণ্ডল, অতঃপর...

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৭ পি.এম


রাস্তা থেকে মাদরাসাছাত্রীকে তুলে নিয়ে আখক্ষেতে জিল্লু মণ্ডল, অতঃপর...

রাজবাড়ীর পাংশায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে জিল্লু মণ্ডল (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার জিল্লু মণ্ডল উপজেলার চরঝিকরি গ্রামের বাসিন্দা।

পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে আটক। পরে ভুক্তভোগীর বাবার দায়ের করা মামলায় তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে ভুক্তভোগী ছাত্রী চরঝিকরি মকবুল হোসেন দাখিল মাদরাসায় যাওয়ার পথে চরঝিকরি দক্ষিণপাড়ায় লোকমান হোসেনের বাড়ির পাশের মাঠসংলগ্ন একটি আখক্ষেতের কাছে পৌঁছালে অভিযুক্ত তার পথরোধ করে জোরপূর্বক আখক্ষেতের ভেতরে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় আত্মরক্ষার্থে ছাত্রীটি অভিযুক্তের হাতে কামড় দিয়ে চিৎকার করলে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলের দিকে ছুটে আসেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়।

পরদিন মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে স্থানীয়রা জিল্লু মণ্ডলকে আটক করে পাংশা মডেল থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী লোকমান হোসেন বলেন, শিশুটির চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলের দিকে গেলে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের নিয়ে তার বাড়িতে গেলে প্রথমে সে অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরে ঘটনার কথা স্বীকার করে।

তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত জিল্লু মণ্ডলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে আইন অনুযায়ী সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের জঘন্য অপরাধ করার সাহস না পায়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে পাংশা মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯ (৪) (খ) ধারায় মামলা দায়ের করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হলে সংকট বাড়তে পারে: জিএম কাদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৯ পি.এম


জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হলে সংকট বাড়তে পারে: জিএম কাদের

জাতীয় পার্টির (একাংশ) চেয়ারম্যান জি এম কাদের মন্তব্য করেছেন, তিনি জুলাইয়ের আন্দোলনকে সফল বা ব্যর্থ-কোনোটিই বলতে চান না। তাঁর ভাষ্যমতে, আন্দোলনের মূল লক্ষ্য এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। সেজন্য, এটি এখনো ‘অসমাপ্ত’ রয়েছে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণ না হলে ভবিষ্যতে আরো বড় রাজনৈতিক আন্দোলন কিংবা নতুন পরিবর্তনের দাবি জোরালো হতে পারে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রংপুর সফরের দ্বিতীয় দিনে নগরীর সেনপাড়ায় নিজ বাসভবন ‘পল্লী নিবাসে’ কালের কণ্ঠকে তিনি এই তথ্য জানান। পরবর্তী সময়ে জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

জি এম কাদের বলেন, ‘জুলাইয়ের আন্দোলনকে আমি সফল বা ব্যর্থ বলতে চাই না। কারণ আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্রব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা, বৈষম্য দূর করা এবং জনগণের জন্য একটি জবাবদিহিমূলক ও নিরপেক্ষ প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু সেই লক্ষ্য এখনো পূরণ হয়নি। তাই আমি বলব, আন্দোলনটি এখনো অসমাপ্ত।’

তিনি উল্লেখ করেন, ‘কোটা সংস্কার আন্দোলন ধীরে ধীরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। জনগণ আশা করেছিল রাষ্ট্র পরিচালনায় নতুন সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত হবে। কিন্তু বাস্তবে প্রশাসনে দলীয়করণ, নিয়োগে বৈষম্য এবং রাজনৈতিক প্রভাব এখনো বিদ্যমান। ফলে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।’

বর্তমান দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মন্তব্য করেন, ‘জনগণ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চায়। তারা এমন একটি রাজনৈতিক পরিবেশ প্রত্যাশা করে, যাতে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে, বিরোধী মতকে সম্মান করা হবে এবং আইনের শাসন নিশ্চিত হবে। কিন্তু বাস্তবে রাজনৈতিক সহনশীলতার ঘাটতি, মামলা-হামলা এবং নানা ধরনের অনিশ্চয়তা এখনো বিদ্যমান।’

তিনি আরও বলেন, ‘যদি জুলাই আন্দোলনের ঘোষিত লক্ষ্য বাস্তবায়ন না হয়, তাহলে ভবিষ্যতে আরও বড় আন্দোলন কিংবা নতুন রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবি জোরালো হতে পারে। জনগণের প্রত্যাশা দীর্ঘদিন উপেক্ষা করা হলে নতুন সংকট সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’

রাষ্ট্র পরিচালনায় জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করে জি এম কাদের বলেন, ‘রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হতে হবে। প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং নিয়োগ প্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করতে না পারলে জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে না। গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিই হচ্ছে জনগণের আস্থা। সেই আস্থা অর্জন করতে হলে আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হবে, বৈষম্য দূর করতে হবে এবং সব নাগরিকের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।’

দেশে মাদকের বিস্তার নিয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ‘মাদক এখন সমাজের জন্য ভয়াবহ হুমকিতে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে তরুণ সমাজ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মাদক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে এর ভয়াবহ সামাজিক প্রভাব মোকাবিলা করা কঠিন হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মাদক নির্মূলে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানই যথেষ্ট নয়। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং সরকারের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। একই সঙ্গে সীমান্ত দিয়ে মাদকের প্রবেশ বন্ধে আরও কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।’

জি এম কাদের বলেন, ‘দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য অংশগ্রহণমূলক, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলার বিকল্প নেই।’ জনগণের প্রত্যাশা পূরণে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

এর আগে এরশাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সকাল থেকে রংপুর মহানগর ও জেলা জাতীয় পার্টির উদ্যোগে নানা কর্মসূচি পালন করা হয়। সকাল ৯টায় পল্লী নিবাসে স্মরণসভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের কবর জিয়ারত, পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত এবং তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে দলের কেন্দ্রীয়, জেলা, মহানগর ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থক এবং শুভানুধ্যায়ীরা অংশ নেন।

এ সময় জি এম কাদের বলেন, ‘পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের উন্নয়ন দর্শন আজও বাংলাদেশের মানুষের কাছে প্রাসঙ্গিক। দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, পল্লী জনপদের অগ্রগতি এবং রংপুর অঞ্চলের উন্নয়নের ক্ষেত্রে তাঁর যে অবদান, তা মানুষ কখনো ভুলবে না। তাঁর আদর্শ ধারণ করেই জাতীয় পার্টি জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১১ পি.এম


দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, যুবসমাজের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে চাহিদা ভিত্তিক দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা বর্তমান সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘উৎপাদনশীল, আত্মনির্ভর, বৈষম্যহীন ও প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার দক্ষতা উন্নয়নকে জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেছে।’

‘বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে মঙ্গলবার দেওয়ার এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পরিবর্তিত বৈশ্বিক অর্থনীতি ও প্রযুক্তিনির্ভর কর্মপরিবেশের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলাই আমাদের অঙ্গীকার। এ প্রেক্ষাপটে ‘বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস-২০২৬’ উদযাপনের উদ্যোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।’

তিনি জানান, জাতিসংঘের আহ্বানে ২০১৫ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ) প্রতিবছরের মতো এবারও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি উদযাপনের উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের তরুণদের উৎপাদনশীল জনশক্তিতে রূপান্তরের যে সুদূরপ্রসারী দর্শন ও কর্মসূচির ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, বর্তমান সরকার সেই ধারাবাহিকতাকে আরও শক্তিশালী ও যুগোপযোগী রূপ দিচ্ছে।

তারেক রহমান বলেন, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দক্ষতা উন্নয়ন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং মানবসম্পদের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার বহুমাত্রিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমাদের যুবসমাজ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ। তাদের দক্ষতা, উদ্ভাবনী সক্ষমতা ও পেশাগত যোগ্যতা বিকশিত করা গেলে শিল্পায়ন, উৎপাদনশীলতা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরও ত্বরান্বিত হবে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), অটোমেশন এবং উদীয়মান প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ কর্মক্ষেত্রে যেমন নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে, তেমনি নতুন সম্ভাবনারও দ্বার উন্মোচন করছে। এ বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে সরকার দক্ষতা উন্নয়ন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, শিল্পমুখী ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে কাজ করছে।

তিনি জানান, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ দক্ষতার মানোন্নয়ন, অভিন্ন সনদায়ন ব্যবস্থা চালু, দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারণ, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন, জাতীয় দক্ষতা প্রতিযোগিতার আয়োজন এবং বিশ্ব দক্ষতা প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

এছাড়া সরকারি, বেসরকারি ও শিল্পখাতের সমন্বয়ে একটি সময়োপযোগী জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, পুনঃদক্ষায়ন ও দক্ষতার নবায়নের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং পরিবর্তিত আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী অধিকসংখ্যক দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ‘বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস-২০২৬’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’

তিনি জানান, এর মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণের জাতীয় অভিযাত্রা আরও বেগবান হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%