ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী


দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, যুবসমাজের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে চাহিদা ভিত্তিক দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা বর্তমান সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘উৎপাদনশীল, আত্মনির্ভর, বৈষম্যহীন ও প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার দক্ষতা উন্নয়নকে জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেছে।’

‘বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে মঙ্গলবার দেওয়ার এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পরিবর্তিত বৈশ্বিক অর্থনীতি ও প্রযুক্তিনির্ভর কর্মপরিবেশের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলাই আমাদের অঙ্গীকার। এ প্রেক্ষাপটে ‘বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস-২০২৬’ উদযাপনের উদ্যোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।’

তিনি জানান, জাতিসংঘের আহ্বানে ২০১৫ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ) প্রতিবছরের মতো এবারও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি উদযাপনের উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের তরুণদের উৎপাদনশীল জনশক্তিতে রূপান্তরের যে সুদূরপ্রসারী দর্শন ও কর্মসূচির ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, বর্তমান সরকার সেই ধারাবাহিকতাকে আরও শক্তিশালী ও যুগোপযোগী রূপ দিচ্ছে।

তারেক রহমান বলেন, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দক্ষতা উন্নয়ন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং মানবসম্পদের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার বহুমাত্রিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

আরও পড়ুন: বৃষ্টি বলয়ের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’

তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমাদের যুবসমাজ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ। তাদের দক্ষতা, উদ্ভাবনী সক্ষমতা ও পেশাগত যোগ্যতা বিকশিত করা গেলে শিল্পায়ন, উৎপাদনশীলতা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরও ত্বরান্বিত হবে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), অটোমেশন এবং উদীয়মান প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ কর্মক্ষেত্রে যেমন নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে, তেমনি নতুন সম্ভাবনারও দ্বার উন্মোচন করছে। এ বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে সরকার দক্ষতা উন্নয়ন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, শিল্পমুখী ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে কাজ করছে।

তিনি জানান, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ দক্ষতার মানোন্নয়ন, অভিন্ন সনদায়ন ব্যবস্থা চালু, দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারণ, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন, জাতীয় দক্ষতা প্রতিযোগিতার আয়োজন এবং বিশ্ব দক্ষতা প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

এছাড়া সরকারি, বেসরকারি ও শিল্পখাতের সমন্বয়ে একটি সময়োপযোগী জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন: ভবিষ্যতের সব নির্বাচন একই মানদণ্ডে আয়োজনের পরিকল্পনা করছে ইসি: সিইসি

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, পুনঃদক্ষায়ন ও দক্ষতার নবায়নের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং পরিবর্তিত আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী অধিকসংখ্যক দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ‘বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস-২০২৬’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’

তিনি জানান, এর মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণের জাতীয় অভিযাত্রা আরও বেগবান হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১২ পি.এম


ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ

এইচএসসি পরীক্ষা বাতিল এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে টাঙ্গাইলের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন।

এসএসসি পরীক্ষার্থীরা, যাতে মহাসড়কের উত্তরবঙ্গগামী লেনে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে এবং যাত্রীরা ভোগান্তির শিকার হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে শিক্ষার্থীরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক প্রায় দেড় ঘণ্টা অবরোধ করে রাখেন।

এর আগে সকালে, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শিক্ষার্থীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।

মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে নিরালা মোড়ে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়েছে। পরে সেখান থেকে আবারও বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করেন।

এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি তাদের অভিভাবকরাও অংশ নিয়েছেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, গতকালের এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

তারা দাবি করেছেন, তাই পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানান।

তাদের মতে, ৩ ঘণ্টার মধ্যে দাবি না মানলে আবারও মহাসড়ক অবরোধ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ পি.এম


এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

দুর্যোগের কারণে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) তারা ‘মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয়’ অভিমুখে পদযাত্রার কর্মসূচি পালন করবেন। মঙ্গলবার(১৪ জুলাই) বেলা তিনটার দিকে রাজধানীর উত্তরার আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

কর্মসূচি ঘোষণার সময় আন্দোলনে অংশ নেওয়া সাধারণ শিক্ষার্থীরা শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলনের পদত্যাগ দাবি করে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন। পরে তারা বুধবার মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মসূচি ঘোষণা করে উত্তরা বিএনএস সেন্টারের সড়ক থেকে সরে যান।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, তাদের দাবিগুলো কেবল রাজধানীর নয়, দেশের সব কলেজের শিক্ষার্থীদের পক্ষে উত্থাপন করা হয়েছে। তাদের মতে, চলমান প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে দেশের সব অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সম্ভব হয়নি। তাই সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য অবিলম্বে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—দুর্যোগ পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত রাখা, বৈরী আবহাওয়ার কারণে গত ১৩ জুলাই পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের আবার পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া এবং আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।

এদিকে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এলাকায় ব্যাপক বিক্ষোভ করেছেন আন্দোলনকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে হিমশিম খেতে দেখা গেছে। দুপুরের দিকে নীলক্ষেত থেকে টিএসসিগামী সড়কে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। সেখানে পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মুখোমুখি অবস্থানের মধ্যে এক পাশে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরাও অবস্থান নেয়।

এর আগে দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড়ে অবস্থান নেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা ‘দফা এক, দাবি এক—মিলনের পদত্যাগ’, ‘আমাদের ন্যায্য দাবি মানতে হবে, মানতে হবে’, ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো’ এবং ‘অ্যাকশন, অ্যাকশন—ডাইরেক্ট অ্যাকশন’ ইত্যাদি স্লোগান দেন। দুপুরের দিকে সড়ক ছাড়লেও বিকেল পৌনে চারটার দিকে ফের সায়েন্স ল্যাব মোড়ে অবস্থান নেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। ওই এলাকায় যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ থাকায় সাধারণ পথচারী ও যাত্রীরা তীব্র ভোগান্তিতে পড়েছেন।

এর আগে সোমবার (১৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘কলেজ নেটওয়ার্ক’ নামের একটি ফেসবুক পেজে প্রথমে এই আন্দোলনের প্রচারপত্র প্রকাশ করা হয়। পরে বিভিন্ন কলেজভিত্তিক ফেসবুক গ্রুপ ও পেজেও একই কর্মসূচির প্রচার করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমতলীতে হামের প্রার্দুভাব। হাসপাতালে এন্টিবায়েটিক ও ডিএনএস স্যালাইন সঙ্কট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৭ পি.এম


আমতলীতে হামের প্রার্দুভাব। হাসপাতালে এন্টিবায়েটিক ও ডিএনএস স্যালাইন সঙ্কট

আমতলী উপজেলায় হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। গত ১৩ দিনে ৩০ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতাল ভর্তি হয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত ১৫ শিশু চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছাড়লেও ১৫ শিশু এখনো হাসপাতালে ভর্তি আছে। কিন্তু হাসপাতালে এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইন সংঙ্কট রয়েছে। সঙ্কট থাকায় বাহির থেকে স্বজনদের এন্টিবায়োটিক ও স্যালাইন ক্রয় করতে হচ্ছে। দ্রুত হাসপাতাল এন্টিবায়োটিক ও স্যালাইন সরবরাহের দাবী শিশুর স্বজনদের। জানাগেছে, সারা দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলেও আমতলী উপজেলায় ছিল ভিন্ন চিত্র। জুন মাস পর্যন্ত তেমন শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়নি। কিন্তু সেই চিত্র জুলাই মাসে ভেঙ্গে গেছে। গত ১৩ দিনে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩০ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। ইতিমধ্যে ১৫ জন শিশু চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে। তবে এখনও ১৫ শিশু হাসপাতালে ভর্তি আছে। এদিকে হাসপাতালে এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইনের সঙ্কট রয়েছে। এন্টিবায়োটিক ও স্যালাইন সঙ্কট থাকায় শিশুদের সরবরাহ করতে পারছে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলে জানান শিশুর স্বজন রাবেয়া ও তাজিনুর। ফলে স্বজনদের বাহির থেকে এন্টিবায়োটিক ও স্যালাইন ক্রয় করতে হচ্ছে। এতে হামে আক্রান্ত শিশুর স্বজনদের আর্থিক সমস্যা হচ্ছে। দ্রুত হাসপাতাল এন্টিবায়োটিক ও স্যালাইন সরবরাহের দাবী হামে আক্রান্ত শিশুর স্বজনদের। অপর দিকে হামে আক্রান্ত শিশুদের আলাদা ইউনিটে রেখেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ওই ইউনিটে বেড না থাকায় ফ্লোরে বিছানা পেতে শিশু ও শিশুর স্বজনদের থাকতে হচ্ছে। এতেও তাদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। মঙ্গলবার দুপুরে হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, হাসপাতালের আলাদা ফ্লোরে হাতে আক্রান্ত শিশু ও শিশির স্বজনরা বিছানা পেতে থাকছেন। এ ইউনিটে আলাদা কোন বেড নেই। শিশুর স্বজন রাবেয়া ও তাজিনুর বলেন, হাসপাতাল থেকে এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইন দিচ্ছে না। এগুলো বাহির থেকে কিনতে হচ্ছে। এতে আমাদের আর্থিক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। দ্রুত হাসপাতালে এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইন সরবরাহের দাবী তাদের। আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ হুমায়ুন আহমেদ সুমন বলেন, হাসপাতালে হামে আক্রান্ত শিশুদের যথাযথ চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তবে এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইনের সঙ্কট রয়েছে। তিনি আরো বলেন, হতদরিদ্র শিশুদের এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইন সরবরাহ করা হচ্ছে। আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ চিন্ময় হাওলাদার বলেন, নতুন অর্থ বছরের কারনে এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইনের কিছুটা সঙ্কট থাকলেও কিছুদিনের মধ্যে সেই সঙ্কট কেটে যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১ কোটি ৬১ লাখ পরিবারকে দেওয়া হবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৭ পি.এম


১ কোটি ৬১ লাখ পরিবারকে দেওয়া হবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’

দেশের নিম্নআয় ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনতে ২০২৯–৩০ অর্থবছরের মধ্যে ১ কোটি ৬১ লাখ পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়া হবে, জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।

তিনি এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরেই দেশব্যাপী ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি, মাঠপর্যায়ে প্রকৃত উপকারভোগী নির্ধারণে দেশজুড়ে একটি সমন্বিত পরিবার শুমারি পরিচালনা করে আধুনিক ডাটাবেজ তৈরির কাজও শুরু হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে অ্যাপোলো জাফর মো. জাহিদ হোসেনের পক্ষে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল সংসদকে এই তথ্য জানান।

সংসদে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতায় দেশের ৪৪টি জেলার ৫৫টি উপজেলায় তিন ধাপে পাইলট প্রকল্প হিসেবে ৬৯ হাজার ৩৮৭ জন নারী-প্রধান পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ভাতা বিতরণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মাঠপর্যায়ের তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ করা হচ্ছে।

তিনি জানান, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই সারাদেশে সমন্বিত পরিবার শুমারি পরিচালনা করা হবে, যার মাধ্যমে ৪ কোটি ১০ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এই শুমারির ওপর ভিত্তি করে আগামী ৪ বছরের মধ্যে ১ কোটি ৬১ লাখ পরিবারকে আধুনিক ডাটাবেজের আওতায় এনে ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা দেওয়া হবে। মাঠপর্যায়ের জরিপ এবং প্রক্সি মিনস টেস্ট বা পিএমটি স্কোরের মাধ্যমে শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের নির্বাচন করা হবে।

তিনি আরও জানান, সরকারের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন কার্ড দেওয়া হবে। এই লক্ষ্যে তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগের জন্য ইতোমধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং 'ফ্যামিলি কার্ড শুমারি নির্দেশিকা, ২০২৬' জারি করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা, ২০২৬’-এর খসড়া মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন শেষে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশের জন্য মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

ঢাকা-১৮ আসনের ফ্যামিলি কার্ডের অগ্রগতি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, পাইলট প্রকল্প হিসেবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কড়াইল, সাততলা, ভাষানটেক, অলিমিয়ার টেক ও বাগানবাড়ী বস্তি এলাকার কেউ অংশে ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে উত্তরা ও এর সংলগ্ন এলাকায় পরিবার শুমারি সম্পন্ন করার পর চলতি অর্থবছরেই ব্যাপকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। শুমারি সম্পন্ন হওয়ার পর, ওয়ার্ডভিত্তিক উপকারভোগীদের তালিকা সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের দপ্তরে সরবরাহ করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।

প্রসঙ্গত, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম প্রধান সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি ছিল এই ‘ফ্যামিলি কার্ড’। ইশতেহারে নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে একটি একক ডিজিটাল ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় এনে সব ধরনের সরকারি ভাতা, খাদ্য সহায়তা ও সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা সমন্বিতভাবে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। সরকার গঠনের পর, প্রথমে সীমিত পরিসরে পাইলট প্রকল্প চালু করা হলেও এখন ধাপে ধাপে উপকারভোগী নির্বাচন, কেন্দ্রীয় এমআইএস ডাটাবেজ তৈরি এবং দেশব্যাপী সম্প্রসারণের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।

বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৯–৩০ অর্থবছরের মধ্যে যোগ্য ১ কোটি ৬১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় এনে সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম সম্পূর্ণ একটি সমন্বিত ডিজিটাল ব্যবস্থায় পরিচালনা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%