ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
আল-জাজিরার প্রতিবেদন

ট্রাম্পের কোরিয়া চালেই বদলে যাচ্ছে পূর্ব এশিয়ার শক্তির সমীকরণ!


ট্রাম্পের কোরিয়া চালেই বদলে যাচ্ছে পূর্ব এশিয়ার শক্তির সমীকরণ!

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ কোরিয়া নীতি ও উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য নতুন করে যোগাযোগের উদ্যোগ পূর্ব এশিয়ার দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। 

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক সামরিক মহড়া সংক্ষিপ্ত করার সিদ্ধান্ত, পিয়ংইয়ংয়ের সতর্ক প্রতিক্রিয়া, চীনের কৌশলগত অবস্থান এবং জাপানের দ্রুত সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ—সব মিলিয়ে এ অঞ্চলে নতুন এক ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটনের প্রতিশ্রুতি নিয়ে মিত্রদের মধ্যে অনিশ্চয়তা বাড়ার পাশাপাশি জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও বাড়ানোর দিকে এগোচ্ছে। অন্যদিকে চীন তার আশপাশের অঞ্চলকে স্থিতিশীল রাখার পাশাপাশি জাপানের সামরিক উত্থান ঠেকাতে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করছে।
আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকা যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার বার্ষিক ‘উলচি ফ্রিডম শিল্ড’ (ইউএফএস) সামরিক মহড়ার মেয়াদ ১১ দিন থেকে কমিয়ে পাঁচ দিন করার নির্দেশ দেন ট্রাম্প। এ সিদ্ধান্তে বিস্মিত হয় সিউল। একই সঙ্গে পিয়ংইয়ং থেকেও আসে সতর্ক ও হিসাবি প্রতিক্রিয়া।

আরও পড়ুন: মিষ্টির আসনে উপনির্বাচনের জন্য এমপিদের স্বাক্ষরের তালিকা চায় ইসি

ট্রাম্প এই সিদ্ধান্তকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের প্রতি ‘সদিচ্ছার ইঙ্গিত’ হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, কিমকে তিনি ‘খুব ভালোভাবে চেনেন’ এবং তাদের মধ্যে ‘খুব ভালো সম্পর্ক’ রয়েছে।

ট্রাম্পের যুক্তি, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়া উত্তর কোরিয়ার কাছে ‘সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত ও শত্রুতাপূর্ণ’ বার্তা পাঠায়। একই সঙ্গে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়া অংশ না নেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘সব দেশকে রক্ষা করে বেড়াতে পারে না’, বিশেষ করে যখন তারা যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করছে না।

ট্রাম্পের এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে পূর্ব এশিয়ায় মার্কিন জোটগুলোর প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গির লেনদেনভিত্তিক চরিত্র আরও স্পষ্ট হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।


ট্রাম্পের এই উদ্যোগে উত্তর কোরিয়া তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দিলেও কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং বেশ সতর্ক অবস্থান নেন।

আরও পড়ুন: সৌদির দাবি, ৫ ড্রোন ধ্বংসের মধ্যে ৪টি মদিনার দিকে ছিল

তিনি বলেন, ট্রাম্প ও কিম জং উনের মধ্যে কোনও যোগাযোগ হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তিনি ‘অবগত নন’। এর মধ্য দিয়ে ট্রাম্পের দাবি করা ‘অত্যন্ত ইতিবাচক’ যোগাযোগের বিষয়টি কার্যত খণ্ডন করেন তিনি।

তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, কিম জং উনের মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রতি ব্যক্তিগতভাবে ‘ভালো স্মৃতি ও অনুভূতি’ রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এর মাধ্যমে পিয়ংইয়ং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার দরজা পুরোপুরি বন্ধ না রাখার ইঙ্গিত দিয়েছে। তবে এবার শর্তও ভিন্ন।

উত্তর কোরিয়া চায়, ওয়াশিংটন দেশটিকে পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে মেনে নিক এবং পিয়ংইয়ংয়ের ভাষায় যুক্তরাষ্ট্রের ‘শত্রুতাপূর্ণ নীতি’ পরিত্যাগ করুক।

আরও পড়ুন: রূপপুর পারমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের তৃতীয় চালান

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র এখনও উত্তর কোরিয়ার সম্পূর্ণ পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের দাবি থেকে সরে আসেনি। ফলে ভবিষ্যতে ট্রাম্প-কিম বৈঠক হলেও দুই পক্ষের অবস্থান না বদলালে তা বাস্তব অগ্রগতির বদলে রাজনৈতিক প্রদর্শনীতে পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র-উত্তর কোরিয়ার সম্ভাব্য নতুন যোগাযোগের বিষয়ে চীন প্রকাশ্যে তুলনামূলকভাবে সংযত প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। সম্ভাব্য ট্রাম্প-কিম বৈঠক নিয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি।

তবে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র দক্ষিণ কোরিয়া সফরের সময় বেইজিংয়ের বৃহত্তর অবস্থান স্পষ্ট হয়।

ওয়াং ই দক্ষিণ কোরিয়াকে ‘প্রকৃত কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন’ অনুসরণের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি দেশটিকে কোনও সামরিক জোটভিত্তিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়া বা পক্ষ নেওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন।

চীন-দক্ষিণ কোরিয়া মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনা দ্রুত এগিয়ে নেওয়া এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সবুজ রূপান্তর ও ডিজিটাল অর্থনীতিতে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বানও জানান তিনি।

আরও পড়ুন: ইরানে অক্টোবরেই হামলার পরিকল্পনা নেতানিয়াহুর, ট্রাম্পের সায় নেই

তবে আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ওয়াং ই তার বক্তব্যে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের কথা উল্লেখ করেননি। এমনকি দক্ষিণ কোরিয়ার বহুপক্ষীয় শান্তি উদ্যোগকেও সরাসরি সমর্থন দেননি। বরং তিনি কোরীয় উপদ্বীপে ‘শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের’ কথা বলেছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এর মধ্য দিয়ে বেইজিং হয়তো কোরীয় উপদ্বীপে দুটি পৃথক রাষ্ট্রের স্থায়ী বাস্তবতাকে মেনে নেওয়ার দিকে আরও এগোচ্ছে। অর্থাৎ এত দিন কূটনীতির কেন্দ্রে থাকা উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টি চীনের কাছে আগের মতো অগ্রাধিকার পাচ্ছে না।

এদিকে ওয়াশিংটনের অবস্থানেও কিছুটা পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। ২৫ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো হিউন ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর ফোনালাপের বিবরণে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর উত্তর কোরিয়ার ‘পূর্ণ পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ’-এর কোনও উল্লেখ করেনি। অথচ ২২ জুলাই পর্যন্ত প্রকাশিত ত্রিপক্ষীয় বিবৃতিগুলোতে এ শব্দবন্ধ নিয়মিতই ব্যবহৃত হয়েছে।
চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই জাপানের ‘ডানপন্থী শক্তিগুলোর ইতিহাসের গতিপথ পাল্টানোর প্রচেষ্টার’ বিরুদ্ধেও সতর্ক করেছেন। তিনি বলেন, “জাপানি সামরিকতাবাদকে কখনওই আবার উত্থানের সুযোগ দেওয়া যাবে না।”

ওয়াংয়ের এই মন্তব্য মূলত জাপানের দ্রুত সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির দিকেই ইঙ্গিত করছে।

আরও পড়ুন: পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের আগে রাশিয়ায় পৌঁছালেন মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ

প্রধানমন্ত্রী সানা তাকাইচির নেতৃত্বে জাপান সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রক্রিয়া আরও দ্রুত করছে। গত ৩১ জুলাই দেশটি জাতীয় গোয়েন্দা ব্যুরো চালু করেছে। এর মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার গোয়েন্দা তথ্য সমন্বয়ের ওপর প্রধানমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী হয়েছে।

জাপানের মূল প্রতিরক্ষা বাজেট রেকর্ড ৯ দশমিক ০৪ ট্রিলিয়ন ইয়েনে বা প্রায় ৫৬ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। দেশটির দাবি, প্রতিরক্ষাসংশ্লিষ্ট সামগ্রিক ব্যয় ইতোমধ্যে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ২ শতাংশে পৌঁছে গেছে—যা নির্ধারিত সময়ের আগেই অর্জিত হয়েছে।

প্রতিরক্ষা ব্যয় মেটাতে নতুন কর আরোপের বিষয়টিও জাপানের আর্থিক নীতিতে যুক্ত হচ্ছে।

জাপানের এই সামরিক উত্থানে উত্তর কোরিয়াও ক্ষুব্ধ। কিম ইয়ো জং সতর্ক করে বলেছেন, টোকিও কোনও ‘ভুল সিদ্ধান্ত’ নিলে তার পরিণতি হবে ‘তাৎক্ষণিক ও ধ্বংসাত্মক’ হামলা।
চীনের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগ শুধু জাপানের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি নয়; বরং টোকিও কতটা স্বাধীনভাবে এই শক্তি ব্যবহার করতে পারে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহ যাকে চান ক্ষমতা দেন, আবার কেড়েও নেন’ - ড. খালিদ হোসেন

যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতি নিয়ে অনিশ্চয়তার সুযোগ নিয়ে জাপান ধীরে ধীরে সামরিক সক্ষমতাকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শক্তিশালী করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

অস্ত্র রফতানির নিয়ম শিথিল করা এবং মিতসুবিশি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ, কাওয়াসাকি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ ও আইএইচআইয়ের মতো প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরকারের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা এর উদাহরণ। এসব প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত প্রতিরক্ষা অর্ডারের পরিমাণ প্রায় ৬ দশমিক ২৫ ট্রিলিয়ন ইয়েন বা ৩৯ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার।

চীনের আশঙ্কা, দ্রুত সামরিক শক্তি বাড়ানো জাপান ভবিষ্যতে শুধু যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র বা প্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং স্বাধীন বৃহৎ শক্তি হিসেবে নিজেদের প্রভাববলয় প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করতে পারে।


যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক মহড়া কমানোর সিদ্ধান্তের পর দক্ষিণ কোরিয়াও নিজেদের নিরাপত্তা নীতিতে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে।

গত ১৮ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং যুদ্ধকালীন সময়ে দক্ষিণ কোরীয় বাহিনীর অপারেশনাল নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে ফিরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নতুন করে জোরদারের কথা বলেন।

একই সঙ্গে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন তৈরির পরিকল্পনাও দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার পক্ষে অবস্থান নেন তিনি।

তার যুক্তি, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জোট বজায় রেখেও দক্ষিণ কোরিয়াকে নিজেদের স্বাধীন প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে হবে।


পূর্ব এশিয়ার নতুন বাস্তবতার কেন্দ্রে এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূরাজনৈতিক ত্রিভুজ তৈরি হচ্ছে—যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও চীন।

একদিকে ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্ককে ক্রমেই লেনদেনভিত্তিক হিসেবে দেখছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে জাপান দ্রুত নিজস্ব সামরিক সক্ষমতা বাড়াচ্ছে।

চীন একই সময়ে নিজের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলকে স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করছে এবং জাপানের সামরিক ও রাজনৈতিক ডানমুখী পরিবর্তনের বিরোধিতা করছে।

এই সমীকরণের মাঝখানে দক্ষিণ কোরিয়াকে একসঙ্গে সামলাতে হচ্ছে ওয়াশিংটনের অনিশ্চয়তা, বেইজিংয়ের অর্থনৈতিক প্রভাব এবং টোকিওর দ্রুত সামরিক উত্থান।


বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিবর্তনের ফলাফল নিয়ে এখনই নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো কঠিন। তবে কয়েকটি সম্ভাবনা স্পষ্ট।

ট্রাম্পের সঙ্গে পিয়ংইয়ংয়ের নতুন করে সম্পর্কোন্নয়নের উদ্যোগ যদি বাস্তব ফল না আনে, তাহলে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি আরও এগিয়ে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে চীন ও রাশিয়ার কূটনৈতিক সুরক্ষা পিয়ংইয়ংকে আন্তর্জাতিক চাপ থেকে আরও দূরে রাখবে।

অন্যদিকে ওয়াশিংটন যদি দক্ষিণ কোরিয়ার ওপর চাপ বাড়াতে সফল হয়, তাহলে সিউল মধ্যপ্রাচ্য থেকে তাইওয়ান—বিভিন্ন সম্ভাব্য সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদার হয়ে উঠতে পারে।

আর জাপানের সামরিক শক্তি বৃদ্ধির প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী পূর্ব এশিয়ার নিরাপত্তা কাঠামোও বড় ধরনের পরিবর্তনের মুখে পড়তে পারে।


চীনের শেনজেনে নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশন (এপেক) সম্মেলন এই নতুন ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার প্রথম বড় কূটনৈতিক পরীক্ষায় পরিণত হতে পারে।

সম্ভাবনা রয়েছে, সম্মেলনে ডোনাল্ড ট্রাম্প, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার নেতারা এবং সম্ভব হলে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনও একই শহরে উপস্থিত থাকতে পারেন।

এমন পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমনে সমঝোতা তৈরির ক্ষেত্রে বেইজিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ পেতে পারে। তবে সম্মেলনটি যদি প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয়তাবাদ ও পরস্পরবিরোধী কৌশলগত অবস্থান প্রদর্শনের আরেকটি মঞ্চে পরিণত হয়, তাহলে পূর্ব এশিয়ার ভবিষ্যৎ আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠতে পারে।

সব মিলিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর গত ৭৫ বছর ধরে পূর্ব এশিয়াকে স্থিতিশীল রাখা পুরোনো নিরাপত্তা কাঠামোর ভিত্তি এখন নড়বড়ে হয়ে উঠছে। যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা নিজেদের নির্ভরতার সীমা নতুন করে পরীক্ষা করছে, জাপান যুদ্ধ-পরবর্তী সামরিক বিধিনিষেধ কাটিয়ে উঠছে এবং চীন নতুন আঞ্চলিক বাস্তবতা নিজের অনুকূলে গড়ে তোলার চেষ্টা করছে।

ফলে পূর্ব এশিয়া এমন এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে, যেখানে ওয়াশিংটনের এককভাবে আঞ্চলিক নিয়ম নির্ধারণের ক্ষমতা কমছে, মিত্ররা আরও স্বাধীন হওয়ার পথ খুঁজছে এবং প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তিগুলো ভবিষ্যৎ আঞ্চলিক ব্যবস্থা নিজেদের মতো করে সাজাতে সক্রিয় হয়ে উঠছে। সূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩৫০০ টাকায় ‘লাইফটাইম মেম্বারশিপ’ দিতেন পর্নো ভিডিও বানানো সুমাইয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৪৬ পি.এম


৩৫০০ টাকায় ‘লাইফটাইম মেম্বারশিপ’ দিতেন পর্নো ভিডিও বানানো সুমাইয়া

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির অভিযোগে সুমাইয়া সাঈদ (২৫) নামের এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার এবং তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এই ঘটনায় সমানে এসেছে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য।

ডিবি সূত্রে জানা গেছে, গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে ৩ হাজার ৫০০ টাকায় ‘লাইফটাইম পর্নোগ্রাফি প্যাকেজ’  বিক্রি করতেন অভিযুক্ত সুমাইয়া। আর মেয়ের অনৈতিক কার্যক্রম জেনেও তাতে সম্মতি দেয় সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদ। তাই আবু সাঈদকেও সংশ্লিষ্ট মামলার আসামি করা হয়েছে।

গত ১০ আগস্ট নিয়মিত সাইবার নজরদারির সময় সুমাইয়ার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে আপত্তিকর কনটেন্ট ও তা বিক্রির প্রচারণা শনাক্ত হয়। চক্রটি বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও সরবরাহ করত। 

এমনকি গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে ৩ হাজার ৫০০ টাকায় ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ দেওয়ার বিজ্ঞাপনও প্রচার করা হতো। ডিজিটাল নজরদারির মাধ্যমে অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর গত ১১ আগস্ট রাতে ভাটারা থানা এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে সুমাইয়াকে আটক করে ডিবি। 

তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে একটি আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্লাস স্মার্টফোন জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড্ডা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের বরাতে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, সুমাইয়া ও তার সহযোগীরা মিলে একটি সংঘবদ্ধ চক্র পরিচালনা করছিলেন। অন্যদিকে সুমাইয়ার বাবা মেয়ের এসব কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত থাকার পরও কোনো বাধা দেননি; বরং এই অনৈতিক আয়ের অর্থ নিয়মিত নিতেন বলে তদন্তে প্রমাণ মিলেছে।

এ ঘটনায় রাজধানীর রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর আওতায় একটি মামলা করা হয়েছে। ঘটনার গভীর তদন্ত, চক্রের মূল নেটওয়ার্ক উদঘাটন এবং অন্যান্য পলাতক সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে হাজির করে তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে কুমিল্লায় দোয়া মাহফিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫০ পি.এম


ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে কুমিল্লায় দোয়া মাহফিল

নানা আয়োজনে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন করেছে কুমিল্লার ভাষা সৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যলয়। এর মধ্যে ছিল আলোচনা সভা, দোয়া, মিলাদ মাহফিল, রচনা, হামদ ও নাত প্রতিযোগিতা। 

প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ শিক্ষাবিদ মো. শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন লেখক ও গবেষক উপাধ্যক্ষ মো. মোস্তাক আহমদ। শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক মো. আবু জাহেদের সঞ্চালনায় মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সহকারী অধ্যাপক মো. কামরুর রশীদ। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক ইসলাম শিক্ষা বিভাগের প্রভাষক মাওলানা মো. আমিন আহমেদ মিয়াজী। 

দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন চকবাজার জামে মসজিদের খতিব মাওলানা  মো. নজরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে ইসলামিক বই বিতরণ করা হয়। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন শিক্ষক পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক মো. মাহবুবুল আলম সুমন, যুগ্ম সম্পাদক প্রভাষক মীর মো. সোহেল রানা, যুগ্ম সম্পাদক প্রভাষক মো. আবদুল হালিম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ শেষে অবসর নিচ্ছেন ডিন এলগার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫০ পি.এম


কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ শেষে অবসর নিচ্ছেন ডিন এলগার

দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক ডিন এলগার চলতি বছরের কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ মৌসুম শেষে পেশাদার ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। ৩৯ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার প্রোটিয়ার ব্যাটিং লাইনআপের শীর্ষে থেকে ১২ বছর কাটিয়েছেন।

৮৬টি টেস্টে ৩৭.৯২ গড়ে তিনি ৫,৩৪৭ রান করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ১৪টি সেঞ্চুরি এবং ২০১৭ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলা ১৯৯ রানের ইনিংসটি তার ক্যারিয়ার-সেরা। এলগার ১৮টি ম্যাচে প্রোটিয়াদের নেতৃত্বও দিয়েছেন। এর মধ্যে ছিল ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে কেপ টাউনে ভারতের বিপক্ষে তার শেষ টেস্টটি, যেখানে চোট পাওয়া টেম্বা বাভুমার পরিবর্তে তিনি আবারও অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

তবে দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট খেলার সুযোগ ক্রমশ কমে আসায় তিনি এসেক্সের হয়ে খেলার চুক্তি করেন। সেখানে গত তিন মৌসুমে তার দৃঢ়চেতা বাঁ-হাতি ব্যাটিং এবং টেস্ট ক্রিকেটে প্রমাণিত দক্ষতা তাকে অ্যালাস্টেয়ার কুকের আদর্শ উত্তরসূরি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। উল্লেখ্য, কুক ২০২৩ সালের শেষে অবসর নিয়েছিলেন।

অবসরের বিষয়ে এলগার বলেন, আমার মনে হয় এটাই এখন সঠিক সময়। বয়স তো আর কমছে না, ৩৯ বছর হয়ে গেছে। দেশে আমার পরিবার, সন্তানরা রয়েছে। তাদের নিয়ে কিছু সামলানোর বিষয় রয়েছে। এখন আমার জন্য সঠিক সময় হলো বাড়িতে থাকা এবং আমার সঙ্গী ও সন্তানদের পাশে থাকা। এখন পর্যন্ত যাত্রাটা দারুণ ছিল। যদিও এটি পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি, তবে মৌসুম শেষে আমি অবসর নেব।

২১ বছরের পেশাদার ক্যারিয়ারে এলগার ৫০০টিরও বেশি ম্যাচ খেলেছেন; এর মধ্যে সারে ও সমারসেটের হয়ে কাউন্টি ক্রিকেটে খেলার অভিজ্ঞতাও রয়েছে। ২০০৬ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এরপর ফ্রি স্টেট ও নাইটস দলের হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে নিজের অবস্থান শক্ত করেন এবং ২০১২ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ঘটান।

এলগার বলেন, আমি ভাগ্যবান যে বারো বছর ধরে আমার দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরেছি এবং এরপর অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পেয়েছি। এটি আমার ক্যারিয়ারের অন্যতম গর্বের মুহূর্ত। আমি কোথা থেকে উঠে এসেছি সেই যাত্রার দিকে তাকালে মনে হয় না খুব বেশি মানুষ আমার এমন ক্যারিয়ার গড়ার ব্যাপারে খুব একটা আশাবাদী ছিল; আর দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে খেলা চালিয়ে যাওয়ার কথা তো ভাবাই যায় না।

নিজের ক্যারিয়ারের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এলগার ২০২২ সালে লর্ডসে বেন স্টোকসের ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস ব্যবধানে জয়কে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আমার সময়ে অনেক গর্বের মুহূর্ত এসেছে। তবে অধিনায়ক হিসেবে লর্ডসে ইংল্যান্ডকে হারানো নিঃসন্দেহে তার মধ্যে অন্যতম। এটি আমার কাছে বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

এসেক্সের ক্রিকেট পরিচালক ক্রিস সিলভারউড বলেন, এলগারের ক্যারিয়ার দীর্ঘস্থায়িত্ব, মানসিক দৃঢ়তা এবং ক্রিকেটের প্রতি গভীর নিষ্ঠার এক অনন্য উদাহরণ। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা ক্যারিয়ারে একজন প্রবীণ ও অভিজ্ঞ ওপেনিং ব্যাটার হিসেবে তার খ্যাতি এসেক্সে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছিল। বিশেষ করে ক্লাবের তরুণ খেলোয়াড়দের গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তিনি বড় ভূমিকা রেখেছেন। একই সঙ্গে তিনি এলগারের অবসর পরবর্তী জীবনের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিমলায় প্রশাসনের যৌথ অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৫ পি.এম


ডিমলায় প্রশাসনের যৌথ অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

 

নীলফামারী জেলার ডিমলায় বিএসটিআই বিভাগের রংপুর কার্যালয় এবং ডিমলা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় একটি মোবাইল কোর্টের কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। এই অভিযানে ওজনে কম দেওয়ার এবং বিএসটিআইয়ের ভুয়া সনদ দাবি করার অভিযোগে দুটি প্রতিষ্ঠানকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানের সময় পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করা হয়।

মঙ্গলবার রাতে উপজেলা সদরের ‘মেসার্স আফতাব ফিলিং স্টেশন’ প্রতি ১০ লিটার পেট্রোলে ১ লিটার ২০ মিলিলিটার এবং প্রতি ১০ লিটার ডিজেলে ১৪০ মিলিলিটার জ্বালানি তেল কম পরিমাপে সরবরাহ করছিল। এই অপরাধের জন্য ‘ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন, ২০১৮’ এর ২৯/৪৬ ধারা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অন্যদিকে, বামুনিয়া ডোমার রোডে অবস্থিত ‘আদিল অটো মুড়ির মিল’ তাদের উৎপাদিত মুড়ির পণ্যের বিএসটিআই গুণগত মান সনদ রয়েছে বলে মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছে। এই অপরাধে ‘বিএসটিআই আইন, ২০১৮’ এর ৩০ ধারা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। মোবাইল কোর্টটি পরিচালনা করেন ডিমলা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: রওশন কবির। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুরের পরিদর্শক (মেট্রোলজি) প্রকৌশলী মোঃ আহসান হাবিব, পরিদর্শক (মেট্রোলজি) মোঃ নাসির উদ্দিন এবং ফিল্ড অফিসার (সিএম) মোঃ জুলকারনাইন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%