ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা নাকচ করলেন আরাগচি


যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা নাকচ করলেন আরাগচি

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুনরায় আলোচনা শুরুর বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’ লঙ্ঘন বন্ধ এবং ক্ষতিপূরণ না দিলে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো আলোচনা শুরু হবে না।

রবিবার(৯ আগস্ট) তেহরানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, মধ্যস্থতাকারীরা এখনও আলোচনা পুনরায় শুরুর উপায় খোঁজার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যতক্ষণ না সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘন বন্ধ করছে এবং লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে, ততক্ষণ আলোচনা পুনরায় শুরুর কোনো সম্ভাবনা ইরান দেখছে না।

ওমানের সঙ্গে ইরানের আলোচনার বিষয়ে আব্বাস আরাগচি বলেন, ওমানের সঙ্গে আলোচনাটি হরমুজ প্রণালীতে একটি নতুন সামুদ্রিক পথ নির্ধারণের বিষয়ে। তিনি জানান, আমরা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছি এবং পুরনো পথগুলোর পরিবর্তে নতুন পথ চালু করা হবে। বিশেষজ্ঞরা এই পথগুলো নিয়ে কাজ করছেন।

আরও পড়ুন: কঙ্গো থেকে ৪ দেশে ছড়িয়েছে ইবোলা, জানা জরুরি

তিনি জোর দিয়ে বলেন, নতুন সামুদ্রিক পথ নিয়ে ওমানের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর অর্থ এই নয়, হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, অবশ্যই, এর অর্থ হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া নয়। হয়তো এই চুক্তিটি সম্পন্ন হবে, কিন্তু হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার বিষয়টি বেশ কিছু শর্তের ওপর নির্ভরশীল।

এর আগে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি বলেছিলেন, তেহরান বর্তমানে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো আলোচনা করছে না। তিনি জানান, হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদ নৌ-চলাচলে ওমানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা চলেছে। বাকায়ি জানান, নিরাপদ সামুদ্রিক চলাচলের জন্য একটি অস্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে তুলতে উভয় পক্ষ কাজ করছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, উপকূলবর্তী রাষ্ট্র হিসেবে বিষয়টি ইরান ও ওমানের সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট।

এদিকে পৃথক এক মন্তব্যে আইআরজিসির মুখপাত্র জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি বলেছেন, কৌশলগত এই জলপথটি পুনরায়ী খুলে দেওয়ার বিষয়টি ইরান-ওমান আলোচনার সঙ্গে “সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র” এবং এটি ইরানের শর্তাবলী যুক্তরাষ্ট্রের মেনে নেওয়ার ওপর নির্ভর করছে।

আরও পড়ুন: ঢাকায় ২৪ ঘণ্টার অভিযানে পুলিশের হাতে ৫৩৪ গ্রেপ্তার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাহাড়ে শান্তিচুক্তির ধারাগুলোর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৫ পি.এম


পাহাড়ে শান্তিচুক্তির ধারাগুলোর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের দাবি

 

বান্দরবানে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে শোভাযাত্রা। রবিবার শহরের ট্রাফিক মোড়ে ঐ দিনটি পালিত হচ্ছে। ছবি: কালের কণ্ঠ।পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নারী এবং পুরুষের পরনে রয়েছে নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী পোশাক।এরা সবাই রাজমাঠে জড়ো হয়েছে। সেখানে রয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। উৎসবের মধ্যে সবার দাবি একটাই—পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির ধারাগুলো দ্রুত এবং পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন।দেশের বিভিন্ন স্থানের মতো বান্দরবানেও দিবসটি পালিত হচ্ছে। ‘আদিবাসীদের জীবন-জীবিকা ও অস্তিত্ব সংরক্ষণে আদিবাসী সমাজের সৃজনশীল শক্তি প্রয়োগ’—এই থিমকে সামনে রেখে জেলার বিভিন্ন নৃগোষ্ঠী নানা কর্মসূচি পালন করছে।এ উপলক্ষে শনিবার দুপুর ১২টায় জেলা শহরের রাজমাঠে আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। এর আগে, জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মানুষ ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে রাজমাঠে জড়ো হন।এ সময় সেখানে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে।আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং। সভায় বান্দরবান আদিবাসী ফোরামের সভাপতি ডা. মং উসাথোয়াইয়ের সভাপতিত্বে বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জনগণের জীবন-জীবিকা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং অস্তিত্ব রক্ষায় তাদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি।বক্তারা দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত থাকা পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির ধারাগুলো দ্রুত এবং পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান সাথে বক্তারা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বা উপজাতিদের আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি, ভূমির অধিকার, শিক্ষা এবং জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিও জানান।এ সময় পার্বত্য জেলায় অবৈধ বসবাসকারীদের উচ্ছেদ ও পাহাড়ি জনগণের ভূমি এবং ঐতিহ্য রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়।আলোচনা সভা শেষে রাজমাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি জেলা শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে পুনরায় রাজমাঠে এসে শেষ হয়।শোভাযাত্রায় মারমা, চাকমা, ত্রিপুরা, ম্রো, তঞ্চঙ্গ্যা, বম, খুমী, লুসাইসহ বিভিন্ন পাহাড়ি জনগণের তরুণ-তরুণী এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা অংশ নেন। তারা নিজ নিজ জনগণের ঐতিহ্যবাহী পোশাক এবং সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাঘাটা বোনারপাড়ায় প্রতিবাদ জনসমাবেশ যোগ দিবেন ডা. শফিকুর রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাহীন আলম, স্টাফ রিপোর্টার

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৯ পি.এম


সাঘাটা বোনারপাড়ায় প্রতিবাদ জনসমাবেশ যোগ দিবেন ডা. শফিকুর রহমান

গাইবান্ধা সাঘাটায় ১০ আগস্ট সোমবার সকাল ১০টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আমীর ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি গাইবান্ধার সাঘাটা বোনারপাড়া কাজী আজহার আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আসবেন। গত ২১ জুন সংগঠিত সরকার দলীয় সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত শহীদ সাইফুল্লাহ বারী ও সালাউদ্দিনের খুনীদের বিচারের দাবি ও সারাদেশে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির প্রতিবাদে এক বিশাল জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। ওই জনসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি।

জামায়াতের জেলা নায়েবে আমীর ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল ওয়ারেছ এমপির সভাপতিত্বে জনসমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন জামায়াত কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, জেলা আমীর আব্দুল করিম এমপি, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সেক্রেটারী জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা। এছাড়াও সমাবেশে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, জাতীয় সংসদ সদস্য ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখবেন। সমাবেশে জেলার সাত উপজেলার বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীসহ সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত থাকবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জার্মান চ্যান্সেলরের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১০ পি.এম


জার্মান চ্যান্সেলরের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ

পূর্ব জার্মানির স্যাক্সনি অঙ্গরাজ্যে চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জের পদত্যাগ ও আগাম নির্বাচনের দাবিতে হাজারো মানুষ বিক্ষোভ করেছেন। স্থানীয় সময় শনিবার (৮ আগস্ট) প্লাউয়েন শহরে সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভে অংশ নেন আন্দোলনকারীরা।

দেশব্যাপী ‘ইউনিটি ফর জার্মানি অথবা প্রজেক্ট মিলিয়ন’ উদ্যোগের ব্যানারে এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছিল। ‘আরটি’ (RT)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্যাক্সনি পুলিশের হিসাবমতে এই সমাবেশে প্রায় ১০ হাজার মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে ডানপন্থী ‘ফ্রি স্যাক্সনস’ দলের কর্মীরাও ছিলেন, যারা এই সমাবেশকে সমর্থন জানিয়েছেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, এই আঁতাত সরকারকে অবশ্যই বিদায় নিতে হবে। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ভারী পুলিশি উপস্থিতির মধ্যে বিক্ষোভকারীরা শহরের সড়কে মিছিল করছেন। তারা স্লোগান দিচ্ছেন এবং জার্মানির পতাকার পাশাপাশি ‘মার্জকে বিদায় নিতেই হবে’ লেখা প্ল্যাকার্ড বহন করছেন।

একজন বিক্ষোভকারী মন্তব্য করেছেন, মার্জ তার পূর্বসূরিদের চেয়েও পরিস্থিতি আরও খারাপ করে তুলেছেন। আর তিনি যদি এভাবেই চলতে থাকেন, তবে শিগগিরই জার্মানি অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে। সমাবেশে আন্দোলনকারীরা ১১ দফা দাবি পেশ করেছেন।

এই দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে আগাম নির্বাচন, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম কমানো, সারাদেশে ২৯ ইউরোর গণপরিবহন টিকিট এবং স্বাস্থ্যসেবা নীতিতে পরিবর্তন। এছাড়া তারা নিজস্ব কঠোর অভিবাসন নীতির দাবি জানান এবং মার্জের সামরিক ব্যয়ের সমালোচনা করেন। চ্যান্সেলর সম্প্রতি রাশিয়ার কথিত হুমকির কথা উল্লেখ করে ‘বুন্ডেসওয়েহর’ (জার্মান সেনাবাহিনী)-কে “ইউরোপের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রথাগত সেনাবাহিনী”তে পরিণত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এই ধারণাটিকে মস্কো বারবার উপহাস করেছে। বার্লিন ২০২৯ সালের মধ্যে মূল প্রতিরক্ষা ব্যয়কে জিডিপির ৩.৫ শতাংশে উন্নীত করতেও সম্মত হয়েছে।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, জনগণের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে অস্ত্রসজ্জা বা সামরিকীকরণের পেছনেই ক্রমাগত বেশি অর্থ ব্যয় হচ্ছে। চ্যান্সেলরকে অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে। নতুন নির্বাচন হওয়া প্রয়োজন যাতে পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে।

অর্থনৈতিক স্থবিরতা, অভ্যন্তরীণ সংস্কারের কার্যক্রম থমকে যাওয়া এবং ক্ষমতাসীন জোটের ভেতরে মতপার্থক্যের কারণে মার্জের জনপ্রিয়তা বা জনসমর্থন দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে।

‘ইনফ্রাটেস্ট ডিম্যাপ’-এর জুলাই মাসের ‘এআরডি-ডয়েচল্যান্ডট্রেন্ড’ জরিপে দেখা গেছে, ৮৪ শতাংশ জার্মান নাগরিক মার্জ এবং তার মধ্য-ডানপন্থী জোট ‘ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন’ ও ‘ক্রিশ্চিয়ান সোশ্যাল ইউনিয়ন’-এর কার্যক্রমে অসন্তুষ্ট। তার জনসমর্থনের হার ছিল মাত্র ১৩ শতাংশ। যা ১৯৯৭ সালে এই জরিপ শুরু হওয়ার পর থেকে কোনো জার্মান চ্যান্সেলরের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন।

এদিকে জাতীয় জরিপগুলোতে ডানপন্থী দল ‘অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি’-র জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে; কোনো কোনো জরিপে দলটিকে মার্জের জোটের সমপর্যায়ে বা তার চেয়েও এগিয়ে থাকতে দেখা গেছে। চলতি গ্রীষ্মের শুরুর দিকে ক্ষমতাসীন জোট ধুঁকতে থাকা অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে তথাকথিত ‘ব্যাপক সংস্কার’-এর একটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছিল; এর মধ্যে ছিল নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারগুলোর জন্য সামান্য কর হ্রাস, পেনশন ব্যবস্থায় পরিবর্তন এবং অসুস্থতাজনিত ছুটির ক্ষেত্রে কঠোর নিয়মকানুন।

জনগণের ক্রমশ অসন্তোষের মুখে মার্জের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে তার নিজের দলেই আলোচনা শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। ‘পলিটিকো' (Politico) এই সপ্তাহে জানিয়েছে, জুন মাসে সরকারের রদবদল নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার পর শরৎকালে ‘কানজলারটাউশ’ বা ‘চ্যান্সেলর পরিবর্তনের’ বিষয়টি নিয়ে এখন প্রকাশ্যে আলোচনা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষামন্ত্রীকে নিয়ে পাটোয়ারীর পোস্ট করা ছবির বিষয়ে যা জানা গেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১২ পি.এম


শিক্ষামন্ত্রীকে নিয়ে পাটোয়ারীর পোস্ট করা ছবির বিষয়ে যা জানা গেছে

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলনকে নিয়ে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দীন পাটওয়ারীর ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা ছবিটি বর্তমান সময়ের নয়। ছবিটি ২০২৩ সালের সময় টিভিতে প্রচারিত ‘গণতন্ত্র ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি’ শীর্ষক একটি টকশো শুরুর আগে তোলা হয়েছে।

রোববার (৯ আগস্ট) এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফ্যাক্টচেক প্রতিষ্ঠান ‘দ্য ডিসেন্ট’।

‘দ্য ডিসেন্টে’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আজ এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দীন পাটওয়ারী তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ছবি পোস্ট করেছেন, যার ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর বিশেষ বৈঠক।’

ছবিতে দেখা যায়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, বর্তমান বিএনপি সরকারের শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন এবং ইউএনবির উপদেষ্টা সম্পাদক ফরিদ হোসেন একটি কক্ষে বসে আছেন।

ছবিটি যাচাই করে দেখা গেছে, এটি মূলত ২০২৩ সালের ৫ এপ্রিল সময় টিভিতে প্রচারিত ‘গণতন্ত্র ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি’ শীর্ষক একটি টকশো শুরুর আগের সময়ের।

পাটওয়ারীর পোস্ট করা ছবির টাইমলাইন অনুযায়ী, ছবিটি ২০২৩ সালের ৫ এপ্রিল রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তোলা হয়। অন্যদিকে, সময় টিভিতে ওই সম্পাদকীয় টকশোর সরাসরি সম্প্রচার শুরু হয় রাত ১০টায়। অর্থাৎ, ছবিটি টকশো শুরুর প্রায় ১৫ মিনিট আগে ধারণ করা হয়েছিল।

তাছাড়া পাটওয়ারীর পোস্ট করা ছবিতে থাকা তিনজন যে ধরন ও রঙের পোশাক পরিহিত ছিল, টকশোতেও তাদের একই পোশাক দেখা যায়।

এদিকে আগের টকশোর ছবি ছড়িয়ে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উপস্থাপন করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও অপপ্রচার চালানোর অভিযোগে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ড. আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন মিডিয়া সেল।

নিন্দা বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ছবিটি ২০২৩ সালের ৪ মে, সময় টেলিভিশনের ‘রাতের টকশোর পূর্বে’-একটি পুরোনো ছবি। অথচ সেই ছবিকে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উপস্থাপন করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করছে একটি স্বার্থান্বেষী মহল। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনামলেও ড. আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলনের প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর কখনো স্তব্ধ করা যায়নি। তিনি নিয়মিতভাবে ফ্যাসিবাদী অপশাসনের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন এবং গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার পক্ষে সোচ্চার ছিলেন।

আরও বলা হয়, ‘দেশের উন্নয়ন, বিশেষ করে শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন ও সংস্কারের যে প্রচেষ্টা চলছে, তা বাধাগ্রস্ত করতেই একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গুজব ও অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। পুরোনো ছবি ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে জনমনে অস্থিরতা তৈরির এই অপচেষ্টা কোনোভাবেই কাম্য নয়। পুরোনো একটি ছবিকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর এই অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। গুজব নয়—সত্য ও তথ্যের ভিত্তিতেই কথা হোক। অপপ্রচার নয়—দেশ ও শিক্ষার উন্নয়নে সবাই ইতিবাচক ভূমিকা রাখুন।

এর আগে, সকালে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ছবি শেয়ার করেন। সেখানে বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী শাজাহান খান ও আরেক ব্যক্তিকে দেখা যায়। পোস্টের ক্যাপশনে পাটওয়ারী লেখেন, ‘শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর বিশেষ বৈঠক।’

তবে, ক্যামেরার সঙ্গে থাকা স্বয়ংক্রিয় দিন-তারিখে দেখা যায় ছবিটি ২০২৩ সালের ৫ এপ্রিল রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তোলা। বিষয়টি নিয়ে নেটিজেনরা তার পোস্টে বিরূপ মন্তব্য করতে শুরু করলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কমেন্টে নতুন তথ্য যুক্ত করেন।

তাতে তিনি দাবি করেন, এহছানুল হক মিলন ও শাজাহান খানের সঙ্গে বসে থাকা লোকটি পুলিশ কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাই চৌধুরী। তিনি চাঁদপুরের কচুয়া সার্কেলের বর্তমান সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর দাবি, আব্দুল হাই চৌধুরী ব্যারিস্টার সুমনের ভাই। তার ভাষ্য, ‘উনি তো ব্যারিস্টার সুমনের ভাই। তাহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে—এই আমলে তিনি কীভাবে এত দ্রুত প্রমোশন পেলেন এবং কীভাবে শিক্ষামন্ত্রীর নিজ এলাকায় পোস্টিং পেলেন? বিষয়টি নীতি, স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির প্রশ্নের সঙ্গে যেন অদ্ভুতভাবে জড়িয়ে যাচ্ছে। জনগণের স্বার্থে এর স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ব্যাখ্যা প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%